অনেকের অভিজ্ঞতার সাথে খুব মিল আমারও অভিজ্ঞতা এমন।
Md. Abdus Sabur
Saturday, September 12, 2026
ঋণ খেলাপী ও দায় মুক্তি
একটি শক্তিশালী অনুস্মারক
অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের স্ত্রী প্রায়শই তাকে কাজে যাওয়ার সময় আরও পেশাদার পোশাক পরার পরামর্শ দিতেন। আইনস্টাইন সবসময় বলতেন, "আমি এটা কেন পরবো? ওখানে সবাই আমাকে চেনে।" কিন্তু যখন তাকে প্রথমবারের মতো একটি বড় সম্মেলনে যোগ দিতে হলো, তখন তার স্ত্রী তাকে একটু সাজতে অনুরোধ করলেন। এর উত্তরে আইনস্টাইন বললেন, "আমি এটা কেন পরবো? ওখানে কেউ আমাকে চেনে না!"
শরীরের সদকা করছেন তো?
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন যে, মানুষের শরীরের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের জন্য সদকা রয়েছে। এটি কেবল দান বা অর্থসম্পর্কিত নয়, বরং বিভিন্ন সৎ কাজও সদকার অন্তর্ভুক্ত। নীচে শরীরের সদকার কিছু উদাহরণ তুলে ধরা হলো:
Pyar Ki Jeet 1948 ছবির ছোট্ট কয়েকটি হৃদয় ছোঁয়া কথা
jeewan ke safar mein ham jinko samjhe the hamaare saathi hai,
The Apple Cider Vinegar Miracle
If you take 1 tablespoon of raw Apple Cider Vinegar, mix it in 8oz of warm water, and drink it first thing in the morning on an empty stomach…
"তোমরা কি ভেবে দেখেছো, তোমাদের বীর্যপাত সম্পর্কে?" — (সূরা আল-ওয়াকিয়া, আয়াত ৫৮)
أَفَرَأَيْتُم مَّا تُمْنُونَ
ভোর হওয়া ও মোরগের ডাক
আমরা সূর্য ওঠার আগেই মোরগের ডাক শুনে অভ্যস্ত। অনেকেই মনে করেন, মোরগ হয়তো মানুষের চেয়ে ৪৫ মিনিট আগে ভোরের আলো দেখতে পায়। তথ্যটি কিছুটা অতিরঞ্জিত হলেও এর পেছনে দারুণ কিছু সত্য লুকিয়ে আছে!
১.
মানুষের তুলনায় মোরগ-মুরগির দৃষ্টিশক্তি অনেক বেশি জটিল ও উন্নত। মানুষের চোখে যেখানে তিনটি রঙের সেন্সর বা 'কোন' (Cone) থাকে, এদের চোখে থাকে চারটি (যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় Tetrachromatic Vision বলে)। এর ফলে এরা অতিবেগুনি রশ্মি (UV light) দেখতে পারে। চোখের এই তীব্র সংবেদনশীলতার কারণে ভোরের দিগন্তে আলোর সামান্যতম পরিবর্তনও এরা মানুষের অনেক আগেই ধরে ফেলতে পারে।
২.
মোরগ যে শুধু আলো দেখেই ডাকে, তা কিন্তু নয়! জাপানের নাগোয়া ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের এক গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে দারুণ এক তথ্য। মোরগের ভেতরে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী 'বায়োলজিক্যাল ক্লক' বা 'সার্কাডিয়ান রিদম' (Circadian Rhythm) কাজ করে। এর মানে হলো, তারা শুধু আলোর ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং তারা আগে থেকেই অনুমান করতে পারে কখন ভোর হবে।
বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, যদি একটি মোরগকে পুরোপুরি অন্ধকার ঘরেও রাখা হয়, যেখানে বাইরের আলো মোটেও পৌঁছায় না, তবুও সেই মোরগটি ঠিক ভোরের নির্দিষ্ট সময়েই ডেকে ওঠে!
৩.
তীক্ষ্ণ দৃষ্টিশক্তি এবং বায়োলজিক্যাল ক্লক—এই দুইয়ের চমৎকার সমন্বয়ের কারণেই মোরগ এত আগে দিন শুরু করতে পারে। আর এ কারণেই আধুনিক ঘড়ি আবিষ্কারের অনেক আগে থেকেই পৃথিবীর সব প্রান্তের মানুষ মোরগকে সবচেয়ে বিশ্বস্ত অ্যালার্ম ঘড়ি হিসেবে ব্যবহার করে এসেছে।
https://bn.quora.com/profile/Md-Mehedi-Hasan-983