১. বয়স শুধুই একটি সংখ্যা আর ম্যাচুরিটি হলো পছন্দের একটা জিনিস।
২. ম্যাচুরিটিকে বয়স দিয়ে গণনা করা যায় না। ম্যাচুরিটি হলো মনের এক বিশেষ অবস্থা বা অ্যাটিচ্যুড বা মনেভাব যা কেবল অভিজ্ঞতা থেকেই পাওয়া যায়।
৩. ম্যাচুরিটির বেলায় বয়স কোন গ্যারান্টি নয়।
৪. ম্যাচুরিটি হলো কাজের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রন, কাজের পরিবেশের সাথে নিজেকে খাপ খাওয়ানো, কাজ করতে জানা আর কাজ করতে গিয়ে যেটা অজানা থাকে সেটাকে জানা।
৬. অনিশ্চয়তার সময় সহনশীল থাকা হলো ম্যাচুরিটি।
৭. ম্যাচুরিটি না থাকলে বয়সকে তার চড়া মূল্য দিতে হয়।
৮. ম্যাচুরিটি হলো পয়লা এলোমেলো পায়ে ববাচ্চাদের মত করে পথচলা, পরে দৃঢ় পদক্ষেপ, এর পর মূলধারায় মিশে যাওয়া আর সব শেষে নিশান বরদার বা পতাকাবাহী হওয়ার মত সৌভাগ্য অর্জন করা
৯. ম্যাচুরিটি মানে বয়স নয়। ম্যাচুরিটি হলো সংবেদনশীলতা বা সেন্সিটিভিটি, ব্যবহার এবং হৃদয় দিয়ে অনুভব করা বিষয়গুলো।
Make me thoughtful but not MOODY, helpful but not BOSSY
১০. ম্যাচুরিটি হলো বস না হয়ে চিন্তাশীল, মননশীল মানুষ হওয়া।
১১. সমস্যাগুলো অনেক সময় চায়না কোন সমাধান। সমস্যা থেকে উতরে যাবার ন্য এরা চায় ম্যাচুরিটি।
১২. ম্যাচুরিটি হলো তোমর মূল্যবোধের সীমারেখার ভেতরে থেকে চিন্তা করা, কথা বলা এবং অনুভূতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করা। হতাশার সময় কারো আধ্যাত্মিক কার্যক্রম কেমন থাকে সেটা দিয়ে ম্যাচুরিটি পরিমাপ করা যায়।
১৩. শিশুরা যেমন করে খেলার সময় এক মনে খেলে যায়, ম্যাচুরিটির বেলায় তেমনি করে একমনে লড়ে যেতে হয়।
১৪. গ্রেড যেমন প্রজ্ঞাকে বুঝায় না তেমনি বয়সও ম্যাচুরিটিকে বুঝায় না।
১৫. ম্যাচুরিটির ৫ চিহ্নঃ বুঝতে পারা, গ্রহণ করা, ভালবাসা, নিয়ন্ত্রন আর আস্থা।
১৬. বয়সের সাথে সাথে প্রজ্ঞাবান হওয়া আর পরিপূর্ণ বিকাশ লাভ করাই ম্যাচুরিটি।
১৭. ম্যাচুরিটির সামাজিক অবস্থাগুলো হলোঃ শোনা, শেখা, কাজে লেগে যাওয়া, বিশ্লেষন করা আর নিজেকে নিখুঁত করে নেয়া।
No comments:
Post a Comment