আল্লাহ্ পাক পরওয়ারদিগার মানুষকে বেড়াতে উতসাহিত করে বলেছেনঃ
قُلۡ سِيرُواْفِي ٱلۡأَرۡضِ'কুল সিরু ফিল আর
‘তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ করো' ( আয়াতাংশ সূরা আনকাবুত আয়াত ২০)
হাঁটাহাঁটি হলো এমন এক কায়িক শ্রম, যা প্রতিদিনই করা যায়। হাঁটতে কোনো সরঞ্জাম লাগে না, দিনের যেকোনো সময় হাঁটতে বের হওয়া যায়। প্রতিদিন অল্প সময় হাঁটলেও তা শরীরের জন্য উপকার বয়ে আনে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন দৈনিক কমপক্ষে ৮ কিলোমিটার হাঁটার পরামর্শ দেয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ হলো, সপ্তাহে একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির অন্তত দেড় ঘণ্টা মাঝারি মাত্রার অ্যারোবিক ব্যায়াম করা উচিত। অ্যারোবিক ব্যায়াম হলো সেই ধরনের ব্যায়াম, যার ফলে হৃৎস্পন্দন দ্রুত হয় এবং শরীর ঘামতে শুরু করে। যেমন জোরে হাঁটা, সাইকেল চালানো, জগিং, দড়িলাফ, দৌড়ানো, অ্যারোবিক ড্যান্স, সাঁতার ইত্যাদি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শে আরও বলা হয়েছে, সপ্তাহে কমপক্ষে পাঁচ দিন আধা ঘণ্টা করে জোরে হাঁটলেই নিয়মটা মানা হয়।
উল্লিখিত নিয়ম অনেকটা মেনে আমি ঢাকায় হাঁটি রোজ কমপক্ষে ৬ হাজার স্টেপ। পয়লা জুন ২০২৫ কানাডায় ভ্যানকুভারের সারেতে মেয়ের বাড়িতে আসার পরে এ অভ্যাস জারি রাখতে সচেষ্ট হই। প্রথম দু'দিন শুয়ে বসে কাটানোর পর জেট ল্যাগ কাটানোর চেষ্টা করি মেয়ের বাড়ির ব্যাকইয়ার্ডে নরম ঘাসের ওপর হেঁটে। এতে শরীরে জিওম্যাগনেটিক ইফেক্ট কাজ করে। ঘাসের ওপর খালি পায়ে হাঁটার সময় শরীর পৃথিবীপৃষ্ঠ মানে মাটি থেকে নেগেটিভ চার্জ বা ঋণাত্মক আয়ন শোষণ করতে পারে যা মুঠোফোনের মতো বৈদ্যুতিক যন্ত্র থেকে জমে থাকা পজেটিভ চার্জ বা ধনাত্মক আয়ন নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারে। এর ফলে শরীরের প্রদাহজনিত সমস্যা যেমন কমে, ঘুমের মান বাড়াতে পারে এবং সামগ্রিক সুস্থতা বাড়ায়। এটি শরীরের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক (তড়িৎ চৌম্বকীয়) ভারসাম্য ঠিক রাখতেও যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। শরীর ঠিক রাখতে হাঁটাহাঁটি খুবই দরকারি আর সঙ্গী পেলে উতসাহ বাড়ে। জামাই প্রকৌশলী হুমায়ুন বল্লো আমি রোজ হাঁটি। ট্রেডমিলেও হাঁটি আবহাওয়ার সাথে সামঞ্জস্য রেখে। আমি আপনার হাঁটার সঙ্গী হবো। আমি বিষয়টি পজিটিভভাবে নেই। কারণ, হাঁটার সময় অনেক কথা হবে, অনেক প্রশ্নেরও সমাধান পাওয়া যাবে। আমরা সিলেক্ট করি বাড়ির কাছেই সারে বেয়ার ক্রিক পার্ক ও সেখানকার স্টেডিয়াম।
বেয়ার ক্রিক পার্ক (Bear Creek Park) সারে এর একটি জনপ্রিয় পার্ক। মোট আয়তন ১৫২ একর।এটি একটি বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এবং বিভিন্ন ধরণের বিনোদন ও প্রকৃতির সান্নিধ্য উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে।এখানে বাচ্চাদের জন্য ট্রেন, মিনি-গল্ফ, ওয়াটার পার্ক, আউটডোর পুল, হাঁটার পথ, বিশাল স্টেডিয়াম এবং বাগান রয়েছে। এছাড়া, এখানে পিকনিক করার জন্য সুন্দর জায়গা এবং পাবলিক আর্টও দেখতে পাওয়া যায়।
বেয়ার ক্রিক পার্কের কিছু আকর্ষণ:
এমন সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবশে হাঁটতে বা বেড়াতে বা বনভোজন করতে মন চাইবেই। মজার ব্যাপার হলো এ পার্কে উঠতি বয়সের নারী পুরুষের অবাধ বিচরণ বা Philandering Nuisance একেবারেই নেই।
Bear Creek নামটি এলো কি করে?
Bear হলো নদীর নাম Creek হলো (a natural stream of water, typically smaller than a river)
নামকরণ করেন স্কটিশ উদ্ভিদ বিজ্ঞানী David Douglas
Bear Creek Park in Surrey, Canada, is named after the Bear Creek (formerly known as Bear River) that flows through it. The creek itself was named by David Douglas in 1833. It was labeled "Rivera la Ours" (Bear River) on a map in 1867 and "Bear River" on a later map in 1871. The park encompasses 152 acres and features the creek as a prominent natural element.
সূত্রঃ surrey.ca
নিজ অনুসন্ধান
Dictionary of Canadian Biography, vol. 6,
| Publisher: | University of Toronto/Université Laval |
No comments:
Post a Comment