Tuesday, September 19, 2017

অ্যাক্ট অব লিটল কাইন্ডনেস

ছোট্ট চারুর ইচ্ছে হলো সে আল্লাহকে দেখবে। সে এইনা ভেবে তার ছোট্ট সুটকেসটির ভেতর কাপড় গুছিয়ে নিলো। সুটকেসটির ভেতরে একটি পাত্রে সে কয়েক পিস কেক নিলো। এবার তার যাত্রা শুরু করলো। সে বাড়ী থেকে অনেক দূরে একটি বাগানে পৌছলো। বেশ ক্লান্ত বোধ করলো সে। বাগানের গাছের ছায়ায় সে একটি বেঞ্চের ওপর বসে পড়লো। ভাবলো, ক্লান্ত লাগছে- এবার কেক খাই। এদিক ওদিক তাকিয়ে নিলো চারু। দেখলো তার কাছেই এক বৃদ্ধা বসে আছে আরেকটি বেঞ্চের ওপর। সে ছিল ক্লান্ত, দুঃখিত আর মনে হলে সে কিছুই খায়নি অনেক সময় ধরে। চারু তাকে কেক দিতে চাইলো। মহিলাটিও কেক নিতে চাইলো। চারু তাকে দিলো। মহিলাটি বেশ “কৃতজ্ঞ” হলো চারুর প্রতি। সে চারুর দিকে তাকিয়ে “সুন্দর হাসি” দিলো। এমন হাসি দিলো যে চারু কোনদিনই এমন সুন্দর হাসি দেখেনি। চারু ভাবলো এই মহিলাকে যেন বার বার দেথতে পাই। চারু আবার তাকে কেক দিলো। কেক নিয়ে আবারো সে চারুর দিকে তাকিয়ে আবারো সুন্দর হাসি দিলো।
এভাবেই চারু আর বৃদ্ধা মহিলা বাগানে অনেকটা সময় এক সাথে কাটিয়ে দিলো । দুপুর গড়িয়ে বিকাল হলো। কিন্ত এতটা সময় দু’জনেই কারো সাথে কোন কথা বলেনি।
গোধুলী বেলায় চারু বাড়ীর দিকে চললো। কারণ, ওর বেশ দূরে যেতে হবে। বৃদ্ধা মহিলা চারুকে একটি “চুমু” দিলো। এতে সে আরো আনন্দিত হয়ে চললো বাড়ীর পানে।
বাড়ীর দরজায় টোকা দিতেই চারুর মা দরজা খুললো। চারুর মুখটি হাসিতে উজ্জল। মা বল্লো “কি রে, আজ এতটা আনন্দিত যে তুই”। কি হয়েছে বলতো শুনি। সে বল্লো, আজ বাগানে আল্লাহর অস্তিত্ব অনুভব করেছি। তাই এতটা আনন্দিত।” মা বল্লো, “কিভাবে?” চারু বল্লো মা, বাগানে আজ এক বৃদ্ধা মহিলার সাথে কেক শেয়ার করি। সে ছিল ক্লান্ত, দুঃখিত আর মনে হলে সে কিছুই খায়নি অনেক সময় ধরে। কেক শেয়ার করবার সময় আল্লাহর অস্তিত্ব অনুভব করলাম। আল্লাহ তো আমাদের কাছেই থাকেন। সাথেই থাকেন। তুমি আমাকে আল্লাহ বিষয়ে বলতে, “আন্যকে সাহায্য করলে আল্লাহকেই সাহায্য করা হয়।”
এদিকে বৃদ্ধা মেয়েটিও বাড়ীতে গেল। সে ও ছিল চারুর মতই আনন্দিত। তার ছেলে বল্লো, “মা, আগে তোমাকেতো এতটা আনন্দিত দেখিনি?” কি হলো আজ যে তুমি এতটা আনন্দিত। বৃদ্ধা বল্লো বাবা, বাগানে আজ এক ছোট্ট বাবুর সাথে কেক শেয়ার করবার সময় আল্লাহর অস্তিত্ব অনুভব করলাম। আল্লাহ তো আমাদের কাছেই থাকেন। সাথেই থাকেন। আমি তোকে বলতাম, গল্প শোনাতাম, “গৃহহীনে গৃহ দিলে আমি থাকি ঘরে!” সেই চারু যখন আমাকে কেক খাওয়াচ্ছিল তখনই আল্লাহকে অনুভব করলাম। (সুরা ক্কাফ-আয়াত ১৬ “ওয়া না্‌হ্‌নু আক্করাবু ইলাইহি মিন হাব্‌লিল ওয়ারীদ..-আমি তোমাদের ঘাড়ের শিরার চাইতেও কাছে থাকি।”
আসুন আমরাও আল্লাহকে আমাদের মনের ভেতরে স্থায়ী আসন দিই। তখন দেখবেন “আপনাকে এই জানা আমার ফুরাবেনা।” আপনি আল্লাহর অস্তিত্ব অনুভব করতে পারবেন।
রিফ্লেকশানঃ
আমরা বেশীরভাগ সময়ই “স্পর্শের” (টাচ) শক্তিকে অবহেলা করি
“হাসির” (স্মাইল) শক্তিকে অবহেলা করি
“দয়ার (কাইন্ডনেস) উদ্রেক করে এমন কথার শক্তি”কে অবহেলা করি
“ভাল কথা শোনার (গুড হেয়ারিং) শক্তি”কে অবহেলা করি, ভাল কথা হলে উপেক্ষার ছলে চলে যাই
“ভাল প্রশংসার (প্রেইজ) শক্তি”কে অবহেলা করি
উতসাহের (এনথুসিয়েজম) “শক্তি”কে অবহেলা করি (উতসাহ কথাটার গ্রীক সংস্করণ এনথুসিয়েজম-যার মানে “ভেতরে আল্লাহ আছেন”)
“খুব ছোট একটি যত্নের (স্মল কেয়ার) শক্তি”কে অহেলা করি-তুচ্ছ ভাবি।

কিন্তু না। মনোবিজ্ঞান বলছে-ওপরের সবগুলো “শক্তি”ই অসাধারন। এগুলো আমাদের সবার জীবনে অনেক গভীর ও স্থায়ী চিহ্ন রেখে যায়। স্মৃতির পাতা থেকে সেগুলো কোন দিনই মুছে যায় না।এর নাম “ইপিসোডিক মেমোরী” বা ঘটনাক্রমে যা মনে লাখা হয়।
আমাদের মনে রাখা দরকার যে “আল্লাহ”কে আমরা কেউই দেখিনি। আল কুরআনের ভাষায় তিনি আমাদের নিকটতম দূরত্বেই থাকেন। তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন যেটা তাঁর অন্যতম সেরা সৃষ্টি। “আল্লাহ” মানুষ সৃষ্টি করেছেন অবশ্যই একটি মহান উদ্দেশ্য নিয়ে। ওপরে লেখা মানুষের সব “শক্তি”র্ কোন না কোন স্থায়ী ভাল “প্রভাব”তো প্রত্যেক মানব জীবনে তথা প্রত্যেক প্রাণীর জীবনে রয়েছেই, অস্বীকার করার জো নেই।
আমাদের সবারই উচিত হবে প্রতিদিন এমন কোন না কোন কাজ করা যা মানুষের বা কোন প্রাণীর মনে দয়ার উদ্রেক করে একটি স্থায়ী ছাপ রেখে যায়। পরীক্ষা করে দেখুন আপনার বাড়ীর আশে পাশের বিড়াল ছানাটিকে যদি “আদর” দেন-সে ও আপনার ভালবাসার জবাব দেবেই।

মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে্
একটু সহানুভূতি কী মানুষ পেতে পারে না?
বলো কী তোমার ক্ষতি, জীবনের অথৈ নদী-
পার হয় তোমাকে ধরে-দুর্বল মানুষ যদি?

Saturday, September 16, 2017

Plant a Viable Genuine seed

If you plant honesty, You will reap trust
If you plant goodness, You will reap friends
If you plant humility, You will reap greatness
If you plant perseverance, You will reap victory
If you plant consideration, You will reap harmony
If you plant hard work, you will reap success
If you plant forgiveness, You will reap reconciliation
If you plant openness, You will reap intimacy
If you plant patience, You will reap improvements
If you plant faith, You will reap miracles

But
If you plant dishonesty, You will reap distrust
If you plant selfishness, You will reap loneliness
If you plant pride, You will reap destruction
If you plant envy, You will reap trouble
If you plant laziness, You will reap stagnation
If you plant bitterness, You will reap isolation
If you plant greed, You will reap loss
If you plant gossip, You will reap enemies
If you plant worries, You will reap wrinkles
If you plant sin, You will reap guilt

So be careful what you plant now, it will determine what you will reap tomorrow, the seeds you now scatter, will make life worse or better, your life or the ones who will come after. Yes, someday, you will enjoy the fruits, or you will pay for the choices you plant today.

Saturday, September 9, 2017

বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ওরফে বনফুল অনেক আগে এই গল্পটা লিখছিলেন। কিন্তু মানুষের দাম্পত্য জীবনের পাওয়া না পাওয়ার দোলাচলে গল্পটা হয়ে গেছে চিরকালীন।
নিম গাছ
কেউ ছালটা ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করছে।
পাতাগুলো ছিঁড়ে শিলে পিষছে কেউ।
কেউ বা ভাজছে গরম তেলে।
খোস দাদ হাজা চুলকুনিতে লাগাবে।
চর্মরোগের অব্যর্থ মহৌষধ।
কচি পাতাগুলো খায়ও অনেকে।
এমনি কাঁচাই.....
কিংবা ভেজে বেগুন- সহযোগে।
যকৃতের পক্ষে ভারী উপকার।
কচি ডালগুলো ভেঙে চিবোয় কত লোক...। দাঁত ভালো থাকে।
কবিরাজরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
বাড়ির পাশে গজালে বিজ্ঞরা খুসী হন।
বলেন-"নিমের হওয়া ভাল, থাক, কেটো না।"
কাটে না, কিন্তু যত্নও করে না।
আবর্জনা জমে এসে চারিদিকে।
শান দিয়ে বাধিয়েও দেয় কেউ- সে আর এক আবর্জনা।
হঠাত একদিন একটা নূতন ধরণের লোক এল।
মুগ্ধ দৃষ্টিতে বেয়ে রইল নিমগাছের দিকে। ছাল তুললে না, পাতা ছিঁড়লে না, ডাল ভাঙ্গলে না। মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইল শুধু।
বলে উঠলো, "বাঃ কি সুন্দর পাতাগুলো.....কি রূপ। থোকা থোকা ফুলেরই বা কি বাহার....এক ঝাঁক নক্ষত্র নেমে এসেছে যেন নীল আকাশ থেকে সবুজ সায়রে। বাঃ--"
খানিকক্ষণ চেয়ে থেকে চলে গেল।`
কবিরাজ নয়, কবি।
নিমগাছটার ইচ্ছে করতে লাগল লোকটার সঙ্গে চলে যায়। কিন্তু পারলে না।মাটির ভেতর শিকড় অনেক দূরে চলে গেছে। বাড়ির পিছনে আবর্জনার স্তূপের মধ্যেই দাঁড়িয়ে রইল সে।


ওদের বাড়ীর গৃহকর্ম-নিপুণা লক্ষ্ণী বউটার ঠিক এই দশা।

Wednesday, September 6, 2017

সংরক্ষণ করুন ৯টি খুব দামী কথা

সংরক্ষণ করুন ৯টি খুব দামী কথাঃ
১. অন্যের আবেগ-অনুভূতি নিযে ঠাট্টা-মশকরা করা কখনোই উচিত নয়। তুমি হয়তো এ খেলায় সাময়িক জিতে যাবে কিন্তু সেই লোকটি চিরদিনের জন্য তোমার অন্তরালে চলে যাবে।-শেক্সপিয়র

২. আমাদের এই দুনিয়াটা অনেক সমস্যায় ডুবে আছে। এটা খারাপ লোকদের সন্ত্রাসের জন্য নয় কিন্ত। এটা এজন্য যে সমস্যা থেকে উতরে যাওয়ার চেষ্টায় ভালো লোকেরা নিষ্ক্রিয়।-নাপোলিয়ঁ

৩. যারা আমাকে “না” বলেছে আমি তাদের সবার প্রতিই কৃতজ্ঞ। এর কারণ এই যে, ওরাই আাকে “না” বলা শিখিয়েছে।-আইনষ্টাইন

৪. কেবল বন্ধু বানানোই যদি তোমার দুর্বলতা হয়ে থাকে- তবে তুমিই দুনিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী লোক।– আব্রাহাম লিংকন

৫. হাসিমাখা মুখের মানুষ দেখলেই তোমরা ভেবো না যে ওর ভেতর দুঃখ নেই। আসল কথা হলো ও দুঃখকে জয় করে ফেলেছে।-শেক্সপিয়র

৬. সুযোগ হলো উদিত সূর্যের আলোর মত অবারিত। যদি তুমি অনেক বেশী দেরী করো তবে এই আলোকে হারাবে।–উইলিয়াম আর্থার

৭. যখন তুমি আলোতে অবস্থান করবে তখন দেখবে সবাই তোমাকে অনুসরণ করছে। কিন্তু তুমি যখন আধাঁরে চলে যাবে-তোমার ছায়াও তোমার সঙ্গে যাবে না।-হিটলার

৮. খুচরো পয়সা বেশী ঝনঝন করে। আবার নোটগুলো চুপচাপ রয়্। পকেটে নোটগুলোর উপস্থিতি বোঝাই যায়না। তাই মানুষ যখন তোমাকে মূল্যায়ন করে তোমার সম্মান বাড়িয়ে দেয়-তখন চুপ থাকো।-শেক্সপিয়র

৯. জ্ঞান কথা কয়, কিন্তু প্রজ্ঞা চুপ থাকে।–জিমি হেনড্রিক্স


Tuesday, September 5, 2017

Gratitude

আপনি কেন কৃতজ্ঞ হবেন না?
কৃতজ্ঞতা জীবনকে ভরে দেয়, জীবনকে সুশোভিত করে
কৃতজ্ঞতা জীবনের বন্ধ দরজা খুলে দেয়
কৃতজ্ঞতা অস্বীকৃতিকে স্বীকৃতির দিকে নিয়ে যায়
কৃতজ্ঞতা জীবনকে বিশৃংখলা থেকে শৃংখলার দিকে নিয়ে যায়
কৃতজ্ঞতা জীবনকে সন্দেহ থেকে স্বচ্ছতার দিকে নিয়ে যায়
কৃতজ্ঞতা নাশতাকে ভুরিভোজে পরিণত করে
কৃতজ্ঞতা ঘরকে বাড়ীতে পরিণত করে
কৃতজ্ঞতা অতিথিকে বন্ধু বানায়
কৃতজ্ঞতা অতীত বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারনা দেয়
কৃতজ্ঞতা বর্তমানের শান্তি আনে

কৃতজ্ঞতা অন্তরদৃষ্টি খুলে দেয়

Adjustment in life

মানুষের জীবনে খাপ খাইয়ে নেয়া বা অ্যাডজাষ্টমেন্ট একটা সমস্যা!
আমাদের জীবনে খাপ খাইয়ে নেয়া বা অ্যাডজাষ্টমেন্ট একটা সমস্যা বটে। আমরা যারা যারা খাপ খাইয়ে নেয়া বা অ্যাডজাষ্টমেন্টের সমস্যায় খাকি- কবি রবীন্দ্রনাথ তার “বোঝাপড়া” কবিতায় একটা চমতকার সমাধান দিয়েছেনঃ
“ভেসে থাকতে পারো যদি, সেইতো সবার চেয়ে শ্রেয়
না পারোতো বিনা বাক্যে টুপ করিয়া ডুবে যেও।
এটা কিছূ অপূর্ব নয়, ঘটনা সামান্য খুবই
শংকা যেথা করেনা কেউ, সেইখানে হয় জাহাজ ডুবি।
মনেরে তাই কহ যে, ভাল মন্দ যা্হাই আসুক
সত্যেরে লও সহজে।
তোমার মাপে হয়নি সবাই, তুমিও হওনি সবার মাপে
তুমি মরো কারো ঠ্যালায়, কেউবা মরে তোমার চাপে।
তবু ভেবে দেখতে গেলে, এমনি কিসের টানাটানি
তেমন করে হাত বাড়ালে, সূখ পাওয়া যায় অনেকখানি।”
আসলে মনকে যদি বশ মানানো যায়, তাহলে খাপ খাইয়ে নেয়া বা অ্যাডজাষ্টমেন্ট কোন সমস্যাই নয়।
তাই আমরা কবির ভাষায়, “তেমন করে হাত বাড়াই”- সুখ আসবে। আমরা খাপ খাইয়ে নেবো নিজেদেরকে। কারণ, মানুষের ল্যাটিন নাম “হোমো স্যাপিয়েন্স” যার মানে হলো “জ্ঞানী মানুষ Homo sapiens (Latin: "wise man")”


Disaster for the Muslims

হজরত আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত-রাসূলুল্লাহ সা: বলেন,
যখন জিহাদলব্ধ সম্পদকে ব্যক্তিগত সম্পদে পরিণত করা হবে,
যখন গচ্ছিত বস্তুকে লুটের মাল গণ্য করা হবে,
যাকাতকে জরিমানার মতো কঠিন মনে করা হবে,
যখন পার্থিব সম্পদ লাভের উদ্দেশ্যে ধর্মীয় জ্ঞান শিক্ষা করা হবে,
যখন মানুষ স্ত্রীর আনুগত্য ও মায়ের অবাধ্যতা শুরু করবে,
যখন বন্ধুকে কাছে টেনে নেবে ও বাবাকে দূরে সরিয়ে রাখবে,
যখন মসজিদগুলোয় হট্টগোল হবে, যখন পাপাচারী ও কুকর্মী ব্যক্তি গোত্রের নেতা হবে,
যখন নীচতম ব্যক্তি তার সম্প্রদায়ের প্রধান হবে,
যখন দুষ্ট লোকেদের সম্মান করা হবে তাদের অনিষ্টের ভয়ে,
যখন গায়িকা নারী ও বাদ্য যন্ত্রের ব্যাপক প্রচলন হবে,
যখন মদ্যপান শুরু হবে,
যখন মুসলিম সম্প্রদায়ের পরবর্তী লোকেরা পূর্ববর্তীদেরকে অভিসম্পাত করবে,

তখন তোমরা প্রতীক্ষা কর একটি লালবর্ণযুক্ত বায়ুর, ভূমিকম্পের, ভূমিধসের, আকার-আকৃতি বিকৃত হয়ে যাওয়ার এবং কিয়ামতের এমন নিদর্শনগুলোর, যে গুলো একের পর এক প্রকাশমান হতে থকাবে-যেমন কোনো মালার সুতা ছিঁড়ে গেলে দানাগুলো একের পর এক খসে পড়তে থাকে (তাফসিরে মাআরেফুল কুরআন/সপ্তমখণ্ড/ সূরা লোকমান অধ্যায়)।