Monday, August 10, 2026

শসা খেয়ে আবার কী হবে?

আপনার বাসায় কি এমন কেউ আছে, যে প্রায় প্রতিদিনই শসা খায়?

নাকি বাজারে গেলেই শসাকে শুধু সালাদের জন্য কিনে আনেন?

তাহলে আজকের এই কথাগুলো আপনার জন্য।

আমাদের পাশের গ্রামের এক চাচা গরম পড়লেই প্রতিদিন একটা করে শসা খেতেন। সবাই হাসত, বলত, "শসা খেয়ে আবার কী হবে?"

চাচা শুধু একটা কথাই বলতেন,

"শরীর ভালো রাখতে দামি খাবার লাগে না, ভালো অভ্যাস লাগেই।"

কথাটা কিন্তু একদম সত্যি।

🥒 শসা খেলে কী কী উপকার হয়?

● শরীর ঠান্ডা থাকে, কারণ শসার বেশিরভাগই পানি।

● পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের কষ্ট কমে।

● হজম ভালো হয়। খাবার সহজে হজম হয়।

● হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপকারী।

● হাড় মজবুত রাখতে সাহায্য করে।

● শরীরে পানির ঘাটতি কমায়, বিশেষ করে গরমের দিনে।

● ত্বক সতেজ ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে।

● নিয়মিত খেলে চুল ও নখও ভালো থাকে।

● শরীরের ক্লান্তি ও মানসিক চাপ কিছুটা কমাতেও উপকারী।

🥒 কীভাবে খাবেন?

● ধুয়ে সরাসরি খেতে পারেন।

● সালাদ করে খেতে পারেন।

● লেবু আর সামান্য বিট লবণ দিয়ে খেলে আরও মজা লাগে।

একটা কথা মনে রাখবেন...

অসুস্থ হওয়ার পরে হাজার হাজার টাকা খরচ করার চেয়ে, প্রতিদিনের খাবারে একটা শসা রাখার অভ্যাস অনেক বেশি ভালো।

🥒 তাই বাজারে টাটকা শসা দেখলে শুধু পাশ কাটিয়ে যাবেন না। সুযোগ থাকলে কয়েকটা কিনে পরিবার নিয়ে খেয়ে দেখুন।

সূত্রঃ SF Rumana



অযোগ্যদের শাসন করা

 একদিন প্লেটো তাঁর ছাত্রদের একটি প্রশ্ন করেছিলেন—

"যদি একটি জাহাজের যাত্রীরা ঠিক করে, ক্যাপ্টেন কে হবে তা ভোটে নির্ধারণ করবে... কিন্তু কেউই সমুদ্র চালানোর বিদ্যা জানে না, তাহলে কী হবে?"

কেউ সুন্দর কথা বলবে, কেউ বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেবে, কেউ যাত্রীদের খুশি করার চেষ্টা করবে। শেষ পর্যন্ত হয়তো সেই মানুষটিই ক্যাপ্টেন হবে, যে সবচেয়ে ভালো বক্তা।

কিন্তু সমুদ্র কি বক্তৃতা শুনে শান্ত থাকে?

জাহাজ চালাতে যেমন দক্ষতার প্রয়োজন, তেমনি একটি রাষ্ট্র পরিচালনা করতেও প্রয়োজন জ্ঞান, দূরদর্শিতা এবং নৈতিকতা।

এই কারণেই প্লেটো বলেছিলেন, রাষ্ট্রের নেতৃত্ব এমন মানুষের হাতে থাকা উচিত, যারা ক্ষমতার জন্য নয়, সত্য ও প্রজ্ঞার জন্য পরিচিত।

তিনি আরেকটি বিখ্যাত কথা লিখেছিলেন—

"ভালো মানুষরা যদি রাজনীতি থেকে দূরে থাকে, তাহলে একদিন তাদেরই এমন মানুষের অধীনে বাস করতে হবে, যারা তাদের চেয়ে কম যোগ্য।"

এই কথার অর্থ রাজনীতিতে সবাইকে যোগ দিতে হবে—এমন নয়।

বরং সমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদাসীন থাকা, অযোগ্য নেতৃত্বকে প্রশ্ন না করা, কিংবা শুধু দর্শক হয়ে থাকা—এসবেরও একটি মূল্য আছে।

কারণ একটি সমাজ শুধু নেতাদের সিদ্ধান্তে নয়, সাধারণ মানুষের নীরবতাতেও বদলে যায়।

সূত্রঃ https://bn.quora.com/profile/Att-Mahfuj



সেক্স আর মুক্তি

খাওয়া-দাওয়া, ঘুম প্রাকৃতিক জিনিস। সেক্সও একই বিষয়- প্রাকৃতিক। সেক্সকে মনে হয় যে এটা একটা বড় বিষয়। লোকে ভাবে যে সেক্সের মাধ্যমে পরমের প্রাপ্তি সম্ভব। কিন্তু এটা একটা ছোট বিষয়। খাওয়া-দাওয়া প্রতিদিন করতে হয়। এরকম কোনোদিন হবে না যে একদিন খুব ঠুসে খেয়ে নিলাম, আর কোনো দিন ক্ষীদে জন্মাবে না। Same মুক্তি, ঘুমও একই বিষয়। একদিন খুব ভালো করে ঘুমিয়ে নিলে, মনে হবে না যে আর কোনোদিন ঘুম আসবে না। Same sex এও মনে হয় যে এটা করলেই পুরো নির্বান বা মুক্তি লাভ হয়ে যাবে। বা পরমের প্রাপ্তি যেটা, সেটা সেক্সের মাধ্যমেই সম্ভব। যদি সেক্সেই নির্বান বা মুক্তিলাভ সম্ভব হতো, তাহলে নির্বান শব্দটা আসতো না। শুধু বলা হতো সেক্স। শান্তির সমার্থক সেক্স। একবার সেক্স করেই লোকে গাছ তলায় গিয়ে বসে থাকবে, আর বলবে আর কিছু চাই না। জীবনের পরমকে পেয়ে গেছি। কিন্তু তা সচারচর দেখা যায় না। সেক্স বৃত্তিটা আবার ঘুরে ফিরে আসবে। কিছুক্ষনের জন্য মনে হয় শান্তি। কিন্তু ১ দিন পর আবার বৃত্তিটা ফিরে আসবে। বা মন বলবে এবার অন্য কিছু চাই। যদি সত্যিই এই বৃত্তিটা পূর্ন মুক্তি, শান্তি এনে দিতে পারতো, তাহলে মন বলতো না এবার অন্য কিছু চাই। তাই সেক্স ultimate নয়। you cannot get peace through it or get ultimate through it, at the same time you cannot resist it. রজঃ গুনের প্রবৃত্তি এই- আরও দাও। যতো দাও, ততো বলে আরও চাই, আরও দাও। আম্বানি ৫০০ কোটি ডলারের মালিক, ভারতের নম্বর ১ ধনী ব্যক্তি। তাও ছুটছে টাকার পেছনে, তাও বলছে আরও চাই, ভেতরে আগুন জ্বলছে- আরও চাই আরও চাই-এর। আর একটা ল্যাংগোট পড়া জ্ঞানী ব্যক্তি, সাধারন, সে গাছ তলায় চুপচাপ বসে আছে, মনের আনন্দে, শান্তিতে।

সূত্রঃ https://bn.quora.com/profile/RATUL-SEAL-4


সকালে নাস্তা করেন কয়টায়?

 🔥একজন রোগী ডক্টর সাহেবকে বলল, “ডাক্তার সাহেব, আমি তো কিছু খারাপ খাই না। তাও পেটে এত জ্বালাপোড়া কেন?”

ডক্টর সাহেব জিজ্ঞেস করলেন, “সকালে নাস্তা করেন কয়টায়?”

উনি একটু হেসে বললেন, “নাস্তা? সকালে সময়ই পাই না। প্রথম খাবার খাই দুপুর ৩ টায়।”

আমি তখন ডক্টর সাহেবের চেম্বারেই ছিলাম। কথাগুলো শুনে বুঝলাম, এটাই আসল সমস্যা।

আমাদের পাকস্থলী সকাল হলেই এসিড তৈরি করা শুরু করে। শরীর ভাবে, এখন খাবার আসবে। কিন্তু খাবার না এলে? সেই এসিড পাকস্থলীর দেয়ালেই আঘাত করতে থাকে।

এরপর ডক্টর সাহেব এন্ডোস্কোপি করালেন। দেখা গেল, পাকস্থলীতে গ্যাস্ট্রাইটিস শুরু হয়ে গেছে। কয়েক মাস এভাবে চললে এটা আলসারে রূপ নিত।

শুধু এসিডিটি না। বেলা করে খাওয়া বা না খেয়ে থাকার আরও কিছু ক্ষতি আছে —

রক্তে সুগার হঠাৎ কমে গিয়ে মাথা ঘোরায়।
পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
পরের বেলা বেশি খেয়ে ফেলার প্রবণতা তৈরি হয়, যা ওজন বাড়ায়।

ডক্টর সাহেব রোগীকে বললেন, ৩টা কাজ করুন —

ঘুম থেকে উঠে ১ ঘণ্টার মধ্যে কিছু খান। ভারী কিছু না হোক, একটা ডিম বা কলাও চলবে।

প্রতিদিন একই সময়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন। শরীর রুটিন পছন্দ করে।
২ বেলার মধ্যে ৬ ঘণ্টার বেশি ফাঁক রাখবেন না।

এই ৩টা মেনে চলার ২ সপ্তাহ পর রোগীর জ্বালাপোড়া অনেকটাই কমে গিয়েছিল।

আপনার শরীরও প্রতিদিন এই সংকেত দেয়। শুধু আমরা খেয়াল করি না।

আজ আপনার প্রথম খাবার কয়টায় খেয়েছেন?

কমেন্টে সময়টা লিখুন তো।

সূত্রঃ https://bn.quora.com/profile/SF-Rumana


সুবচন

 সুবচন



বেল খেয়েছেন?

আপনার ঘরে যদি মা থাকে... বাবা থাকে দাদা-দাদি থাকে... কিংবা এমন একজন মানুষ থাকে, যিনি প্রায়ই বলেন—"পেটটা ঠিক থাকে না"... তাহলে প্লিজ, এই লেখাটা শেষ পর্যন্ত পড়েন।

কারণ একটা ফলের নাম আমরা সবাই জানি...

কিন্তু তার আসল শক্তিটা খুব কম মানুষই জানি।

আজ সকালে চেম্বারে একজন ভদ্রলোক এসে বসেই বললেন,

"ডাক্তার সাহেব, ওষুধ খেতে খেতে ক্লান্ত হয়ে গেছি। পেট পরিষ্কার হয় না, খিদে লাগে না, সারাক্ষণ গ্যাস... কোনো সহজ উপায় নেই?"

আমি উনাকে একটা প্রশ্ন করলাম...

"মৌসুমে শেষ কবে বেল খেয়েছেন?"

উনি একটু হেসে বললেন,

"ছোটবেলায় খেতাম। এখন তো এসব খাওয়ার সময় কোথায়!"

ঠিক এই উত্তরটাই আজকাল হাজার হাজার মানুষের।

বিদেশি ফলের জন্য হাজার টাকা খরচ করি...

কিন্তু নিজের দেশের একটা সাধারণ ফলকে অবহেলা করি।

অথচ বহু বছর ধরে আয়ুর্বেদে বেলের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। আধুনিক গবেষণাতেও দেখা গেছে, বেলে আছে আঁশ, ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ এমন অনেক উপাদান, যা শরীরের জন্য উপকারী।

তাহলে চলুন জেনে নিই, কেন মৌসুমে বেল খাওয়ার কথা এত মানুষ বলেন—

◉ কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করেঃ

বেলের আঁশ মল নরম রাখতে সাহায্য করে। যাদের দীর্ঘদিন পেট পরিষ্কার হয় না, তাদের জন্য এটি উপকারী।

◉ হজম ভালো রাখেঃ

গ্যাস, অস্বস্তি ও বদহজম কমাতে বেল ভালো কাজ করে।

◉ আমাশয়ের সময় উপকারী খাবারঃ

বিশেষ করে আধাপাকা বেল অনেকদিন ধরেই ঘরোয়া খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে।

◉ শরীরে শক্তি যোগায়ঃ

বেলে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা ও পুষ্টি উপাদান শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

◉ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো রাখতেঃ

ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।

◉ হার্ট জন্য উপকারী খাদ্যঃ

সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে বেল হার্টের জন্যও ভালো ।

◉ রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারেঃ

কিছু গবেষণায় ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। তবে ডায়াবেটিসের ওষুধ বন্ধ করে শুধু বেলের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়।

◉ পাকস্থলীর জন্য উপকারীঃ

বেলের আঁশ ও অন্যান্য উপাদান অন্ত্রের স্বাভাবিক কাজকে সহায়তা করে।

◉ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎসঃ

এগুলো শরীরের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

শেষে একটা কথাই বলব-

আমাদের সমস্যা হলো—দামী জিনিসকে বেশি বিশ্বাস করি, কিন্তু সহজলভ্য ভালো জিনিসকে গুরুত্ব দিই না।

আজ বাজারে গেলে একটা পাকা বেল কিনে আনেন।

পরিবারের সবাইকে নিয়ে খান।

হয়তো এই ছোট্ট অভ্যাসটাই একদিন আপনার পরিবারের অনেক বড় উপকারে আসবে।

এই লেখাটা আপনার কাছে উপকারী মনে হলে, অন্তত একজন মানুষকে পাঠিয়ে দিন। হয়তো সে আজই বেল খাওয়া শুরু করবে।

কাঁকরোল

অনেকেই কাঁকরোল দেখলেই মুখ ফিরিয়ে নেন। কেউ বলে এটা খেতে ভালো না, কেউ আবার পাতেই নেন না। কিন্তু সত্যিটা হলো, এই ছোট্ট সবজির ভেতরে এমন অনেক গুণ লুকিয়ে আছে, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে দারুণ কাজ করে।

বর্ষাকালে বাজারে কাঁকরোল পাওয়া যায় সবচেয়ে বেশি। এই সময় সুযোগ থাকতেই নিয়ম করে খেলে শরীর অনেক ভালো থাকে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কাঁকরোল খেলে কী কী উপকার হয়।

১. চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে

যাদের চোখে ঝাপসা দেখে, চোখ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায় বা বয়স বাড়ার সঙ্গে চোখের সমস্যা নিয়ে চিন্তা আছে, তারা নিয়মিত কাঁকরোল খেতে পারেন। এটি চোখের যত্ন নিতে সাহায্য করে।

২. শরীরের ক্ষতিকর রোগের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে

কাঁকরোলে এমন অনেক পুষ্টি আছে, যা শরীরকে ভেতর থেকে শক্ত রাখে। শরীরের ক্ষতিকর কোষের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং সুস্থ থাকতে সাহায্য করে।

৩. খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে

রক্তে খারাপ চর্বি বেশি হলে হার্টের সমস্যা হতে পারে। নিয়ম করে কাঁকরোল খেলে সেই খারাপ চর্বি কমাতে সাহায্য করে এবং হৃদ্‌যন্ত্র ভালো রাখতে উপকার করে।

৪. রক্ত বাড়াতে সাহায্য করে

যাদের শরীরে রক্ত কম, সব সময় দুর্বল লাগে বা মাথা ঘোরে, তাদের জন্য কাঁকরোল ভালো খাবার। এতে এমন পুষ্টি আছে, যা নতুন রক্ত তৈরি হতে সাহায্য করে।

৫. মন ভালো রাখতে সাহায্য করে

সারাদিন দুশ্চিন্তা, টেনশন আর কাজের চাপে মন খারাপ হয়ে থাকে? নিয়ম করে কাঁকরোল খেলে শরীরের পাশাপাশি মনও সতেজ থাকতে সাহায্য পায়।

৬. রক্তশূন্যতা দূরে রাখতে সাহায্য করে

কাঁকরোলে আয়রন, ভিটামিন সি আর ফলিক অ্যাসিড আছে। এগুলো শরীরে রক্তের ঘাটতি কমাতে সাহায্য করে।

৭. ওজন কমাতে সাহায্য করে

যারা মেদ কমাতে চান, তারা খাদ্যতালিকায় কাঁকরোল রাখুন। এতে ক্যালোরি কম, ফাইবার বেশি। ফলে পেটও ভরা থাকে, আবার হজমও ভালো হয়।

৮. হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে

কাঁকরোলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য উপকারী। নিয়মিত খেলে হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

৯. ত্বক সুন্দর রাখতে সাহায্য করে

বয়স বাড়লেও ত্বক যেন সতেজ থাকে, সেই কাজেও কাঁকরোল উপকারী। এটি ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।

১০. শরীর ঠান্ডা রাখে

বর্ষাকালেও গরম আর ভ্যাপসা আবহাওয়ায় শরীর অস্বস্তি লাগে। এই সময় কাঁকরোল খেলে শরীর ভেতর থেকে ঠান্ডা ও সতেজ অনুভব হয়।

১১. শরীরে শক্তি বাড়ায়

কাঁকরোলে ভালো পরিমাণে প্রোটিনসহ নানা পুষ্টি থাকে। তাই এটি খেলে শরীর শক্তি পায়, কাজ করার আগ্রহও বাড়ে।

১২. হজম ভালো রাখে

যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য বা হজমের সমস্যা আছে, তারা কাঁকরোল খেতে পারেন। এতে থাকা ফাইবার পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

মনে রাখবেন, কোনো একটি খাবার একাই সব রোগ সারিয়ে দেয় না। তবে নিয়মিত সুষম খাবারের সঙ্গে কাঁকরোল রাখলে শরীর ভালো রাখতে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

আপনার বাড়িতে যদি কাঁকরোল রান্না হয়, তাহলে আজ থেকে আর অবহেলা করবেন না। নিজেরাও খাবেন, পরিবারের সবাইকেও খেতে দিন। ছোট্ট এই সবজিটাই আপনার শরীরের জন্য বড় উপকার বয়ে আনতে পারে।

সূত্র: https://bn.quora.com/profile/SF-Rumana



Tuesday, August 4, 2026

আত্মসন্দেহ

 নিজেকে সন্দেহ করা বা আত্মবিশ্বাসের অভাব মানুষের মানসিক শান্তি নষ্ট করে, কাজের ক্ষমতা কমায় এবং হীনম্মন্যতা তৈরি করে। এর মূল কারণগুলো হলো অতীতের ব্যর্থতা, অতিরিক্ত ভয় ও মানসিক চাপ।

কারণ ও লক্ষণ
অতীতের ভুল: আগের কোনো ভুলের কথা ভেবে নিজেকে দোষী ভাবা।
ভয়ের প্রভাব: কাজ হারানোর বা ব্যর্থ হওয়ার দুশ্চিন্তা থাকা।
তুলনা করা: অন্য মানুষের সাথে নিজের তুলনা করে নিজেকে ছোট মনে করা।
সমাধানের উপায়
মনোবল বৃদ্ধি: নিজের ছোট ছোট সফলতার কথা মনে রাখা ও প্রশংসা করা।
ইতিবাচক চিন্তা: নেতিবাচক কথা বাদ দিয়ে নিজের ভালো গুণগুলো নিয়ে ভাবা।
বিশেষজ্ঞের সাহায্য: সমস্যা বেশি হলে কোনো ভালো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।

জীবনের অনুসঙ্গ

 


Prayers are the amazing grace of the soul. It's the comforter of the afflicted. A prayer to Allah soothes the heart, mind and soul very much. A prayer for the loved and needy ones brings joy and happiness to them.

Just pray for the little ones to shape their future.
Thank you.



Friday, July 31, 2026

Nature is kind

There wouldn't be life without trees and animals. We are in accompaniment with these wonderful living beings. It's the coexistence that makes Nature a cordial and harmonious surrounding.

So,where Kindness dwells, love and gentleness sails alongside it. Had it not for these trees and other living beings, man wouldn't have existed.

Nature is kind and we must reciprocate our actions towards Nature.


Judge Less Love More

 




Maturity

 


Good, Better and Best

 


Sunday, July 26, 2026

জীবনের হিসেব নিকেশ এক সাথে হলো লীন

 নারীর স্তন দেখতে ভালো লাগে? আমারো লাগতো, কিন্তু একদিন .......

ছেলেবেলায়, আমি ভাবতাম—নারীর সৌন্দর্যের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ নাকি তার বুক।
পুরুষ হয়ে জন্মেছিলাম, কিন্তু মানুষ হতে শিখেছি এক মায়ের শুকনো বুকের দিকে তাকিয়ে...
(লেখাটি একজন পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা। দেখুন তো আপনি এর সাথে নিজেকে মিলাতে পারেন কিনা)
সত্যিটা স্বীকার করতে আজ আর কোনো লজ্জা নেই—
বয়স যখন কম ছিল, আর দশটা ছেলের মতো আমার চোখও পাপমুক্ত ছিল না। নারীর সৌন্দর্যের কথা ভাবলেই চোখ আটকে যেত তার শরীরের ভাঁজে, বিশেষ করে বুকের দিকে।
বন্ধুমহলে আড্ডায় বলতাম, "নারীর আসল সৌন্দর্য নাকি ওখানেই!"
ছিঃ! আজ ভাবতেই ঘৃণায় শরীর শিউরে ওঠে। তখন বুঝতাম না, মাংসপিণ্ডের ওই আকার বা আকৃতির নিচে কী বিশাল এক মহাসমুদ্র লুকিয়ে থাকে। আমার দৃষ্টি তখন চামড়া ভেদ করে আত্মার নাগাল পেত না।
কিন্তু সৃষ্টিকর্তা হয়তো চেয়েছিলেন আমার এই "পুরুষত্ব"র অহংকার ভেঙে চুরমার করে দিতে। তাই আমাকে মুখোমুখি করেছিলেন এমন এক দৃশ্যের—যা দেখার পর আমি আর আগের আমি থাকিনি।
সময়টা চৈত্র মাসের কাঠফাটা দুপুর। গ্রামবাংলার আকাশ থেকে যেন আগুন ঝরছে। মাটি ফেটে চৌচির। ধুলোবালি ওড়া এক মেঠো পথ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম। তৃষ্ণায় আমার নিজেরই গলা শুকিয়ে কাঠ।
হঠাৎ পথের ধারে এক জরাজীর্ণ কুঁড়েঘরের দিকে চোখ গেল। চালের খড় উবে গেছে, বেড়া নড়বড় করছে। সেই ঘরের দাওয়ায় বসে ছিলেন এক মা।
বয়স কত হবে? পঁচিশ? ছাব্বিশ? কিন্তু অভাব আর দারিদ্র্য তার যৌবন শুষে নিয়ে মুখে এঁকে দিয়েছে পঞ্চাশ বছরের বার্ধক্য। গায়ের ব্লাউজটা শতছিন্ন, শাড়ির আঁচলটা খসে পড়েছে—কিন্তু সেদিকে তার কোনো খেয়াল নেই।
কারণ, তার কোলে শুয়ে আছে এক হাড়জিরজিরে শিশু।
আমি থমকে দাঁড়ালাম। দৃশ্যটা আমাকে নড়তে দিল না।
বাচ্চাটা কাঁদছে না। কান্নার শক্তিও হয়তো তার নেই। সে শুধু প্রাণপণ শক্তিতে মায়ের বুকটা কামড়ে ধরে চুষছে।
কিন্তু হায়! সেই বুকে কি এক ফোঁটা দুধ আছে?
মায়ের শরীর নিজেই তো এক কঙ্কাল। বুকের হাড়গুলো গোনা যাচ্ছে। চামড়ার নিচে শুধুই হাহাকার।
তবুও অবুঝ শিশুটি চুষেই যাচ্ছে... *চোঁক... চোঁক...*
এক অদ্ভুত করুণ শব্দ। যেন শুকনো নদী থেকে শেষ বিন্দু জলটুকু নিংড়ে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা।
আমি স্পষ্ট দেখছিলাম—দুধ নয়, শিশুটি চুষছে মায়ের বুকের রক্ত, মায়ের কলিজার রস।
মায়ের চোখ দুটো একদম স্থির, পাথরের মতো। কিন্তু সেই পাথর চুইয়ে টপটপ করে জল গড়িয়ে পড়ছে।
ফোটা ফোটা চোখের জল গড়িয়ে পড়ছে বাচ্চাটার কপালে, গালে, ঠোঁটে।
বাচ্চাটা হয়তো সেই নোনা জলই চেটে খাচ্ছে।
হয়তো ভাবছে, এটাই দুধ। এটাই মায়ের ভালোবাসা।
আমার বুকের ভেতরটা দুমড়েমুচড়ে গেল। মনে হলো কেউ যেন হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আমার এতদিনের সব নোংরা চিন্তা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে।
মায়ের ওই নীরব চাহনি যেন আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে চিৎকার করে বলছিল—
"ওরে খোদা! আমার বুকের মাংস গলে রক্ত দে, তবুও আমার বাচ্চার পেটে দু’ফোটা আহার দে... আমি যে মা! আমি যে আর সহ্য করতে পারছি না!"
আমি সেদিন পালিয়ে এসেছিলাম। হ্যাঁ, আমি পালিয়েছিলাম কারণ সেই দৃশ্য সহ্য করার ক্ষমতা আমার ছিল না।
কিন্তু সেই রাতে আমি ঘুমাতে পারিনি। কানে শুধু বাজছিল সেই চোঁক চোঁক শব্দ আর চোখে ভাসছিল মায়ের সেই শুকনো বুক।
সেদিন বুঝেছিলাম, নারীর বুক কোনো ভোগের বস্তু নয়।
এটি কোনো কামনার উদ্যান নয়—এটি এক যুদ্ধক্ষেত্র।
যেখানে একজন নারী নিজের শরীরের সবটুকু নির্যাস দিয়ে তিলে তিলে বড় করে তোলে আগামীর পৃথিবী।
যেখানে ভালোবাসা মানে শুধু দেওয়া, বিনিময়ে কিছুই না চাওয়া।
আজ আমি বাবা হয়েছি।
যখন দেখি আমার সন্তান তার মায়ের বুকে নিশ্চিন্তে ঘুমায়, যখন দেখি ক্ষুধা পেলেই সে হামাগুড়ি দিয়ে মায়ের বুকের কাছে আশ্রয় খোঁজে—তখন আমার চোখে জল আসে।
মনে হয়, এই বুকের নামই "নিরাপত্তা"। এই বুকের নামই "পৃথিবীর শেষ আশ্রয়স্থল"।
হে পুরুষ!
আজ তোমাকে একটা অনুরোধ করি।
রাস্তায় ঘাটে কোনো নারীর দিকে তাকানোর আগে, তার শরীরের ভাঁজ খোঁজার আগে—একবার নিজের মায়ের কথা ভেবো।
মনে রেখো, তুমিও একদিন ওই বুকের রস খেয়েই মানুষ হয়েছ। ওই বুকটা শুধু মাংসের দলা নয়, ওটা তোমার প্রথম জান্নাত।
নারীর বুক দেখে উত্তেজনা নয়, বরং শ্রদ্ধায় মাথা নত করতে শেখো।
কারণ, কোনো কোনো নারী তার শুকনো বুক দিয়েও সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখার যুদ্ধ করে যায়। তাদের শরীরের প্রতিটি ভাঁজে লুকিয়ে থাকে একেকটি ত্যাগের মহাকাব্য।
নারীর সৌন্দর্য তার কামনাসিক্ত শরীরে নয়,
নারীর সৌন্দর্য তার মমতায়, তার ত্যাগে, তার আঁচলের মায়ায়।
যেদিন এটা বুঝবে, সেদিন দেখবে—পৃথিবীর সব নারীকেই মায়ের মতো পবিত্র মনে হচ্ছে।
সেই অচেনা মায়ের শুকনো বুক আমাকে মানুষ বানিয়েছে।
দোয়া করি, পৃথিবীর কোনো মায়ের বুক যেন আর খালি না থাকে। সব শিশু যেন দুধের স্বাদ পায়, চোখের জলের স্বাদ নয়।
সূত্র: সংগৃহীত