Tuesday, January 26, 2021

কমনসেন্স

 কমনসেন্সটা সব মানুষের ভেতরেই আনকমন।। কমনসেন্স হলো Deodorantবা দুর্গন্ধনাশকের মতন। সব মানুষই Deodorant কি সেটা বোঝে, সেটা চায়। কমনসেন্সটাও বোঝে। কিন্তু তারা সেটা ব্যবহার করে দেখেনি।

হিজ ওল্ড মাদার!

 বাবার মৃত্যুর পর ছেলে তার বৃদ্ধা মা’কে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠালো। মা’কে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে যাবার সময় ছেলে বলে গেলো, “চিন্তা করোনা মা, এখানে তোমার যা যা দরকার তার সবই আছে। তবুও তোমাকে আমি প্রায়ই দেখে যাবো।”

একবার ছেলে হঠাত করেই ফোন পেলো, “মা’র অবস্থা সংকটজনক। জলদি আসুন মা’কে দেখতে।”
ছেলে এলো ও দেখলো মায়ের চলে যাবার সময় হয়েছে। ছেলে মা’কে বল্লো, “মা, তোমার জন্য আমি কি কি করতে পারি বলো।”
মা বল্লো, “বাবা এখানে একটা সিলিঙ ফ্যান লাগিয়ে দে। কারণ, এখানে কোন সিলিঙ ফ্যান নেই। আমি গরম সহ্য করেই গেলাম। খারাপ লাগেনি।”
ছেলে বল্লো, “কি বলছো মা! তুমিতো কোনদিনই কোন কিছুর জন্য অনুযোগ করোনি। এখন আবার সিলিঙ ফ্যানের কথা কেন বলছো? আমি বুঝতে পারছি না।”
বাবা, আমি বলছি এজন্য যে আমিতো এখানে গরম সহ্য করেই গেলাম, কিন্তু তোর ছেলেরা যখন তোকে এখানে পাঠাবে- তখন থাকবি কি করে? আমিতো ছোটবেলা থেকেই তোকে দেখেছি যে তুই তো আরামেই বড় হয়েছিস। তাই আগে থেকেই এখানে একটা সিলিঙ ফ্যান লাগাবার ব্যবস্থা নে বাবা। না হলে তোর কষ্ট হবে।”

পানের নেশা ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ

 পান-সুপুরি, পান-সুপুরি

এইখানেতে শংকা ভারী

অনেকেই জানেন, পান–সুপুরি–দোক্তার কারণে মুখের ভিতরের বিভিন্ন অংশে ক্যানসার হতে পারে৷ তাঁদের এমনও ধারণা আছে, তাড়াতাড়ি ধরা পড়লে এই ক্যানসার সেরে যায়৷ কিন্তু সত্যিই কি তাই?
ক্যানসার বিশেষজ্ঞ মধুছন্দা কর বলছেন, ‘‘সাম্প্রতিক গবেষণার সূত্রে জানা গিয়েছে, এই নেশার ফলে হওয়া ক্যানসার শুধুমাত্র মুখের ভিতরে সীমাবদ্ধ থাকে না, মুখ–গলা–খাদ্যনালী সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে৷ আর এই ক্যানসাগুলো আরও মারাত্মক৷ এদের কোনও প্রি–ক্যানসার স্টেজও হয় না৷’’
কিন্তু সমস্যা হল, বিপদ বুঝেও মানুষ অনেক সময় এই মারাত্মক নেশা ছাড়তে পারেন না৷ বিশেষ করে পানের সঙ্গে যদি খয়ের, চুন, সুপুরি এসে জোটে। আর সুপুরির সঙ্গে এসে জোটে দোক্তা বা জর্দা৷ যত সময় যায়, এগুলোর নেশা জাঁকিয়ে বসে৷
সারা পৃথিবীতেই এই নেশার চল রয়েছে৷ চা–কফি, সিগারেট, মদের পরই এই নেশার স্থান৷ এর ফলে শুধু ক্যানসার নয়, আরও কিছু মারাত্মক বিপদের আশঙ্কা থাকে৷ অধিকাংশ মানুষ সে খবর জানেন না। তাই চিকিৎসা চলার সময়ও নেশা ছাড়েন না৷ ফলে চিকিৎসায় আশানুরূপ ফল হয় না৷ বিপদ বাড়ে৷
নেশা ও তার ফল
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্থের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সুপুরি–দোক্তা বা জর্দার মিশ্রণ শরীরে গিয়ে উদ্দীপকের কাজ করে৷ অল্প করে খেলে ক্যাফেইন ও নিকোটিনের সমতূল্য উদ্দীপনা হয়৷ আর মাত্রা বেড়ে গেলে, তা হয়ে যায় কোকেনের সমতূল্য৷ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘‘নিয়মিত মাত্রাছাড়া নেশা চালিয়ে গেলে হৃৎস্পন্দন এলেমেলো হয়ে গিয়ে কার্ডিয়াক অ্যারিদমিয়া নামে জটিল সমস্যার সূত্রপাত হতে পারে৷ তাতে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে৷’’
এখানেই শেষ নয়৷ এই নেশার ফলে মস্তিষ্কের কিছু কাজকর্মের গতিপথ বদলে যেতে পারে৷ মুখে বেশি থুতু তৈরি হয়, চোখে জলের পরিমাণ বেড়ে যায়, ঘাম বেশি হয়, মল–মূত্র ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যায়, কথায় কথায় ডায়েরিয়া ও বমি লেগে থাকতে পারে৷
এই সব কাণ্ড–কারখানার কারণেই বিজ্ঞানীরা একে মাদকের তকমা দিয়ে দিয়েছেন৷ অন্য মাদকের মতো এ থেকে ‘ইউফোরিয়া’ও হয়৷ অর্থাৎ অহেতুক আনন্দ হয়, উত্তেজনা বেড়ে যায়৷ অতিরিক্ত সচেতনও হয়ে যান কেউ কেউ৷ না খেলে হয় সমস্যা দেখা দেয়৷ ফলে আরও বেশি করে নেশার দিকে ঝুঁকে পড়েন মানুষ৷
-anandabazar

সন্তান এখন টিনেজার? মা বাবাদের জন্য জরুরি কিছু টিপস

 টিন এজ মানে উঠতি বয়স। যেমনঃ বয়স ১৩ থেকে ১৯ বা কেউ কেউ বলেন ১৮ থেকে ২২ এই রকম উঠতি বয়সকেই টিন এজ বলে।

কেউ কেউ মশকরা করে ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সকে ‘তেরোনিশ’ বলে।
সন্তান টিনেজার? মা-বাবার সঙ্গে ঝগড়া মনোমালিন্য লেগেই থাকছে? তাহলে এই টিপস জেনে রাখুন, কাজে আসবে
দিন বদলেছে। যুগ বদলেছে। খুব ছোট বয়স থেকেই মোবাইলের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছে খুদেরা। বয়স যতই টিনএজের দিকে এগোয় ততই যেন আজকাল মা-বাবার সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে শুরু করে সন্তানদের। আজকালকার ছেলেমেয়েদের আবার বেশি কিছু বলাও যায় না। এরা একটুতেই অনেকখানি অভিমানী। এছাড়াও এই সময়ে শারীরিক কিছু পরিবর্তন আসে। হরমোনের পরিবর্তন হয়। আর তাই এই সময়টায় সন্তানের খেয়াল রাখার পাশাপাশি তাকে বুঝতেও হবে। এমন অনেক বাবা-মা আছেন, যাঁরা মনে করেন সন্তান বড় হচ্ছে সবটা ওকেই বুঝতে হবে, নিজের সিদ্ধান্ত নিজেকেই নিতে হবে। বরং সেই সময়টা তাঁরা অনেকটাই নিজেকে ব্যস্ত রাখেন কাজে। এমনকী পার্টি থেকে গানের ক্লাসের বন্ধুদের সঙ্গে কিটি পার্টি কিছুই বাকি থাকে না। আর সব মায়ই মনে করেন পাশের বাড়ির ছেলেটি কিংবা মেয়েটি তাঁর সন্তানের থেকে ভালো। ফলে সেই নিয়ে নিরন্তর খোঁটা দেওয়া তো চলেই। আর তাই এই সময়টায় সন্তানের পাশাপাশি মা-বাবার আচরণও সংযত হতে হবে। এই বয়সে এসে তাঁদেরও যে নতুন করে শিখে সন্তানের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে সেই বিষয়টি মাথায় রাখা দরকার।
১. সন্তানের বন্ধু হয়ে উঠুন
বন্ধু হয়ে ওঠার চেষ্টা মানে এই নয় যে, কে কার সঙ্গে প্রেম করছে সেই খবর নেবেন। কিংবা কোন বন্ধুর টিউশন টিচার কত ভালো তাই নিয়ে প্রতিযোগিতা করবেন এমনটা নয়। স্কুলের পড়াশোনার খবর নেওয়ার পাশাপাশি বাচ্চাকে নিয়ে উইকএন্ডে ঘুরতে যান। একসঙ্গে বসে প্রোজেক্ট বানান। তবে সব সময় পেছন পেছন ঘুরবেন এই মানসিকতাও রাখবেন না।
২. সন্তানকে যথেষ্ট স্পেস দিন
সব মানুষের জীবনেই একটা স্পেসের প্রয়োজন হয়। আর সেটা আপনাকেই বুঝতে হবে। সন্তানকেও যেমন আগলে রাখবেন তেমনই শ্রদ্ধাও করবেন। আর তাই সন্তানের ফোনের পাসওয়ার্ড জানলেও টেক্সট খুলে পড়বেন না। এই ভুল যদি সন্তান করে থাকে তাহলে তাকেও শেখানোর দায় কিন্তু আপনারই।
৩. যোগাযোগ
সন্তানের সঙ্গে সম্পর্ক, যোগাযোগ সব ভালো রাখুন। এমন কোনও আচরণ করবেন না যাতে সন্তান দূরে চলে যায়। সন্তানের সামনে ড্রিংক কিংবা অন্যান্য সম্পর্ক এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। মনে রাখবেন সন্তান কিন্তু আপনাকেই দেখে শিখবে। আর তাই ওর মধ্যে কোনও নেগেটিভ প্রভাব পড়তে দেবেন না। বরং সন্তানের সঙ্গে কোয়ালিটি সময় কাটান।
৪. এমন কিছু করবেন না যাতে সন্তানের বাড়িতে থাকতে অস্বস্তি হয়
সন্তানের সঙ্গে এমন কোনও আচরণ করবেন না, যাতে সে বাড়িতে থাকতে না চায়। প্রতি মুহূর্তে রাগ, অভিমান করতে হয়। বাড়িতে সুন্দর পরিবেশ দেওয়ার চেষ্টা করুন। অযথা চিৎকার, স্বামী স্ত্রীয়ের ঝামেলা কিংবা অফিসের সমস্যা বাড়িতে টেনে আনবেন না।
৫. সন্তান কিন্তু আপনার অনুপ্রেরণা
যে কোনও বাচ্চারই বেড়ে ওঠা মা-বাবাকে দেখে। বাড়ির পরিবেশ থেকে। তাই সবসময় সন্তানের ভুল না ধরে বরং সন্তানের পাশে থাকার চেষ্টা করুন। সন্তানের ভালো কাজে উৎসাহ দিন। সেই সঙ্গে সন্তান কোনও ভুল করলে অবশ্যই তা ধরিয়ে দিন। কিন্তু অযথা বকাবকি করবেন না।
-এইসময় ও

প্রবল মাথা যন্ত্রণা, সকালে ঘুম থেকে উঠেই

 রাতে ভালো ঘুম হলে পরের দিনটা ভালোই কাটে। কিন্তু সকালে ওঠার পরে যদি মাথা ভার হয়ে থাকে বা যন্ত্রণা থাকে, তা হলে গোটা দিনটাতেই যেন সেভাবে কাজ করার উৎসাহ পাওয়া যায় না। অনেকেই এই সমস্যার শিকার। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরেই মাথা যন্ত্রণা বা অস্বস্তি এসব হয়ে থাকে। তবে এর পিছনে রয়েছে কিছু কারণ। তাই এমন প্রায় হতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। দেখে নেওয়া যাক কী কারণে সকালে মাথা যন্ত্রণা করে-

১) স্লিপ অ্যাপনেয়া- স্লিপ অ্যাপনেয়ার ফলে ঘুমের মধ্যেই শ্বাস প্রশ্বাস প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে। এছাড়া গলা শুকিয়ে যাওয়া, নাক ডাকা, ঘুমের মধ্যেই বার বার প্রস্রাব পাওয়া স্লিপ অ্যাপনেয়ার উপসর্গ। স্লিপ অ্যাপনেয়ার ফলে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে। যার জেরে সকাল থেকেই মাথা যন্ত্রণা হয়।
২) মাইগ্রেন- মাইগ্রেন অন্যতম কারণ সকালে মাথা যন্ত্রণা হওয়ার। সারা বিশ্বের ১০ শতাংশ মানুষ মাইগ্রেনের শিকার। মাইগ্রেনের ফলে দৃষ্টিশক্তি খারাপ হয়। এছাড়া ক্লান্তি থাকে। বিশেষ করে সকালেই মাইগ্রেনের ব্যথা হয়। তবে বিভিন্ন মানুষের মধ্যে বিভিন্ন রকম উপসর্গ দেখা যায়।
৩)ওভার মেডিকেশন- যাদের এমনিতেই মাথা যন্ত্রণার সমস্যা রয়েছে তারা যদি প্রায়ই অধিক পরিমাণে মাথা যন্ত্রণা তাড়ানোর ওষুধ খায় তাহলেও এই উপসর্গ দেখা যায়।
৪) হ্যাংওভার- ঘুমোতে যাওয়ার আগেই মদ্যপান করে থাকলে, পরের দিন সকালে মাথা যন্ত্রণা হয়ে থাকে। সঙ্গে সারা রাত তেষ্টা পাওয়া, পরের দিন ক্লান্তি, দ্রুত হৃদস্পন্দন এসব হয়ে থাকে হ্যাংওভার থাকলে।
৫) ব্রেন টিউমর- প্রতি বছর ১ লক্ষ মানুষের মধ্যে ৫ জনের ব্রেন টিউমর ধরা পড়ে। কিন্তু তবুও সকালে মাথা যন্ত্রণার টিউমরেরও উপসর্গ হয়ে থাকে। সঙ্গে যদি প্রায়ই বমি, ব্যক্তিত্বে বদল, অবসাদ, কথা জড়িয়ে যাওয়া, চোখের পাশ ফুলে ওঠা, দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া ইত্যাদি হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
-নিউজ১৮ সূত্র

নীরবতা -এক শক্তিশালী ভাষা

জবান আমার করেছি বন্ধ
ওগো, বলেছি শত কথা
ছিল যখন বন্ধু হয়ে
কেবলই “নীরবতা।”
-রুমী, জালাল উদ্দিন
I CLOSED MY MOUTH
AND SPOKE TO YOU
IN A HUNDRED SILENT WAYS
-RUMI, J.U

নীরবতায় খোঁজো “লাভ”

 একটা ছোট্ট বীজ

দেখো- কোন শব্দ না কোরে বেড়ে ওঠে।
আবার দেখো-
এক বিশাল গাছ-
প্রচন্ড শব্দ কোরে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে!!
ধংসের শব্দ আছে প্রচন্ড !
জগতের সব সৃষ্টিই
বেড়ে ওঠে এক অপরূপ নৈশব্দে।
A seed grows with no sound
But a Tree falls with huge noise.
Destruction has noise
But Creation is quiet.
This the Power of Silence.
Grow silently.