Tuesday, March 5, 2019

তোমাদের মধ্যে যে অধিক পরহেজগার সে-ই প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর কাছে অধিক মর্যাদার অধিকারী

inna akramakum indallahi atqakum-Al Quran
সূরা আল হুজুরাতের ১৩ নং এ ছোট্ট আয়াতটিতে আল্লাহ তা'আলা সমস্ত মানুষকে সম্বোধন করে তিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক সত্য বর্ণনা করেছেনঃ
১. তোমাদের সবার মূল উতস এক৷ একমাত্র পুরুষ এবং একমাত্র নারী থেকে তোমাদের গোটা জাতি অস্তিত্ব লাভ করেছে৷ বর্তমানে পৃথিবীতে তোমাদের যত বংশধারা দেখা যায় প্রকৃতপক্ষে তা একটি মাত্র প্রাথমিক বংশধারার বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা যা একজন মা ও একজন বাপ থেকে শুরু হয়েছিল৷ এ সৃষ্টি ধারার মধ্যে কোথাও এ বিভেদ এবং উচ্চ নীচের কেনা ভিত্তি বর্তমান নেই৷ অথচ তোমরা এ ভ্রান্ত ধারণায় নিমজ্জিত আছো৷ একই আল্লাহ তোমাদের স্রষ্টা৷ এমন নয় যে, বিভিন্ন মানুষকে ভিন্ন ভিন্ন আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন৷ একই সৃষ্টি উপকরণ দ্বারা তোমরা সৃষ্টি হয়েছো৷ এমন নয় যে, কিছু সংখ্যক মানুষ কোন পবিত্র বা মূল্যবান উপাদানের সৃষ্টি হয়েছে এবং অপর কিছু সংখ্যক কোন অপবিত্র বা নিকৃষ্ট উপাদানের সৃষ্টি হয়ে গিয়েছে৷ একই নিয়মে তোমরা জন্মলাভ করেছো৷ এমনও নয় যে, বিভিন্ন মানুষের জন্মলাভের নিয়ম-পদ্ধতি ভিন্ন ভিন্ন ৷ তাছাড়া তোমরা একই পিতা -মাতার সন্তান৷ এমনটিও নয় যে, সৃষ্টির প্রথম দিককার মানব দম্পতির সংখ্যা ছিল অনেক এবং তাদের থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ আলাদা আলাদা জন্মলাভ করেছে৷
২. মূল উতসের দিক দিয়ে এক হওয়া সত্ত্বেও তোমাদের বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভিক্ত হওয়া ছিল একটি স্বাভাবিক ব্যাপার৷ একথা স্পষ্ট যে, সমগ্র বিশ্বে গোটা মানব সমাজের একটি মাত্র বংশধারা আদৌ হতে পারতো না৷ বংশ বৃদ্ধির সাথে সাথে বিভিন্ন খান্দান ও বংশধারার সৃষ্টি হওয়া এবং তারপর খান্দানের সমন্বয়ে গোত্র ও জাতিসমূহের পত্তন হওয়া অপরিহার্য ছিল৷ অনুরূপ পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বসতি স্থাপনের পর বর্ণ, দেহাকৃতি, ভাষা এবং জীবন যাপন রীতিও অবশ্যম্ভাবীরূপে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে যাওয়ার কথা৷ একই ভুখণ্ডের বসবাসকারীরা পরস্পর ঘনিষ্ঠ এবং দূর-দূরান্তের ভুখণ্ডে বসবাসকারীদের মধ্যে পরস্পর ব্যবধান সৃষ্টি হওয়ার কথা৷ কিন্তু প্রকৃতিগত এ পার্থক্য ও ভিন্নতার দাবী এ নয় যে, এর ভিত্তিতে উচ্চ ও নীচ, ইতর ও ভদ্র, এবং শ্রেষ্ঠ ও নিকৃষ্ট হওয়ার ভেদাভেদ সৃষ্টি হবে, একটি বংশধারা আরেকটি বংশধারার ওপর কৌলিন্যের দাবী করবে, এক বর্ণের লোক অন্য বর্ণের লোকদের হেয় ও নীচ মনে করবে, এক জাতি অন্য জাতির ওপর নিজের শ্রেষ্ঠত্ব ও আভিজাত্য কায়েম করবে এবং মানবাধিকারের ক্ষেত্রে এক জাতি অন্য জাতির ওপর অগ্রাধিকার লাভ করবে৷ যে কারণে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ মানব গোষ্ঠীসমূহকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রের আকারে বিন্যস্ত করেছিলেন তা হচ্ছে, তাদের মধ্যে পারস্পরিক জানা শোনা ও সহযোগিতার জন্য এটাই ছিল স্বাভাবিক উপায়৷ এ পদ্ধতিতে একটি পরিবার, একটি প্রজাতি একটি গোত্র এবং একটি জাতির লোক মিলে একটি সম্মিলিত সমাজ গড়তে এবং জীবনের বিভিন্ন ব্যাপারে একে অপরের সাহায্যকারী হতে পারতো৷ কিন্তু আল্লাহ তা'আলার সৃষ্টি প্রকৃতি যেস জিনিসকে পারস্পরিক পরিচয়ের উপায়ে বানিয়েছিল শুধু শয়তানী মূঢ়তা ও মুর্খতা সে জিনিসকে গর্ব ও ঘৃণার উপকরণ বানিয়ে নিয়েছে এবং বিষয়টিকে অত্যাচার ও সীমালংঘনের পর্যায় পর্যন্ত পৌছিয়ে দিয়েছে৷
৩. মানুষের মধ্যে মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের বুনিয়াদ যদি কিছু থেকে থাকে এবং হতে পারে তাহলে তাহচ্ছে নৈতিক মর্যাদা৷ জন্মগতভাবে সমস্ত মানুষ সমান৷ কেননা, তাদের সৃষ্টিকর্তা এক, তাদের সৃষ্টির উপাদান ও সৃষ্টির নিয়ম-পদ্ধতিও এক এবং তাদের সবার বংশধারা একই পিতা-মাতার পর্যন্ত গিয়ে পৌছে৷ তাছাড়া কোন ব্যক্তির কোন বিশেষ দেশ, জাতি অথবা জাতি -গোষ্ঠীতে জন্মলাভ করা একটি কাকতালীয় ব্যাপার মাত্র৷ এতে তার ইচ্ছা, পছন্দ বা চেষ্টা -সাধনার কোন দখল নেই ৷ একদিক দিয়ে কোন ব্যক্তির অন্য কোন ব্যক্তির ওপর মর্যাদালাভের কোন যুক্তিসংগত কারণ নেই৷ যে মূল জিনিসের ভিত্তিতে এক ব্যক্তি অপর সব ব্যক্তিদের ওপর মর্যাদা লাভ করতে পারে তা হচ্ছে, সে অন্য সবার তুলনায় অধিক আল্লাহ ভীরু মন্দ ও অকল্যাণ থেকে দূরে অবস্থানকারী এবং নেকী ও পবিত্রতার পথ অনুগমনকারী৷ এরূপ ব্যক্তি যে কোন বংশ, যে কোন জাতি এবং যে কোন দেশেরই হোক না কেন সে তার ব্যক্তিগত গুণাবলীর কারণে সম্মান ও মর্যদার পাত্র৷ যার অবস্থা এর বিপরীত সর্বাবস্থাই সে একজন নিকৃষ্টতর মানুষ৷ সে কৃষ্ণাঙ্গ হোক বা শ্বেতাঙ্গ হোক এবং প্রাচ্যে জন্মলাভ করে থাকুক বা পাশ্চাত্যে তাতে কিছু এসে যায় না৷
এ সত্য কথাগুলোই যা কুরআনের একটি ছোট্ট আয়াতে বর্ণনা করা হয়েছে- রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা তাঁর বিভিন্ন বক্তৃতা ও উক্তিতে আরো স্পষ্ট করে বর্ণনা করেছেন৷

Saturday, March 2, 2019

জ্ঞান অর্জন


'জ্ঞান প্রতিটি মানুষের হারানো সম্পদ। তাকে যেখানে পাও সেখান থেকেই কুড়িয়ে নাও।' 'জ্ঞান প্রতিটি মানুষের হারানো সম্পদ। তাকে যেখানে পাও সেখান থেকেই কুড়িয়ে নাও।'
পবিত্র কোরআনের সর্বপ্রথম বাণীই হলো_ 'পড়'। আর এ পড়ার আদেশ বাস্তবায়ন করতেই মানবতার মুক্তিদূত বিশ্বনবী (সা.) গড়ে তুলেছেন একটি সুশিক্ষিত জাতি। যে জাতির জীবনকালকে আজো মানুষ অকপটে সোনালি যুগ বলে স্বীকৃত দিতে বাধ্য হচ্ছে।
বিশ্ব মানবতার মুক্তিদূত মহানবী (সা.) নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে জাতিকে মুক্ত করার জন্য প্রয়োজনে জীবনের চরম শত্রুকেও শিক্ষকের মর্যাদায় সমাসীন করতে বিন্দুমাত্র কুণ্ঠাবোধ করেননি। বদরের যুদ্ধে কাফেরদের ৭০ নেতা মুসলমানদের হাতে বন্দি হয়। রসুল (সা.) তাদের এই শর্তে মুক্ত করে দেন যে, তাদের প্রত্যেকেই দশজন করে নিরক্ষর মুসলমানকে অক্ষরজ্ঞান দান করবে।
বিশুদ্ধ ভাষা শেখার জন্য জ্ঞান অর্জন তথা জ্ঞানী হওয়ার বিকল্প নেই।
বিশ্ব সভ্যতার নির্মাতা রসুল (সা.) জ্ঞান অর্জনকে প্রতিটি মুসলমানের জন্য ফরজ ঘোষণা করেন। হাদিস শরিফে এসেছে, জ্ঞান অন্বেষণ করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ।
বিশ্বনবী (সা.)-এর আনিত শিক্ষাদর্শন গ্রহণ করার গুরুত্বারোপ করে মহান আল্লাহ কোরআনে কারিমে ঘোষণা করেন : বলুন, যারা জানে আর যারা জানে না, তারা কি সমান? (সূরা জুমার ৩৯)
এ কথা অকপটে বলা যায় যে, জ্ঞানীর মর্যাদা সর্বোচ্চে। জ্ঞানীর মর্যাদা সম্পর্কেই বলা হয়েছে যে, 'বিদ্বানের কলমের কালি শহীদের রক্ত অপেক্ষা শ্রেয়।' শিক্ষিত দেশ ও জাতি গঠনে মহানবী (সা.) যেমন গুরুত্বারোপ করেছেন, অন্য কোনো বিজ্ঞ কিংবা প্রাজ্ঞ এমনকি অন্য কোনো নবীও স্বজাতিকে শিক্ষিত করতে তেমন গুরুত্বারোপ করে যাননি।
জ্ঞান মানুষের পরম বন্ধু। একজন ভালো বন্ধু যেমন মানুষের জীবনের নানা বাঁকে তার যে কোনো সমস্যায় সাহায্যের হাত নিয়ে সামনে দাঁড়ায়, তেমনি জ্ঞানও মানুষের সুখ-দুঃখে করণীয় নির্ধারণে সাহায্য করে। শুধু সাহায্যই নয়, তাকে তার অজান্তেই জীবনসমস্যার সমাধান বাতলে দেয়, উত্তরণের পথ দেখায়, নবচেতনায় উজ্জীবিত করে; পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে তার চলার পথ কুসুমাস্তীর্ণ করে।
একদা খলিফা হারুনুর রশিদ অশ্বারোহণ করে কোথাও যাচ্ছিলেন। পথে সেই যুগের প্রখ্যাত ভাষাবিদ আবুল হাসান আলী বিন হামজা আল কেসায়ীকে দেখতে পেলেন। তাকে দেখামাত্রই বাহন থেকে নেমে এসে বিনয়ের সঙ্গে মোসাফাহা করে নিবেদন করলেন, 'জনাব! আপনি তো কখনো আমার দরবারে আসেন না।' জবাবে পন্ডিতপ্রবর বললেন, 'পড়াশোনা করে আর সময় করে উঠতে পারি না'। খলিফা বললেন, 'এত বইপুস্তক পড়াশোনা করার ফায়দা কী?' ইমাম কেসায়ী সঙ্গে সঙ্গে জবাব দিলেন, 'আপাতত নগদ ফায়দা তো এতটুকু দেখছি যে, মহাপরাক্রান্ত খলিফাও বাহন থেকে অবতরণ করে হস্ত চুম্বন করতে বাধ্য হয়েছেন!'
সূত্র: অনেকগুলো

Thursday, February 28, 2019

জীবনের জন্য অবিশ্বাস্য সস্তা ক’টি উপদেশ।


জীবনের জন্য অবিশ্বাস্য সস্তা ক’টি উপদেশ। কারো কারো কাছে দামী হতে পারে এগুলো। সংগ্রহে রাখো।

১. প্রার্থনায় গভীর মন দাও। প্রার্থনার জন্য এমন একটি সময় বেছে নাও  বিশেষতঃ গভীর রাত যখন- তুমি আর তোমার সৃষ্টিকর্তা একাকার হয়ে যাও।
২. ঠিক সময়মত বিছানায় যাও।
৩. ঠিক সময়মত ওঠো আর দিনটা শুরু করো কাজের ভীড় না জমতেই। দেখবে পুরো দিনটা তোমার হয়ে গেছে।  
৪. যে কাজ তুমি গতকাল করতে পারোনি সেটা যদি তোমার মানষিকতায় চাপ না ফেলে তবে সেটাকে “না” বলো।
৫. যারা তোমার সাথে কাজ করবে- তাদেরকে কাজ ভাগ করে দাও দিনের শুরুতেই।
৬. তোমার দৈনন্দিন কাজে কোন বাধা রেখো না।
৭. অল্পে তুষ্ট থাকো। অল্পই ভালো, আশুতোষ হও।
৮. যে কাজে বাড়তি সময় দিতে হবে সেই কাজে বাড়তি সময় দিও।                  
৯. জীবনের গতি রাখো। সব জটিল কাজ এক সাথে করোনা। এতে বিপত্তি বাড়বে।
১০. এক কাজ এক দিনেই করতে শেখো। কাজ ঝুলিয়ে রেখো না। দীর্ঘসূত্রী হবে না।
১১. তোমার ব্যয় তোমার বাজেটের ভেতরেই যেন থাকে। ক্রেডিট কার্ড কিন্তু সর্বনেশে।
১২. ব্যাক-আপ রাখো। সব চাবির ডুপ্লিকেট রাখো আর সেগুলো বাড়ীর বাইরে নিরাপদ জায়গায় রাখো। বিপদ আসলে এটা বন্ধুর মত কাজ করবে। ওয়ালেটে গাড়ীর ডুপ্লিকেট চাবি রাখো।
১৩. ম.ব.রা হও বা মুখ বন্ধ রাখো। সারা দিনের একটিমাত্র উপদেশ অনেক ঝুঁকি এড়ানোর কাজ করে।
১৪. তোমার ছেলে মেয়েদের জন্য বা যাদেরকে ভালোবাসো, প্রত্যেকদিনই ভাল কোনো কিছু করো।
ব্যাগে পড়ার মত ভালো বই রাখো। লম্বা লাইনে দাঁড়ালে বা দীর্ঘ যাত্রায় সেটা ভালো কাজ দেবে।
১৫. রেস্ট নেবে প্রচুর। মনে রাখবে বিশ্রাম কাজেরই অঙ্গ।
১৬. জ্ঞান করে সঠিক খাবারটিই খাও। না হলে পরে স্বাস্থ্য নিয়ে পস্তাতে হবে।
১৭. অর্গানাইজ থাকো। অগোছালো হবেনা। এ দুনিয়ার কোন কিছুই অগোছালো নয়। জায়গার জিনিস জায়গাতেই রাখো। তাহলে আঁধারেও সেটাকে খুঁজে পাবে।.
১৮. ড্রাইভ করার সময় এমন কোন কিছু শেনো যা তোমার জীবনের কাজে লাগবে।
১৯. যা থেকে তুমি অণুপ্রেরণা পাও আর যে সব ভালো চিন্তা তোমার মাথায় আসে লিখে ফেলো সেগুলো। নয়তো এসব হারিয়ে যাবে।
২০. সারা দিনের যে সময় তোমার পছন্দ, সে সময়টিতে একবারেই একলা থাকো। এসময় তোমার নিজের। এসময় কাউকেই দেবে না। এটা মহামানবের কাজ।
২১. সমস্যায় পড়লে অবশ্যই আল্লাহর সাথে কথা বলবে। তাঁর কাছে সমাধান আছে।
২২. যে মানুষগুলো সবদিক থেকে পরিচ্ছন্ন বন্ধুত্ব করো কেবল তাদেই সাথে।
২৩. যে ফেভারিট কোটেশনগুলো তোমার খুবই পছন্দের সেগুলোর জন্য একটি ফোল্ডার তৈরী করে নিজের কাছে রাখো।
২৪. আল্লাহকে ধন্যবাদ দেবে। কেননা এটি হলো হতাশা আর আশার মধ্যেকার একটি ছোট্ট সাঁকো। এই সাঁকো দিয়ে আশার কূলে ওঠা সহজ।
২৫. হাসো। হাসতেই থাকো। দুঃখেও হাসো
২৬. কষ্টেও হাসো তাহলে কষ্টের মেঘ কেটে আলো আসবে। হারা শশীর হারা হাসি আঁধারেতেই ফিরে আসে।
২৭. তোমার কাজগুলোকে সিরিয়াসলি নাও তবে তোর নিজেকে নয়।
২৮. ক্ষমা করতে শেখো। সব ভালো মানুষেরা তা ই করেন।
২৯. পাষন্ড লোকদের প্রতি কোমল হও। তুমি জিতবেই।
৩০. তোমার অহংবোধের ওপর চড়াও হও। সেটা দমবেই।
৩১. তোমার মুখ একটা তাই কম বলবে। তোমার কান দুইটি তাই বেশী শুনবে।
৩২. ধীরে চলো নীতি অনুসরণ করো।
৩৩. তুমি কিন্তু এ বিশ্বের জেনারেল ম্যানেজার নও, এটা মাথায় রাখবে। তোমার হেফাজতকারী ও নিয়ন্ত্রক ২টিই রয়েছে। আল কুরআন তাই বলেছে।
৩৪. অনিশ্চয়তা আর উদ্বিগ্নতা আলাদা করতে শেখো।
৩৫. ছোটখাটো সমস্যাগুলো অংকুরেই শেষ করে দাও। সমস্যাগুলো ঝুলিয়ে রাখবে না।
৩৬. প্রত্যেক রাতে শোবার সময় আল্লাহকে ধন্যবাদ জানাবে। আর আল্লাহ যদি তোমার সাথে থাকে তাহলে তোমার বিরুদ্ধে কেউই যেতে পারবে না।

Wednesday, February 27, 2019

ঊষর (Infertile) পুরুষের ঐশী খাবার Cucurbita Seeds (Pumpkin Seed) (মিষ্টি কুমড়ার বীজ)


এবং আল্লাহর দেয়া রিযিক খাও wa kuloo mir rizqihee- and enjoy of the Sustenance which Allah furnishes-সূরা আল মুলক, আয়াত ১৫



Top 11 Science-Based Health Benefits: Food Value

1-ounce (28-gram) serving contains:
·         Fiber: 1.7 grams
·         Carbohydrates: 5 grams
·         Protein: 7 grams
·         Fat: 13 grams (6 of which are omega-6s)
·         Vitamin K: 18% of the RDI(রিকোমেন্ডেড ডায়াটারী ইনটেক)
·         Phosphorus: 33% of the RDI
·         Manganese: 42% of the RDI
·         Magnesium: 37% of the RDI
·         Iron: 23% of the RDI
·         Zinc: 14% of the RDI
·         Copper: 19% of the RDI

 

Pumpkin Seeds are plant-based protein bombs

Pumpkin Seed pump up your potassium

Pumpkin Seed may make you happy

1. Pumpkin Seeds are package of valuable nutrients
2. Pumpkin Seeds are high in antioxidants
3. Pumpkin Seeds linked to a reduced risk of certain cancers
4. Pumpkin Seed improve prostate and bladder health
5. Pumpkin Seeds are very high in magnesium
6. Pumpkin Seeds may improve heart health
7. Pumpkin Seeds can lower blood sugar level
8. Pumpkin Seeds are high in fiber
9. Pumpkin Seeds may improve sperm quality
10. Pumpkin Seeds may help improve sleep

11. Pumpkin Seeds are easy to add in diet


১. কুমড়ার বীজে প্রচুর পরিমাণে antioxidant, ম্যাগনেশিয়াম, জিঙ্ক এবং ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে -যা হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখার জন্য দারুন উপকারী। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কুমড়ার বীজ খেলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে। অন্য এক গবেষণা বলছে, কুমড়ার বীজ উচ্চ রক্তচাপ কমাতেও কার্যকরী।
২. যাদের শরীরে ম্যাগনেশিয়াম কম থাকে তাদের ডায়াবেটিস দেখা দেয়। দিনের চাহিদা প্রায় ৩৭ ভাগ ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায় ৩০ গ্রাম পরিমাণ কুমড়ার বীজে।এ কারণে নিয়মিত এটি খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
৩. ফাইবার, ভিটামিন ও খনিজের সেরা উতস হচ্ছে কুমড়ার বীজ। এ কারণে এটি খেলে হজম ভাল হয়। কুমড়ার বীজে ফসফরাসও পাওয়া যায় যা ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে। 
৪. কুমড়ার বীজ ওমেগা থ্রি’র ভালো উতস হওয়ায় এটি মাংসপেশী নরম করতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে থাকা জিঙ্ক এবং ফসফরাস হাড় মজবুত করে, অস্থিসন্ধির ব্যথা কমায়। 
৫. কুমড়ার বীজে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকায় এটি শরীরের ইলেক্টোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। যখন শরীরের ভারসাম্য বজায় থাকে তখন মানসিক চাপও কমে যায়।
৬. Antioxidant, যেমন- ক্যারোটিনয়েডস এবং ভিটামিন বি এর ভাল উতস হওয়ায় কুমড়ার বীজ শরীরের যেকোন অংশকে ফ্রি-রেডিকল থেকে রক্ষা করে। এসব ফ্রি রেডিকল শরীরের কোষ, প্রোটিন এবং বিশেষ করে দেহের সবচেয়ে মূল্যবান ডিএনএ’র ক্ষতি করে। এছাড়া যেকোন ধরনের টিউমার, সংক্রমণ এবং অকালে বুড়িয়ে যাওয়ার জন্যও এসব ফ্রি-রেডিকল দায়ী। কুমড়ার বীজের মতো এমন antioxidantপূর্ণ খাবার খেলে এসব ফ্রি রেডিকল প্রতিরোধ করে শরীর সুস্থ ও শক্তিশালী রাখা যায়।
ফুডপ্রিভেন্ট

Wednesday, February 13, 2019

আল কুরআনের কয়েকটি বিশেষ তথ্য


১. কুরআন শব্দের অর্থঃ অধিক অধিক পাঠ্য কিতাব।
২. কুরআন কোথায় সংরক্ষিত রয়েছেঃ আল্লাহর কাছে উম্মুল কিতাবে(রেফাঃ সূরা ৪৩ আয়াত ০৪)।
৩. কুরআন কিসে সংরক্ষিত রয়েছেঃ সুরক্ষিত ফলক বা লওহে মাহফুজে।
৪. কুরআনের মর্যাদা কিঃ কুরআন মহাবিশ্বের মালিক আল্লাহর বানী।
৫. কুরআন নাযিল হয়েছে কাদের জন্যেঃ সমগ্র মানব জাতির জন্যে(রেফাঃ সূরা ০২ আয়াত ১৮৫))
৬. কুরআনের মূল বিষয়বস্তু কিঃ মানুষ(রেফাঃ সূরা ০২ আয়াত ১৮৫ ও সূরা ১৪ আয়াত ০১)।
৭. কুরআন নাযিল করার উদ্দেশ্য কিঃ মানুষকে তার মুক্তির পথ দেখানো।
৮. কুরআন নাযিল করার পদ্ধতির নামঃ অহি।
৯. কুরআনের প্রথম অবতীর্ণ অহিঃ সূরা ৯৬ আল আলাক্ক আয়াত ১ থেকে ৫।
১০. কুরআনের শেষ অবতীর্ণ অহিঃ সূরা আল বাক্কারাহ, আয়াত ২৮১।
১১. কুরআন নাযিলের সূচনা কোন মাসেঃ রমযান মাসে (রেফাঃ সূরা ২ আয়াত ১৮৫) ।
১২. কুরআন নাযিলের সূচনা সালঃ অগাষ্ট মাস ৬১০ খৃষ্টাব্দ।
১৩. কুরআন নাযিলের সমাপ্তি সালঃ ৬৩২ খৃষ্টাব্দ।
১৪. কুরআন নাযিলের সূচনা যেখানেঃ সৌদী আরবের জাবালুন নূরের হেরা গুহায়।
১৫. কুরআনের মূল উপাদান কয়টিঃ ২টি। ১. ভাষা ২. বক্তব্য।
১৬. কুরআনের ১ম শব্দ কিঃ “পড়ো”।
১৭. কুরআনের সূরার সংখ্যাঃ ১১৪টি।
১৮. কুরআনের আয়াত সংখ্যাঃ ৬২৩৬।
১৯. কুরআনের “পারা”বা চ্যাপ্টার কয়টিঃ ৩০টি।
২০. কুরআনের রুকু সংখ্যা কয়টিঃ ৫৪০টি।
২১. কুরআনের সাজদার সংখ্যা কয়টিঃ ১৪টি।
২২. কুরআনের ১ম সূরাঃ আল ফাতিহা।
২৩. কুরআনের শেষ সূরাঃ আন নাস।
২৪. কুরআনের সবচেয়ে বড় সূরাঃ আল বাক্কারাহঃ আয়াত সংখ্যা ২৮৬।
২৫. কুরআনের প্রতি মুসলমানদের দ্বায়িত্বঃ কুরআনের বিষয়বস্তু জানা, মানা এবং মানুষের কাছে পৌছানো।
২৬. কুরআনের প্রতি ১ম ঈমান আনেনঃ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ নারী খাদিজা রা.।
২৭. কুরআনে “আল্লাহ” নাম কতবার এসেছেঃ ২৬৯৭ বার।
২৮. কোন সূরার প্রতি আয়াতে আল্লাহর নাম রয়েছেঃ সূরা ৫৮, আল মুজাদালায়।
২৯. কুরআনে কতজন নবী রাসুলের নাম রয়েছেঃ ২৫ জনের।
৩০. কুরআনে মুহাম্মদ সা. এর নাম কতবার রয়েছেঃ ৫ বার
৩১. কুরআনে কতজন সাহাবার নাম রয়েছেঃ ১ জনের, যায়েদ রা.।
৩২. কুরআনে কতজন মহিলার নাম রয়েছেঃ ১ জনের, মরিয়ম।

Monday, February 11, 2019

অন্যের ওপর আস্থা রাখা Trust in others


অন্যের ওপর বিশ্বাস বা আস্থা রাখলে তাকে জয় করা অনেকটাই সহজ হয়।
অন্যের ওপর বিশ্বাস বা আস্থা রাখা মানে যার ওপর আমি আস্থা রাখলাম তার মনে এক ধরনের দৃঢ়তা আনা। এর ফলে আত্মবিশ্বাস ও উতসাহ জন্মলাভ করে। আর এ থেকেই গড়ে ওঠে ইতিবাচক মনোভাব বা পজিটিভ ফিলিংস। যে আমার সাথে কাজ করে যাচ্ছে সে যদি আমাকে সহযোগিতা না করে তবে তার ওপর আমার আস্থা বা বিশ্বাসের ঘাটতি রয়েছে কি না সেটা খতিয়ে দেখবার দরকার আছে বৈ কি? আমি যদি সেই লোকটির ভাল কাজের প্রশংসা করি তা হলেই তার ওপর আমার আস্থা অবশ্য্ই বাড়বে।
সফলতা যদি পণ্য হয়, তাহলে জ্ঞান এবং আস্থা তার কাঁচামাল। জ্ঞান শক্তি হলে আস্থা তা ব্যবহারের পদ্ধতি। আস্থা যদি হয় আমার গাড়ি, তাহলে জ্ঞান হলো আমার জ্বালানি। সফলতা অর্জন যদি আমার মূল উদ্দেশ্য হয়ে থাকে তাহলে হাতিয়ার হিসেবে অবশ্যই পাশে রাখতে হবে আমার জ্ঞান এবং আস্থাকে। জ্ঞান এবং আস্থার মিলনই গড়ে দিতে পারে যে কোনো বড় সাফল্যের নিশ্চিত ভিত্তি। এটি একটি চিরন্তন সত্য যে, আস্থাকে বাদ দিয়ে জ্ঞানের যথাযথ ব্যবহার যেমন সম্ভব নয়, তেমনি জ্ঞান ব্যতীত আস্থা মূল্যহীন। তাই জ্ঞান ও আস্থা একে অপরের পরিপূরক।

Monday, February 4, 2019

Accept Unconditionally

আমরা কোনো কিছুকে বা কোনো মানুষকে ভালবাসার বদলে কাছে টানার বদলে প্রত্যাখ্যান বা বাধা দেয়ার জন্য সব সময়ই সুযোগ খুঁজি। আমরা যে জিনিসগুলো পছন্দ করিনা, তা গ্রহন না করবার জন্য অনেক সময় দস্তুরমত যুদ্ধ শুরু করি। কিন্তু একথাগুলো আমরা ভুলে যাই যে যখন আমার কোন জিনিসকে প্রত্যাখ্যান করি -সেটা বাহ্যিকভাবে বা মানষিকভাবে যা ই হোক না কেন, আমরা আসলে সেই বাধা দেয়া বা প্রত্যাখ্যানটাকেই বেশী শক্তিশালী করে তুলি।
প্রভাব খাটানোর বিষয়টিকে যদি আমরা উপভোগ করতে চাই তা হলে আমাদেরকে শিখতেই হবে “গ্রহণ করা বা অ্যাকসেপ্ট করা।” যদি আমরা অন্যকে নিরস্ত্র করতে চাই তা হলে “গ্রহণ করা বা অ্যাকসেপ্ট করা”র বিকল্প নেই। যদি আমরা অন্যক বদলে দিতে চাই তা হলেও এই “গ্রহণ করা বা অ্যাকসেপ্ট করা”র বিকল্প নেই। তবে এই “গ্রহণ করা বা অ্যাকসেপ্ট করা”র পেছনে কোন শর্ত জুড়ে দিতে নেই। শর্ত জুড়ে দিলেই বিপদ। শর্ত জুড়ে দিলেই আবারো বাধা এসে উপস্থিত হবে। তখন এই বাধাটাকে আর নিয়ন্ত্রন করা যাবে না। আর এজন্য দরকার নিঃশর্ত গ্রহণ বা অ্যাকসেপ্ট।
তাই কবি নিঃশর্ত গ্রহণ করার কথা বলতে গিয়ে বলেছেন,
“যেমন করে গ্রহণ লাগে চাঁদে
তেমনি করে আমায় গ্রহণ করো;
খেয়া যেমন নদীর দুকূল বাঁধে
তেমন করে আমায় তুমি বাঁধো।”

When someone will break your heart,
When someone will leave you helpless
Then come to me my love
My door is open and will always be open for you
Right now you don't need me; you will get many more to love you
Right now you are a sea of beauty; the lotus will blossom as much as you want
When the mirror begins to make you scare, when your youngness began to fades away
Then come to me my love
My head is bowed and it will be bent for you
There is no condition or promise in love but you loved on the basis of condition or promise
When you got something superior you began to avoid inferior one
When you began to lose your self-respect, and began to lost in your own fantasies
Then come to me my love
This lamp is lit and it will remain lighting for you  

ধরো কাল তোমার পরীক্ষা, রাত জেগে পড়ার
টেবিলে বসে আছ,
ঘুম আসছে না তোমার
হঠাত করে ভয়ার্ত কন্ঠে উঠে আমি বললাম-
ভালবাস? তুমি কি রাগ করবে?
নাকি উঠে এসে জড়িয়ে ধরে বলবে,
ভালবাসি, ভালবাসি..
ধরো ক্লান্ত তুমি, অফিস থেকে সবে ফিরেছ,
ক্ষুধার্ত তৃষ্ণার্ত পীড়িত..
খাওয়ার টেবিলে কিছুই তৈরি নেই,
রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে ঘর্মাক্ত আমি তোমার
হাত ধরে যদি বলি- ভালবাস?
তুমি কি বিরক্ত হবে?
নাকি আমার হাতে আরেকটু
চাপ দিয়ে বলবে
ভালবাসি, ভালবাসি..
ধরো দুজনে শুয়ে আছি পাশাপাশি,
সবেমাত্র ঘুমিয়েছ তুমি
দুঃস্বপ্ন দেখে আমি জেগে উঠলাম শশব্যস্ত
হয়ে তোমাকে ডাক দিয়ে যদি বলি-ভালবাস?
তুমি কি পাশ ফিরে শুয়ে থাকবে?
নাকি হেসে উঠে বলবে
ভালবাসি, ভালবাসি..
ধরো রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি দুজনে,মাথার উপর
তপ্ত রোদ, বাহন
পাওয়া যাচ্ছেনা এমন সময় হঠাত দাঁড়িয়ে পথ
রোধ করে যদি বলি-ভালবাস?
তুমি কি হাত সরিয়ে দেবে?
নাকি রাস্তার সবার দিকে তাকিয়ে কাঁধে হাত
দিয়ে বলবে
ভালবাসি, ভালবাসি..
ধরো শেভ করছ তুমি, গাল কেটে রক্ত পড়ছে,এমন সময়
তোমার এক ফোঁটা রক্ত হাতে নিয়ে যদি বলি-
ভালবাস?
তুমি কি বকা দেবে?
নাকি জড়িয়ে তোমার গালের রক্ত আমার
গালে লাগিয়ে দিয়ে খুশিয়াল
গলায় বলবে
ভালবাসি, ভালবাসি..
ধরো খুব অসুস্থ তুমি,জ্বরে কপাল পুড়ে যায়,
মুখে নেই রুচি, নেই কথা বলার
অনুভুতি,
এমন সময় মাথায় পানি দিতে দিতে তোমার
মুখের
দিকে তাকিয়ে যদি বলি-ভালবাস?
তুমি কি চুপ করে থাকবে? নাকি তোমার গরম
শ্বাস আমার
শ্বাসে বইয়ে দিয়ে বলবে ভালবাসি, ভালবাসি..
ধরো যুদ্ধের দামামা বাজছে ঘরে ঘরে, প্রচন্ড
যুদ্ধে তুমিও অঃশীদার,
শত্রুবাহিনী ঘিরে ফেলেছে ঘর
এমন সময় পাশে বসে পাগলিনী আমি তোমায়
জিজ্ঞেস করলাম-
ভালবাস? ক্রুদ্ধস্বরে তুমি কি বলবে যাও?
নাকি চিন্তিত আমায় আশ্বাস
দেবে,বলবে
ভালবাসি, ভালবাসি..
ধরো দূরে কোথাও যাচ্ছ
তুমি,দেরি হয়ে যাচ্ছে, বেরুতে যাবে, হঠাত
বাধা দিয়ে বললাম-ভালবাস? কটাক্ষ করবে?
নাকি সুটকেস ফেলে চুলে হাত
বুলাতে বুলাতে বলবে
ভালবাসি, ভালবাসি
ধরো প্রচন্ড ঝড়,উড়ে গেছে ঘরবাড়ি, আশ্রয় নেই
বিধাতার দান এই
পৃথিবীতে, বাস করছি দুজনে চিন্তিত তুমি
এমন সময় তোমার
বুকে মাথা রেখে যদি বলি ভালবাস?
তুমি কি সরিয়ে দেবে?
নাকি আমার মাথায় হাত রেখে বলবে
ভালবাসি, ভালবাসি..
ধরো সব ছেড়ে চলে গেছ কত দুরে,
আড়াই হাত মাটির নিচে শুয়ে আছ
হতভম্ব আমি যদি চিতকার করে বলি-ভালবাস?
চুপ করে থাকবে? নাকি সেখান থেকেই
আমাকে বলবে ভালবাসি, ভালবাসি..
যেখানেই যাও, যেভাবেই থাক,না থাকলেও দূর
থেকে ধ্বনি তুলো
ভালবাসি, ভালবাসি, ভালবাসি..
দূর থেকে শুনব তোমার কন্ঠস্বর, বুঝব
তুমি আছ, তুমি আছ
ভালবাসি, ভালবাসি…