কোহ-ই -নূর শুধু একটি মূল্যবান হীরা নয়, এটি পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে রহস্যময় রত্নগুলোর একটি। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে কোহিনূরকে ঘিরে নানা কিংবদন্তি প্রচলিত রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত গল্প হলো—যে পুরুষ এই হীরার মালিক হয়েছে, তার জীবন ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে নারীদের জন্য এটি নাকি নিরাপদ ছিল। এই বিশ্বাস থেকেই কোহিনূরকে অনেকে “অভিশপ্ত হীরা” বলে অভিহিত করেন।
ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, কোহিনূরের মালিক হওয়া বহু শাসকের জীবনেই নেমে এসেছে দুর্ভাগ্য। মুঘল সম্রাট শাহজাহান তার বিখ্যাত ময়ূর সিংহাসনে এই হীরা বসিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে নিজের ছেলে আওরঙ্গজেবের হাতে বন্দি হয়ে জীবনের শেষ সময় কাটাতে হয়েছিল তাকে। পারস্যের নাদির শাহ দিল্লি দখল করে কোহিনূর নিয়ে যান, কিন্তু কিছুদিন পরই তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং শেষ পর্যন্ত হত্যার শিকার হন।
আফগান শাসক আহমদ শাহ আবদালি এবং শাহ সুজার জীবনেও নেমে আসে বিপর্যয়। একইভাবে পাঞ্জাবের মহারাজা রঞ্জিত সিং কোহিনূর পাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তার মৃত্যুর পর শিখ সাম্রাজ্যের পতন শুরু হয়। এসব ঘটনার কারণেই মানুষের মনে জন্ম নেয় কোহিনূরের অভিশাপের ধারণা।
ব্রিটিশ রাজপরিবারও এই কাহিনি সম্পর্কে সচেতন ছিল। তাই ইতিহাসে দেখা যায়, কোহিনূর সাধারণত রানিদের মুকুটেই বসানো হয়েছে। রানি ভিক্টোরিয়া, রানি মেরি ও রানি এলিজাবেথ এটি পরলেও কোনো পুরুষ রাজা সরাসরি এই হীরা ব্যবহার করেননি।
তবে ইতিহাসবিদদের মতে, এসব ঘটনা মূলত ক্ষমতার লড়াই ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ফল। তবুও রহস্যময় এই কাহিনি আজও মানুষের কৌতূহল জাগিয়ে রাখে।
সূত্র: https://bn.quora.com/profile/Ahmed-Pipul কোহ-ই -নূর শুধু একটি মূল্যবান হীরা নয়, এটি পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে রহস্যময় রত্নগুলোর একটি। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে কোহিনূরকে ঘিরে নানা কিংবদন্তি প্রচলিত রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত গল্প হলো—যে পুরুষ এই হীরার মালিক হয়েছে, তার জীবন ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে নারীদের জন্য এটি নাকি নিরাপদ ছিল। এই বিশ্বাস থেকেই কোহিনূরকে অনেকে “অভিশপ্ত হীরা” বলে অভিহিত করেন।
ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, কোহিনূরের মালিক হওয়া বহু শাসকের জীবনেই নেমে এসেছে দুর্ভাগ্য। মুঘল সম্রাট শাহজাহান তার বিখ্যাত ময়ূর সিংহাসনে এই হীরা বসিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে নিজের ছেলে আওরঙ্গজেবের হাতে বন্দি হয়ে জীবনের শেষ সময় কাটাতে হয়েছিল তাকে। পারস্যের নাদির শাহ দিল্লি দখল করে কোহিনূর নিয়ে যান, কিন্তু কিছুদিন পরই তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং শেষ পর্যন্ত হত্যার শিকার হন।
আফগান শাসক আহমদ শাহ আবদালি এবং শাহ সুজার জীবনেও নেমে আসে বিপর্যয়। একইভাবে পাঞ্জাবের মহারাজা রঞ্জিত সিং কোহিনূর পাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তার মৃত্যুর পর শিখ সাম্রাজ্যের পতন শুরু হয়। এসব ঘটনার কারণেই মানুষের মনে জন্ম নেয় কোহিনূরের অভিশাপের ধারণা।
ব্রিটিশ রাজপরিবারও এই কাহিনি সম্পর্কে সচেতন ছিল। তাই ইতিহাসে দেখা যায়, কোহিনূর সাধারণত রানিদের মুকুটেই বসানো হয়েছে। রানি ভিক্টোরিয়া, রানি মেরি ও রানি এলিজাবেথ এটি পরলেও কোনো পুরুষ রাজা সরাসরি এই হীরা ব্যবহার করেননি।
তবে ইতিহাসবিদদের মতে, এসব ঘটনা মূলত ক্ষমতার লড়াই ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ফল। তবুও রহস্যময় এই কাহিনি আজও মানুষের কৌতূহল জাগিয়ে রাখে।
No comments:
Post a Comment