Sunday, March 1, 2020

মন্দ স্বভাব পতন ডেকে আনে

সৃষ্টিগতভাবে মানুষের ভেতর দুই ধরনের প্রবৃত্তি কাজ করে। ভালো প্রবৃত্তি, যা মানুষকে ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করে এবং মন্দ প্রবৃত্তি, যা মানুষকে মন্দ কাজে উতসাহিত করে। কুপ্রবৃত্তির তাড়নায় মানুষ যেসব কাজ করে তাকে ‘আখলাকে সায়্যিআহ’ বা মন্দ স্বভাব বলা হয়। যেমন—মিথ্যা, মূর্খতা, অহংকার, কৃপণতা, পরনিন্দা, প্রতারণা ইত্যাদি। আখলাকে সায়্যিআহ মানুষের জাগতিক সাফল্য ও পরকালীন মুক্তির পথে অন্তরায়। ইসলাম এসব স্বভাব পরিহার করার নির্দেশ দিয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘দুশ্চরিত্র ও রূঢ় স্বভাবের মানুষ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।’ (আবু দাউদ, হাদিস: ৪৮০১)
কুরআন ও হাদিসে মানুষের সব ধরনের মন্দ স্বভাব পরিহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তেমন কয়েকটি মন্দ স্বভাব হলো—
১. আল্লাহ ও তাঁর স্মরণ থেকে উদাসীন থাকা: মানুষের একটি নিকৃষ্টতম স্বভাব হলো তার স্রষ্টার স্মরণ থেকে বিমুখ থাকা। কেননা তা মানবহৃদয়কে মৃতে পরিণত করে এবং অন্যান্য মন্দ স্বভাবকে উতসাহিত করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে আল্লাহর স্মরণ করে এবং যে আল্লাহকে স্মরণ করে না তাদের দৃষ্টান্ত হলো জীবিত ও মৃতের মতো।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৪০৭)
২. অহংকার: অহংকার বা আত্মম্ভরিতা আল্লাহর কাছে নিকৃষ্টতম স্বভাব। আল্লাহ অহংকার অপছন্দ করেন এবং তা মানুষের পতন ডেকে আনে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ কোনো উদ্ধত-অহংকারীকে পছন্দ করেন না।’ (সুরা: লুকমান, আয়াত: ১৮)
পরকালেও অহংকারী ব্যক্তির পরিণতি হবে ভয়াবহ। মহানবী (সা.) বলেন, ‘যার অন্তরে এক অণু পরিমাণ অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৯১)
৩. মিথ্যাচার: মিথ্যাচার জঘন্যতম পাপ। কথাবার্তা, কাজকর্ম ও আইন-আদালত সর্বত্র মিথ্যা পরিহার করে চলতে হবে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ মিথ্যাকে শিরকের পরে উল্লেখ করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘সুতরাং তোমরা বর্জন করো মূর্তিপূজার অপবিত্রতা এবং দূরে থাকো মিথ্যা কথন থেকে।’ (সুরা: হজ, আয়াত: ৩০)
হাদিসের বর্ণনা মতে, মিথ্যা সব পাপের মূল এবং তা মানুষকে জাহান্নামে পৌঁছে দেয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই মিথ্যা পাপাচার পর্যন্ত পৌঁছে দেয় এবং পাপাচার জাহান্নাম পর্যন্ত পৌঁছে দেয়। ব্যক্তি যখন অনবরত মিথ্যা বলতে থাকে তখন আল্লাহর কাছে তাকে মিথ্যাবাদীরূপে লিপিবদ্ধ করা হয়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬০৯৪)
৪. সম্মান ও সম্পদের মোহ: সম্মান ও সম্পদের মোহ বহু পাপের কারণ, যা মানুষকে দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্ত করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘ছাগলের পালে দুটি ক্ষুধার্ত নেকড়ে বাঘ ছেড়ে দিলে যেমন ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, সম্মানের লিপ্সা ও সম্পদের মোহ মানুষের দ্বিনের জন্য তার চেয়ে বেশি ক্ষতিকর।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৩৭৬)
পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যার দ্বারা আল্লাহ তোমাদের কাউকে অপর কারো ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন, তোমরা তার লালসা কোরো না।’ (সুরা: নিসা, আয়াত: ৩২)
৫. দুনিয়ার মোহ: পার্থিব জীবন ও জীবনোপকরণের চাহিদা মানুষকে পাপ কাজের প্রতি ধাবিত করে। মানুষকে আল্লাহর স্মরণ ও পরকালীন চিন্তা থেকে বিমুখ করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি দুনিয়া ভালোবাসল, সে তার পরকালকে ক্ষতিগ্রস্ত করল। আর যে ব্যক্তি আখিরাতকে ভালোবাসল, সে তার দুনিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করল। সুতরাং তোমরা অস্থায়ী বস্তুর ওপর স্থায়ী বস্তুকে প্রাধান্য দেবে।’ (মুসনাদে আহমদ: ৪/৪১২)
৬. কৃপণতা: কৃপণতা আল্লাহর অপছন্দনীয় একটি স্বভাব। খিয়ানত, বিশ্বাসঘাতকতা ও নির্দয়তার মতো মন্দ স্বভাবের সৃষ্টি হয় কৃপণতা থেকে। এর কারণে মানুষের সামাজিক সম্মানও ক্ষুণ্ন হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে যা তাদের দিয়েছেন, তাতে যারা কৃপণতা করে তাদের জন্য তা মঙ্গল—এটা যেন তারা কিছুতেই মনে না করে। বরং এটা তাদের জন্য অমঙ্গল। যে বিষয়ে তারা কৃপণতা করবে, কিয়ামতের দিন তাদের গলায় তার বেড়ি পরিয়ে দেওয়া হবে।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত: ১৮০)
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘কৃপণ ব্যক্তি আল্লাহ থেকে দূরে, জান্নাত থেকে দূরে এবং মানুষের থেকে দূরে থাকে। কিন্তু জাহান্নামের নিকটবর্তী থাকবে।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ১৯৬১)
৭. অপব্যয় ও অপচয়: ব্যয়ের ক্ষেত্রে কৃপণতা যেমন দূষণীয়, অনুরূপ অপব্যয় এবং অপচয় দূষণীয়। ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ কাজেও অপচয় ও অপব্যয় নিষিদ্ধ। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা খাও এবং পান করো; কিন্তু অপব্যয় করবে না। নিশ্চয়ই তিনি (আল্লাহ) অপব্যয়কারীকে পছন্দ করেন না।’ (সুরা : আরাফ, আয়াত: ৩১)
অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘আর কিছুতেই অপব্যয় করবে না। যারা অপব্যয় করে তারা শয়তানের ভাই এবং শয়তান তার প্রতিপালকের প্রতি অতিশয় অকৃতজ্ঞ।’ (সুরা: বনি ইসরাঈল, আয়াত: ২৬-২৭)
৮. ক্রোধ ও রাগ: অনিয়ন্ত্রিত রাগ মানুষের হিতাহিত জ্ঞান কেড়ে নেয় এবং অন্যায় কাজে উদ্বুদ্ধ করে। ফলে পরবর্তী সময়ে ব্যক্তিকে লজ্জিত হতে হয়। আল্লাহ বলেন, ‘যখন তারা ক্রোধান্বিত হয় তখন তারা ক্ষমা করে দেয়।’ (সুরা: আশ-শুরা, আয়াত: ৩৭)
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘ওই ব্যক্তি বীরপুরুষ নয়, যে অন্যকে ধরাশায়ী করে। বরং সেই প্রকৃত বীর, যে রাগের সময় নিজেকে সংযত রাখতে পারে।’ (সহিহ : বুখারি, হাদিস: ৬১১৪)
৯. হিংসা-বিদ্বেষ : ইসলামের দৃষ্টিতে হিংসা একটি মানসিক ব্যাধি, যা মানুষের মানসিক স্বস্তি ও শান্তি নষ্ট করে এবং সামাজিক শৃঙ্খলা নষ্টের কারণ হয়। মহানবী (সা.) বলেন, ‘তোমরা হিংসা থেকে বিরত থাকো। কেননা হিংসা নেক আমলকে খেয়ে ফেলে। যেভাবে আগুন লাকড়িকে জ্বালিয়ে নিঃশেষ করে দেয়।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪৭৭৩)
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ হিংসা থেকে পানাহ চাওয়ার শিক্ষা দিয়েছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই, যখন সে হিংসা করে।’ (সুরা: ফালাক, আয়াত: ৫)
১০. আত্মগৌরব : আত্মপ্রশংসা ও আত্মগৌরব মানুষকে বাস্তবতাবিমুখ করে। ইসলাম আত্মগৌরব থেকে বেঁচে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আত্মপ্রশংসা কোরো না, কে আল্লাহভীরু এ সম্পর্কে তিনিই সম্যক অবগত।’ (সুরা : নাজম, আয়াত: ৩২)
মহানবী (সা.) বলেন, ‘প্রবৃত্তির অনুগামী হওয়া, কৃপণতার অনুগত হওয়া এবং আত্মপ্রশংসায় লিপ্ত হওয়া—এগুলো হচ্ছে ধ্বংসাত্মক বদ-অভ্যাসের অন্তর্ভুক্ত। তবে এসবের মধ্যে শেষোক্তটি হচ্ছে সবচেয়ে জঘন্য।’ (সুনানে বায়হাকি)
১১. গালি দেওয়া: গালি দেওয়া এবং অশ্লীল ও অকথ্য ভাষা ব্যবহার করা ইসলামের দৃষ্টিতে নিন্দনীয়। ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে তা পাপ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘মুমিনের সঙ্গে লড়াই করা কুফরি এবং তাকে গালি দেওয়া ফিসক (প্রকাশ্য পাপ)।’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস: ৪১১৩)
অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘প্রকৃত ঈমানদার ব্যক্তি কারো প্রতি ভর্ত্সনা ও অভিশাপ করে না এবং সে কোনো অশালীন ও অশ্লীল কথাও বলে না।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ১৯৭৭)
১২. ধোঁকা ও প্রতারণা: ধোঁকা ও প্রতারণা কোনো মুমিনের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। মুমিন তার জীবনের কোনো কথা ও কাজে প্রতারণার আশ্রয় নেবে না। বাহ্যত নিজের কোনো ক্ষতির আশঙ্কা থাকলেও সে সত্য বলবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ধোঁকা দেয় সে আমার উম্মত হিসেবে গণ্য হবে না।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ১৩১৫)

Toxic Relationship

Being in a toxic relationship can feel like a living hell.
তিক্ত সম্পর্ক মানে হলো সম্পর্কের চরম অবনতি। এমন সম্পর্কের সৃষ্টি হলে মনে হবে দোযখে জীবন্ত দগ্ধ হচ্ছি।
What is a Toxic Relationship?
A toxic relationship is a relationship that is mentally, emotionally or spiritually damaging. Toxic relationships are defined by the qualities of fear, submission/domination (or inequality), and deception.
What Causes Toxic Relationships?
Here are four common causes of toxic relationships:
1. Poor communication and personal boundaries
2. Emotional or mental immaturity
3. Childhood wounds and traumas
4. Narcissism-আত্মনিমগ্নতা and sociopathy( pattern of antisocial behaviors and attitudes, including manipulation and deceit, that often arises from environmental factors)
27 Signs of Toxic Relationships
1. Walking on eggshells (be extremely cautious about one's words or actions.)– you find yourself walking on eggshells all the time for fear of upsetting your partner
2. Can’t speak freely – you can’t speak about your thoughts, feelings or needs openly without fearing negative repercussions
3. It’s always about them – your relationship is always about pleasing, listening to, or upholding the other person – but they never return the favor
4. Abandoning values – you compromise your own values, interests, friendships, etc. to keep the relationship
5. Feeling drained and depressed – you mostly feel drained, depressed or distressed around your partner
6. Playing the role of parent or therapist – you often find yourself in the role of therapist or parent to your partner, rather than an adult in a relationship
7. Being made fun of – your partner makes fun of your flaws and sensitivities whether passively (by treating you “less than”) or actively (through name-calling or insults)
8. Being taken advantage of – your partner takes advantage of you financially, emotionally, mentally or sexually
9. Always agreeing with them – you always feel the need to agree with your partner (or else there will be negative consequences)
10. Constant drama – you always feel a sense of endangerment around them as drama/chaos seems to follow them everywhere
11. Strict roles – you feel like you have to play a role and if you dare change, your whole relationship will crumble (this is known as enmeshment)
12. Jealous of your success – instead of celebrating your triumphs, your partner feels compelled to drag you down
13. Brings out the worst in you – instead of helping you to be the best version of yourself possible, your partner fuels your shadow self and seems to enjoy watching you self-destruct
14. Regressing instead of progressing – on a personal and spiritual level, you move backward instead of forwards and your self-growth stagnates around your partner
15. No support – you can’t turn to each other for emotional and mental support in times of need
16. Unreliable – you can’t trust your partner to offer financial support, lend a helping hand, or even turn up to appointments or commitments on time
17. Deception, suspicion, and paranoia – there is an implicit lack of truthfulness in your relationship and you may have caught your partner red-handed in many lies
18. Self-absorption – they are wound up in their own problems, goals, desires, and so are you – there is no meeting point or mutual ground to connect on
19. Contempt – there is an undercurrent of festering anger in your relationship that manifests as sarcasm, negative and condescending tones of voice, curled lips, and eye-rolling
20. Disrespecting boundaries – you struggle to maintain clear physical, emotional, mental or spiritual boundaries – and your partner may enjoy overstepping them
21. Submission/domination – there are issues of control in your relationship and one person will enjoy lording it over the other resulting in numerous emotional and psychological games
22. Non-stop obstacles – all relationships go through bumpy periods, but in yours it is never-ending
23. Feeling unworthy – your self-worth has dropped to an all-time low and you carry a feeling of persistent worthlessness while being around your partner
24. Keeping count of wrongdoings – instead of moving on from the past, there is a toxic fixation and “scorekeeping” of all past fights, arguments, and grievances
25. Lack of self-responsibility – your partner doesn’t take responsibility for their mistakes or their happiness
26. Justifying bad behavior – you always find yourself trying to excuse or justify the selfish, immature or nasty behavior displayed by your partner
27. Unequal division of labor – you feel like you have to do all the emotional work in the relationship while your partner gets to be rude, cold, unreliable or immature
How many of these signs can you relate to? The more you agree with, the more toxic your relationship is.
-ওয়েকআপ.কম

Sunday, February 16, 2020

Difference between trust and faith

1. Faith is more commonly considered as a spiritual concept. It is considered as an allegiance, duty or loyalty to one person or being.
2. Faith is a more commonly used in a spiritual context
3. Faith is telling them the secret. That's it. No further instructions and knowing that their judgment would never fail you.
4. Faith is the epitome or quintessence of trust
5. Faith is inexplicable or mysterious.
6. Faith is an unconscious trait
7. Faith has been called “the substance of hope.”
8. Faith is the surrender of the mind.
9. Faith is the abandonment of scientific principles.
10. Dictionary.com defines ‘Faith’ as:
• Confidence or trust in a person or thing
• Belief that is not based on proof
• Belief in God or in the doctrines or teachings of religion
• A system of religious belief
And
1. Trust is an important concept in relationships.
2. Trust is a conscious trait.
3. Trust is telling your friend a secret and asking them not to reveal it and knowing that they won't reveal it because you told them not to.
4. Trust is a fundamental provision of daily life and living.
5. Trust becomes a largely positive ideal not only giving life purpose but reaffirming human value.
6. We are required to have trust in each other — which is actually the noblest of virtues.
7. Society would be much better off with more trust
8. Trust and believe have deeper meanings when it comes to using it in relationships. Trust would actually mean that a person places complete confidence and reliance in another person.
9. Trust is the core conviction of judgment based on knowledge, instinct, and experience.
10. Dictionary.com defines ‘Trust’ as:
• Reliance on the integrity, strength, ability, surety, etc., of a person or thing; confidence.
• Confident expectation of something; hope.
• Confidence in the certainty of future payment for property or goods received; credit: to sell merchandise on trust.
• A person on whom or thing on which one relies: God is my trust.
• The condition of one to whom something has been entrusted.

Friday, February 14, 2020

অধরের রূপ


অধরের (নীচের ঠোঁট)রূপ চর্চা
কালচে দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়ঃ
১. অধরের কালচে দাগ দূর করতে চিনিকে স্ক্রাব হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন।
২. ত্বকের হারিয়ে যাওয়া ঔজ্জ্বল্য ফেরাতে ব্যবহার করতে পারেন মধু। আর তাই ঠোঁটের ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন মধু। কেবল কালচে ভাব দূর করতেই নয়, ঠোঁটের কোমলতা বজায় রাখতেও মধু খুব ভালো কাজ করে। ঘুমানোর আগে সামান্য মধু ঠোঁটে লাগিয়ে রেখে দিন সারা রাত। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ঠোঁটের রঙে পার্থক্য চোখে পড়বে।
৩. প্রাকৃতিক স্ক্রাবার হিসেবে ব্রাউন চিনি খুব ভালো কাজ করে। ব্রাউন চিনি দিয়ে স্ক্রাব করলে ঠোঁটের কালচে দাগ দূর হওয়ার পাশাপাশি মরা চামড়াও দূর হয়। ২ চামচ ব্রাউন চিনি ও ৩ চামচ মাখন একসঙ্গে মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। সপ্তাহে বার দুয়েক এই পেস্ট দিয়ে ঠোঁট স্ক্রাব করুন।
৪. লেবুর রস খুব ভালো ব্লিচিং। প্রতিদিন ঘুমোতে যাওয়ার আগে তাজা লেবুর রস দিয়ে ঠোঁটে ভালো করে ম্যাসাজ করলে কালচে ভাব দূর হবে।
৫. প্রতিদিন একবার করে ঠোঁটে বরফ ঘষুণ। এতে ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হবে।
৬. দুধের সর ব্যবহার করতে পারেন। দুধের সরে মধু মিশিয়ে ঠোঁটে লাগান প্রতিদিন।
বিরত থাকুন:
-গাঢ় শেডের লিপস্টিক ব্যবহার থেকে
-ঠোঁটে লিপগ্লস ব্যবহার থেকে
-ঠোঁটের আর্দ্রতা হারানো থেকে
-অল্প জল খাওয়া থেকে
-সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি লাগানো থেকে
-ধূমপানের অভ্যাস থেকে
-অতিরিক্ত চা-কফি পানের অভ্যাস থেকে

সঙ্গীকে যেসব প্রতিশ্রুতি দিতে পারেন


প্রতিশ্রুতি বা চ্যালেঞ্জ যেটাই হোক না কেন, আমি সেটা নিজের ভেতর গোপন রাখি। আমার ধারনা আমার প্রতিশ্রুতি বা চ্যালেঞ্জ প্রকাশ হয়ে গেলে সেটার দাম থাকে না। সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠার সময় কাউকে না জানিয়ে ওঠাই ভাল। আমি এর ফল হাতে নাতে পেয়েছি। আমি যদি আমার প্রতিশ্রুতি বা চ্যালেঞ্জ প্রকাশ করেই ফেলি তাহলে তার প্রতিদ্বন্দ্বী তৈরী হবে।                                                                                       
১. বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত সঙ্গীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিতে পারেন । তাকে অনুভব করাতে পারেন, তাকে ছেড়ে আপনি কখনোই যাবেন না।
২. সঙ্গীর প্রতি আপনি যদি অনুরক্ত না হন তাহলে আপনাদের সম্পর্ক কখনোই দৃঢ় হবে না। 
৩. প্রতিটি সমস্যা একসঙ্গে মোকাবেলা করার প্রতিশ্রুতি একটি সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য দারুণ প্রয়োজনীয়। যেকোনও পরিস্থিতিতেই সঙ্গীকে সমর্থন করা উচিত, বিশেষতঃ তার কঠিন সময়ে পাশে থাকা বেশ জরুরি। আপনার সঙ্গী যখন কোনও কঠিন সমস্যার মধ্য দিয়ে যাবে, তখন তাকে এড়িয়ে যাওয়ার পরিবর্তে আপনার উচিত তার পাশে গিয়ে দাঁড়ানো। 
৪. সঙ্গীকে অবিশ্বাস না করার প্রতিশ্রুতি সততা এবং বিশ্বস্ততা একটি সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। সম্পর্কের মধ্যে অবিশ্বাস থাকলে সেই সম্পর্ক কখনোই টিকে থাকে না। তাই, সঙ্গীকে এই প্রতিশ্রুতি দেওয়ার কথা ভাবতে পারেন। 
৫. সম্পর্কে সমস্যা তৈরি হলে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া জানানো ঠিক নয়। পরিবর্তে শান্ত থেকে সঙ্গীকে বিষয়গুলি বোঝানোর চেষ্টা করতে পারেন। এমন প্রতিশ্রুতি দুজন দুজনকে দিতে পারেন। 
৬. কোনও কিছুই সম্পর্কের বন্ধনকে প্রভাবিত করবে না- এ প্রতিশ্রুতি দিতে পারেন সঙ্গীকে। বিশেষ করে অতীত জীবনের কোনও ঘটনা আপনাদের সম্পর্ক নষ্ট করবে না এটা জানাতে পারেন সঙ্গীকে। কখনই অতীতের সঙ্গে বর্তমানকে তুলনা করবেন না। 
৭. সঙ্গীর সঙ্গে বেশি সময় কাটানোর প্রতিশ্রুতি দিতে পারেন। এতে আপনাদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় এবং শক্তিশালী হবে।

ভালোবাসা নিয়ে বিখ্যাত লেখকদের উক্তি

বিশ্বের সেরা লেখকরা বিভিন্ন ভালোবাসা নিয়ে বিভিন্ন সময় রকম উক্তি করেছেন। শেক্সপিয়ার থেকে জন গ্রীণের মত লেখকরা ভালবাসার আবেগকে লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। আর এই ভালোবাসা দিবসে তেমনি পাঁচ উক্তি তুলে ধরা হলো পাঠকদের জন্য।
আস্তে কও, যদি সেটি ভালোবাসার কথা হয়।-শেক্সপিয়ার
আপনি যেভাবে ঘুমিয়ে পড়ছেন সেভাবেই আমি প্রেমে পড়েছিলাম, আস্তে আস্তে এবং তারপরে একবারে পুরোপুরি। -জন গ্রীণ  
প্রেমে না পড়া পর্যন্ত আমরা ঘুমিয়ে থাকি।-লিও তলস্তয়   
আপনার তাকেই চুম্বন করা উচিত এবং প্রায়শই তাকে- যে জানে কিভাবে এটি করতে হয়। -মার্গারেট মিচেল

প্রেম দুর্দান্ত সৌন্দর্যবর্ধক একটি বিশেষ বিমূর্ত বস্তু। -লুইসা ম্যা আলকোট

কুরআন পাঠ


আবু মুসা আল আশআরি (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে মুমিন কুরআন পাঠ করে, তার উদাহরণ হলো কমলালেবু, যা স্বাদে ও গন্ধে উত্তম। আর যে মুমিন কুরআন পাঠ করে না, তার উদাহরণ হলো খেজুর, যার সুগন্ধ না থাকলেও স্বাদে মিষ্ট। আর যে মুনাফেক কুরআন পাঠ করে, তার উদাহরণ হলো রায়হানা ফুল, যার সুগন্ধি আছে এবং স্বাদ তিক্ত। আর যে মুনাফেক কুরআন পাঠ করে না, তার উদাহরণ হলো হান্যালাহ (মাকাল ফল), যার কোনো সুগন্ধি নেই এবং স্বাদও খুব তিক্ত। (মুসলিম, হাদিস: ১৭৪৫)