Saturday, December 30, 2023

নেতিবাচক মানুষ কারা?

 ১.সদা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত যারা

২. হতাশাবাদী যারা
৩. অভিযোগের শেষ নেই যাদের
৪. নতুন অভিজ্ঞতাকে না বলে যারা
৫. সফল নন যারা
৬. এনার্জি শুষে নেয় সে সব মানুষ
৭. অসুখী যারা
May be an image of bird, shadbush and firethorn
All reactions:

নারী-পুরুষ সবার জন্য এক ডজন নিয়ম

 ১. সম্পর্কে থাকা অবস্থায় যে আপনার সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তার কাছে ফিরবেন না; বরং একা থাকুন!

২. আত্মমর্যাদা নিয়ে চলুন। কাউকে অসম্মান করবেন না। নিজেকেও নয়। নিজেকেও অসম্মানিত হতে দেবেন না।
৩. কখনো বসে ‘হ্যান্ডশেক’ করবেন না। উঠে দাঁড়ান। এবার হাত বাড়িয়ে দিন।
৪. অন্যের মন রক্ষা করতে গিয়ে নিজের মন ভাঙবেন না।
৫. ইতিবাচক চিন্তা আপনাকে ইতিবাচকতার দিকে নিয়ে যাবে। নেতিবাচকতা আপনাকে নেতিবাচকতার দুষ্টচক্রে আটকে ফেলবে। ইতিবাচকতার চর্চা করুন।
৬. লক্ষ্য রাখুন উঁচু। যেটা হয়ে গেছে, গেছে। সামনের দিকে তাকান। পেছনের কোনো কিছু যেন আপনাকে আটকে না রাখে, নিশ্চিত করুন।
৭. কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করার পর এক থেকে তিন সেকেন্ড সময় নিন। তারপর উত্তর দিন।
৮. সম্পর্কে দয়া ভিক্ষা চাইবেন না। দয়া করে সম্পর্ক হয় না। সম্পর্ক হয় সম্মানে, বিশ্বাসে, পারস্পরিক নির্ভরশীলতায়।
৯. যেখানে আপনাকে দাওয়াত দেওয়া হয়নি, সেখানে যেচে দাওয়াত চাইতে যাবেন না, সেখানে যাবেন না।
১০. সব সময় কাছে কিছু ক্যাশ টাকা রাখবেন। যেখানেই যান না কেন, সুন্দর পোশাকে পরিপাটি হয়ে যান।
১১. কারও সঙ্গে কথা বলার সময় তার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন।
১২. যে খাবার আপনি কেনেননি, সেটার শেষ টুকরা খাবেন না।
সূত্র: গ্রোথ মাইন্ডসেট টিপস
May be an image of text that says "Life is made of ever so many partings welded together. -Charles Dickens"
All reactions:

কিছু ভাল অভ্যাস Some good habits

 বন্ধু কম থাকা ভালো।

বন্ধুত্বের নামে নিজেকে একেবারে বিলিয়ে দিবেন না। Be less friendly
কেউ পাত্তা না দিলে অযথা তার পিছনে দৌড়ানোর দরকার নেই।
এক্স কে স্টক করা বন্ধ করতে হবে।
নিজেকে ভালোবাসুন। খারাপ অভ্যাসগুলো থেকে নিজেকে মুক্তি দেবার পথ খুঁজুন।
নিজের চারপাশের সব কিছুর ব্যাপারে নাক গলানোর দরকার নেই।
যথা সম্ভব কম কথা বলার চেষ্টা করতে হবে।
অতিরিক্ত চিন্তা করা যাবে না।
অন্য ব্যক্তির হাতে নিজের ব্যক্তিত্বকে তুলে দিবেন না। কুকুর হয়ে দীর্ঘ সময় বাঁচার তুলনায় সিংহ হয়ে একদিন বাঁচা অনেক ভালো।
ছোট ছোট জিনিসের মাঝে সুখ খুঁজতে হবে।
ব্যর্থতা খারাপ কিছু নয়।
বুঝতে হবে কোন কিছু অর্জন করা বাধ্যতামূলক নয়।
অতিরিক্ত ভালো হবার কোন দরকার নেই।
নিজেকে যথা সম্ভব শান্ত রেখে জীবন যাপন করুন।
অন্যদের কাছ থেকে মতামত নেন এবং নিজের মত সিদ্ধান্ত নেন।
-কোরা.কম সূত্র
No photo description available.
All reactions:

প্রাণিজগত যেভাবে আল্লাহর আনুগত্য করে

 মহান আল্লাহর সৃষ্টিজগতের বিস্তৃত অংশজুড়ে আছে জীব বা প্রাণিজগৎ। বৈচিত্র্যময় প্রাণিজগৎ আল্লাহর সৃষ্টি ও কুদরতের বিস্ময়। মহান আল্লাহ বিশাল প্রাণিজগৎকে মানুষের সেবা ও কল্যাণে নিয়োজিত রেখেছেন। মানুষ প্রতিনিয়ত প্রাণিজগৎ সম্পর্কে অবগত হচ্ছে এবং তাদের বিস্ময়ের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে নিদর্শন রয়েছে মুমিনদের জন্য। তোমাদের সৃজনে এবং জীবজন্তুর বিস্তারে নিদর্শন রয়েছে নিশ্চিত বিশ্বাসীদের জন্য ।’ (সুরা : জাসিয়া, আয়াত : ৩-৪)
প্রাণিজগতের অনেক কিছুই অজানা
প্রাণিজগৎ সম্পর্কে মানুষের জ্ঞানের পরিধি দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে। কিন্তু তারা এর সবটুকু জানতে পারেনি এবং মানবজাতির পক্ষে তার পুরোটা জানা সম্ভবও নয়।
মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের আরোহণের জন্য ও শোভার জন্য তিনি সৃষ্টি করেছেন অশ্ব, অশ্বতর ও গাধা এবং তিনি সৃষ্টি করেন এমন অনেক কিছু, যা তোমরা অবগত নও।’ (সুরা : নাহল, আয়াত : ৮)
বিপুল বৈচিত্র্য
আল্লাহ প্রাণিজগতে বিপুল বৈচিত্র্য রেখেছেন। প্রাণিজগতের বৈচিত্র্য সম্ভবত মানুষের কল্পনার অতীত। যেদিকে ইঙ্গিত দিয়ে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ সব জীব সৃষ্টি করেছেন পানি থেকে, তাদের কতক পেটে ভর দিয়ে চলে, কতক দুই পায়ে চলে এবং কতক চলে চার পায়ে।
আল্লাহ যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্ববিষয়ে শক্তিমান।’ (সুরা : নুর, আয়াত : ৪৫)
শ্রেণিবদ্ধ ও সুসংহত
সৃষ্টিজগতের সুবিশাল প্রাণিজগৎকে আল্লাহ বিচ্ছিন্নভাবে সৃষ্টি করেননি, বরং শ্রেণিবদ্ধ ও সুসংহতভাবে সৃষ্টি করেছেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘ভূপৃষ্ঠে বিচরণশীল এমন জীব নেই অথবা নিজ ডানার সাহায্যে এমন কোনো পাখি ওড়ে না, কিন্তু তারা তোমাদের মতো এক একটি উম্মত (শ্রেণি বা গোষ্ঠীভুক্ত)।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ৩৮)
সুশৃঙ্খলিত প্রাণিজগৎ
আল্লাহ প্রাণিজগৎকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করেছেন।
আর তারা আল্লাহ প্রদত্ত নিয়ম মেনে চলে। ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি নির্ভর করি আমার ও তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহর ওপর; এমন কোনো জীবজন্তু নেই, যে তাঁর পূর্ণ আয়ত্তাধীন নয়, নিশ্চয়ই আমার প্রতিপালক আছেন সরল পথে।’ (সুরা : হুদ, আয়াত : ৫৬)
আকার-অবয়বে আল্লাহর কুদরত
প্রাণিজগতে বৈচিত্র্যপূর্ণ দেহ ও অবয়বের অধিকারী প্রাণী দেখা যায়। তাদের সদৃশ ও বৈসদৃশ আকার ও অবয়ব মহান আল্লাহর সর্বময় ক্ষমতারই সাক্ষ্য। ইরশাদ হয়েছে, ‘আমাদের প্রতিপালক তিনি, যিনি প্রত্যেক বস্তুকে আকৃতি দান করেছেন, অতঃপর পথনির্দেশ করেছেন।’ (সুরা : তাহা, আয়াত : ৫০)
প্রাণিজগতে জীবিকার সুষম বণ্টন
মহান আল্লাহ সুবিশাল প্রাণিজগতে সুষম জীবিকার বণ্টন করেছেন। তিনি সুনিয়ন্ত্রিত খাদ্যচক্রের মাধ্যমে সবার জীবিকা নিশ্চিত করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘ভূপৃষ্ঠে বিচরণকারী সবার জীবিকার দায়িত্ব আল্লাহরই। তিনি তাদের স্থায়ী ও অস্থায়ী অবস্থিতি সম্পর্কে অবহিত; সুস্পষ্ট কিতাবে সব কিছুই আছে।’ (সুরা : হুদ, আয়াত : ৬)
প্রাণিজগতে আল্লাহর আনুগত্য
সৃষ্টিজগতের সব কিছুর মতো প্রাণীরাও আল্লাহর অনুগত। তারা নিজস্ব পদ্ধতিতে আল্লাহর আনুগত্য করে এবং তাঁর ইবাদতে রত থাকে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তুমি কি দেখ না যে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যারা আছে তারা এবং উড্ডীয়মান বিহঙ্গকুল আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে? প্রত্যেকেই জানে তাঁর ইবাদতের ও পবিত্র ঘোষণার পদ্ধতি। তারা যা করে আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক অবগত।’ (সুরা : নুর, আয়াত : ৪১)
মানুষের সেবায় নিয়োজিত
আল্লাহ সৃষ্টিজগতের অন্য সব কিছুর মতো প্রাণিজগৎকেও মানুষের সেবায় নিয়োজিত করেছেন। তারা মানুষের দৃশ্যমান হোক বা অদৃশ্য, মানুষ তাদের সম্পর্কে অবগত থাকুক অথবা না থাকুক, সবাই নানাভাবে মানবজাতির সেবায় নিয়োজিত। মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর তিনি তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সব কিছু নিজ অনুগ্রহে, চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য এতে রয়েছে নিদর্শন।’ (সুরা : জাসিয়া, আয়াত : ১৩)
বহুমুখী কল্যাণের ধারক
আল্লাহ প্রাণিজগৎকে বহুমুখী কল্যাণের ধারক বানিয়েছেন। যেমন :
১. বাহন : পৃথিবীতে প্রাণী হিসেবে বাহন সর্বপ্রাচীন। এখনো পৃথিবীর বিপুলসংখ্যক মানুষ প্রাণীকে বাহন হিসেবে ব্যবহার করে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর তারা তোমাদের ভার বহন করে নিয়ে যায় এমন দেশে, যেখানে প্রাণান্ত ক্লেশ ছাড়া তোমরা পৌঁছাতে পারতে না। তোমাদের প্রতিপালক আবশ্যই দয়ার্দ্র, পরম দয়ালু।’
(সুরা : নাহল, আয়াত : ৭)
২. খাদ্য ও পানীয়ের উৎস : প্রাণিজগৎ মানবজাতির খাবার ও পানীয় জোগান দিয়ে থাকে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘এবং আমি এগুলোকে তাদের বশীভূত করে দিয়েছি। এগুলোর কতক তাদের বাহন এবং তাদের কতক তারা আহার করে। তাদের জন্য এগুলোতে আছে বহু উপকারিতা আর আছে পানীয় বস্তু। তবু কি তারা কৃতজ্ঞ হবে না।’ (সুরা : ইয়াসিন, আয়াত : ৭২-৭৩)
৩. পোশাকের উৎস : প্রাণী থেকে মানুষ পোশাক তৈরির উপাদান সংগ্রহ করে। যেমন পশম, চামড়া, রেশমগুটি ইত্যাদি। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তিনি চতুষ্পদ জন্তু সৃষ্টি করেছেন, তোমাদের জন্য তাতে শীত নিবারক উপকরণ ও বহু উপকার আছে। এবং তা থেকে তোমরা আহার করে থাকো।’ (সুরা : নাহল, আয়াত : ৫)
৪. মানসিক প্রশান্তি লাভ : পশুপাখি মানুষের চোখ শীতল করে এবং মনে প্রশান্তি আনে। ইরশাদ হয়েছে, ‘এবং তোমরা যখন গোধূলিলগ্নে তাদেরকে চারণভূমি থেকে ঘরে নিয়ে আসো এবং সকালে যখন তাদেরকে চারণভূমিতে নিয়ে যাও, তখন তোমরা তাঁর সৌন্দর্য উপভোগ করো।’ (সুরা : নাহল, আয়াত : ৬)
৫. শোভা ও সম্পদ : প্রাণীগুলো, বিশেষ করে গৃহপালিত চতুষ্পদ জন্তু মানুষের জন্য শোভা ও সম্পদ। ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমাদের আরোহণের জন্য ও শোভার জন্য তিনি সৃষ্টি করেছেন অশ্ব, অশ্বতর ও গাধা এবং তিনি সৃষ্টি করেন এমন অনেক কিছু, যা তোমরা অবগত নও।’ (সুরা : নাহল, আয়াত : ৮)
প্রাণিজগৎ নিয়ে গবেষণার নির্দেশ
আল্লাহ সুবিশাল প্রাণিজগৎ নিয়ে চিন্তা ও গবেষণার নির্দেশ দিয়েছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তবে কি তারা দৃষ্টিপাত করে না উটের দিকে, কিভাবে তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে?’ (সুরা : গাশিয়া, আয়াত : ১৭)
আল্লাহ সবাইকে সুপথ দান করুন। আমিন।
Ref: আতাউর রহমান খসরু
No photo description available.
All reactions:

Friday, December 22, 2023

Ginger every day for a month!

 Are you planning to eat ginger every day for a month? Then we will not stop you! Eating ginger daily has many health benefits. Side note: you do not have to nibble on a piece of ginger every day. Cut a large piece – about 1.5 centimeters – into small pieces and mix it with your smoothie, tea or Asian dish. Wondering what this does to your body? We will explain it to you.

This happens to your body when you eat ginger every day for a month
Ginger every day
Are you planning to eat ginger every day for a month? Then we will not stop you! Eating ginger daily has many health benefits. Side note: you do not have to nibble on a piece of ginger every day. Cut a large piece – about 1.5 centimeters – into small pieces and mix it with your smoothie, tea or Asian dish. Wondering what this does to your body? We will explain it to you.
It does this to your body:
Anti-inflammatory: Inflammation in the body is reduced faster. This is due to the anti-inflammatory effect of ginger.
Nausea disappears: are you often nauseous in the morning? We bet that eating ginger every day will help you! By eating ginger daily, the nausea will soon subside. Tip: Especially pregnant women and people undergoing chemotherapy can benefit from this.
Reduction of muscle pain: Do you have muscle pain or pain in the limbs? Eating ginger can have a good influence on this. Consuming ginger daily will gradually ease the pain.
Promotes bowel movements: Eating ginger on a daily basis does a lot of good for your bowel movements. Do you regularly suffer from constipation? Then this might help you.
Menstrual pain: Are you in constant pain during this time of the month? Then eating ginger daily may help you. The spice is similar to taking pain medications, which can help relieve acute abdominal pain.
Lowers cholesterol: Eating ginger every day for a month can help lower “bad” cholesterol in the body. The amount of triglycerides in the blood is reduced by the substances in ginger.
Boosts the Immune System: The anti-inflammatory properties in ginger strengthens the immune system. Have you already been affected by a cold or virus? Then ginger can help you recover faster.
https://www.tips-and-tricks.co/.../happens-body-eat.../2/



অবিবাহিত নারী-পুরুষের জন্য সুসংবাদ আল কুরআনে

 আল্লাহ্ প্রতিজ্ঞা করেছেন “বিয়ে করলেই তোমাদের ধনী করে দেবো“

মেয়ে বিয়ে দেয়ার সময় কেবলই চাকুরীজীবী ছেলে খোঁজাটা মূলত আল্লাহ্’র উপর অনির্ভরশীলতা’র ইঙ্গিত।
আমি তো মনে করি, “একটা ভালো চাকুরী’র পূর্বশর্তই হচ্ছে “বিয়ে”।
কেননা, তখন তাকে রিজিক প্রদান করার দায়িত্ব স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা নিয়ে নেন।
পড়ুন সেই মহাপবিত্র আয়াতে কারীমা…
وَأَنْكِحُوا الْأَيَامَىٰ مِنْكُمْ وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ ۚ إِنْ يَكُونُوا فُقَرَاءَ يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِنْ فَضْلِهِ ۗ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ
Wa ankihul ayaamaa minkum was saaliheena min 'ibaadikum wa imaa'ikum; iny-yakoonoo fuqaraaa'a yughni himul laahu min fadlih; wal laahu Waasi'un 'Aleem
(তোমাদের মধ্য হতে যারা বিবাহহীন তাদের বিবাহ দিয়ে দাও এবং দাস-দাসীদের মধ্যে যারা সত তাদেরকেও। তারা যদি নিঃস্বও হয়ে থাকেন তবে স্বয়ং আল্লাহ্ তাকে ধনী বানিয়ে দেবেন)
– সূরা নুর। আয়াতঃ ৩২।
অবশ্য উক্ত আয়াতে বিবাহহীনদের অবিভাবকদেরকেই আল্লাহ্ এ আদেশ করেছেন। কেননা আল্লাহ্ জানেন, অবিভাবকেরা কি সব চিন্তা করেন।
অভিভাবকরা নির্ভর করুক আল্লাহর ওপরে।
All reactions:

শত্রুদের প্রতি আলী (রা.)-র সংযত প্রতিবাদ

 ইসলামের চতুর্থ খলিফা হজরত আলী (রা.)। তিনি ছিলেন মহানবী (সা.)-এর চাচাতো ভাই এবং জামাতা। তাঁর ব্যাপারে আমাদের নবী মোহাম্মদ (সা.) নিজেই বলেছেন, ‘আমি যদি হই জ্ঞানের নগরী, তবে আলী হলো সেই নগরীর প্রবেশপথ।’

আলী (রা.) সেই সাহাবি, হিজরতের রাতে যখন মহানবী (সা.)-কে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়, তখন তিনি ঝুঁকি নিয়ে মহানবীর কামরায় শুয়েছিলেন। খায়বার যুদ্ধে বীরত্বের ফলে তাঁকে ‘আসাদুল্লাহ’ বা ‘আল্লাহর সিংহ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল।
হজরত ওসমান (রা.)-র হত্যার পর তিনি ইসলামের চতুর্থ খলিফা হিসেবে দায়িত্ব পান। মুসলিম জাহান তখন কঠিন অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। দেশে ভেতরে ও বাইরে শত্রুর কোনো অভাব ছিল না। সবচেয়ে বাজে ব্যাপার হলো, কে শত্রু আর কে মিত্র, তা বোঝা দুঃসাধ্য ছিল।
আলী (রা.) ক্ষমতায় এসে ঘোষণা করলেন, উসমান (রা.)-এর হত্যার বিচার করা হবে কিন্তু তার আগে দেশের পরিস্থিতি শান্ত হোক। কিন্তু অনেক সাহাবি চাইছিলেন, আগে হজরত উসমান (রা.)-র হত্যার বিচার করা হোক। তাঁদের একজন ছিলেন হজরত মুয়াবিয়া (রা.)। তিনি ছিলেন উসমান (রা.)-এর চাচাতো ভাই।
এরই মধ্যে শত্রুরা চক্রান্ত করে আলী (রা.) আর মুয়াবিয়া (রা.)-এর মধ্যে যুদ্ধ বাঁধিয়ে দিল।
শেষ পর্যন্ত আলী (রা.) আর মুয়াবিয়া (রা.) যখন শান্তি চুক্তি করতে বসলেন, তখন আলী (রা.)-র পক্ষের একদল লোক বিদ্রোহ ঘোষণা করল। তাঁদের বলা হতো ‘খারেজি সম্প্রদায়’। খারেজিদের হাতেই আলী (রা.) শাহাদাতবরণ করেছিলেন।
আলী (রা.)-এর শেষ সময়ে এই খারেজিরা তাঁকে নিয়ে খুবই বাজে মন্তব্য করত। তাঁর দায়িত্বজ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তুলত। আলী (রা.) পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁরা খারাপ ভাষায় কথা বলত। একজন খলিফা হওয়া সত্ত্বেও তিনি কখনো তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতা প্রদর্শন করেননি।
একবার আলী (রা.) মসজিদে এসে ফজরের নামাজে দাঁড়ালেন। তিনি তকবির দিয়ে মাত্র নামাজ শুরু করেছেন আর পেছন থেকে এক লোক বলে উঠল, ‘তোমার আর তোমার পূর্ববর্তীদের ওপর আদেশ জারি করে হয়েছে, যারা আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক করো, তাদের সব ইবাদত বাতিল হয়ে যাবে।’ (সুরা জুমার, আয়াত: ৬৫)
অর্থাৎ লোক যেন আলী (রা.)-কে বলতে চাইল, তুমি তো শিরক করেছ। নামাজ পড়ে তোমার কোনো লাভ হবে না।
এই ঘটনা থেকে বোঝা যায়, খারিজিরা কোন পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। তারা কী পরিমাণ মানসিক অত্যাচারের ভেতর আলী (রা.)-কে ফেলছিল। কোরআনের আয়াত দিয়ে তারা আলী (রা.)-কে আক্রমণ করছিল।
এই কথা যখন বলা হলো, তখন আলী (রা.) মাত্র সুরা ফাতিহা পাঠ শেষ করেছেন। ফাতিহার পর তিনি সুরা রুম-এর শেষ আয়াত তিলাওয়াত করলেন, ‘অতঃপর আপনি ধৈর্য রাখুন। আল্লাহর ওয়াদা সত্য। যারা বিশ্বাসী নয়, তারা আপনাকে বিচলিত করতে পারবে না।’ (সুরা রুম, আয়াত: ৬০)
আলী (রা.) যেন নিজেকেই বললেন, তারা যতই কোরআন পড়ুক, তারা আসলে বিশ্বাসী নয়। তাদের কথায় বিচলিত হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ আলী (রা.) তাঁর নামাজের মধ্যেই এই লোককে সমুচিত জবাব দিয়েছিলেন।
Source: ড. ওমর সুলাইমান

৫ বীজ ভালো দাওয়াই

 হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ রক্ত চাপ আর খারাপ কোলেস্টেরল রুখতে ৫ বীজ হতে পারে ভালো দাওয়াই

1. Pumpkin seeds:
Powerful Antioxidant. Pumpkin seeds have great antioxidant potential due to the presence of Vitamin E and carotenoids.
• Cardio-protective.
• Protects from Cancers.
• Helps in Management of Diabetes.
• Immunity Booster.
• Improves Quality of Sleep.
• Good for Weight Loss.
• Good for Strong Bones.
2. Flaxseed:
Flaxseed per day led to significant reductions in body mass index (BMI), total cholesterol, and blood pressure. Flaxseed contain omega-3 fats, fiber, and other plant compounds. They may help improve digestion and reduce the risk of heart disease, type 2 diabetes, and cancer.
3. Chia seeds:
Chia seeds are high in omega-3 fatty acids, which have been shown to work as a blood thinner and may decrease blood pressure.
• Highly nutritious.
• Loaded with antioxidants.
• May support weight loss.
• May lower your risk of heart disease.
• Contain many important bone nutrients.
• May reduce blood sugar levels.
• Easy to incorporate into your diet.
4. White sesame seeds:
• Sesame seeds contain lignin and phytosterols, which are plant compounds that can help lower cholesterol.
• It may show blood sugar lowering activity.
• It might have lipid-lowering activity.
• It may show Anti-cancer properties.
• It may have blood pressure-lowering activity.
• It might have liver protective activity.
• It may have anti-inflammatory properties.
• It may have antimicrobial activity.
5. Sunflower seeds:
Sunflower seeds are rich in oleic and linoleic acid and low in saturated fats and sodium. They also contain magnesium, potassium and fiber. They help to lower blood pressure and serum cholesterol levels.
How to use:-
• Pumpkin seeds - 1 tbsp.
• পামকিন সীড ১ টেবিল চামচ
• Chia seeds - 1 Tbsps.
• চীয়া সীড ১ টেবিল চামচ
• Flaxseed powder - 1 Tbsps
• ফ্ল্যাক্স সীড বা তিসি বীজ ১ টেবিল চামচ
• White sesame Seeds - 1 Tbsps.
• সাদা তিল ১ টেবিল চামচ
• Sunflower seeds - 1 Tbsps.
• সূর্যমুখী বীজ ১ টেবিল চামচ
• Black salt or pink salt - as needed
• পিংক সল্ট/বীট নুন যতটুকু দরকার ততটুকু
• Black Pepper powder - as needed
• গোল মরিচের গুঁড়ো সামান্য
• Virgin coconut oil - 1 Tsp.
• ভার্জিন নারকেল তেল ১ চা চামচ
METHOD:-
• To a bowl add all the ingredients.
• Mix well.
• Healthy snack is ready to serve.
• একটা বড় গামলায় সবগুলো বীজ নাও। উপাদানগুলো ভালো করে মিক্স করো। সার্ভ করো।
Like
Comment
Share