Wednesday, April 18, 2018

9 really amazing Co-incidences


9 really amazing Co-incidences
০১. ভুলের ভুল, বিউটিফুলঃ
কম্পিউটারের ভুলে আমেরিকায় একবার প্যাট্রিসিয়া নামের দু’জন মহিলাকে একই সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর দেয়া হয়। কোম্পানীর লোকেরা এই ভুল শুধরোতে তাদের দু’জনকে ডেকে পাঠায়। তারা দুজনেই হাজির হলে কোম্পানীর লোকেরা যা দেখলেন তাতে তাদের চোখ চড়ক গাছ! ০১. জন্মের পর তাদের দু’জনের নাম দেয়া হয় প্যাট্রিসিয়া অ্যান ক্যাম্পবেল। ০২. এদের দু’জনেরই বাবার নাম রবার্ট ক্যাম্পবেল। ০৩. এদের দু’জনেরই জন্ম তারিখ ১৯৪১এর ১৩ই মার্চ। ০৪. ১৯৫৯ সালে দু’জনেই বিয়ে করেন সামরিক বিভাগের দুই পুরুষকে। ০৫. এদের দু’জনেরই ১৯ আর ২১ বছর বয়সী ২টি করে সন্তান রয়েছে। ০৬. এদের দু’জনেরই আসক্তি রয়েছে তৈল চিত্রে। ০৭. দু’জনেই লেখ-পড়া করেছেন কসমেটিকস্ নিয়ে। ০৮. এক সময় এরা দু’জনেই চাকুরী করেছেন বুক- কীপার হিসেবে।  এ কেমন একই সময়ে ঘটনার সংঘটন! হোয়াট অ্যা বিউটিফুল কো-ইনসিডেন্স ইজ!


০২. যেন নাম লেখা বুলেটঃ
১৮৯৩ সালে হেনরী জিগল্যান্ড তার গার্ল ফ্রেন্ডের সঙ্গে পাট চুকে দিলে মেয়েটি আত্ম হত্যা করে। মেয়েটির ভাই এটি খুবই সিরিয়াসলি নেয়। প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য সে হেনরীর বাড়ীর কাছে অবস্থান নেয়। একবার বাগানে হেনরীর দেখা পেলে সে হেনরীর ওপর গুলি চালায়। গুলিটি হেনরীর মুখে লেগে পাশের একটি গাছে বিদ্ধ হয়। এ ঘটনার ২০ বছর পর ১৯১৩ সালে হেনরী বাগানের সেই গাছটি উপড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়। এজন্য হেনরী ব্যবহার করে ডিনামাইট। ডিনামাইটে বিষ্ফোরণ ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই গাছে ঢুকে পড়া সেই বুলেটটি অবিশ্বাস্য গতিতে ঢুকে পড়ে হেনরীর মাথায়। হেনরী ততক্ষনাত মারা যায়। হোয়াট অ্যা বিউটিফুল কো-ইনসিডেন্স ইজ! এ কেমন একই সময়ে ঘটনার সংঘটন!

০৩. ভাগ্যবান হিউরাঃ
১৬৬০-এর ৫ই ডিসেম্বরে বৃটেনের ডোভার প্রণালীতে  জাহাজ ডুবি হলে বেঁচে যাওয়া লোকটির নাম ছিল হিউ। ১৭৬৭’র ৫ই ডিসেম্বরে একই জায়গায় আর একটি জাহাজ ডুবি হলে ১২৭ জন প্রাণ হারায়। বেঁচে যাওয়া একমাত্র লোকটি ছিলেন হিউ। ১৮২০-এর ৮ই আগষ্টে টেমস নদীতে একটি পিকনিক নৌকা ডুবে গেলে প্রানে বেঁচে যাওয়া একমাত্র লোকটি ছিলেন হিউ। ১৯৪০এর ১০ই জুলাইয়ে একটি বৃটিশ ট্রলার জার্মনীর একটি মাইনবাহী জাহাজকে বিধ্বস্ত করলে একজন লোক ও তার ভাতিজা প্রাণে রক্ষা পায়। এদের দু’জনের নামও ছিল হিউ।  হোয়াট অ্যা বিউটিফুল কো-ইনসিডেন্স ইজ! এ কেমন একই সময়ে ঘটনার সংঘটন!

০৪. মৃত্যু তাদের আলাদা করতে পারেনি!
১৯৯৬এ প্যারিসে এক মোটর দুর্ঘটনা ঘটে। এতে দুজন ড্রাইভার ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। পুলিশের একটি দল এর একটা কিনারা করতে অনুসন্ধানে নেমে পড়ে। তারা এক সময় এর পেছনে ঘাতক চক্রের হাত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করে। পরে তারা জানতে পারে যে এই নিহত দুজন ছিলেন স্বামী-স্ত্রী। তারা অনেকদিন আলাদা ছিলেন। তারা কেউই জানতেন না যে দু’জনেই ড্রাইভে বের হয়েছেন। কিন্তু মৃত্যু আবারো তাদের মিলন ঘটালো। হোয়াট অ্যা বিউটিফুল কো-ইনসিডেন্স ইজ! একই সময়ে ঘটনার সংঘটন এ কেমন!

০৫. খুঁজে ফেরাঃ
হারিয়ে যাওয়া ১০ বছরের লিসাকে খুঁজতে একবার তার বাবা মাইকেল ডিক ও পরিবারের অন্যান্যরা যুক্তরাজ্যের সব জায়গায় পাত্তা লাগান।  মেয়ের কোনও খোঁজ না পাওয়ায় তার হতাশ বাবা ও পরিবারের অন্যান্যরা সাফোক-এর একটি ফ্রি প্রেসে যান। প্রেসের মালিক কবরের কাগজে বিজ্ঞাপণ প্রচার করে এই পরিবারকে সাহায্য করার কথা বলেন। সৌভাগ্যবশতঃ লিসা বিজ্ঞাপন পড়ে ফেলে। মজার ব্যাপার এই যে, ফ্রি  প্রেসের বিজ্ঞাপনে ছবি দেবার সময়ে লিসা তার বাবার পিছনেই ছিল। এ সুযোগ নিয়েই লিসা বাবা কোলে ঝাঁপিয়ে পড়ে। হোয়াট অ্যা বিউটিফুল কো-ইনসিডেন্স ইজ! একই সময়ে ঘটনার সংঘটন এ কেমন!
       
০৬. ভীতিকর লাইন্সেসঃ
১৯৯০এর শেষের দিকে বৃটেনের নর্থ ওয়েলস্-এর আরগোড হাই স্কুলে ১৫ বছর বয়সের একটি ছেলে জি.সি.এস.ই পরীক্ষা দিতে বসেছে। ছেলেটির নাম জেমস বন্ড। তার পরীক্ষার উত্তর পত্রের রেফারেন্স নম্বর ছিল জিরো জিরো সেভেন। হোয়াট অ্যা বিউটিফুল কো-ইনসিডেন্স ইজ! এ কেমন একই সময়ে ঘটনার সংঘটন!


০৭. উদ্ধারঃ
১৯৬৫ সালে পর্তুগালের সালেম বীচে সমুদ্র স্নানের সময় ৪ বছর বয়সী রজার হঠাৎ দুরে ভেসে যায়। ডুবে যাওয়া থেকে তাকে সাহায্য করেন এক বয়স্কা মহিলা নাম তার অ্যালিস ব্লেইজ। ১৯৭৪এর কোন এক সময়ে একই বীচে স্নানের সময় রজার দেখেন দূরে একজন লোক সাগর জলে খাবি খাচ্ছে। রজার তাকে উদ্ধার করে। পরে পরিচয় নিয়ে জানা গেল এই লোকটি ছিল অ্যালিস ব্লেইজ -এর স্বামী। হোয়াট অ্যা বিউটিফুল কো-ইনসিডেন্স ইজ! এ কেমন একই সময়ে ঘটনার সংঘটন! 

০৮. জনশ্রæতি আছে যে বজ্র কাউকে একবারের বেশী আঘাত করে নাঃ

১ম বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে বৃটিশ অশ্বারোহী দলের অফিসার মেজর সামারফিল্ড যুদ্ধ ক্ষেত্রেই বজ্রাঘাতে আহত হলে তার শরীরের বাঁ-পাশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তাকে চিকিৎসার জন্য কানাডার ভ্যানক্যুভারে নেয়া হয়। এখানে একবার তিনি মাছ ধরতে বের হন। এসময় বজ্রাঘাতে তার শরীরের ডানপাশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়ে। দুবছর পরে একটু ভালো হলে সামারফিল্ড একবার স্থানীয় বাগানে ঘুরছিলেন। এসময় আকাশ মেঘ করে গরমকালের ঝড় বৃষ্টি শুরু হয়। আবারো তার ওপরে আরো একবার বজ্রপাত হলে সামারফিল্ড স্থায়ীভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়ে।  এর দুবছর পরে মেজর সামারফিল্ড মারা যায়। মৃত্যুর ৪ বছর পরে তার কবরের সমাধীটিও বজ্রাঘাতে বিধ্বস্ত হয়ে যায়। হোয়াট অ্যা বিউটিফুল কো-ইনসিডেন্স ইজ! এ কেমন একই সময়ে ঘটনার সংঘটন!   



০৯. সাবধান! মৃত্যু তোমার পিছেই রয়েছে

দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যবসায়ী ডনী ডি টোয়িট একবার শ্রোতৃমন্ডলীর উদ্দেশ্যে বক্তৃতা করছিলেন। বক্তৃতার বিষয় ছিল-“মৃত্যু যে কাউকে যে কোন সময় ধরে ফেলতে পারে।”
বক্তৃতার শেষে ডনী ডি টোয়িট শুকনো গলা ভিজে নেয়ার উদ্দেশ্যে এক টুকরো পিপারমিন্ট মুখে পুরে দেন। তখন তখনই দম বন্দ হয়ে তিনি মারা যান। হোয়াট অ্যা বিউটিফুল কো-ইনসিডেন্স ইজ! এ কেমন একই সময়ে ঘটনার সংঘটন!

Monday, April 16, 2018

ইতিবাচক (Positive) বনাম নেতিবাচক (Negative) মানষিকতা (Mentality)


ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কাজের অর্জনটাই দেখতে পায়।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কাজের কষ্টটাই দেখতে পায়।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কাজ করিয়ে দেখায়।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কাজের ফল ভোগ করতে চায়।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কাজের সমাধান খোঁজে।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কাজকে সমস্যা মনে করে।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষের আগেই একটা পরিকল্পনা করে।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষের আগেই কোন পরিকল্পনা করেনা।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষদের কোন বাহানা/অযুহাত থাকেনা।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষদের বাহানা/অযুহাত একটি নিয়মিত ব্যাপার।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বলেন, “এ কাজটি তোমার জন্য।”
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বলে, “এ কাজটি আমার নয়”।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বলেন এটি কঠিন কাজ কিন্তু করা সম্ভব।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বলে কাজটি সম্ভব তবে অনেক কঠিন।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কাজ করতে গিয়ে ভুল করলে বলেন, “আমি ভুল ছিলাম।”
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কাজ করতে গিয়ে ভুল করলে বলেন, “না, আমি সঠিক ছিলাম।”
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা ভুল থেকে শিক্ষা নেয়।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা ভুল থেকে শিক্ষা নেয়ার চেষ্টাই করে না।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা দায়িত্ব পালনে অঙ্গীকারাবদ্ধ থাকেন।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা দায়িত্ব পালনের আশ্বাস দেন।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বড় স্বপ্ন দেখেন।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বড় স্বপ্ন দেখেননা।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বলেন আমি অবশ্যই একটা কিছু করবে।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বলেন একটা কিছু তো হবে।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা নিজেকে দলের অংশ মনে করেন।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা নিজেকে দলবিচ্ছিন্ন ভাবেন।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কেবলই দেখতে পায় সাফল্য।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা দেখতে পায় কেবলই পরাজয়।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা উভয় পক্ষের জয়ে বিশ্বাস করে।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা উভয় পক্ষের জয়ে বিশ্বাসী নয়।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা দেখতে পায় সম্ভাবনা।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা দেখতে পায় সমস্যা।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা দেখতে পায় ভবিষ্যত সম্ভাবনা।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা তাকিয়ে থাকে অতীতের দিকে।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা তাপনিয়ামক (থার্মোস্ট্যাট)যন্ত্রের মত।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা তাপমানযন্ত্রের (থার্মোমিটার) মত।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা যা বলে তা করবার চেষ্টা করে।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা যা বলে তা তার ব্যক্তিগত পছন্দের ওপার ভিত্তি করে।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা শ্রুতিমধুর কথ বলে, শক্তিশালী যুক্তি উপস্থাপন করে।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা শ্রুতিকটু কথা বলে আর দুর্বল যুক্তি উপস্থাপন করে।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা নীতিতে আটল থাকে আর তুচ্ছ বিষয় নিয়ে এগোয় না।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা নীতিতে অটল থাকতে পারেনা আর তুচ্ছ বিষয় নিয়েও বিতন্ডার সৃষ্টি করে থাকে।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা সহানুভূশীল, পরপোকারী।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা সহানুভূতিশীল হয়না। তারা কালে ভদ্রে পরপোকারী হয়ে থাকে।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বলে “কারো সাথে এমন আচরণ করোনা যা তুমি তোমার নিজের বেলায় আন্যের কাছ থেকে প্রত্যাশা করোনা।”
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বলে থাকে “অন্যেরা তোমার সর্বনাশ করার আগে তুমি তাদের ক্ষতি করো।”
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কাজ করে দেথায়।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা অন্যের দেখানো কাজের ওপর নির্ভর করে এমনকি অন্যের কাজকে নিজের কাজ বলে চালিয়ে দেয়।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কোন কিছুতে জয়ী হতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা পরিকল্পণাহীন আর কোন কাজে জয়ী হওয়ার ব্যাপারে ভাবেনা।

তাই আমাদের উচিত হবে সবসময় ইতিবাচক মনোভাবের পরিচয় দেয়া ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী গ্রহণকরা। তা হ’লেই জীবনে সফলতা আর সার্থকতা আসবে।

Friday, April 13, 2018

16 Benefits of Hot and Cold Showers

16 Benefits of Hot and Cold Showers
The first thing that we normally do when we get into the shower is adjust the temperature. While most of us tend to enjoy a nice, hot shower, there are benefits to having a cold shower too. Let's take a look at what benefits having a hot or a cold shower has on the body.
Benefits of Cold Showers
1. Enhances Immunity- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: Cold water may enhance your immunity by helping your body fight off infections.
2. Boosts the Metabolism-বিপাক ক্রিয়া উন্নত করে: A cold shower helps boost the body's metabolism. This enables the body to fight off dangerous diseases, including diabetes, rheumatic disease and also depression.
3. Balances Your Blood Pressure-রক্তচাপ ব্যালান্স করে: Concerned about your blood pressure? Jump into a nice cold shower. Cold water helps balance out and normalize blood pressure levels.
4. Reduces Inflammation-শরীরের প্রদাহ বিরোধী কাজ করে: Experiencing swelling? Take a cold shower, which acts very much like a bag of ice. This helps the body eliminate inflammation and swelling.
5. Reduces Stress- মানষিক চাপ কমায় : Cold water can have a major impact on your autonomic nervous system. This will help reduce the stress that you feel.
6. No More Insomnia-অনিদ্রা প্রতিরোধ করে: Having a difficult time getting to sleep? Jump into a cold shower. As this helps reduce stress, you will make it much easier for you to sleep at night.
7. Mood booster-মুড জাগিয়ে তোলে: Feeling down? A cold water shower has been proven to be able to help promote a better mood while also improving motivation.
8. Increases blood circulation শরীরর রক্তের প্রবাহ বাড়ায়: Looking for a solution to get your blood circulating? Consider a cold shower. This will improve your heart health, enabling you to fight off hypertension (high blood pressure) and blocked arteries.
Benefits of Hot Water Showers
1. Aids Weight Loss ওজন কমাতে সহায়তা করে: Hot water boosts the body's metabolism. As a result, this will help promote weight loss.
2. Unclogs Congestion রক্তনালীসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গার কনজেশন বা জ্যামিং কমায়: Got a cold? Take a steamy shower to help unclog congestion. Whether you are using steam or hot water, you can guarantee that it'll help to unclog the congestion.
3. Menstrual Cramps মাসিকের ব্যথা হ্রাস করে: Having a hot shower will help diminish the pain associated with menstrual cramps.
4. Detox: শরীরকে বিষমূক্ত করে Cold water is also beneficial. But hot water makes you sweat, removing nasty toxins.
5. No Premature Aging-অকাল বার্ধক্য রোধ করে: As the nasty toxins leave your body, this will help delay premature aging.
6. Stops Acne and Pimples শরীরের ব্রণ ও পিম্পল দূর করে: As the hot water cleanses the body, it will also clean the skin and help prevent pimples and acne.
7. Fights Migraines-মাইগ্রেইন বা আধকপালী মাথাব্যাথা দূর করে: Poor blood flow can cause headaches and migraines. So, try taking a hot shower to improve the body's blood flow and also helps fight migraines.
8. Removes Stiffness-শরীরের বিভিন্ন জায়গার শক্ত হয়ে যাওয়া রোধ করে: If you have stiff muscles of neck and shoulders, take a 10-minute hot shower to help loosen up your muscles.

হিংসার পরিণাম


হিংসার পরিণাম
পাখীরা আকাশে ওড়ে
দেখিয়া হিংসায়-
পিপীলিকা বিধাতার কাছে পাখা চায়;
বিধাতা দিলেন পাখা
দেখ তার ফল-
আগুনে পুড়িয়া মরে
পিপীলিকা দল।

মানবের গীতি শুনি
হিংসায় মরিল-
মশক বিধির কাছে
সুকন্ঠ মাগিল;
সুকন্ঠ দিলেন বিধি
দেখ তার ফল-
নর করাঘাতে মরে
মশক সকল।

হিংসুক আল্লাহর নেয়ামত থেকে বঞ্চিত
আরবি ‘হাসাদ’ শব্দের অর্থ হিংসা, ঈর্ষা, পরশ্রীকাতরতা ইত্যাদি। পরিভাষায়, অন্যের ভালো কিছু দেখে তা নষ্ট হওয়ার কামনা করাকে হাসাদ বলে। ‘হাসাদ’ তথা হিংসা আত্মবিধ্বংসী বদ গুণ। হিংসুকের হিংসা থেকে আশ্রয় প্রার্থনার কথা স্বয়ং আল্লাহ বলেছেন। ‘হিংসুকের হিংসা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করো, যখন সে হিংসা করে।’ (সূরা ফালাক : ৬)। অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘তারা কি মানুষের প্রতি এজন্যই হিংসা করে যে, আল্লাহ তাদের স্বীয় অনুগ্রহ দান করেছেন।’ (সূরা নিসা : ৫৪)। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘মোমিন বান্দার পেটে আল্লাহর রাস্তার ধুলা এবং জাহান্নামের আগুন একত্রে জমা হতে পারে না। একইভাবে হিংসা এবং ঈমানও কোনো বান্দার মাঝে একত্রে থাকতে পারে না।’ (নাসাঈ)। তিনি (সা.) আরও বলেন, ‘তোমরা হিংসা থেকে বেঁচে থাক। কারণ হিংসা দ্বীন ধ্বংস করে দেয়।’ (তিরমিজি)।
হিংসুক আল্লাহর নেয়ামতের শত্রু। রাসুল (সা.) বলেন, ‘আল্লাহর নেয়ামতের কিছু শত্রু আছে। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করেন, আল্লাহর নেয়ামতের শত্রু কারা? রাসুল (সা.) বলেন, হিংসুকরা। হিংসুক তো এজন্যই হিংসা করে আল্লাহ কেন তাঁর বান্দাকে অনুগ্রহ করেছেন।’ (দাওয়াউল হাসাদ)। হিংসার পরিণাম খুবই ভয়াবহ। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা হিংসা থেকে বেঁচে থাক। কেননা হিংসা নেক আমলকে এমনভাবে খেয়ে ফেলে, যেভাবে আগুন কাঠকে খেয়ে ফেলে।’ (সুনান আবু দাউদ)। তিনি (সা.) আরও বলেছেন, ‘তিনটি বদ অভ্যাস আছে, যা থেকে কেউ মুক্ত নয়। ১. কুধারণা, ২. হিংসা এবং ৩. অশুভ ফলে বিশ্বাস। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! এসব থেকে মুক্ত থাকার উপায় কী? রাসুল (সা.) বলেন, কারও প্রতি কুধারণা এলে তা বিশ্বাস না করা, হিংসার উদ্রেক হলে প্রকাশ না করা আর অশুভ ফলের কারণে শুরু করা কাজ থেকে ফিরে না আসা।’ (মাজমাউজ জাওয়াইদ)।  হিংসার পরিণাম সম্পর্কে ইমাম জাফর সাদেক (রহ.) বলেন, ‘হিংসা হলো কুফরের ভিত্তিস্বরূপ।’ (আল কাফি)। ইমাম বাকের (রহ.) বলেন, ‘হিংসা ঈমানকে জ্বালিয়ে নিঃশেষ করে দেয়।’ (আল কাফি)। লোকমান হাকিম স্বীয় ছেলেকে বলেন, ‘বতস শোন! হিংসুকের তিনটি চিহ্ন আছেঃ
১. সে হিংসা করে এবং পেছনে গিবত করে,
২. সামনে তোষামোদ করে এবং
৩. মানুষের বিপদে আনন্দিত হয়।’।
আদম (আ.) এর প্রতি হিংসার বশবর্তী হয়েই ইবলিস আল্লাহর অবাধ্য হয়েছিল। তাই কেউ যদি হিংসাপ্রবণ মানুষে পরিণত হয় বা কারও প্রতি হিংসা করে তবে সে ও আল্লাহর নেয়ামত থেকে চিরবঞ্চিত হবে। তাই হিংসা থেকে বেঁচে থাকা আমাদের সবার একান্ত জরুরী কর্তব্য। 
হিংসার পরিণাম অশুভ
হিংসা বলা হয় অপরের সুখ-শান্তি দেখে ব্যথিত হয়ে তা দূর হওয়ার প্রত্যাশা করা। পরিভাষাবিদ আল্লামা জুরজানি (রহ.) বলেন, ‘হিংসা বলা হয়, হিংসাকৃত ব্যক্তির নিয়ামত দূরীভূত হয়ে হিংসুকের মধ্যে চলে আসার আকাঙ্ক্ষা করা।’
আল্লাহ তাআলা তাঁর কোনো বান্দাকে ধন-দৌলত দান করেছেন, কাউকে স্বাস্থ্য দান করেছেন, কাউকে সুখ্যাতি দান করেছেন, কাউকে সম্মান দান করেছেন, কাউকে নেতৃত্ব দান করেছেন, আবার কাউকে দান করেছেন জ্ঞান। হিংসুকের মনে এ খেয়াল জন্মায় যে এ নিয়ামত কেন তার অর্জিত হলো? যদি তার থেকে এ নিয়ামত চলে যেত, তাহলে ভালো হতো! তাই অন্যের বিপদে সে খুশি হয়, আর যদি অন্যের ভালো কিছু অর্জিত হয়, তাহলে সে অন্তরে ব্যথা পায়। সে আফসোস করতে থাকে, কেন ওই ব্যক্তি আমার চেয়ে বড় হয়ে গেল, উন্নতি লাভ করল! এমন মানসিকতার নাম হিংসা। এখানে হিংসার কিছু অপকারিতা তুলে ধরা হলো—
হিংসা পুণ্য বিনষ্ট করে : মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা হিংসা থেকে বেঁচে থাকো। কেননা হিংসা পুণ্যকে এমনভাবে বিনষ্ট করে দেয়, যেভাবে আগুন কাঠকে ভস্মীভূত করে দেয়।’ (আবু দাউদ) রাসুলুল্লাহ (সা.) আরো বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে আগের লোকদের নৈতিক ব্যাধি বিস্তার লাভ করবে। সে ব্যাধি হলো হিংসা ও বিদ্বেষ।’ (জামে তিরমিজি)
হিংসা করা পাপ: আমরা যেসব কাজ করি, তার মধ্যে কিছু কাজ পুণ্যের, আর কিছু কাজ পাপের। পুণ্য ও পাপের কিছু কাজ প্রকাশ্য, আবার কিছু কাজ অপ্রকাশ্য। অপ্রকাশ্য পাপ কাজের মধ্যে হিংসা অন্যতম। হিংসা এমন নীরব অনল, যা ক্রমে ক্রমে জ্বলে ওঠে এবং মানুষের নেক আমল ধ্বংস করে দেয়। অথচ মানুষের কোনো খবর থাকে না যে তার ভালো আমল নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে।
হিংসা থেকে বেঁচে থাকা ফরজ : মানুষের মধ্যে হিংসা নামক ব্যাধি কার্যকলাপে লুকিয়ে আছে। খুব কম সংখ্যক ব্যক্তিই এ ব্যাধি থেকে বাঁচতে পারে। অথচ হিংসা থেকে বেঁচে থাকা ফরজ। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা পরস্পর হিংসা-বিদ্বেষ ও শত্রুতা পোষণ কোরো না ও অন্যের দোষ চর্চা কোরো না।’ (সহিহ মুসলিম)
হিংসা ভাগ্যে অবিশ্বাসের নামান্তর: হিংসুক মূলতঃ আল্লাহ তা’আলার তাকদিরের ব্যাপারে অভিযোগ করছে যে আল্লাহ তা’আলা ওই ব্যক্তিকে এ নিয়ামত কেন দিয়েছেন, আমাকে কেন দেননি? এটি হলো আল্লাহ তা’আলার ফয়সালার ওপর তার অভিযোগ। সে যেন একচ্ছত্র ক্ষমতাবান স্রষ্টার ওপর অভিযোগ করছে এবং দয়াময় প্রভুকে দোষারোপ করছে। এটি ভাগ্যে অবিশ্বাসের নামান্তর।
হিংসা করার কারণ: হিংসা করার অনেক কারণ রয়েছে। মনীষীদের মতে, হিংসার প্রধান কারণ সাতটিঃ
ক. শত্রুতা,
খ. সমপর্যায়ের লোকদের মান-সম্মান দেখে নিজের মধ্যে তা দুর্বিষহ বোধ হওয়া,
গ. অন্যকে তুচ্ছজ্ঞান করা,
ঘ. বিস্ময়বোধ,
ঙ. কাঙ্ক্ষিত বিষয় হাতছাড়া হওয়ার আকাঙ্ক্ষা,
চ. শ্রেষ্ঠত্ব ও বড়ত্বের লোভ,
ছ. হীনম্মন্যতা।
আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন, ‘যদি তোমাদের কোনো কল্যাণ লাভ হয়, তাহলে তাদের কাছে খারাপ লাগে। আর যদি তোমাদের অকল্যাণ হয়, তাহলে তাতে তারা আনন্দিত হয়।’ (সুরা: আলে ইমরান, আয়াত: ১২০)
হিংসা পৃথিবীতে অশান্তির কারণ: শত্রুতার কারণে হিংসার জন্ম হয়। পরিণতিতে অনেক সময় ভয়াবহ দ্বন্দ্ব-কলহ ও খুনাখুনির মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়। প্রতিপক্ষের নিয়ামত বিলোপ সাধনের ফন্দি-ফিকিরে জীবন ও সময় ব্যয় হয়। কখনো কখনো প্রতিপক্ষের দোষ চর্চা ও মানহানির চেষ্টা চালানো হয়। হিংসার আগুন আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, ভাই-ভাইয়ের মধ্যে প্রজ্বলিত হয়ে ওঠে। হিংসার উপাদানের উপস্থিতি যেখানে যত বেশি ঘটবে, হিংসাও সেখানে সেই পরিমাণ প্রবল আকারে পাওয়া যাবে।
হিংসার প্রতিকার: মানুষের আত্মার ব্যাধিগুলোর অন্যতম ব্যাধি হলো হিংসা। আত্মার এ রোগের প্রতিকার একমাত্র ইলম ও আমল দ্বারাই সম্ভব। যে ইলম দ্বারা হিংসার চিকিতসা করা যায়, তা হলো—এ কথা নিশ্চিতভাবে জানা যে হিংসা একটি মারাত্মক রোগ। এ হিংসার ফলে হিংসুকের দুনিয়া ও আখিরাত উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অথচ যার প্রতি হিংসা করা হয়, তার ইহলৌলিক ও পারলৌকিক কোনো ক্ষতি হয় না, বরং এ হিংসার ফলে সে লাভবান হয়। কেউ এ কথা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করলে তার জন্য হিংসা ত্যাগ করা সহজ হবে।
হিংসার ভিত্তি হলো দুনিয়ায় প্রেম ও সম্পদের মোহ। ফলে ব্যক্তি যদি অন্তর থেকে দুনিয়ায় প্রেম ও সম্পদের লোভ-লালসা বের করে দিতে পারে, তাহলে হিংসার রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করবে।  


Friday, April 6, 2018

নৈতিক গুন হিসেবে ইসলামে সত্যবাদিতার গুরুত্ব কি? সত্যবাদিতার বিপরীত বিষয় সম্পর্কে আল কুরআন ও হাদীস কি বলে। শিশুদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয়া কি ঠিক? ইসলামে নির্দোষ মিথ্যা (White lie) বলে কিছু আছে কি?


আল কুরআনের বিভিন্ন স্থানে “আস সিদক্” শব্দটি ১শ বারেরও বেশী ব্যবহৃত হয়েছে। এই মহা গ্রন্থে সত্যবাদিতার বিষয়টি যেভাবে উপস্থাপিত হয়েছে তা হলোঃ
ক. সত্যবাদিতা হচ্ছে বিশ্বাসীদের জন্য আল্লাহর আদিষ্ট গুণ।
খ. আল্লাহর নবী-রাসুল ও প্রিয় মু’মিনদের অন্যতম প্রধান গুণ তাদের সত্যবাদিতা।
গ. ঈসা (আ.)এর মাতা বিবি মারিয়াম (রা.)এর মত ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের প্রধান বৈশিষ্ঠ্য ছিল তাঁদের সত্যবাদিতা।
ঘ. রাসুল মুহাম্মদ (সা.)এর জীবন ও চরিত্রে সত্যবাদিতার প্রকাশ ছিল সুস্পষ্ট। তাঁর সততা ও বিশ্বস্ততার জন্য তাঁর শত্রু কাফিররাও তাঁকে সম্মান করতো। এজন্য তারা তাঁকে আল-আমীন (বিশ্বস্ত) নামে ডাকতো। কাফির নেতা আবু সুফিয়ান রোম সম্রাট হেরাক্লিয়াসের রাসুল (সা.)এর শিক্ষা সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে বলেন, “তিনি লোকদের আল্লাহর ওপর ঈমান আনতে, নামাজ কায়েম করতে, সত্যবাদী হতে এবং সত ও আত্মীয় পরিজনদের প্রতি দয়ালূ হতে বলেন।”     
সত্যবাদিতার বিপরীত বিষয় বা মিথ্যাবাদিতা বা মিথ্যাচারকে আল কুরআন ও হাদীসে নিকৃষ্টতম অপরাধ হিসেবে বলা হয়েছে। রাসুল মুহাম্মদ (সা.) বলেন, “নিকৃষ্টতম প্রতারণা হচ্ছে আমার এমন ভাইকে মিথ্যা কথা বলা যে তোমাকে বিশ্বাস করে। তিনি আরো বলেন, সত্যবাদী হও কারণ সত্যবাদিতা তোমাকে সততার দিকে পরিচালনা করে। আর সততা জান্নাতের দিকে চালিত করে।” পক্ষান্তরে “মিথ্যা মানুষকে প্রতারণার দিকে চালিত করে আর প্রতারণা চালিত করে জাহান্নামের দিকে।”
কারো অতি প্রশংসা করা যা চাটুকারীতার পর্যায়ে পড়ে, রাসুল (সা.) সেটাকেও মিথ্যার শামিল বলে মনে করতেন এবং এসব করতে নিষেধ করেছেন।
রাসুল (সা.)সতর্ক করে দিয়েছেন শিশুদের দিয়ে কোন কাজ করানোর ক্ষেত্রে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি না দিতে। কোন মাতা পিতা যদি সন্তানকে বলে, “তুমি একাজ করলে তোমার জন্য অমুক পুরষ্কার রয়েছে।” এক্ষেত্রে বাস্তবে প্রতিশ্রুত বিষয় না থাকলে তা হবে পিতা মাতার জন্য মিথ্যা বলার শামিল। অনেক সময় ছোট বাচ্চারা মুরব্বীদেরকে বিব্রতকর প্রশ্ন করে। এসব ক্ষেত্রে মিথ্যা জবাব না দিয়ে সত্য কথা বলাই শ্রেয়ঃ। নির্দোষ মিথ্যার চেয়ে সত্য কথা বলাই চূড়ান্তভাবে মঙ্গলজনক। 
রেফারেন্স: আল কুরআন থেকেঃ
১. সে মিথাবাদী হয়ে থাকলে তার মিথ্যার দায়-দায়িত্ব তারই৷ কিন্তু সে যদি সত্যবাদী হয়ে থাকে তাহলে যেসব ভয়ানক পরিণামের কথা সে বলছে তার কিছুটা তো অবশ্যই তোমাদের ওপর আসবে৷ আল্লাহ কোন সীমালংঘনকারী মিথ্যাবাদী লোককে হিদায়াত দান করেন না৷
wa iny yaku kaaziban fa'alaihi kazi buhoo wa iny yaku saadiqany yasibkum ba'dul lazee ya'idukum innal laaha laa yahdee man huwa musrifun kaazaab-সূরা আল মু’মিন আয়াত ২৮
২. আল্লাহ এমন ব্যক্তিকে হিদায়াত দান করেন না, যে মিথ্যাবাদী ও হক অস্বীকারকারী৷ 
innal laaha laa yahdee man huwa kaazibun kaffaar-সূরা আয্ যুমার আয়াত ০৩
রেফারেন্স: আল হাদীস থেকেঃ
রাসুল (সা.) এক হাদীসে মুনাফিক এর ৪টি বৈশিষ্ঠ্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ১. তার কাছে কোনো আমানত রাখলে খিয়ানত করে ২. সে কথা বললে মিথ্যা বলে ৩. ওয়াদা করলে ভঙ্গ করে ৪. ঝগড়া করলে গাল-মন্দ করে। (বুখারি, মুসলিম, নাসাঈ, আবু দাউদ, মুসনাদে আহমাদ) 
রেফারেন্স: ইসলামী শিক্ষা সিরিজ থেকেঃ ড. জামাল আল বাদাবী: পৃষ্ঠা ২৩৭

স্বাস্থ্য বার্তা


(আসলে সব সময়কার স্বাস্থ্য বার্তা)
আপনার শরীরের কোন অরগ্যান কিসে বেশী ভয়ে ভয়ে থাকে? জানেন কি?
তা হলে জেনে নিন!
১. সারা রাত জেগে জেগে কাটান? কিডনী টিকবে না বেশী দিন!
২. ঠান্ডা খাবার খেতে চান বেশী বেশী? পাকস্থলী বা স্টম্যাক টিকবে না বেশ দিন!
৩. ধুমপানে আসক্তি? লাং বা ফুস ফুসের হায়াত আর বেশী দিন নেই!
৪. চর্বিদার খাবার খেতে মন চায় বার বার? টিকবে না লিভার বেশী দিন!
৫. নুন দেয়া খাবার খেতে বেশী ভাল লাগে? অল্প দিনেই হৃদপিন্ডের দফারফা হবে!
৬. ১০ মিনিটেই হাপুস হুপুস করে খেয়ে প্লেট সাবাড়? না, প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয় ভাল থাকবে না! ধীরে ধীরে খান।
৭. সামুদ্রিক খাবার খেতে প্রত্যেকদিনই মন চায়? নাড়ীভুঁড়ির ১২টা বাজবে তাড়াতাড়ি!
৮. সব সময় মোবাইল ফোন আর কম্পিউটারের স্ক্রিনে চোখ? সর্বনাশ! চোখের সর্বনাশ!
৯. আমি তো সকালের নাশতা খেতেই পারি না! হায় হায় গল ব্লাডার বা পিত্ত থলি তো কাজ করবে না তখন কি হবে?
উপসংহার: তাই নিজের দিকে মন খুলে তাকান। আপনার শরীরটা একটা বড় রকমের বিনিয়োগ। আপনার শরীর ভাল তো মনটাও ভাল। কারণ, আপনার শরীরের স্পেয়ার পার্টস নেই! আর ভাগ্যক্রমে পেলেও স্পেয়ার পার্টস ফিট হবে না! শরীরের স্পেয়ার পার্টস তৈরী হয় আল্লাহর বিশেষ কারখানায় মাত্র একবারই। সেগুলো বিশেষভাবে দামী। আর এগুলো স্টকেও থাকে না।
তাই আমরা সবাই বুদ্ধিমান হই, ঠিক কাজটিই করি।