Wednesday, April 1, 2026

Hard truths

 1. Stay away from those who stay close to everyone.

2. Being alone is better than being used.
3. Money gives you the ability to walk away from people & situations you don't like.
4. I don't care if it's lonely at the top; It was lonely at the bottom.
5. Loyalty is rare. If you find it, keep it.
6. Rule number 1: Believe in yourself.
7. Jealousy is a lack of confidence.
8. Stop thinking everyone is your friend.
9. Don't forget how badly you wanted what you have now. Blessings are always coming to us.
10. Don't regret having a good heart; All good things come back and multiply.

Monday, March 30, 2026

হাঁড়িচাচা পাখি, গাঁয়ের পাখী

 বাঁজখাই গলায় ডাকতে ওস্তাদ।

বৈজ্ঞানিক নাম: Dendrocitta vagabunda) বা শুধু হাঁড়িচাচা Corvidae (কর্ভিডি) গোত্র বা পরিবারের অন্তর্গত Dendrocitta (ডেন্ড্রোসিট্টা) গণের এক প্রজাতির লম্বা লেজের পাখি।
খয়েরি হাঁড়িচাচা লালচে চোখ ও লম্বা লেজবিশিষ্ট সর্বভূক পাখি। এদের দৈর্ঘ্য কমবেশি ৫০ সেন্টিমিটার, ডানা ১৫ সেন্টিমিটার, ঠোঁট ৩.২ সেন্টিমিটার, পা ৩.৩ সেন্টিমিটার ও লেজ ২৩ সেন্টিমিটার। ওজন ১১৫ গ্রাম। প্রাপ্তবয়স্ক পাখির পিঠের দিক লালচে-বাদামি। দেহের নিচের দিক খয়েরি রঙের। মাথা, ঘাড়ের পিছনের অংশ এবং বুক কালচে-স্লেট ধূসর। দেহের পিছনের ভাগ লালচে। পেট ও অবসারণী ঈষৎ পীত বর্ণের। ডানার পালক-ঢাকনি কালো। ডানার গোড়া থেকে শেষ পর্যন্ত খোপ খোপ সাদা বা ফিকে ধূসর পালক থাকে। এর সাদা পট্টি ওড়ার সময় স্পষ্ট চোখে পড়ে। লম্বা ধূসর লেজের আগায় কালো ফিতা থাকে। চোখ কমলা-বাদামি থেকে সামান্য বাদামি লাল। ঠোঁট বলিষ্ঠ। ঠোঁটের রঙ কালচে-ধূসর। ঠোঁটের গোড়ার নিচের অংশ অপেক্ষাকৃত হালকা। পা ও পায়ের পাতা কালচে-বাদামি। স্ত্রী ও পুরুষ পাখির চেহারা অভিন্ন। অপ্রাপ্তবয়স্ক পাখির মাথা তুলনামূলক বাদামি। এছাড়া ডানার পালক-ঢাকনিতে পীতাভ আভা থাকে। লেজের আগা ফিকে পীতাভ এবং মুখের রঙ মেটে হয়।
খয়েরি হাঁড়িচাচা সাধারণত খোলা বন, বনের ধার, বৃক্ষবহুল অঞ্চল, বাগান, গ্রাম, রাস্তার ধারের গাছ এমনকি শহুরে পার্কেও বিচরণ করে। সাধারণত একা, জোড়ায় জোড়ায় কিংবা পারিবারিক দলে ঘুরে বেড়ায়। এদের জোড়ার বন্ধন বেশ শক্ত থাকে। এরা বছরের পর বছর একসাথে থাকে ও বংশবৃদ্ধি করে যায়। পত্রবহুল গাছে কিংবা মাটিতে ঝরাপাতা উল্টে এরা খাবার খোঁজে। মাটিতে এদের খুব কম নামতে দেখা যায়। এদের খাদ্যতালিকায় রয়েছে বিভিন্ন পোকামাকড়, পাকা ফল, ফুলের মধু, অমেরুদণ্ডী প্রাণী, ব্যাঙ (গেছোব্যাঙ বেশি প্রিয়), ছোট সরীসৃপ, ছোট সাপ, বাদুড়, ইঁদুর, ছুঁচো, কাঠবিড়ালী, পাখির ছানা ও ডিম এবং পচা মাংস। বিপদে পড়লে এরা কেঁচো, বিছে, মাকড়সা, শামুক ও চামচিকা খায়। এরা খুব একটা ভাল শিকারী নয়। মাঝে মাঝে দুই সদস্যের ছোট দলের মাধ্যমে একযোগে শিকার করে। পাখির জগতে এরা ডাকাত পাখি হিসেবে পরিচিত। কারণ এরা অন্য পাখির ডিম ও বাচ্চা খায়। কোন কোন ক্ষেত্রে সাধারণ এদের পাখিদের তাড়া খেতে হয়। মাঝে মাঝে এরা উঁচু কণ্ঠে ডাকে: কিটার-কিটার-কিটার...., চাটুক্-চুক্-চ্যাক্-চ্যাক্...., মী-আউ....। এরা কর্কশ স্বরে ক্যাঁচ্ ক্যাঁচ্ করে ডাকে। সে জন্য বাংলাদেশের কোথাও কোথাও একে ক্যাঁচ ক্যাঁইচ্চা নামে ডাকা হয়। এরা আবার চাপা অট্টহাসির মত ডাক ছাড়তে পারে।
মার্চ থেকে জুলাই এদের প্রধান প্রজনন মৌসুম। বাসা বাঁধার জায়গা নির্বাচন করতে এক থেকে তিনদিন সময় লাগে। বাসা বানাতে ৪-৭ দিন সময় লাগে। স্ত্রী ও পুরুষ হাঁড়িচাচা উভয়ে মিলে বাসা বানায়। বনের ধারে লতা, ডালপালা, বাঁশের কঞ্চি, পাতা ও মূল দিয়ে বাসা করে। বাসা গোলাকার ও কাকের বাসার মত আগোছালো। ভূমি থেকে বাসার উচ্চতা ৬ থেকে ৮ মিটার উঁচুতে হয়। বাসা বানানো হলে ৪-৫টি ডিম পাড়ে। ডিম রঙে ব্যাপক বৈচিত্র্য লক্ষ্য করা যায়। সাধারণত ডিমের বর্ণ স্যামন-সাদা রঙের হয়। এছাড়া সবুজাভ, পাটকিলে, লালচে ও গোলাপি ডিমও দেখা যায়। ডিমের উপর অনেক সময় লালচে বাদামি ছিট ছিট থাকে। ডিম আকারে কিঞ্চিৎ গোলাকার হয়। ডিমের মাপ ২.৯ × ২.১ সেন্টিমিটার। ১৭-১৯ দিনে ডিম ফুটে ছানা বের হয়। বাবা-মা উভয়ে ছানাদের খাওয়ানোর ভার নেয়। ২৯-৩০ দিনে ছানারা বাসা ছাড়ে।
শরীরে সাদা কালো রঙ্গের সমাবেশের জন্য এবং এরা বৃক্ষবিহারী বলে ইংরেজ নাম দিয়েছে “দি ট্রিপাই”। এদের বাংলা সংজ্ঞাটি, গলার স্বরের জন্য লাভ করেছে। মাটির হাঁড়ি একখানি খোলা দিয়া ঘর্ষণ করলে যে শ্রুতিকটু শব্দ উৎপন্ন হয়, তার সহিত এদের স্বরের সাদৃশ্য বশতঃই বোধহয় এই নাম, বা বদনাম, লাভ করেছে। তবে সব সময়েই যে ঐরূপ কর্কশ স্বর ইহার কণ্ঠ হতে বের হয়, তা নয়। প্রজনন ঋতুতে এদের যে স্বরকে কে শ্রুতিকটু বলা যাবে না। বায়সের জ্ঞাতিভ্রাতা হলেও তাদের মত অশ্রাব্য কর্কশ স্বর নয়। সাধারণতঃ যে স্বরটা নিঃসৃত হয় ইংরেজ লেখকরা তার পরিভাষা করেছেন—“কক্‌-লী”। পূৰ্ব্ববঙ্গের গ্রাম্য অঞ্চলের পরিভাষা “কুটুম-আলি” অর্থাৎ কুটুম্ব আসিলি। তাই “কুটুম” পাখীও বলে। এই পাখী বাড়িতে এসে ঘন ঘন ডাকলে বাড়ীতে কুটুম্ব আসে, এই প্রবাদ পূর্ব্ববঙ্গে প্রচলিত আছে। এদের কণ্ঠস্বর একটু উচ্চগ্রামের হলেও বর্ষাকালে তা বেশ মিষ্টি।
তথ্যসূত্র : উইকিপিডিয়া, বাঙ্গলার পরিচিত পাখী/হাঁড়িচাচা।

বাঁধাকপি

 বাঁধাকপি একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর, কম ক্যালোরিযুক্ত এবং ফাইবার ও ভিটামিন সি, কে-সমৃদ্ধ শীতকালীন সবজি । এটি নিয়মিত খেলে হজমশক্তি বাড়ে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে । এছাড়া, এটি হার্টের স্বাস্থ্য রক্ষা, আলসার নিরাময়, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর এবং হাড় মজবুত রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

বাঁধাকপি খাওয়ার প্রধান উপকারিতাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর: প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও সেলুলোজ থাকায় বাঁধাকপি হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ: এতে ক্যালোরি খুব কম এবং উচ্চ ফাইবার থাকায়, এটি পেট ভরা রাখে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও ত্বক: উচ্চ ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ত্বক উজ্জ্বল ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে ।
হার্ট সুস্থ রাখা: বাঁধাকপিতে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার অন্ত্রে চর্বি শোষণ কমায় এবং খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমাতে সাহায্য করে।
হাড়ের স্বাস্থ্য: ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়ামের মতো উপাদান হাড় মজবুত রাখে এবং বার্ধক্যজনিত হাড়ের সমস্যা প্রতিরোধ করে।

Real Love Vs. Fake Love The Difference!

 Real Love Vs. Fake Love

The Difference!

পুরুষের পতন তার লালসায় নারীর পতন তার লোভে।

 লোভ (Greed): কোনো কিছু পাওয়ার অতিশয় আকাঙ্ক্ষাকে লোভ বলে। এটি সাধারণত ধন-সম্পদ, ক্ষমতা বা পার্থিব জিনিসের প্রতি আসক্তি বোঝায়। যখন মানুষের চাহিদা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি হয়ে যায় এবং সে যেকোনো উপায়ে তা পেতে চায়, তখন তাকে লোভ বলা হয়।

লালসা (Lust): লালসা মূলত তীব্র শারীরিক বা ইন্দ্রিয়জ কামনার সাথে সম্পর্কিত। এটি শরীরের আনন্দ বা কোনো কিছুর প্রতি প্রচণ্ড আবেগপ্রবণ আকাঙ্ক্ষাকে নির্দেশ করে। অনেক ক্ষেত্রে 'লালসা' শব্দটি যৌন আকাঙ্ক্ষার ক্ষেত্রে অধিক ব্যবহৃত হয়, যদিও এটি ক্ষমতা বা অন্য কোনো বিষয়েও অতি-আসক্তি বোঝাতে পারে।
সহজ কথায়, লোভ হলো কোনো কিছু নিজের করার আকাঙ্ক্ষা, আর লালসা হলো কোনো কিছু উপভোগ করার উগ্র বাসনা। ধর্মীয় ও নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে উভয়ই মানুষের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে বিবেচিত হয়।

রাগের বশে “বা’ল” শব্দটা বলে ফেলি, হিসেব কষিনা পাপ বা পূণ‍্যের!!

 আজকাল আমরা অনেকেই হালকাভাবে, কখনো মজা করে আবার কখনো রাগের বশে “বা’ল” শব্দটা বলে ফেলি।কিন্তু একবারও কি মনে প্রশ্ন জাগে—এই শব্দটার আসল পরিচয় কী?

তবে শুনুন!
বা'ল ছিল একটি বিশালাকার মূর্তি, যা বিশুদ্ধ সোনা দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। এটি প্রায় ২০ কিউবিট (প্রায় ১০-১৫ মিটার) উঁচু ছিল এবং মূর্তিটির চারটি মুখ ছিল।
প্রাচীনকালে সিরিয়া এবং আরবের কিছু অংশে বা'ল মূর্তিটি অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে পূজা করা হতো। ফিনিশীয়, কেনানীয়, মোয়াবীয় এবং মিদিয়ানীয় উপজাতিদের মধ্যে এই মূর্তির পূজা খুব প্রচলিত ছিল। ইসলামের পূর্বে আরবের হুবল (Hubal) মূর্তিও বা'ল এর একটি নামান্তর বলে ধারণা করা হয়।
সেমিটিক ও হিব্রু ভাষায় বা'ল শব্দের অর্থ হলো প্রভু, মালিক বা প্রতিপালক। পরবর্তীতে এটি মূর্তির একটি বিশেষ নাম হিসেবে পরিচিতি পায়।
বা'ল এর সম্মানে বিশাল উৎসব আয়োজন করা হতো। ৪শ জন পুরোহিত এই মূর্তির সেবায় নিযুক্ত ছিল। তারা এই বা'ল-এর সন্তুষ্টির জন্য বড় বড় উৎসব করতো, ধূপ জ্বালাতো, পশু কোরবানি দিতো। ইতিহাসে এমন কথাও পাওয়া যায়, কিছু ক্ষেত্রে মানুষও কোরবানি দেওয়া হতো—যা ছিল অত্যন্ত ভয়ংকর ও বিভ্রান্তিকর বিশ্বাসের ফল।
হযরত ইলিয়াস (আঃ) তাঁর জাতিকে সতর্ক করেছিলেন, যখন তারা আল্লাহকে ছেড়ে বা'ল এর পূজায় লিপ্ত হয়েছিল। তিনি তাদেরকে এক আল্লাহর ইবাদতের দিকে ফিরে আসার আহ্বান জানান। কিন্তু তারা অমান্য করলে তাদের ওপর শাস্তি নেমে আসে। হযরত ইলিয়াস (আঃ) সিরিয়ার বালবেক (Baalbek) শহরে এই মূর্তিপূজা বন্ধ করার জন্য প্রেরিত হয়েছিলেন। সেখানকার লোকেরা আল্লাহকে ছেড়ে বা'ল এর পূজা করতো।
বা'ল পূজা করার কারণে আল্লাহ তায়ালা সেই জাতির ওপর তিন বছরের দুর্ভিক্ষ ও অনাবৃষ্টির শাস্তি নাজিল করেছিলেন।
আমরা যে শব্দগুলো সহজে ব্যবহার করি, সেগুলোর পেছনে কী ইতিহাস আছে—তা কি কখনো ভেবে দেখি?
হে আল্লাহ, আমরা অজান্তে যে ভুলগুলো করে ফেলি—আপনি সেগুলো ক্ষমা করে দিন।আমাদের জিহ্বা ও অন্তরকে পবিত্র রাখুন, যাতে আমরা আর এমন ভুল না করি।সত্য বুঝে তা মেনে চলার তৌফিক দিন, এবং শিরক থেকে হেফাজত করুন।আমরা প্রতিজ্ঞা করছি—জেনে-বুঝে আর এমন শব্দব্যবহার করবো না।আপনি আমাদেরকে সঠিক পথে রাখুন। আমীন।

জীবন ও বাস্তবতা বাস্তব জীবনে ঘটে যাওয়া কিছু অংশ হতে পরামর্শঃ

 অনলাইনের পরিচিত কারো সাথে বেশি ক্লোজ হওয়ার চেষ্টা করবেন না। কারণ অনলাইনে পরিচিত মানুষের জন্য আপনি একসময় কষ্ট, মনঃখুন্ন হতে পারেন।কারণ অনলাইনে পরিচিত কেউ বেশি দিন থাকে না। বরং আগের চেনা মানুষেরা সবসময় পাশে থাকে।

কোনো মানুষ জীবন থেকে চলে গেলে বেশি কষ্ট পাবেন না। কারণ মানুষ শুধু চলে যায় না। আপনাকে নতুন এক অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যায়। আপনি তার থেকে কিছু শিখতে পারেন,ভিন্ন কিছু পেতে পারেন। আফসোস করবেন না।
আমরা এই দুনিয়ায় শুধু দেহটা নিয়ে এসেছিলাম। পৃথিবী আমাদের সব দিয়েছে। তাই হারানোর কিছু নাই। সবই ভ্রম, কেউ কিছুর মালিক নয়।
নিজেকে সহজলভ্য করবেন না। নিজের আত্মসম্মান, ব্যক্তিত্ব ধরে রাখুন। নিজেকে বিলিয়ে দিবেন না যারতার কাছে। আপনি দুনিয়ায় একজন এবং ইউনিক।
স্রষ্টা কে আর বই ভালোবাসুন। কারণ দুনিয়ায় ২টা বস্তু আপনাকে কখনোই ঠকাবে না। এক স্রষ্টা এবং দুই বই। তারা আপনার নির্বাক বন্ধু। দিন শেষে কথা বলার একজন চাই। কিন্তু এই দুইজন দিন শেষে নয় সারাদিন, দুনিয়ার সব বিপদ, সমস্যার সমাধান দিতে সক্ষম। তাই এই দুইটা আঁকড়ে ধরুন। এই ২ মাধ্যম আপনাকে কখনোই ঠকাবে না।
লোকে কী বলবে? এই চিন্তা মাথা থেকে বের করুন। কারণ জীবন আপনার, লোকের কথায় আপনার পেট চলে না।আপনার জীবন চলে না।
যেখানে যেভাবে থাকেন,যখন যে পরিস্থিতি তে পড়েন তার সাথে মানিয়ে নিবেন। সব জায়গায় সব সুযোগ বা মন মতো হওয়ার চিন্তা করবেন না।
আজকের দিনটার পুরো অংশ আপনার জীবনের প্রথম এবং শেষ দিন মনে করুন। এতে করে আপনি আপনার সমস্ত ভালো কাজ গুলো করতে পারবেন। নিজেকে ভালোবাসুন,ভালো কিছু করুন।
Source: mh chowdhury