Monday, September 2, 2019

মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভূবনে

বয়স কম ভেবে মৃতুচিন্তা না করা বোকামি
অবশেষে প্রত্যেক ব্যক্তিকে মরতে হবে এবং তোমরা সবাই কিয়ামতের দিন নিজেদের পূর্ণ প্রতিদান লাভ করবে৷ একমাত্র সেই ব্যক্তিই সফলকাম হবে, যে সেখানে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা পাবে এবং যাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে ৷ আর এ দুনিয়াটা তো নিছক একটা বাহ্যিক প্রতারণার বস্তু ছাড়া আর কিছুই নয়৷
সৃষ্টি থেকেই মানুষ দুর্বল, আল্লাহতায়ালা সীমিত বা নির্ধারিত হায়াত দিয়ে তাকে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন। জীবনের একটি ধারাবাহিক পঞ্জিকাও রয়েছে। শৈশব, কৈশোর, যৌবন, প্রৌঢ়ত্ব ও বার্ধক্য। জীবনের বর্ণিত ধাপগুলোর চলন, বলন ও আচরণের ভিন্ন ভিন্ন রীতিনীতি আছে। যা ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ পরিবর্তন করতে পারবে না। কোনো ব্যক্তি যদি বুড়ো বয়সে যুবকসুলভ আচরণ দেখায় তবে সেটা আল্লাহতায়ালার বিধানে অবজ্ঞার শামিল, সত্য গোপনের চেষ্টা।
জীবন ও মরণ দুটি পৃথক সত্ত্বা হলেও মৃত্যুর বিপরীতই হল জীবন। জীবনের জন্য মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী এবং প্রত্যেক আত্মার জন্যই মৃত্যু অবধারিত। মৃত্যুর জন্যই প্রভু মানুষকে জীবন দান করেছেন।
রোগবালাই থেকে মানুষের কোনো না কোনো উপায়ে মুক্তি পাওয়ার পথ আছে। কিন্তু মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার কোনো উপায় কারও নেই। মৃত্যু সবারই অবধারিত। কোরআনে ইরশাদ হয়েছে। পৃথিবীর সবকিছুই ধ্বংসশীল মহিমাময় মহানুভব পালন কর্তার সত্ত্বা ছাড়া Kullu man 'alaihaa faan. Wa yabqaa wajhu rabbika zul jalaali wal ikraam (সূরা আর রহমান, আয়াত-২৬-২৭) । সুতরাং একমাত্র আল্লাহতায়ালার সত্তাই চিরন্তন ও চিরঞ্জীব আর সবই ক্ষণস্থায়ী।
জীবনের প্রতিটি ঘাটের সঙ্গে বয়সের সামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পর্ক আছে। ছোট বড় সবারই উচিত বয়সের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে নিয়মকানুন রীতিনীতি ও আচার-আচরণ প্রকাশ করা, কেননা আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেছেন যিনি সৃষ্টি করেছেন মৃত্যু ও জীবন, তোমাদিগকে পরীক্ষা করার জন্য Allazee khalaqal mawta walhayaata liyabluwakum ayyukum ahsanu 'amalaa; wa huwal 'azeezul ghafoor (সূরা মুলক, আয়াত-২)। বর্ণিত আয়াতে, মানুষের জীবনের আগেই মরণ সৃষ্টি করার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। বুঝা যাচ্ছে মৃত্যুর জন্যই জীবনের সৃষ্টি।
মৃত্যুর ভয় সামনে রেখে জীবন পরিচালনার জন্যই আল্লাহতায়ালা আগে মৃত্যু সৃষ্টি করেছেন। যেহেতু মৃত্যু আগে সৃষ্টি করা হয়েছে তাই জীবনের সবচেয়ে সত্য হচ্ছে মৃত্যু। জীবন তো নশ্বর আর মৃত্যু হল অবিনশ্বর, জীবন নকল মুসাফির আর মৃত্যু সত্য যাত্রী। জীবনকে কেউ পরিবর্তন করার যেমন এখতিয়ার রাখে না তেমনি যার যখন যেভাবে মৃত্যু রয়েছে তা থেকে এক চুলও এদিক সেদিক করতে হবে না।
নির্ধারিত সময়েই (যা একমাত্র আল্লাহ তায়ালাই ভালো জানেন) প্রত্যেক মানুষকে দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে বাধ্যতামূলকভাবে মৃত্যুর সঙ্গে আলিঙ্গন করতে হবে। পবিত্র কোরআনের অন্য আয়াতে এসেছে, যখন তাদের সময় আসবে তখন তারা মুহূর্তকাল দেরি করতে পারবে না এবং তাড়াতাড়ি করতে পারবে না Wa likulli ummatin ajalun fa izaa jaaa'a ajaluhum laa yastaakhiroona saa'atanw wa laa yastaqdimoon (সূরা আরাফ-৩৪) ।
অতএব, বয়স কম ভেবে মৃতুচিন্তা না করা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়। যেহেতু মৃত্যুর জন্যই জীবন তাই দরাজ হায়াতের জন্য পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা যেতেই পারে।
https://www.quran411.com-
যুগান্তরডটকম

হাস্যরস, শখ এবং বন্ধুত্ব: সবসময় ইতিবাচক থাকার কয়েকটি উপায়

মানুষের রসবোধের সাথে তার আয়ুর বিষয়টি জড়িত। সপ্রাণ রসবোধে যে মানসিকতা প্রতিফলিত হয়, তা কোন কোন মানুষের আয়ু বাড়িয়ে তোলার জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হতে পারে।- রেমন্ড মুডি
ঘটক: আপনার ছেলের জন্য মিষ্টি একটা মেয়ে দেখেছি।
অভিভাবক: তাহলে তো ওই মেয়েতে আমাদের হবে না।
ঘটক: কেন হবে না?
অভিভাবক: আমাদের ছেলের ডায়াবেটিস আছে তো তাই।
আপনি আসলে কেমন ধরণের মানুষ? একটি গ্লাসে অর্ধেক পানি থাকলে আপনি এটিকে কিভাবে দেখেন? অর্ধেক খালি নাকি অর্ধেক ভর্তি? যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণা বলছে, আশাবাদী ব্যক্তিরা হতাশাবাদীদের চেয়ে অনেক বেশি দিন বাঁচেন। এই তত্ত্ব মতে, আশাবাদীরা হয়তো নিজেদের আবেগকে অনেক সহজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন যা তাদেরকে মানসিক চাপের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দূরে রাখে।
মার্কিন গবেষকরা বলছেন যে, হতাশাবাদী ব্যক্তিরা যদি নিজেদের এমন ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করতে পারেন যেখানে সব ধরণের সমস্যা দূর হয়ে যাবে, এমন দৃষ্টিভঙ্গিও তাদের জন্য উপকারী হতে পারে। মানুষ কিভাবে আশাবাদী হয় এবং হতাশা বাদীরা জীবন সম্পর্কে ইতিবাচক থাকতে কি কি করতে পারেন সে বিষয়ে কিছু উপায় সম্পর্কে জানবো আমরা।
"নেতিবাচকতা নিয়ে পিছিয়ে থাকবেন না"
বলা হয় যে, "নদীর অপর পাশের ঘাস সব সময় একটু বেশি-ই সবুজ দেখায়"। কিন্তু এ ধারণা পর্তুগালের লিসবনে থাকা তানিয়া গুয়ার্দাকে তেমন প্রভাবিত করতে পারেনি।
"সবারই সমস্যা থাক। আমার জীবন যেমন, সেভাবেই একে উপভোগ করার চেষ্টা করি আমি। আমার যা আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট আমি। ভালো স্বাস্থ্য, পরিবার, একজন ভালোবাসার জীবন সাথী আর আমার পছন্দের একটি চাকরী।"
উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তা কাটাতে তানিয়া নিজেকে ব্যস্ত রাখেন এর পেছনের সমস্যা খুঁজে বের করা নিয়ে, এবং সেগুলো সমাধান করার পর তিনি কেমন অনুভব করবেন তা নিয়ে ভাবতে পছন্দ করেন তিনি। তিনি অন্যদের নেতিবাচকতাকে তেমন পাত্তা দেন না। তিনি বলেন, "আমি কখনোই নেতিবাচক ব্যক্তিগত মন্তব্য নিয়ে বেশি ক্ষণ ভাবি না। এগুলোকে আমার পর্যন্ত আসতে দেই না।"
"হাস্যরস বোধ"
কলোরাডোর ভিকি সিসকা, বেশ কিছু মানসিক চাপময় খারাপ সময় পার করেছেন তিনি। কিন্তু তারপরও তিনি আশাবাদী।
"গান আমার আত্মাকে তৃপ্ত করে, হাস্যরস বোধ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নতুন ধারণা দেয় এবং আমার অনেক ভালো বন্ধু আছে যারা আমাকে ভালোবাসে এবং খেয়াল রাখে," তিনি বলেন। হাস্যরস বোধ হার্টফোর্ডশায়ারের পিপা কেনেডিকেও ইতিবাচক থাকতে সাহায্য করেছিলো। তিনি নিয়মিত বিবিসির টিভি সিরিজ 'ড্যাডস আর্মি টু হেল্প হার গেট থ্রু এ ব্যাড ব্রেক-আপ' নিয়মিত দেখতেন।
"আমার মনে হয়, আমাদের যা আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকা- এবং অনেক চকলেট- অনেক বেশি সাহায্য করে," তিনি বলেন।
"নিজের প্রশংসা করুন"
লিভারপুলের সুসানা চ্যাপম্যান বিবিসিকে বলেন, ছোট থেকে ছোটতর বিষয়ে নিজের প্রশংসা করেন তিনি।
"আমি নিজের মধ্যে থাকা আবর্জনা বের করে দেই। আমার মনে হয় নিজের জন্য এটা খুবই সঠিক এবং সহায়ক," তিনি নিজেই নিজেকে বলেন। সুসানা নিজের নেতিবাচকতাকে ইতিবাচকতায় রূপান্তরের চেষ্টা করেন।
"খারাপ কিছু নিয়ে চিন্তা করার পরিবর্তে দরকার হলে সারা রাত জেগে ইউটিউব দেখি আমি। আমার মনে হয় যে, অন্তত হাসির কিছু ভিডিও দেখে সময় পার করেছি আমি। আর হাসি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো।"
"কষ্টের সময়ও হাসুন"
ডাচ সংস্কৃতিতে একটি প্রবাদ রয়েছে। আর তা হলো: "গেন গ্রোটার ফারমাক ডান লিডফারমাক" অর্থাত "দুর্ভোগের চেয়ে বড় বিনোদন আর কিছু নেই," এমনটা বলছিলেন নেদারল্যান্ডসের ব্রেডার বাসিন্দা অ্যাড ডি লিউ।
কিন্তু তার মতে তার বাবা তাকে এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিপস শিখিয়েছেন। আর তা হলো, নিজের দুর্ভাগ্য নিয়ে হাসো। অ্যাড এটি মেনে চলেন এবং বলেন যে, তার জীবন 'একটি বড় ধরণের আনন্দোতসব'।
"অনেকগুলো শখ তৈরি করুন"
স্ট্যাফোর্ডশায়ারের কিডসগ্রোভের বাসিন্দা সু ওকলে ডান বলেন, তিনি সব সময় ইতিবাচক আর সুস্বাস্থ্যবান কারণ তিনি তাই করেন "যা তার আত্মায় সুর তৈরি করে।"
তিনি বলেন যে তার সব ইতিবাচকতা আসে তার অনেক ধরণের শখ আর নির্মল বায়ু থেকে।
"এটা আমার জন্য কাজ করে," সু বলেন। তিনি সব সময়ই "ভয় উদ্রেককারী গল্প এড়িয়ে চলেন যা সূর্য এবং অ্যালকোহল নিয়ে তৈরি হয়।"
"ব্যায়াম করুন এবং সুস্থ থাকুন"
বন্ধুত্ব আর হাসির মতোই উপকারী আরেকটি বিষয় রয়েছে ইতিবাচক থাকার। আর তা হল শারীরিক ব্যায়াম। রবিন ব্ল্যাক নিয়মিত যোগ ব্যায়াম এবং ধ্যান চর্চা করেন। তিনি শারীরিকভাবে সবল ও সুস্থ থাকার পরামর্শ দেন।
"কৃতজ্ঞ হোন, তালিকা তৈরি করুন এবং সেগুলো পালন করুন, যা করতে আপনার ভালো লাগে সেগুলোই করুন," তিনি বলেন।
Dedicated to all women
Woman has the most unique character like salt
Her presence is never remembered but Her absence makes all the things tasteless!!
Pass it to all the lovely ladies…..your Mother. …..your Wife……your daughter …your sister…..your friend.
সূত্র: বিবিসি।
Others

প্রতিকূলতাঃ Adversity

প্রতিকূলতা না থাকলে সাফল্যটাই পানসে পানসে মনে হয়। তাই আল্লাহ মানুষকে পরখ করবার জন্য প্রতিকূলতা সৃষ্টি করেছেন। কোন নবী রাসুল এই প্রতিকূলতা
বাইরে ছিলেন না। আর আমরা একটু প্রতিকূলতা দেখলেই ঘাবড়ে যাই।
দেখুন আর কুরআন কী বলেঃ
“আর নিশ্চয়ই আমরা ভীতি, অনাহার, প্রাণ ও সম্পদের ক্ষতির মাধ্যমে এবং উপার্জন ও আমদানী হ্রাস করে তোমাদের পরীক্ষা করবো৷ এ অবস্থায় যারা সবর করে এবং যখনই কোন বিপদ আসে বলেঃ “আমরা আল্লাহর জন্য এবং আল্লাহর দিকে আমাদের ফিরে যেতে হবে। তাদেরকে সুসংবাদ দিয়ে দাও৷ তাদের রবের পক্ষ থেকে তাদের ওপর বিপুল অনুগ্রহ বর্ষিত হবে, তাঁর রহমত তাদেরকে ছায়াদান করবে এবং এই ধরণের লোকরাই হয় সত্যানুসারী৷”-আল বাক্কারাহ আয়াত ১৫৫-১৫৭
কবিগণও লিখেছেনঃ
‘জীবনের প্রতি অধ্যায়ে চাই দৃঢ় প্রত্যয়
চাই ঘাত-প্রতিঘাত লৌহ-কঠিন সত্য হৃদয়’
‘আসবে পথে আঁধার নেমে,
তাই বলে কি রইব থেমে?’
‘কেন পান্থ ক্ষান্ত হও হেরি দীর্ঘ পথ,
উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ?
‘ধৈর্য ধর ধৈর্য ধর বাঁধ বাঁধ বুক,
সংসারে সহস্র দুঃখ আসিবে আসুক।’
‘পারিব না এ কথাটি বলিও না আর
কেন পরিবে না তাহা ভাবো একবার,
পাঁচজনে পারে যাহা,
তুমিও পারিবে তাহা,
পার কি না পার কর যতন আবার
একবার না পারিলে দেখ শতবার।’
দৈন্য যদি আসে আসুক, লজ্জা কিবা তাহে?
মাথা উঁচু রাখিস।
সুখের সাথী মুখের পানে যদি না চাহে
ধৈর্য ধরে থাকিস।
রুদ্ররূপে তীব্র দুঃখ যদি আসে নেমে,
বুক ফুলিয়ে দাঁড়াস।
আকাশ যদি বজ্র নিয়ে মাথায় পড়ে ভেঙে
র্ঊর্ধ্বে দু’হাত বাড়াস।
প্রতিকূলতার মূল্যঃ
To realize the value of ONE YEAR, ask a student who failed a grade.
১ বছরের কী দাম, জানতে চাইলে সেই ছাত্রকে জিজ্ঞাসা করো যে কোন গ্রেড পায়নি।
To realize the value of ONE MONTH, ask a mother who gave birth to a premature baby.
১ মাসের কী দাম, জানতে চাইলে সেই মা’কে জিজ্ঞাসা করো যে একটি প্রি-ম্যাচিউর বেবীর জন্ম দিয়েছে।
To realize the value of ONE WEEK, ask the editor of a weekly newspaper.
১ সপ্তাহের কী দাম, জানতে চাইলে কোন সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদককে জিজ্ঞাসা করো।
To realize the value of ONE HOUR, ask the lovers who are waiting to meet.
১ ঘন্টার কী দাম, জানতে চাইলে কোন প্রেমিককে জিজ্ঞাসা করো যে তার প্রেমিকার জন্য অপেক্ষমান।
To realize the value of ONE MINUTE, ask a person who missed the train.
এক মিনিটের কী দাম জানতে চাইলে জিজ্ঞাসা করো সেই লোকটিকে যে এইমাত্র তার ট্রেন মিস করেছে।
To realize the value of ONE SECOND, ask a person who just avoided an accident.
১ সেকেন্ডের কী দাম, জানতে চাইলে কোন কোন ব্যক্তিকে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছে।
To realize the value of ONE MILLISECOND, ask the person who won a silver medal in the Olympics.
এম মিলি-সেকেন্ডের কী দাম জানতে চাইলে জিজ্ঞাসা করো সেই অ্যাথলেটকে যে অলিম্পিকে রৌপ্য পদক পেয়েছে।
Treasure every moment that you have! And treasure it more because you shared it with someone special, special enough to spend your time.
প্রতিকূলতা কাকে বলে জানতে হলে নবী মুহাম্মদ(সা.)এর জীবনী পড়ো। তাঁর জীবনী সারা দুনিয়ার মানুষের জন্য সব প্রতিকূলতার জ্বলন্ত উদাহরণ।
রেফাঃ আল কুরআন
Time.com

Saturday, August 31, 2019

আল্লাহ অপেক্ষায় থাকেন বান্দা কখন তাঁর কাছে কিছু চাইবে!


বর্তমান পৃথিবীর সর্বত্রই যেন ফেতনা-ফ্যাসাদ, নৈরাজ্য আর বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। কেউ আজ নিরাপদ নয়, ঘরে-বাইরে কেউ বলতে পারবে না যে, আমি নিরাপদে আছি। সবাই যেন এক মহা-আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। এই মুহূর্তে আমাদের সবাইকে মহান আল্লাহতায়ালার কাছে অনেক বেশি প্রার্থনা করতে হবে। একমাত্র তিনিই যদি করুণা করেন তাহলে এই বিশৃঙ্খল অবস্থা থেকে আমরা মুক্ত হতে পারি, আর না হয় অন্য কোনও মাধ্যম আজ অবশিষ্ট নেই।
যে ব্যক্তি প্রকৃত প্রেরণা নিয়ে মহান খোদার কাছে প্রার্থনা করে তাকে আল্লাহতায়ালা কখনও ব্যর্থ হতে দেন না। যেভাবে পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা বলছেন, ‘তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। কিন্তু যারা আমার ইবাদত সম্বন্ধে অহংকার করে, তারা নিশ্চয়ই লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে’ Rabbukumud 'ooneee astajib lakum; innal lazeena yastakbiroona an 'ibaadatee sa yadkhuloona jahannama daakhireen (সুরা মু’মিন: ৬০)। ‘আর যা কিছু তোমরা তাঁর কাছে চেয়েছ তিনি তোমাদের সব দিয়েছেন এবং যদি তোমরা আল্লাহর নেয়ামতগুলো গণনা করতে চাও তাহলে তোমরা সেগুলোর সংখ্যা নিরূপণ করতে পারবে না’ Wa aataakum min kulli maa sa altumooh; wa in ta'uddoo ni'matal laahi laa tuhsoohaa; innal insaana lazaloo mun kaffaar(সুরা ইব্রাহিম: ৩৪)। ‘অথবা কে উদ্বিগ্নচিত্ত ব্যক্তির দোয়া শুনেন যখন সে তার নিকট দোয়া করে এবং তার কষ্ট দূর করে দেন এবং তোমাদের পৃথিবীর উত্তরাধিকারী করে দেন আল্লাহর সঙ্গে কি অন্য কোনও উপাস্য আছে তোমরা খুব কমই উপদেশ গ্রহণ কর’ Ammany-yujeebul mud tarra izaa da'aahu wa yakshifussooo'a wa yaj'alukum khula faaa'al ardi 'a-ilaahum ma'al laahi qaleelam maa tazak karoon (সুরা নামল: ৬২)। মহান খোদাতায়ালা তার বান্দার দোয়া গ্রহণ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন, কখন তার বান্দা তাকে ডাকবে আর তিনি তা গ্রহণ করবেন এবং তার দুঃখ-কষ্ট দূর করবেন। তিনি সবার খুবই নিকটে রয়েছেন, যেভাবে কোরআনে উল্লেখ রয়েছে ‘আর যখন আমার বান্দাগণ আমার সম্বন্ধে তোমাকে জিজ্ঞেস করে, তখন বল, আমি নিকটে আছি। আমি প্রার্থনাকারীর প্রার্থনার উত্তর দেই যখন সে আমার নিকট প্রর্থনা করে। সুতরাং তারা যেন আমার ডাকে সাড়া দেয় এবং আমার ওপর ঈমান আনে যাতে তারা সঠিক পথপ্রাপ্ত হয়’ Wa izaa sa alaka 'ibaadee 'annnee fa innee qareebun ujeebu da'wataddaa'i izaa da'aani falyastajeeboo lee walyu minoo beela 'allahum yarshudoon (সুরা বাকারা: ১৮৬)। এ আয়াত থেকে স্পষ্ট যে, তিনি প্রার্থনাকারীর প্রার্থনার উত্তর দিয়ে থাকেন। আমরা যদি প্রকৃতভাবে তাকে ডাকি তাহলে অবশ্যই তিনি আমাদের ডাকে সাড়া দেবেন। তিনি তো সেই জীবিত খোদা যে খোদা পূর্বে কথা বলতেন আর এখনও বলেন, তার সঙ্গে কথা বলার জন্য শুধু প্রয়োজন পবিত্রাত্মার।
দোয়ার মধ্যে অনেক শক্তি নিহিত রয়েছে। দোয়া এমন একটি জিনিস যা অসম্ভবকে সম্ভব করে তোলে। দোয়ার মাধ্যমে ও এর কবুলিয়তের মাধ্যমে বান্দার সঙ্গে আল্লাহর সম্পর্ক স্থাপিত হয়ে থাকে। আমরা জানি, নবী করিম (সা.)-এর দিনের আরম্ভ থেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত— প্রতিটি ক্ষেত্রে দেখি দোয়ায় পরিপূর্ণ। আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের ব্যাপারে আমাদের প্রতি মহানবী (সা.)-এর অনুগ্রহ ও রহমতের একটি উজ্জ্বল দিক হল তাঁর দোয়া। জীবন্ত খোদার সঙ্গে সম্পর্ক ও সদা জীবন্ত রাসূল (সা.)-এর দোয়ার মাঝেই যে জীবন ও জীবনের আনন্দ নিহিত এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। যেভাবে পবিত্র কোরআনে তার ইবাদত সম্পর্কে উল্লেখ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আমার নামাজ এবং আমার কোরবানি এবং আমার জীবন এবং আমার মরণ সব আল্লাহর জন্য, যিনি বিশ্বজগতের প্রভু-প্রতিপালক’ inna Salaatee wa nusukee wa mahyaaya wa mamaatee lillaahi Rabbil 'aalameen(সুরা আনআম: ১৬২) । মহানবী (সা.)-এর সবকিছুই ছিল আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টির জন্য। তাই তো তিনি (সা.) সব সময় আল্লাহর মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতেন। তাঁর (সা.) দোয়ার বরকতে লাখ লাখ আধ্যাত্মিকভাবে মৃত জীবন ফিরে পেয়েছে, আধ্যাত্মিক অন্ধরা দৃষ্টি ফিরে পেয়েছে, বোবাদের মুখে ঐশী তত্ত্ব-জ্ঞান ফুটেছে এবং বংশ পরম্পরায় পথভ্রষ্টরা ঐশী রঙ ধারণ করার যোগ্য হয়েছে। যেই আল্লাহ মহানবী (সা.)-এর সময় ছিলেন সেই আল্লাহই তো আজও আছেন। আমরা যদি প্রকৃতভাবে আল্লাহর বান্দা হই তাহলে তিনি অবশ্যই আমাদর ডাকে সাড়া দেবেন।
বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের সবাইকে পবিত্র কোরআনের এই দুটি দোয়া বেশি বেশি পাঠ করা উচিত, ‘রাব্বি নাজ্জেনি মিনাল কাউমিজ জালেমিন’ Rabbi najjinee minal qawmiz zaalimeen  অর্থাত হে আমার প্রভু-প্রতিপালক! তুমি আমাকে অত্যাচারী জাতি থেকে উদ্ধার কর।-(সুরা কাসাস: ২১) ‘রাব্বিন ছুরনি আলাল কাউমিল মুফসেদিন’ Rabbin surnee 'alal qawmil mufsideen অর্থাত হে আমার প্রভু-প্রতিপালক! তুমি আমাকে এ বিপর্যয় সৃষ্টিকারী জাতির বিরুদ্ধে সাহায্য কর।-(সুরা আনকাবুত: ৩০)
আল্লাহতায়ালা পবিত্র, তিনি পবিত্রতা পছন্দ করেন। আজকে আমাদের হৃদয় যদি পবিত্র হতো তাহলে আমাদের দোয়া তিনি গ্রহণ করে সব বিপদাপদ থেকে আমাদের রক্ষা করতেন কিন্তু আমরা যেহেতু তার আদেশ অনুযায়ী নিজেদের জীবন পরিচালনা করি না, তাই তিনিও আমাদের কোনও পরওয়া করেন না। তাই খোদার কাছে দোয়া কবুল হওয়ার জন্য প্রথমে নিজেকে পবিত্র করতে হবে। আর দোয়া কেবল নিজের জন্য নয়, সবার জন্য করতে হবে। শুধু বিপদে পড়লেই যে দোয়া করতে হবে তা নয়, বরং সব সময় খোদার সন্তুষ্টির জন্য দোয়া করতে হবে, যেভাবে মহানবী (সা.) সব সময় দোয়ায় রত থাকতেন। ইসলামের বিজয়ের জন্য প্রয়োজন শান্তিময় পরিবেশ তৈরি করা, সব মানুষকে সে যে ধর্মেরই অনুসারী হোক না কেন, তার সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং মহান আল্লাহর দরবারে বিনত হয়ে সবার কল্যাণের জন্য দোয়া করা। এখন সবার আন্দোলন একটাই হওয়া উচিত, আর তা হলো দোয়ার আন্দোলন। তাই আসুন, আমরা সবাই সবার নিরাপত্তা ও মঙ্গলের জন্য সেই আল্লাহর দরবারে মাথা নোয়াই, যিনি আমাদের সবাইকে সৃষ্টি করেছেন।
নামাযী তোর নামায হলো যে ভুল
নামাজী, তোর নামাজ হলো রে ভুল।
মসজিদে তুই রাখিরি সিজ্‌দা, ছাড়ি ইমানের মূল॥
নামাজে সামিল হয়ে জামাতের,
আউড়ালি মুখে সুরা কোরানের,
ভাব্‌লি কি তুই পার হয়ে গেলি, পুলসেরাতের পুল॥
আজ মিলন তীর্থে বাঁধ রে কাতার মনের জায়নামাজে,
সেই আরফাতে তোর নুইয়ে দে দিল না ফরমানি লাজে,
ওজু করে ফের তৌবার নীরে,
তহরিমা বাঁধ ভীতু নত শিরে,
বন্দেগী তোর কবুল হবে রে, কিয়ামতে পাবি কূল॥

Sunday, August 18, 2019

মহানবী(সা.) এঁর বিজ্ঞান মনষ্কতাঃ মহানবী (সা.)মাঝে মাঝে খালি পায়ে হাঁটতে বলেছেন

রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহাবায়ে কেরামদের মাঝে মাঝে খালি পায়ে হাঁটার নির্দেশ দিয়েছেন।
আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.)-এর এক সাহাবি মিসরে অবস্থানরত ফাদালাহ ইবনু উবাইদ (রা.)-এর কাছে পৌঁছেন। অতঃপর তিনি বলেন, আমি শুধু আপনার সঙ্গে সাক্ষাত করতে আসিনি, বরং আমি ও আপনি যে হাদিসটি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে শুনেছি, আশা করি এ সম্পর্কে আপনার কিছু জানা আছে। তিনি বললেন, তা কোন বিষয়ে? তিনি বললেন, এরূপ: তিনি বলেন, আপনি একটি স্থানের নেতা, অথচ আপনার মাথায় চুল উষ্কখুষ্ক দেখছি? সাহাবি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের মাত্রাতিরিক্ত জাঁকজমক দেখাতে নিষেধ করেছেন। তিনি (ফাদালাহ) বলেন, আপনার পায়ে জুতা দেখছি না কেন? তিনি বলেন, নবী (সা.) আমাদের মাঝে মাঝে খালি পায়ে চলার আদেশ দিতেন। (আবু দাউদ, হাদিস: ৪১৬০)
উল্লিখিত হাদিস দ্বারা বোঝা যায়, রাসুল (সা.)-এর নির্দেশনা পালনের উদ্দেশ্যে মাঝে মাঝে খালি পায়ে হাঁটা সুন্নাত। এতে যেমন মানুষের আত্ম-অহমিকা কিছুটা সংবরণ হবে, তেমনি মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী। এভাবে মহান আল্লাহ রাসুল (সা.)-এর বিভিন্ন সুন্নাতে কল্যাণ রেখে দিয়েছেন।
কখনো কখনো জুতার কারণেও আমরা পা ও মাংসপেশির ব্যথায় ভুগি। দিনের কিছুটা সময় উঁচু-নিচু স্থানে বা ঘাস-মাটিতে খালি পায়ে হাঁটলে সেটিও দূর হয়। আবার এর ফলে মুখের পেশিতে পর্যন্ত রক্ত চলাচলের গতি বাড়ে (ডেভেলপমেন্টাল অ্যান্ড সেল বায়োলজি বিভাগ, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়) ।
মাঝে মাঝে খালি পায়ে হাঁটলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। জার্নাল অব অলটারনেটিভ অ্যান্ড কমপ্লিমেন্টারি মেডিসিনে প্রকাশিত গবেষণার নিবন্ধ অনুযায়ী, খালি পায়ে হাঁটলে শরীরের ভেতর লোহিত রক্তকণিকাগুলোর চার্জে পরিবর্তন আসে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়।
বিশেষ করে আমাদের দেশের মানুষের জন্য খালি পায়ে হাঁটা অত্যন্ত উপকারী। কারণ আমরা খালি পায়ে মাটির ওপর হাঁটতে পারি। আমার পা যখন মাটি স্পর্শ করে, তখন মাটি থেকে দেহ নেগেটিভ ইলেকট্রন শোষণ করে। এতে দেহের ভেতর বায়ো-ইলেকট্রিক্যাল ভারসাম্য বজায় থাকে। এ ছাড়া খালি পায়ে হাঁটতে গেলে আমরা অবচেতনে একটু বাড়তি সতর্ক থাকি, যা আমাদের সতর্ক থাকা ও শারীরিক ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষমতা বাড়ায় (জার্নাল অব এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড পাবলিক হেলথ)। তা ছাড়া সবুজ ঘাসে খালি পায়ে হাঁটার ফলে কয়েক ধরনের ব্যথা দূর হয়। খালি পায়ে উঁচু-নিচু জায়গায় হাঁটলে মাংসপেশিরও ব্যায়াম হয়। পেশির ব্যথাও দূর হয়। এতে রাতে ঘুমের সমস্যাও কিছুটা কেটে যায়।
পোল্যান্ড মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির গবেষণায় দেখা গেছে, মাটিতে খালি পায়ে ব্যায়াম করার সময় শরীরে হেপাটিক প্রোটিন ক্যাটাবলিজম নামের একটি প্রক্রিয়া শুরু হয়, যা শরীরে নাইট্রোজেনের ভারসাম্য বজায় রাখে। এতে হজমপ্রক্রিয়াও উপকৃত হয়।
এখানেই শেষ নয়, খালি পায়ে হাঁটলে পায়ের আকুপ্রেশার পয়েন্টগুলো জেগে ওঠে। এতে স্নায়ু ও শিরা উদ্দীপ্ত হয়। এতে শরীরের স্নায়ুতন্ত্রের ব্যায়ামটা হয়ে যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। গবেষণায় দেখা গেছে, আমাদের পায়ের নিচের অংশের স্নায়বিক উদ্দীপনা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। তাই খালি পায়ে হাঁটার ফলে উচ্চ রক্তচাপও কমে।
আমাদের প্রত্যেকের উচিত ভোরবেলা ফজরের নামাজের পর কিছুক্ষণ সবুজ ঘাসের ওপর খালি পায়ে হাঁটার চেষ্টা করা। এতে আমরা প্রিয় নবী (সা.)-এর একটি সুন্নত পালনের সওয়াব পাব, পাশাপাশি এটি আমাদের সুস্বাস্থ্যের জন্যও সহযোগী হবে।
Does Walking Barefoot Have Health Benefits?
“The most straightforward benefit to barefoot walking is that in theory, walking barefoot more closely restores our ‘natural’ walking pattern, also known as our gait,” explains Dr. Jonathan Kaplan, foot and ankle specialist and orthopedic surgeon with Hoag Orthopaedic Institute.
Other benefits of walking barefoot include:
• better control of your foot position when it strikes the ground
• improvements in balance, proprioception [perception or awareness of the position and movement of the body], and body awareness, which can help with pain relief
• better foot mechanics, which can lead to improved mechanics of the hips, knees, and core
• maintaining appropriate range of motion in your foot and ankle joints as well as adequate strength and stability within your muscles and ligaments
• relief from improperly fitting shoes, which may cause bunions, hammertoes, or other foot deformities
• stronger leg muscles, which support the lower back region
1. WALKING BAREFOOT [It’s Grounding, literally] CAN REDUCE PAIN AND INFLAMMATION.2. IT CAN HELP IMPROVE YOUR SLEEP.
3. WALKING BAREFOOT STRENGTHENS THE IMMUNE SYSTEM.
4. WALKING BAREFOOT CAN REDUCE THE RISK OF HEART DISEASE.
5. WALKING BAREFOOT REGULATES THE NERVOUS SYSTEM, DECREASING FEELINGS OF ANXIETY AND STRESS.
6. IT HELPS NORMALIZE BIOLOGICAL RHYTHMS.
7. WALKING BAREFOOT CAN EVEN LESSEN THE SEVERITY OF MENSTRUAL CRAMPS!
8. WALKING BAREFOOT HELPS LOOSEN TENSE MUSCLES AND EVEN ELIMINATE HEADACHES.
9. EARTHING BOOSTS ENERGY LEVELS.
10. IT PROTECTS THE BODY FROM DANGEROUS EMF’S (ELECTROMAGNETIC FIELDS).
দরকারী কথাগুলো:
The Earth is naturally negatively charged; when you ground, you’re connecting your body to a negatively charged supply of energy. Since Earth has a greater negative charge than your body, you absorb electrons from it by being barefoot. This grounding effect is one of the most potent antioxidants we know of and may have an anti-inflammatory effect on your body. That’s BIG news for me, and you I’m sure, since training and recovery is a top priority following overall physical health.
Terra Plana, an ethical shoe company, created Vivo Barefoot - a shoe line that is designed to achieve the benefits of walking and running barefoot.
রেফারে্ন্স: https://www.huffpost.com
https://adamevans.ca/
https://www.powerofpositivity.com
https://www.healthline.com
kalerkantho

জীবন নিয়ে কথাঃ বৃথা তর্কে জড়িয়ে পড়োনা

আল্লাহ পাক বলেন, “কোমলতা ও ক্ষমার পথ অবলম্বন করো৷ সতকাজের উপদেশ দিতে থাকো এবং মূর্খদের সাথে বিতর্কে জড়িও না।” -সূরা আল আরাফ, আয়াত ১৯৯
"রহমান-এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদের সাথে যখন মুর্খরা কথা বলতে থাকে, তখন তারা বলে, সালাম।"-সুরা আল ফুরকান আয়াত ৬৩।
একজন সাহাবি বলেছিলেন, মূর্খের সাথে কখনো বিতর্কে জড়িও না। কারণ, সে তোমাকে তার স্তরে এনে তোমাকে হারিয়ে দেবে।
যখনই কারো সাথে যুক্তিতর্ক করার সময় দেখবেন সে বারবার কথার প্রসংগ পাল্টাচ্ছে আর আপনাকে গালি-গালাজ ও অপমান করার চেষ্টা করছে তখনই ধরে নেবেন আপনার সামনে মূর্খ দাঁড়িয়ে।

বৃথা তর্কে জড়িয়ে পড়লে মূর্খরা জিতে যায়। কবির কবিতায় এটা সুস্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে-
“অধিকার বেশি কার বনের উপর
সেই তর্কে বেলা হলো, বাজিল দুপুর।
বকুল কহিল, শুন বান্ধব-সকল,
গন্ধে আমি সর্ববন করেছি দখল।
পলাশ কহিল, শুনি মস্তক নাড়িয়া,
বর্ণে আমি দিক-বিদিক রেখেছি কাড়িয়া।
গোলাপ রাঙিয়া উঠি করিল জবাব,
গন্ধে ও শোভায় বনে আমারি প্রভাব।
কচু কহে, গন্ধশোভা নিয়ে খাও ধুয়ে,
হেথা আমি অধিকার গাড়িয়াছি ভুঁয়ে।
মাটির ভিতরে তার দখল প্রচুর
প্রত্যক্ষ প্রমাণে জিত হইল কচুর।”

৫ ব্যক্তির সঙ্গে কখনই তর্কে জড়ানো উচিত নয়
১. শিক্ষকের সাথে তর্কে কোনো ফল লাভ হয় না। শিক্ষকের কাজ জ্ঞান দান করা। শিক্ষার্থী সেই জ্ঞানকে বিনা বিচারে গ্রহণ করবে এমন নয়। কিন্তু শিক্ষাদানের কালে শিক্ষকের সসাথে তর্ক শিক্ষাকেই বিব্রত করে।
২. মা, বাবা সবসময়ই তর্কের ঊর্ধ্বে। তাঁরাই প্রথম গুরু, তাঁরাই জীবনদাত্রী/দাতা। তাদের সাথে তর্ক করা মানে নিজের অস্তিত্বের সাথে তর্ক করা। তাদের সাথে তর্ক করলে নিজেকেই অপমান করা হয়।
৩. একই ভাবে ছেলে বা মেয়ের সাথে তর্কও অর্থহীন। যদি তেমন পরিস্থিতি আসে, যেখানে সন্তানের সঙ্গে তর্ক অনিবার্য, সেখানে চুপ করে যাওয়াই শ্রেয়। কারণ এই পরিস্থিতির স্রষ্টা আপনিই। আপনার শিক্ষার ত্রুটিই সন্তানকে বৃথা তার্কিক করে তুলেছে।
৪. বাসায় আগত অতিথির সাথে তর্ক করা ঠিক নয়। প্রাচীন ভারতে অতিথিকে দেবতাজ্ঞান করা হত। তাছাড়া, অতিথি ক্ষণিকের। তিনি যতটুকু সময় আপনার গৃহে আতিথ্য স্বীকার করছেন, সেই সময়টুকু তাঁর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করাটাই শ্রেয়।
৫. স্ত্রীও তর্কের ঊর্ধ্বে। কারণ তিনি একাধারে জননী, শিক্ষিকা ও সহচরী। তিনি স্বামীর জীবনের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে। তার সাথে বৃথা তর্কে জড়িয়ে পড়া মানে নিজের জীবনকেই অর্থহীন প্রমাণ করা।
রেফা: bd-pratidin.com/
google.com/বৃথা তর্ক

Tuesday, August 6, 2019

শিশুদের প্রতিভাবান করে গড়ে তোলা: কয়েকটি দিক


১. অল্প বয়সে শিশুর বুদ্ধিমত্তা শাণিত করার দিকে নজর দিতে হবে
২. অল্প বয়সে কোনো বিষয় পরিষ্কার করে বোঝার, আত্মস্থ করার এবং সমাধান দেয়ার ক্ষমতা যে শিশুর যত বেশি থাকে, পরবর্তী জীবনে তার সাফল্যের সম্ভাবনাও তত বেশি থাকে
৩. প্রাকটিস অর্থাত নিয়মিত চর্চা বা কঠোর পরিশ্রম একমাত্র চাবিকাঠি নয় এমনকি শিশুর আর্থ-সামাজিক অবস্থার গুরুত্বও ততটা নয়
৪. "শিশুদের জবরদস্তি করে প্রতিভাবান করে গড়ে তোলার চেষ্টা করলে হিতে বিপরীত হয় তাদের নানারকম সামাজিক এবং মানসিক সমস্যা তৈরি হয়"
যে সব শিশু প্রতিভাধর হয় তাদের কিছু ঈংগিত:
১. মনে রাখার অস্বাভাবিক ক্ষমতা
২. খুব অল্প বয়সে পড়তে শেখা
৩. অস্বাভাবিক কিছু আগ্রহ, শখ অথবা বিশেষ কিছু বিষয়ে গভীর জ্ঞান
৪. বিশ্বের চলমান ঘটনাবলী সম্পর্কে ধারণা
৫. সবসময় প্রশ্ন করা
৬. উচ্চমানের রসিকতা বোধ
৭. সঙ্গীত নিয়ে আগ্রহ
৮. নিয়ন্ত্রণ নেয়ার আগ্রহ
৯. খেলার সময় নতুন এবং অতিরিক্ত নিয়মকানুন তৈরির ক্ষমতা
সূত্র: বিবিসি