Tuesday, May 31, 2022

হৃদ্‌রোগের কারণ হয়ে উঠতে পারে ৫ খাবার

 ১) সোডা জাতীয় পানীয়: এই গরমে স্বস্তি পেতে গলা ভেজানোর জন্য অনেকেই বেছে নেন সোডা জাতীয় পানীয়। এতে সাময়িক ভাবে স্বস্তি পাওয়া গেলেও এই ধরনের পানীয় শরীরের অন্দরে ক্ষতিই করে। সোডাযুক্ত পানীয়তে থাকা রাসায়নকি উপাদান অন্ত্রের ক্ষতি করে। নিয়মিত এই ধরনের পানীয় খাওয়ার অভ্যাস হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। তাই সোডা, নরম পানীয়, রঙিন পানীয় বেশি না খাওয়াই ভাল। এগুলি শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর।

২) নুন: অত্যধিক কাঁচা নুন খাওয়ার অভ্যাস উচ্চ রক্তচাপের অন্যতম বড় কারণ। হৃদ্‌যন্ত্র ভাল রাখতে চিকিতসকরা কাঁচা নুন খেতে বারণ করেন। বিশেষ করে যাঁরা উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যায় ভুগছেন, কাঁচা নুন তাঁদের জন্য মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না রাখলে সেখান থেকেই বাড়তে পারে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি। তাই দীর্ঘ দিন সুস্থ থাকতে কাঁচা নুন খাওয়া থেকে দূরে থাকুন।
৩) সাদা পাউরুটি: সকালের জলখাবারে বা অফিসের টিফিনে পাউরুটি বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার। কিন্তু চিকিতসকরা বলছেন, সাদা পাউরুটি স্থূলতা, ডায়াবিটিস এবং হৃদ্‌রোগের কারণ হতে পারে। শুধু তা-ই নয়, বেশি পাউরুটি খাওয়ার অভ্যাস অম্বল, কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো শারীরিক সমস্যাও তৈরি করে। যেহেতু পাউরুটিতে ফাইবার ও প্রোটিন কম থাকে, তাই দ্রুত হজম হতে পারে না। ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তাই বলে ভাবছেন পাউরুটি খাওয়া ছাড়বেন? সাদা পাউরুটির বদলে খেতে পারেন ব্রাউন ব্রেড।
৪) ভাত: শরীর সুস্থ রাখতে ভাত খাওয়া জরুরি। কিন্তু পুষ্টিবিদরা বলছেন, প্রয়োজনের অতিরিক্ত পরিমাণে ভাত খেলে বাড়তে পারে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি। ভাতে স্টার্চের পরিমাণ অনেক বেশি। স্টার্চ শরীরে পক্ষে ক্ষতিকর। একই কারণে চিকিতসকরা বেশি আলু খেতেও বারণ করেন।
৫) সিরিয়াল জাতীয় খাবার: কর্নফ্লেক্স, মুসলির মতো সিরিয়াল জাতীয় খাবার প্রাতরাশে অনেকেই খেয়ে থাকেন। অনেকের কাছেই এই ধরনের খাবারগুলি স্বাস্থ্যকর হলেও পুষ্টিবিদরা বলছেন, এই খাবারগুলিতে চিনির পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। চিনি হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে বাড়িয়ো তোলে। তাই পুষ্টিবিদদের মতে, এই ধরনের খাবারের বদলে সকালের জলখাবারে রাখতে পারেন বাড়িতে তৈরি পোহা, উপমার মতো স্বাস্থ্যকর কিছু খাবার।
Source: Heart Damaging five foods

পানি/জল

 দেখা যায়, অনেকেই তেষ্টা পেলে তবেই জল খান। এটা কিন্তু একেবারেই ভুল। প্রথমে মেপে নিতে হবে, নিজের শরীরের জন্য নিয়মিত কত পরিমাণ জল পর্যাপ্ত। সেই হিসেব করে নিয়ম মেনে সময়ে-সময়ে পান করতে হবে জল। বিশেষজ্ঞরা বলেন যে, দিনে অন্তত ৮ গ্লাস বা ২-৩ লিটার জল খাওয়া উচিত।

এনার্জি বাড়ায়: মাঝেমধ্যেই বিশেষ করে গরমের দিনে ক্লান্ত লাগে। কাজের এনার্জিও থাকে না। এটা হয় দেহে জলশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশনের কারণে। আসলে দেহে জলশূন্যতা আমাদের মস্তিষ্কে বেশ প্রভাব ফেলে। তার ফলে ক্লান্তিভাব আসে এবং কাজের ইচ্ছেও চলে যায়। তাই এনার্জির মাত্রা বাড়াতে বেশি করে জল খেতে হবে।
অবসাদ বা ক্লান্তিভাব দূর করে: শরীরে উপযুক্ত হাইড্রেশন হলে তা দেহের ক্লান্তিভাব দূর করতে সাহায্য করে। অনেক সময় বারবার ক্লান্তি অনুভব করার সঠিক কারণ আমরা বুঝে উঠতে পারি না। আসলে ডিহাইড্রেশনের (Dehydration) বিষয়টা আমাদের মস্তিষ্কই প্রথম বুঝতে পারে। কারণ জল মস্তিষ্কের কার্যকারিতার জন্য অপরিহার্য, না-হলে কোষে-কোষে বৈদ্যুতিক সঙ্কেত পৌঁছে দিতে পারবে না। ফলে যদি মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তাহলে পেশিও ভালো ভাবে কাজ করবে না। চোখও ক্লান্তিভাব আসবে। আর মস্তিষ্কও ঝিমিয়ে পড়বে।
মন-মেজাজ ভালো করতে: ডিহাইড্রেশন হলে ঘিরে ধরে একরাশ বিরক্তি। সেক্ষেত্রে এক গ্লাস জল খেয়ে নিলে দূর হবে সমস্যা। আসলে মন-মেজাজকে তরতাজা করতে ও চাঙ্গা রাখতে জল পান করা জরুরি।
ওজন কমাতে: ওজন কমানোর জন্য ভালো খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি পর্যাপ্ত জল পান করাও অপরিহার্য। কারণ জল দেহের ওজন কমাতে সহায়তা করে। আসলে জলে ক্যালোরি বা ফ্যাট থাকে না, ফলে ক্যালোরি বার্ন করতে সাহায্য করে জল। এছাড়া খিদে কমায় এবং মেটাবলিজমের হার বাড়িয়ে দেয়। ফলে আমরা অতিরিক্ত খাওয়াদাওয়া থেকে বিরত থাকি।
সুন্দর জেল্লাদার ত্বক পেতে: ত্বক সুন্দর, সতেজ এবং জেল্লাদার রাখতে জলের জুড়ি মেলা ভার। কোলাজেন নামে এক ধরনের প্রোটিন আমাদের ত্বকে থাকে, যা আমাদের ত্বককে টানটান ও সুন্দর রাখে। সেই কোলাজেন কিন্তু জলের উপর নির্ভরশীল। তাই শরীরে জল না-থাকলে ত্বক শুষ্ক হয়ে কুঁচকে যায়। আর ত্বককে ভিতর থেকে সুস্থ রাখতে হলে রোজ পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করা বাঞ্ছনীয়।
-নিউজ১৮

জামরুল,সুদর্শন ফল

 টসটসে জামরুল আনিবো অঢেল

বৈশাখ যায় যায়। খরতাপে দগ্ধ দিন। ক্ষণে ক্ষণে গলা শুকিয়ে কাঠ। এ সময় তপ্ত দিনে রসাল জামরুল
একে নিজ দেশের উদ্ভিদ ভাবার কারণ নেই। সেই যে এককালে ভারতের স্বাধীনতাকামী রাজবন্দীদের আন্দামানে নির্বাসিত করত ব্রিটিশরা, সেই আন্দামান ও নিকোবর হলো জামরুলের জন্মভূমি। তবে বহুকাল থেকে আমাদের দেশে গাছটি জন্মাচ্ছে।
ইংরেজিতে বলে ‘স্টার অ্যাপল’ বা ‘ওয়াটার অ্যাপল’। বৈজ্ঞানিক নাম Eugenia javanica।
Rose Apple Benefits:
জামরুলে রয়েছে আম-কমলার চেয়ে বেশি খনিজ
জামরুল সাদা, লাল দুই রকমেরই পাওয়া যায়। অনেকেই অবশ্য এই ফল খেতে চান না। তবে এর রয়েছে বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা। যা আমরা অনেকেই জানি না।
বিশেষজ্ঞদের মতে জামরুল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া এতে রয়েছে ভিটামিন সি। প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুলে ২২ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন C পাওয়া যায়। যা ত্বকের তারুণ্যতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুল থেকে ২৯ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম মেলে। যা হাড় বা দাঁতের জন্য প্রয়োজনীয়। আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে গরমের সময় জামরুল রাখতেই পারেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে জামরুলে রয়েছে জামবোসিন। যা আমাদের রক্তে স্টার্চ থেকে শর্করা তৈরির পক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এই কারণে চিকিৎসকরাও ডায়াবিটিসের রোগীদের জামরুল খাওয়ার পরামর্শ দেন। জামরুলে ফাইবারের পরিমাণ বেশি থাকায় খাবার হজম করতে সুবিধা হয়। তাতে কোষ্ঠাকাঠিন্যের সমস্যাও কমে।
​ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়
রোগ নিরাময়ে জামরুলের ভেষজ গুণ অনেক। জামরুলে রয়েছে ভিটামিন A এবং C। এ ছাড়া এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে সক্রিয় যৌগ। যা প্রস্টেট এবং স্তনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। রোজ জামরুল খেলে শরীরের প্রতিরোধক্ষমতা বাড়বে। পেটের সমস্যায়ও দারুণ কাজ দেয় জামরুল।
​হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে
শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে জামরুল রাখতেই পারেন। প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুলে প্রায় ২৯ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। এই ক্যালসিয়াম হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। রোগ হলে ওষুধ খেতে তো হবেই । তবে রোগ ঠেকাতে কাজে দেয় কিছু ফল। বিশেষজ্ঞদের মতে, মরসুমি ফলগুলো আমাদের অনেক অসুখ-বিসুখের হাত থেকে বাঁচায়। অনেক সময় স্বস্তিও দেয়। তাই এ বার থেকে অবহেলা নয়, গরমে প্রাণ ভরে খান জামরুল।
​হাইড্রেট রাখতে ও পেট ফাঁপা প্রতিরোধ করে
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুলে ৯৩ গ্রাম জল থাকে। যা শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। জামরুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ডায়াটারি ফাইবার রয়েছে এটি পেট ফাঁপা ও ডায়ারিয়া প্রতিরোধে বিশেষভাবে কাজ করে। এ ছাড়া আমাদের অনেকেরই চোখের সমস্যা রয়েছে। জামরুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন থাকায় এই ফল চোখের জন্যও উপকারি।
টনিক
জামরুল মস্তিষ্ক ও লিভারের যত্নে টনিক হিসাবে কাজ করে।
বাত সারায়
জামরুল ভেষজগুণ সমৃদ্ধ ফল। বাত নিরাময়ে এটি ব্যবহার করা হয়।
চোখের নিচের দাগ দূর করে
চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতেও জামরুলের ভূমিকা অনন্য।
প্রতিদিনের পুষ্টি
প্রতিদিন একটি তাজা জামরুল খাওয়ার মাধ্যমে প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় পুষ্টি অনেকটাই পূরণ করা সম্ভব।
জামরুলে আছে
প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুল আছে ৫৬ ক্যালরি শক্তি, প্রোটিন ০.৫ থেকে ০.৭ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ১৪.২ গ্রাম, খাদ্যআঁশ ১.১ থেকে ১.৯ গ্রাম, ফ্যাট ০.২ থেকে ০.৩ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৯ থেকে ৪৫.২ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ৪ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১১.৭ থেকে ৩০ মিলিগ্রাম, আয়রন ০.৪৫ থেকে ১.২ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ৩৪.১ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ৩৪.১ মিলিগ্রাম, কপার ০.০১ মিলিগ্রাম, সালফার ১৩ মিলিগ্রাম, ক্লোরিন ৪ মিলিগ্রাম এবং পানি ৪৫.৫ থেকে ৮৯.১ গ্রাম।
সূত্র: বোল্ড স্কাই/প্রথম আলো/ সমকাল/এইসময়
ডিসক্লেইমার: প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, কোনও ওষুধ বা চিকিতসার অঙ্গ নয়, আরও বিস্তারিত জানতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক?

 তুমি দুর্দশাগ্রস্ত?

এর কারণ তুমি নিজেই
তুমি আশীর্বাদপুষ্ট?
এর কারণ তুমি নিজেই
কেউই এজন্য দায়ী নয়- কেবল তুমি ছাড়া
তুমিই তোমার নরক আর স্বর্গও বটে!
কোথায় স্বর্গ, কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর?
মানুষেরি মাঝে স্বর্গ নরক, মানুষেতে সুরাসুর!
রিপুর তাড়নে যখনই মোদের বিবেক পায় গো লয়,
আত্মগ্লানির নরক-অনলে তখনি পুড়িতে হয়।
প্রীতি ও প্রেমের পূণ্য বাঁধনে যবে মিলি পরষ্পরে,
স্বর্গ আসিয়া দাঁড়ায় তখন আমাদেরি কুঁড়ে ঘরে।

শিখি, শেখাই

 Thomas J. Watson আইবিএম-এর সাবেক প্রধান।

একবার তাঁকে বা হলো, “ আপনাকে আপনার একজন কর্মী যে কিনা কোম্পানীর ৬লাখ ডলার লোকসান করেছে তাকে বহিষ্কার করার কথা বলা হলে আপনি কি করতেন? “
Thomas J. Watson সরলভাবে বল্লেন, দেখুন, “আমি তাকে প্রশিক্ষিত করতেই মাত্র ৬লাখ ডলার ব্যয় করেছি মাত্র। আর আমি তাকে ছাঁটাই করবো না এ জন্য যে ৬লাখ ডলার লোকসান করে তার একটা বিশাল অভিজ্ঞতা আইবিএম উপহার দিয়েছে। তার অভিজ্ঞতার একটা দাম তো কোম্পানীর কাছে আছেই।
তিনি আরো জানান দিলেন, ব্যর্থতার হারটা “ডবল” না হলে সফলতাটা ঠিক আঁচ করা যায় না। আর ব্যর্থতা সফলতার শত্রু নয় আমরা যা ভাবি। আঁধার আছে বলেই আলোকে চেনা যায়।
এঁরাই সত্যিকারের সি.ই.ও!! কর্মীবান্ধব তো বটেই। এঁরাই চা কফি তৈরী করে পেয়ালাটা কর্মীদের হাতে তুলে দেয়।
এদেশে আছেন ক’জন সি.ই.ও এমন?

ক্লেশ হোক লাঘব

 রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের পার্থিব দুঃখ-কষ্ট দূর করবে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার দুঃখ-কষ্ট দূর করবেন। যে ব্যক্তি কোনো সংকটাপন্ন ব্যক্তির সংকট নিরসন করবে, আল্লাহ তার দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় সংকট নিরসন করে দেবেন। যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের দোষত্রুটি গোপন রাখে, আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষত্রুটি গোপন রাখবেন। আর আল্লাহ ততক্ষণ পর্যন্ত বান্দার সাহায্য করে থাকেন, যতক্ষণ পর্যন্ত বান্দা নিজ ভাইয়ের সাহায্যে রত থাকে। (তিরমিজি, হাদিস : ১৯৩০; আবু দাউদ, হাদিস : ৪৯৪৬)

তাওয়াক্কুল বা আল্লাহর ওপর ভরসা করলে সম্পদ বৃদ্ধি হয়

 শুধু আল্লাহর ওপর আন্তরিক নির্ভরতার নাম ভরসা। ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, তোমরা যদি আল্লাহর ওপর যথাযথ ভরসা করো তাহলে তোমাদের জীবিকা দেওয়া হবে সেভাবে যেভাবে পাখি রিজিকপ্র্রাপ্ত হয়। পাখি সকালে ক্ষুধার্ত অবস্থায় বের হয় এবং পেট পূরণ করে সন্ধ্যায় বাসায় ফেরে। (তিরমিজি, হাদিস : ২৩৪৪)

‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে আল্লাহ তার পথ করে দেবেন। আর তাকে তার ধারণাতীত উতস থেকে রিজিক দান করবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর নির্ভর করে তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। আল্লাহ তার ইচ্ছা পূরণ করবেনই। আল্লাহ সব কিছুর জন্য স্থির করেছেন নির্দিষ্ট মাত্রা। ’ (সুরা : তালাক, আয়াত : ২-৩)