Monday, May 18, 2020

বেপর্দা ও সঠিক পর্দা না করা নারী: ১৫টি বিশেষ তথ্য


১. বেপর্দা ও সঠিক পর্দা না করা নারীর মূল্য মাটির থেকেও কম
২. বে-পর্দা ও সঠিক পর্দা না করা নারীরা হচ্ছে শয়তানের চোখের জ্যোতি
৩. বে - পর্দায় থাকা বা সঠিকভাবে পর্দা না করা নারী স্বামীর অধিকারকে নষ্ট করে
৪. বে-পর্দায় থাকা বা সঠিকভাবে পর্দা না করা নারী স্বামীর অন্তর জয় করতে পারে না
৫. বে - পর্দায় থাকা বা সঠিকভাবে পর্দা না করা নারীরা জ্ঞান অর্জনেও সফল নয়
৬. বে-পর্দায় থাকা বা সঠিকভাবে পর্দা না করা নারী এ অপছন্দনীয় কাজের মাধ্যমে নিজের অনেক ক্ষতি সাধন করে থাকে
৭. বে-পর্দায় থাকা বা সঠিকভাবে পর্দা না করা নারীরা হচ্ছে ব্যক্তিত্বহীন
৮. বে-পর্দায় থাকা ও সঠিকভাবে পর্দা না করাটা হচ্ছে এক ধরনের শিরক
৯. বে-পর্দায় থাকা ও সঠিকভাবে পর্দা না করা নারী কোন কিছু উতপাদন করার স্থলে খরচ করে থাকে
১০. বে-পর্দা ও সঠিকভাবে পর্দা না করা নারীরা মানসিক অশান্তিতে ভোগে
১১. বে-পর্দা ও সঠিকভাবে পর্দা না করা ও তাকওয়াহীন নারী দেরীতে বিয়ে করে
১২. বে-পর্দা ও সঠিকভাবে পর্দা না করা নারীর সংসার দ্রুত ভেঙ্গে যায়
১৩. বে-পর্দা ও সঠিক পর্দা না করা নারী আল্লাহর খলিফা না হয়ে মানুষের হাতের খেলার পুতুল হয়ে থাকে
১৪. বে-পর্দা ও সঠিকভাবে পর্দা না করা তাকওয়াহীন নারী নিজেকে মূল্যহীন করে থাকে
১৫. বেপর্দা ও সঠিক পর্দা না করা নারীরাও বেপর্দার মন্দ প্রভাবের শিকার হয়
সূত্র: গবেষণা বিভাগ,
বিশ্ব ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্র, কোম, ইরান

শান্তিকামীরা সাহসী, সদা জাগ্রত


শান্তিকামীরা সাহসী, সদা জাগ্রত
শান্তি কখনোই নিষ্ক্রিয় মনোভাব হতে পারে না। শান্তি হলো মনের সক্রিয় মনোভব। শান্তিকে রক্ষা করতে হলে দরকার সার্বক্ষণিক নিবিড় মনযোগ আর নিখাদ প্রত্যয়। এ দুটো থাকলে কোনদিনই শান্তি বিঘ্নিত হবেনা। এতে মানুষ হবে সাহসী রইবে সদা জাগ্রত।
ইসলামের নীতি এটাই যে প্রত্যেক মানুষ অপর মানুষের উপকারে এগিয়ে আসবে। মানবোপকার মহত গুণ হিসেবে ইসলামে স্বীকৃত।
আর্থিক, শারীরিক, মানসিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ইত্যাকার সর্বপ্রকার সাহায্য-সহযোগিতা একে অপরের জন্য প্রয়োজন। সাহায্য করার কিছুই না থাকলে একজন মানুষ অপর মানুষকে মধুর ভাষা ব্যবহার করে সান্তনা দিতে পারে। এটিও তার জন্য সদকা হিসেবে পরিগণিত হবে বলে নবী করিম (সা.) সবাইকে উতসাহিত করেছেন।
একবার নবী করিম (সা.) জাহান্নামের আগুনের কথা উল্লেখ করলেন। তারপর তা থেকে পানাহ চাইলেন এবং মুখ ফিরিয়ে নিলেন। পরে আবার জাহান্নামের আগুনের কথা উল্লেখ করলেন, তারপর তা থেকে পানাহ চাইলেন এবং তার মুখ ফিরিয়ে নিলেন। সাহাবি হজরত শুবা (রা.) বলেন, দু’বার যে বলেছেন এতে আমার কোনো সন্দেহ নেই। তারপর নবী করিম (সা.) বললেন, ‘তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে থাক এক টুকরা খেজুর দিয়ে হলেও। যদি তা না পাও, তাহলে মধুর ভাষা বিনিময়ে।’ –সহিহ বুখারি
নবী করিম (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি খারাপ কাজের ইচ্ছা পোষণ করল, কিন্তু তা করল না, এ জন্য সে একটি সওয়াব পাবে।’ –বায়হাকি
অন্য এক হাদিসে নবী করিম (সা.) বলেন, ‘প্রত্যেক মুসলিমের ওপর সদকা করা কর্তব্য। সাহাবিরা বললেন, যদি তার (আর্থিক) সামর্থ্য না থাকে। নবী করিম (সা.) বললেন, তাহলে সে নিজ কর্মের।