Friday, October 23, 2026

গল্প, কণ্যা সন্তান নিয়ে

 কথিত আছে, এক বেদুইন ব্যক্তি তাঁর চাচাতো বোনকে বিয়ে করেছিলেন এবং তাঁদের ঘরে নয়টি পুত্র সন্তান জন্ম নিয়েছিল। কিন্তু দশম গর্ভাবস্থায় তিনি এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। কন্যার জন্মের খবর শুনে সেই ব্যক্তি গভীর শোক ও অপমানে ভেঙে পড়েন এবং আর্তনাদ করে ওঠেন, "হায়, আমার কালো রাত... হায়, আমার কালো রাত!" এরপর তিনি তাঁর স্ত্রীর প্রতি বিরূপ ও অকৃতজ্ঞ আচরণ করতে শুরু করেন—যেন কন্যাটির জন্ম বা তাকে সৃষ্টি করার জন্য স্ত্রী-ই দায়ী ছিলেন।

বহু বছর কেটে গেল; পিতা বৃদ্ধ ও দুর্বল হয়ে পড়লেন এবং একসময় দৃষ্টিশক্তি হারালেন। তাঁর ছেলেরা বিয়ে করে নিজেদের সংসার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ল এবং অন্ধ পিতাকে ভুলে গেল।

তাঁর কন্যারও বিয়ে হয়েছিল, কিন্তু বাবার দুর্দশার কথা শুনে সে দ্রুত তাঁর পাশে এসে দাঁড়াল। সেখানে পৌঁছে সে বাবাকে গোসল করাল, তাঁবু পরিষ্কার করল এবং তাঁর জন্য খাবার তৈরি করল। পিতা এমন এক প্রশান্তি অনুভব করলেন যা তিনি আগে কখনো পাননি। মেয়েটি যখন ওষুধ দেওয়ার জন্য তাঁর কাছে এল, তিনি তার হাত ধরে জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কে, মহীয়সী কন্যা?"

চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়লে সে উত্তর দিল, "আমিই আপনার সেই 'কালো রাত', বাবা।" তিনি বুঝতে পারলেন যে সে-ই তাঁর মেয়ে এবং অঝোরে কাঁদতে লাগলেন; গভীর অনুশোচনা ও গ্লানি নিয়ে বললেন: "আমাকে ক্ষমা করো, মা; আহা, যদি সব রাতই এমন অন্ধকার হতো."

এরপর তিনি এই পঙক্তিগুলো আবৃত্তি করলেন:

"আহা, যদি সব রাতই অন্ধকার হতো—কারণ রাতের অন্ধকারেই তো লুকিয়ে থাকে সুখ।

সময় যদি ফিরে আসত—তবে আমি তাকেই সবার চেয়ে বেশি আগলে রাখতাম।

সে ছাড়া আর কেউ আমাকে সম্মান জানায় না বা আমার খোঁজখবর নিতে ফিরে আসে না।

নয়টি পুত্র—সবাই অকৃতজ্ঞ—তারা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে এবং আমার কোনো খোঁজ নেয় না।

অথচ, কস্তুরী ও উদের সুবাসের মতোই, আমার মেয়েটি প্রতিদিন আমার সামনে এসে দাঁড়ায়।"

Wednesday, October 7, 2026

সকল নবী-রাসূলদের প্রতি সাধারণ সালামঃ

 

سُبْحَانَ رَبِّكَ رَبِّ الْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُونَ وَسَلَامٌ عَلَى الْمُرْسَلِينَ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
সুব‘হা-না রাব্বিকা রাব্বিল ইযযাতি ‘আম্মা ইয়াসিফুন; ওয়া সালামুন ‘আলাল মুরসালিন; ওয়াল ‘হামদু লিল্লাহি রাব্বিল ‘আলামিন।
বাংলা অর্থ:"পবিত্রতা আপনার রবের, যিনি পরাক্রম ও সম্মানের মালিক; তারা (আল্লাহর শানে) যা বলে
"এবং শান্তি বর্ষিত হোক রাসূলগণের ওপর।।"
"আর সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।"
গুরুত্ব ও আমল:সহীহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত যে, কোনো মজলিস, আলোচনা বা বৈঠক শেষ করার সময় এই দোয়াটি পাঠ করলে সেখানের ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা হয়ে যায়। সুনানে আবু দাউদসহ বিভিন্ন হাদিস গ্রন্থে এটি পাঠ করার কথা উল্লেখ রয়েছে।
এই আয়াতগুলো কি দরুদ হিসেবে পাঠ করা যায়?
না, এই আয়াতগুলো সরাসরি 'দরুদ' (দরুদ শরীফ) হিসেবে গণ্য হয় না এবং দুরুদ হিসেবে পাঠ করা যায় না। তবে এই আয়াতগুলোর সাথে নবী-রাসূলদের প্রতি সালাম ও আল্লাহর প্রশংসার একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
দরুদ এবং এই আয়াতগুলোর মধ্যে পার্থক্য নিচে তুলে ধরা হলো:
১. দরুদ এবং এই আয়াতের মূল পার্থক্যদুরুদ কী: দরুদ হলো সুনির্দিষ্টভাবে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি আল্লাহর রহমত, বরকত ও শান্তি কামনার দোয়া (যেমন: দরুদে ইব্রাহিম বা সংক্ষেপে 'সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম')।
এই আয়াতগুলো কী: এগুলো পবিত্র কুরআনের সূরা আস-সাফফাত-এর শেষ তিনটি আয়াত (১৮০-১৮২)। এখানে আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করা হয়েছে, সকল নবী-রাসূলদের প্রতি সাধারণ সালাম জানানো হয়েছে এবং আল্লাহর প্রশংসা করা হয়েছে।
২. সালামের অংশ হিসেবে এর মর্যাদাএই আয়াতের দ্বিতীয় অংশে বলা হয়েছে: "ওয়া সালামুন আলাল মুরসালিন" (এবং শান্তি বর্ষিত হোক রাসূলগণের ওপর)। এখানে সুনির্দিষ্টভাবে শুধু আমাদের নবী (সা.) নন, বরং ইতিহাস জুড়ে প্রেরিত সকল নবী ও রাসূলদের প্রতি সালাম পাঠানো হয়েছে। তাই এটি সব রাসূলের প্রতি সালাম হিসেবে অত্যন্ত চমৎকার একটি আমল।
৩. আমলের সঠিক নিয়ম
রাসূলুল্লাহ (সা.) কোনো বৈঠক, মজলিস বা দোয়ার শেষে এই আয়াতগুলো পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। হাদীসে এসেছে, কোনো মজলিস শেষ করার সময় এই আয়াতগুলো পাঠ করলে মজলিসের সওয়াব পরিপূর্ণ হয় এবং কোনো ত্রুটি থাকলে তা ক্ষমা হয়ে যায়।তাই নিয়ম হলো—আপনি প্রথমে নবী করীম (সা.)-এর প্রতি প্রচলিত কোনো দুরুদ শরীফ পাঠ করবেন, এবং এরপর দোয়ার শেষে বা মজলিস শেষ করার সময় এই আয়াতগুলো পাঠ করবেন।


সম্মান

 ২০১০ সালে চীনের ঝেং-কাই ম্যারাথনে জয়ের অন্যতম দাবিদার ছিলেন কেনিয়ার দৌড়বিদ জ্যাকুলিন নিয়েতিপেই কিপলিমো। দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু প্রায় ১০ কিলোমিটার অতিক্রম করার পর তার নজরে পড়ে অন্য এক প্রতিযোগী, যিনি পানি নেওয়ার সময় সমস্যায় পড়ছিলেন। ওই চীনা দৌড়বিদের দুই হাতই ছিল না। ফলে পানি পানের স্টেশনগুলোতে নিজে থেকে পানি নেওয়া তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ছিল। কিপলিমো তখন একটি সিদ্ধান্ত নেন। নিজের গতি ধরে রেখে জয়ের দিকে এগিয়ে যাওয়ার বদলে তিনি ওই দৌড়বিদের পাশে থেকে দৌড়াতে শুরু করেন। পরবর্তী প্রতিটি পানির স্টেশনে তাকে পানি খেতে সাহায্য করেন। কিপলিমোর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ১০ কিলোমিটার থেকে ৩৮ কিলোমিটার পর্যন্ত তিনি ওই প্রতিযোগীর পাশেই ছিলেন এবং প্রতিটি স্টেশনে পানি তুলে দেন। এই সাহায্যের মূল্যও দিতে হয়েছিল তাকে। গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তিনি প্রথম হতে পারেননি, দ্বিতীয় হয়ে দৌড় শেষ করেন। একই সঙ্গে হাতছাড়া হয় বিজয়ীর জন্য নির্ধারিত ১০ হাজার ডলারের পুরস্কার। পরে কিপলিমো জানান, তিনি জানতেন অন্য প্রতিযোগীকে সাহায্য করলে নিজের জয়ের সম্ভাবনা কমে যাবে। তবুও এমন একজন মানুষকে অসহায় অবস্থায় ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। ম্যারাথনে তিনি প্রথম হননি। কিন্তু তার সেই সিদ্ধান্ত খেলাধুলার ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছে অন্য ধরনের এক জয়ের জন্য, যেখানে ফিনিশ লাইনের চেয়ে একজন সহযাত্রীর প্রয়োজনকে বড় করে দেখা হয়েছিল।

Jahidnotes
বিএন.কোরা.কম

মাটি থেকে মাটিতে

 'মিনহা খালাকনাকুম ওয়া ফিহা নুইদুকুম ওয়া মিনহা নুখরিজুকুম তারাতান উখরা'

-সূরা ত্বহা-এর ৫৫ নম্বর আয়াতের একটি অংশ
সূরা ত্বহা-এর ৫৫ নম্বর আয়াতের একটি অংশ, যার অর্থ—"এ থেকেই (মাটি থেকে) আমি তোমাদের সৃষ্টি করেছি, এতেই আমি তোমাদের ফিরিয়ে দেব এবং এ থেকেই আমি তোমাদের পুনরায় বের করব।"
অর্থ ও পরিচিতি
• প্রথম অংশ: মিনহা খালাকনাকুম (আমি মাটি থেকে তোমাদের সৃষ্টি করেছি)।
• দ্বিতীয় অংশ: ওয়া ফিহা নুঈদুকুম (আর মাটিতেই তোমাদের ফিরিয়ে আনব)।
• তৃতীয় অংশ: ওয়া মিনহা নুখরিজুকুম তারাতান উখরা (এবং পুনরায় তোমাদের মাটি থেকে বের করব)।


Friday, October 2, 2026

সকল নবী-রাসূলদের প্রতি সাধারণ সালামঃ

 

سُبْحَانَ رَبِّكَ رَبِّ الْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُونَ وَسَلَامٌ عَلَى الْمُرْسَلِينَ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
সুব‘হা-না রাব্বিকা রাব্বিল ইযযাতি ‘আম্মা ইয়াসিফুন; ওয়া সালামুন ‘আলাল মুরসালিন; ওয়াল ‘হামদু লিল্লাহি রাব্বিল ‘আলামিন।
বাংলা অর্থ:"পবিত্রতা আপনার রবের, যিনি পরাক্রম ও সম্মানের মালিক; তারা (আল্লাহর শানে) যা বলে
"এবং শান্তি বর্ষিত হোক রাসূলগণের ওপর।।"
"আর সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।"
গুরুত্ব ও আমল:সহীহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত যে, কোনো মজলিস, আলোচনা বা বৈঠক শেষ করার সময় এই দোয়াটি পাঠ করলে সেখানের ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা হয়ে যায়। সুনানে আবু দাউদসহ বিভিন্ন হাদিস গ্রন্থে এটি পাঠ করার কথা উল্লেখ রয়েছে।
এই আয়াতগুলো কি দরুদ হিসেবে পাঠ করা যায়?
না, এই আয়াতগুলো সরাসরি 'দরুদ' (দরুদ শরীফ) হিসেবে গণ্য হয় না এবং দুরুদ হিসেবে পাঠ করা যায় না। তবে এই আয়াতগুলোর সাথে নবী-রাসূলদের প্রতি সালাম ও আল্লাহর প্রশংসার একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
দরুদ এবং এই আয়াতগুলোর মধ্যে পার্থক্য নিচে তুলে ধরা হলো:
১. দরুদ এবং এই আয়াতের মূল পার্থক্যদুরুদ কী: দরুদ হলো সুনির্দিষ্টভাবে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি আল্লাহর রহমত, বরকত ও শান্তি কামনার দোয়া (যেমন: দরুদে ইব্রাহিম বা সংক্ষেপে 'সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম')।
এই আয়াতগুলো কী: এগুলো পবিত্র কুরআনের সূরা আস-সাফফাত-এর শেষ তিনটি আয়াত (১৮০-১৮২)। এখানে আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করা হয়েছে, সকল নবী-রাসূলদের প্রতি সাধারণ সালাম জানানো হয়েছে এবং আল্লাহর প্রশংসা করা হয়েছে।
২. সালামের অংশ হিসেবে এর মর্যাদাএই আয়াতের দ্বিতীয় অংশে বলা হয়েছে: "ওয়া সালামুন আলাল মুরসালিন" (এবং শান্তি বর্ষিত হোক রাসূলগণের ওপর)। এখানে সুনির্দিষ্টভাবে শুধু আমাদের নবী (সা.) নন, বরং ইতিহাস জুড়ে প্রেরিত সকল নবী ও রাসূলদের প্রতি সালাম পাঠানো হয়েছে। তাই এটি সব রাসূলের প্রতি সালাম হিসেবে অত্যন্ত চমৎকার একটি আমল।
৩. আমলের সঠিক নিয়মরাসূলুল্লাহ (সা.) কোনো বৈঠক, মজলিস বা দোয়ার শেষে এই আয়াতগুলো পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। হাদীসে এসেছে, কোনো মজলিস শেষ করার সময় এই আয়াতগুলো পাঠ করলে মজলিসের সওয়াব পরিপূর্ণ হয় এবং কোনো ত্রুটি থাকলে তা ক্ষমা হয়ে যায়।তাই নিয়ম হলো—আপনি প্রথমে নবী করীম (সা.)-এর প্রতি প্রচলিত কোনো দুরুদ শরীফ পাঠ করবেন, এবং এরপর দোয়ার শেষে বা মজলিস শেষ করার সময় এই আয়াতগুলো পাঠ করবেন।

ছেঁড়া মোজা সেলাই করার পরে আর কোনো ছেঁড়া অবশিষ্ট না থাকলে সেই মোজার ওপরে মাসেহ করলে ওযু শুদ্ধ হবে কি না?

 উত্তরঃ

হ্যাঁ, ছেঁড়া মোজা সুন্দরভাবে সেলাই করার পর যদি কোনো ছেঁড়া বা ছিদ্র অবশিষ্ট না থাকে, তবে তার ওপর মাসেহ করলে ওযু শুদ্ধ হবে। ইসলামি শরিয়তের নিয়ম অনুযায়ী, মোজা ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে যে মাসেহ্ করার অযোগ্যতা তৈরি হয়েছিল, তা সেলাই করে ত্রুটিমুক্ত করার মাধ্যমে দূর হয়ে যায়।
তবে এই মোজার ওপর মাসেহ করার ক্ষেত্রে ইসলামি ফেকাহ অনুযায়ী সাধারণ কিছু শর্ত প্রযোজ্য থাকবে:
পবিত্র অবস্থায় পরিধান: মোজাটি অবশ্যই পূর্বে পূর্ণ ওযু থাকা অবস্থায় পরিধান করতে হবে।
উপযুক্ত উপাদান (হানাফি মাযহাব মতে): হানাফি ফিকহ অনুযায়ী, মোজাটি যদি কাপড়ের বা সুতার হয়, তবে সেটি যথেষ্ট মোটা ও পুরু হতে হবে। অর্থাৎ, মোজাটি এতটুকু মজবুত হতে হবে যা বেঁধে রাখা ছাড়াই পায়ে টিকে থাকে এবং তা পরে তিন মাইল বা তার চেয়ে বেশি হাঁটা যায়। একেবারে পাতলা সুতা বা নাইলনের মোজা হলে (যা সেলাই করলেও পাতলাই থাকে এবং পানি চুইয়ে ভেতরে যায়) তার ওপর মাসেহ জায়েজ হবে না। তবে অন্যান্য কিছু ফকিহ ও মাযহাবের মতে সাধারণ কাপড়ের মোজার ওপরও মাসেহ করা জায়েজ।
ছেঁড়ার পরিমাপ: সেলাই করার পূর্বে বা পরে যদি মোজায় পায়ের ছোট আঙুলের তিন আঙুল পরিমাণ বা তার বেশি ছেঁড়া অংশ উন্মুক্ত থাকে, তবেই কেবল মাসেহ বাতিল হয়। যেহেতু এটি সেলাই করে সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, তাই এতে মাসেহ করতে কোনো বাধা নেই।
সুতরাং, মোজাটি যদি শরিয়তের নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে (মোটা ও টাখনু পর্যন্ত ঢাকা থাকে) এবং ওযু করে পরা হয়ে থাকে, তবে সেলাইকৃত মোজার ওপর নির্দ্বিধায় মাসেহ করতে পারবেন।

আদা সম্পর্কে ৫টি আশ্চর্যজনক তথ্য:

১. আদা ছিল এক সময় ‘সোনার দামের সমান’!
মধ্যযুগে ইউরোপে আদা এতটাই দামী ছিল যে, এক পাউন্ড আদার দাম ছিল এক ভেড়ার সমান!
২. রান্না করা আদা ও কাঁচা আদার উপকার আলাদা!
কাঁচা আদা প্রদাহ কমাতে বেশি কার্যকর, আর রান্না করা আদা হজমে বেশি সহায়ক। মানে কোনটা কীভাবে খাবেন, তাও গুরুত্বপূর্ণ।
৩. জার্মানিতে আদা দিয়ে বিয়ার বানানো হয়!
বিশ্বের অনেক দেশে আদা দিয়ে বানানো হয় Ginger Beer বা Ginger Ale, যা কোমল পানীয় হলেও হজমে সাহায্য করে।
৪. আদা ত্বকের বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে!
আদার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকের বয়সের ছাপ ও বলিরেখা কমিয়ে স্কিন টোন উজ্জ্বল রাখতে পারে।
৫. গাড়িতে উঠলে বমি বোধ হলে আদা জাদুর মতো কাজ করে!
Adacapsule বা আদা চিবিয়ে খেলে গাড়ির যাত্রায় বমি ভাব বা মাথা ঘোরানো অনেক কমে যায়। একে বলে motion sickness relief.