১. আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি
২. কাজে অমনোযোগী
৩. জেদ ও রাগ বেড়ে যাওয়া
৫. শারীরিক অসুস্থতা
৬. প্রাপ্তবয়সে এসেও মেন্টাল ট্রমা বা মানসিক আঘাত
এ অবস্থায় মা-বাবার করণীয় কী?
১) একবার নিজেকে প্রশ্ন করুন তো, আপনার রাগ, ইগো সব কিছু কি আপনার সন্তানের চেয়ে বড়? যেকোনো কথা-কাটাকাটিতে জড়ানোর আগে একবার ভেবে নিন, এতে কি আপনার কোনো উপকার আছে ক্ষতি ছাড়া? বা আপনি তর্কে জিতে খুব খুশি হচ্ছেন, এদিকে আপনার সন্তান ভয় পাচ্ছে, অসহায় বোধ করছে; তাহলে আপনার এই সাময়িক জিতে যাওয়াতে কার লাভ হলো?
২) সব সময় চেষ্টা করবেন উত্তেজিত না হয়ে আস্তে কথা বলে সমস্যার সমাধান করতে। বাচ্চার সামনে কোনোভাবেই তর্কে জড়াবেন না। বরং ওই জায়গা থেকে সরে যাওয়া, চিন্তা-ভাবনা করে পরে কথা বলাই ভালো সিদ্ধান্ত। মনে রাখবেন, বাচ্চাকে যা শেখাবেন, সে তাই শিখবে। আপনি ভালো কথা, ভালো কাজ করলে বাচ্চাও তাই শিখবে। আপনি খারাপভাবে কথাবার্তা বলতে থাকলে সে সেটাই মনে রাখবে।
৩) সন্তানের পড়াশোনা থেকে শুরু করে সব কিছুর দায়িত্ব একজনের ওপর না দিয়ে দায়িত্ব বণ্টন করুন। সন্তানের সঙ্গে সময় কাটানো খুব জরুরি। তার মনের কথা, সে কী ভাবছে, কী জানাতে চাচ্ছে, সব কিছু খেলা বা গল্পের ছলে জেনে নিন। বাইরে ঘুরতে যাওয়া বা একসঙ্গে সময় কাটানো শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য বিকাশে সাহায্য করে।

No comments:
Post a Comment