Tuesday, March 17, 2026

গড়ায়মান শিলার গায়ে শ‍্যাওলা জমেনা।

 প্রবাদটির মূল অর্থ হলো, যে ব্যক্তি সবসময় কর্মতৎপর থাকে এবং অলসতা পরিহার করে, তার জীবনে জড়তা বা ব্যর্থতা বাসা বাঁধতে পারে না।

এই গভীর জীবনদর্শনের কয়েকটি দিক নিচে আলোচনা করা হলো:
কর্মতৎপরতা: একটি পাথর যখন গড়িয়ে চলে, তখন তার গায়ে ধুলোবালি বা শ্যাওলা জমার সুযোগ পায় না। একইভাবে, একজন সক্রিয় মানুষ প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শেখার ও করার মধ্যে থাকলে তার মেধা ও দক্ষতা আরও শাণিত হয়।
অলসতা দূরীকরণ: স্থির বা পড়ে থাকা পাথরে যেমন শ্যাওলা ধরে তা নষ্ট হয়ে যায়, তেমনি অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা হয়ে দাঁড়ায়। কর্মহীন জীবন মানুষকে হতাশা ও স্থবিরতার দিকে ঠেলে দেয়।
অভিজ্ঞতা ও সমৃদ্ধি: চলমান পাথর যেমন ঘর্ষণের ফলে মসৃণ ও উজ্জ্বল হয়, তেমনি চড়াই-উতরাই পার করা মানুষ অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হয়।
সাফল্যের চাবিকাঠি: প্রবাদটি আমাদের শিক্ষা দেয় যে, জীবনে উন্নতি করতে হলে স্থবির থাকা চলবে না। ক্রমাগত চেষ্টা এবং গতির মাধ্যমেই সাফল্য অর্জন সম্ভব।
সহজ কথায়, নিজেকে সচল রাখা এবং প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করার মানসিকতাই মানুষকে শ্রেষ্ঠত্বের শিখরে নিয়ে যায়।

প্রতিদিন ৮ কথা ভবিষ্যত সাফল্যের জন্য

 কথা ১. আমার কাজ পৃথিবীর কেউ এগিয়ে দেবে না, আমার কাজ আমাকেই করতে হবে ।

কথা ২. আমি বিশ্বাস করি, আমার সাথে খুব ভালো কিছু হতে যাচ্ছে ।
কথা ৩. পৃথিবীর কোনোকিছুই স্থায়ী নয়, আমার সমস্যাগুলোও নয় ।
কথা ৪. হয়তো আমার স্বপ্নপূরণ খুব সহজে হবে না, কিন্তু আমাকে পারতেই হবে ।
কথা ৫. বাজে অভ্যাসগুলো ছাড়তে হবে, আমি আমার পরিশ্রমের ফল সুস্থভাবে দেখে যেতে চাই।
কথা ৬. আমি কখনোই আশা হারাবো না, কারণ কাল কি হবে আমি জানি না।
কথা ৭. জীবন অনেক কঠিন, কিন্তু আমি তার চেয়েও কঠিন ।
If life hits hard, hit back harder
কথা ৮. নীরবে কাজ করে যাব, আমার কাজই একদিন চিতকার করে সবার নজর কাড়বে ।
-স্পাইকস্টোরী

মানুষ, হিংসা, উদারতা

 “মানুষের আত্মা হলো আকাশের চেয়েও বৃহত। মহাসমুদ্র অথবা অন্তহীন অন্ধকার গভীর কেন্দ্র থেকেও গভীর। তাই উদারতায় মানুষ এত বিশাল। ভবিষ্যত দর্শনে এত পারঙ্গম। সৃজনশীলতায় এত কৃতবিদ্য। সিদ্ধান্ত গ্রহণে এত দক্ষ। ব্যক্তি হিসেবে হতে পারে সঙ্কীর্ণ, কৃপণ, হিংসুটে। কিন্তু সামাজিক প্রাণী হিসেবে, যুগ যুগ ধরে এক সাথে বাস করে অথবা বাস করতে হবে জেনে সেই সঙ্কীর্ণতা পরিহার করতে শিখেছে। কার্পণ্য বা হিংসুটেপনা ত্যাগ করতে মানুষই পারে। মনুষ্যত্বের ধর্মই এটা। মানুষের সৃষ্টি তাই আকাশের মতো উদার হয়। সর্বকল্যাণের উপযোগী হতে তাই হয় গভীর।”

Life is never smooth sailing. If you are a seafarer, you'll know what life is, and how much dearer life is.
Life can be a game changer if you value it closer to your heart, especially for others.
You are born free, but life doesn't make you free; it only makes you preoccupied, and you must be prepared for all eventualities; many times it brings peace and smiles to you.
However, to stay happy in life, you must move in an organized manner as also guide others in distress. Never trouble others; just move to stay as a good guide for youngsters.

হাসি বজায় রাখো

 বহুবার পঠিত কবিতাটি হঠাত মনে এলোঃ

কবি বিদায়বেলায় প্রিয়জনের মুখে হাসি বজায় রাখতে বলেছেন, এমনকি যদি তা বেদনাসিক্ত হয়। এর প্রেক্ষাপট হলো প্রিয়জনের চলে যাওয়ার বেদনা এবং তাকে বুকে ব্যথা নিয়ে না যাওয়ার মিনতি।
তুমি অমন ক’রে গো বারে বারে জল-ছল-ছল চোখে চেয়ো না,
জল-ছল-ছল চোখে চেয়ো না।
ঐ কাতর কন্ঠে থেকে থেকে শুধু বিদায়ের গান গেয়ো না,
শুধু বিদায়ের গান গেয়ো না।।
হাসি দিয়ে যদি লুকালে তোমার সারা জীবনের বেদনা,
আজো তবে শুধু হেসে যাও, আজ বিদায়ের দিনে কেঁদো না।
ঐ ব্যথাতুর আঁখি কাঁদো-কাঁদো মুখ
দেখি আর শুধু হেসে যাও,আজ বিদায়ের দিনে কেঁদো না।
চলার তোমার বাকী পথটুকু-
পথিক! ওগো সুদূর পথের পথিক-
হায়, অমন ক’রে ও অকর”ণ গীতে আঁখির সলিলে ছেয়ো না,
ওগো আঁখির সলিলে ছেয়ো না।।
দূরের পথিক! তুমি ভাব বুঝি
তব ব্যথা কেউ বোঝে না,
তোমার ব্যথার তুমিই দরদী একাকী,
পথে ফেরে যারা পথ-হারা,
কোন গৃহবাসী তারে খোঁজে না,
বুকে ক্ষত হ’য়ে জাগে আজো সেই ব্যথা-লেখা কি?
দূর বাউলের গানে ব্যথা হানে বুঝি শুধু ধূ-ধূ মাঠে পথিকে?
এ যে মিছে অভিমান পরবাসী! দেখে ঘর-বাসীদের ক্ষতিকে!
তবে জান কি তোমার বিদায়- কথায়
কত বুক-ভাঙা গোপন ব্যথায়
আজ কতগুলি প্রাণ কাঁদিছে কোথায়-
পথিক! ওগো অভিমানী দূর পথিক!
কেহ ভালোবাসিল না ভেবে যেন আজো
মিছে ব্যথা পেয়ে যেয়ো না,
ওগো যাবে যাও, তুমি বুকে ব্যথা নিয়ে যেয়ো না।।
-কবি কাজী নজরুল ইসলাম

Friday, February 27, 2026

আল্লাহর বাণী

 আল কুরআন, সূরা আন-নিসা (৪)-এর ৩২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তা'আলা নারী-পুরুষের পারস্পরিক ঈর্ষা পরিহার এবং নিজ নিজ কর্মফলের ওপর সন্তুষ্ট থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। আয়াতে বলা হয়েছে, "তোমরা তা কামনা করো না যা দ্বারা আল্লাহ তোমাদের কাউকে কারো উপর মর্যাদা (শ্রেষ্ঠত্ব) প্রদান করেছেন। পুরুষেরা তাদের কৃতকার্যের অংশ পাবে, নারীরাও তাদের কৃতকর্মের অংশ পাবে"

আয়াতের মূল বিষয়বস্তু:
ঈর্ষা না করা: আল্লাহ কাউকে কারো ওপর বিশেষ যে শ্রেষ্ঠত্ব বা বিশেষ যোগ্যতা দিয়েছেন, তার আকাঙ্ক্ষা বা ঈর্ষা না করার নির্দেশ।
কর্মফল অনুযায়ী প্রাপ্তি: নারী বা পুরুষ নিজ নিজ যোগ্যতা ও কাজের ওপর ভিত্তি করে তাদের অংশ পাবে।
আল্লাহর অনুগ্রহ প্রার্থনা: মানুষের উচিত একে অপরের প্রতি ঈর্ষা না করে বরং আল্লাহর কাছে তাঁর অনুগ্রহ প্রার্থনা করা, কারণ তিনি সবকিছু জানেন।
এই আয়াতটি নাযিল হওয়ার প্রেক্ষাপটে বলা হয়, এটি মানুষের মনে থাকা পারস্পরিক শ্রেষ্ঠত্বের আকাঙ্ক্ষা এবং কারো সম্পদের প্রতি লোভ পরিহার করার নির্দেশ দেয়। এটি মানুষকে তার নিজের অর্জিত কাজের ওপর মনোনিবেশ করতে উৎসাহিত করে।

"Do not trade your leverage for a lullaby"

 সাময়িক আরাম, মিথ্যা নিরাপত্তা, অথবা প্রশান্তিদায়ক আশ্বাসের জন্য তোমার কৌশলগত সুবিধা, ক্ষমতা, অথবা দীর্ঘমেয়াদী সম্ভাবনাকে ত্যাগ করো না।



Sufferings begins with Resistance; Peace begins with Acceptance."