Saturday, February 5, 2022

ইসলামের নির্দেশনাঃ পারিবারিক বিচ্ছিন্নতা রোধে

 পরিবার মানব সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একটি পারিবারিক ব্যবস্থার ভেতর দিয়ে পৃথিবীতে মানবজাতির যাত্রা শুরু হয়। মহান আল্লাহ পৃথিবীতে প্রথম মানব আদম (আ.) ও প্রথম মানবী হাওয়া (আ.)-কে পারিবারিক বন্ধনে আবদ্ধ করে প্রেরণ করেন এবং পারিবারিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে মানবসভ্যতার বিকাশ ঘটে। ইসলাম মানবজাতিকে পারিবারিক বন্ধন অটুট রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

পারিবারিক বন্ধন বিচ্ছিন্নকারীদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।
পারিবারিক বন্ধন আল্লাহর অনুগ্রহ : পরিবার ও পারিবারিক বন্ধন আল্লাহর অনুগ্রহ। সুতরাং তা অটুট রাখা মুমিনের বৈশিষ্ট্য। ইরশাদ হয়েছে, ‘এবং আল্লাহ তোমাদের থেকে তোমাদের জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের যুগল থেকে তোমাদের জন্য পুত্র-পৌত্রাদি সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের উত্তম জীবনোপকরণ দান করেছেন। ’ (সুরা নাহল, আয়াত : ৭২)
পরিবার মানুষের আশ্রয় : পরিবার-পরিজন মানুষের জন্য সর্বোত্তম আশ্রয়। পরিবার মানুষের বৈষয়িক ও মানসিক আশ্রয়। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে আছে যে তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকে সৃষ্টি করেছেন তোমাদের সঙ্গিনীদের, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তি পাও এবং তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য তাতে বহু নিদর্শন আছে। ’ (সুরা রোম, আয়াত : ২১)
পারিবারিক সম্পর্কে বিপর্যয় থেকে রক্ষা : পারিবারিক সম্পর্ক অটুট থাকলে মানুষ বহু ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা পায়। কেননা তারা পরস্পরকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘আত্মীয়গণ আল্লাহর বিধানের একে অন্য অপেক্ষা অধিক হকদার। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত। ’ (সুরা আনফাল, আয়াত : ৭৫)
পারিবারিক বন্ধন রক্ষায় বৈষয়িক লাভ : বর্তমান সময়ে বহু মানুষ পার্থিব লাভ-ক্ষতির বিবেচনা করে পরিবার-পরিজনকে এড়িয়ে চলে। কিন্তু রাসুলুল্লাহ (সা.) সম্পর্ক রক্ষাকারীর জন্য পার্থিব কল্যাণের সুসংবাদ দান করেছেন। তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি চায় তার জীবিকা প্রশস্ত হোক এবং আয়ু বৃদ্ধি পাক সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৯৮৬)
ধর্মের নামেও বিচ্ছিন্নতা নয় : ইসলাম পরিবার-পরিজন থেকে বিচ্ছিন্ন জীবন অনুমোদন করে না। এমনকি আল্লাহর অধিক ইবাদতের জন্য পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার অনুমতি নেই। ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেন, ‘ইসলামে বৈরাগ্যবাদের কোনো স্থান নেই। বিয়ে পরিহারের কারণে মানুষ বহু কল্যাণ ও মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হয়। ’ (ফিকহুস সুন্নাহ : ৩/৩৬)
কষ্ট হলেও পরিবার থেকে দূরত্ব নয় : পারিবারিক জীবনে নানা ধরনের সংকট তৈরি হয়। ভুল বোঝাবুঝি ও মতভিন্নতা দেখা দেয়। ইসলাম এমন সমস্যাগুলো উপেক্ষা করে পারিবারিক জীবনযাপনের নির্দেশ দেয়। ইরশাদ হয়েছে, ‘তাদের সঙ্গে সত্ভাবে জীবনযাপন করবে, তোমরা যদি তাদের অপছন্দ করো, তবে এমন হতে পারে যে আল্লাহ যাতে প্রভূত কল্যাণ রেখেছেন তোমরা তাকেই অপছন্দ করছ। ’ (সুরা নিসা, আয়াত : ১৯)
পারিবারিক সংকট দূরের উদ্যোগ : পারিবারিক জীবনে কোনো সংকট দেখা দিলে তা দূর করার উদ্যোগ নিতে হবে। ইরশাদ হয়েছে, ‘তাদের উভয়ের মধ্যে বিরোধ আশঙ্কা করলে তোমরা তার পরিবার থেকে একজন ও তার পরিবার থেকে একজন সালিস নিযুক্ত করবে; তারা উভয়ের নিষ্পত্তি চাইলে আল্লাহ তাদের মধ্যে মীমাংসার অনুকূল অবস্থা সৃষ্টি করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবিশেষ অবহিত। ’ (সুরা নিসা, আয়াত : ৩৫)
উল্লিখিত আয়াতের ব্যাখ্যায় প্রাজ্ঞ আলেমরা বলেন, শুধু স্বামী-স্ত্রী নয়; বরং পরিবারের সন্তান-সন্তুতিদের মধ্যে মনমালিন্য তৈরি হলে পরিবারের অভিভাবকরা দ্রুততম সময়ে তা সমাধানের উদ্যোগ নেবেন।
আত্মীয়তার ব্যাপারে উদাসীনতা নয় : আত্মীয়-স্বজন ও পারিবারিক সম্পর্কের ব্যাপারে উদাসীনতা কাম্য নয়। আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহকে ভয় কোরো, যার নামে তোমরা পরস্পরের কাছে যাঞ্চা কোরো এবং সতর্ক থাকো আত্মীয়তার বন্ধন সম্পর্কে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর তীক্ষ� দৃষ্টি রাখেন। ’ (সুরা নিসা, আয়াত : ১)
সুসম্পর্ক ঈমানের নিদর্শন : আত্মীয়-স্বজন ও পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্ক মুমিনের ঈমানের বহিঃপ্রকাশ। মুমিন কখনো তার পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করতে পারে না। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে, সে যেন আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করে। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬১৩৮)
আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষার অর্থ : সাধারণত মানুষ তাদের সঙ্গেই সম্পর্ক রক্ষা করে, যে তার সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করে চলে। কিন্তু ইসলামের দৃষ্টিতে এমন ব্যক্তি হলো প্রতিদান দানকারী। বিচ্ছিন্নতার পর যে সম্পর্ক রাখে সেই প্রকৃত আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষাকারী। ইরশাদ হয়েছে, ‘প্রতিদানকারী আত্মীয় হক সংরক্ষণকারী নয়; বরং আত্মীয়তার হক সংরক্ষণকারী সে ব্যক্তি, যে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পরও তা বজায় রাখে। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৯৯১)
দায় নয়, দায়িত্ব : পারিবারিক ব্যয় নির্বাহকে অনেকে সামাজিক দায় মনে করেন। কিন্তু ইসলাম একে দায়িত্ব আখ্যা দিয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘লোকে কি ব্যয় করবে সে সম্পর্কে তোমাকে প্রশ্ন করে। বলুন, যে ধন-সম্পদ তোমরা ব্যয় করবে তা মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন, এতিম, মিসকিন ও মুসাফিরদের জন্য। উত্তম কাজের যা কিছু তোমরা কোরো না কেন আল্লাহ তো সে সম্পর্কে অবহিত। ’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ২১৫)
পারিবারিক বিচ্ছিন্নতার প্রতি হুঁশিয়ারি : আত্মীয়তার সম্পর্ক বিচ্ছিন্নকারীদের প্রতি পবিত্র কোরআনে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলা হয়েছে, ‘ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে সম্ভবত তোমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করবে এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে। আল্লাহ তাদেরই অভিশাপ করেন আর করেন বধির ও দৃষ্টিশক্তিহীন। ’ (সুরা মুহাম্মদ, আয়াত : ২২-২৩)
সম্পর্কচ্ছেদের ভয়াবহ পরিণতি : আত্মীয়তা ও পারিবারিক সম্পর্ক ছিন্ন করার পরিণতি ভয়াবহ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আত্মীয়তা ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না। ’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৫৫৬)
আল্লাহ আমাদের পারিবারিক বিচ্ছিন্নতা রক্ষা করুন। আমিন।
সূত্রঃ আতাউর রহমান খসরু

Poor sleep tied to kids’ lower academic performance

 Children who have trouble sleeping tend to do worse in school than their peers who get a good night’s sleep, a new study suggests.

Researchers in Brazil looked at children age seven to 10 who attended Sao Paulo public schools. They found kids with symptoms of sleep disorders or sleep breathing disorders earned lower grades than those without problems sleeping, on average.
Thirteen percent of children with difficulty sleeping had failing grades in Portuguese, compared to nine percent of those without sleep problems. Likewise, 25 percent of kids with disrupted sleep had failing math grades, versus eight percent of children without trouble sleeping.
“Because (symptoms of sleep disorders) and particularly (sleep breathing disorders) are highly prevalent, we suggest that all health professionals and educators become aware of this striking effect and take appropriate actions to solve or mitigate what could very well constitute a public health issue,” researchers led by Luciane Bizari Coin de Carvalho from the Universidade Federal de Sao Paulo wrote.
Experts estimate that roughly one-quarter of US children have disrupted sleep at some point during childhood. Erratic bedtime hours and anxiety, either at school or at home, may contribute.
Other children may have unrecognized sleep disorders, such as sleep walking, nightmares or insomnia, or sleep breathing disorders, like sleep apnea. Some medications, including those for asthma or attention-deficit/hyperactivity disorder, can affect sleep. The underlying medical problems may also cause sleep disturbances.
Poor sleep among children has been tied to obesity, which over the long term increases the risk of heart disease and diabetes. And poor school performance has been linked to early dropout rates — so the new findings may have implications beyond getting a good night’s sleep, researchers said.
From 1999 to 2001, the researchers distributed 5,400 questionnaires asking about symptoms of sleep disorders and sleep breathing disorders to children in Sao Paulo public schools.
Then they looked at the Portuguese and Math grades of 2,384 children whose parents filled out and returned the questionnaire.
The study team found about 31 percent of the children had symptoms of sleep disorders — such as difficulty falling or staying asleep, or feeling sleepy all the time — and close to 27 percent had sleep breathing disorders. Those students’ grades were significantly lower than the grades of kids without sleep disorder symptoms.
In Brazil, grades are based on a scale of 0 to 10, with 5 considered passing. Average Portuguese grades were 6.6 for kids with sleep problems, compared to 7.1 among those with no sleeping trouble.
Likewise, children with symptoms of sleep disorders or sleep breathing disorders earned an average grade of 6.3 in Math, compared to 7.1 for other children, according to findings published in the journal Sleep Medicine.
However, the new study can’t say definitively that sleep problems were to blame for poor grades, researchers said.
“This study doesn’t prove that a sleep disturbance causes decreased academic performance,” Bazil said, “but it shows an association. Basically every category of sleep disturbance the authors looked at correlated with decreased academic performance.”
Source: Arab News

বাক শক্তির ক্ষমতা Power of Words

 Words are...an expression of emotions. They have a power we might not even be aware of. The first word spoken by a human being brings joy, pride, and leaves an impact forever. The lack of it brings worry.


Words are...countless. They come in more than 6,000 different languages, spoken in every corner of the world. There's no common language that unites us all, but we all speak words. And nothing carries more meaning than words. They are spoken by both commoners and rulers; both children and adults; both men and women; both black and white.

Words are...wise. They have to be well-chosen because the effect they can leave is indescribable. And unforgettable. Words build. Words break. Words unite. Words teach. Words control. Words affect.

Words are...beautiful. They are lyrics of inspiring pieces of music. They form parts of outstanding pieces of literature. Words make books. They inspire us, change us.

Words are...memories. They are writable, storable, portable, sendable. They can send chills down your spine. They can reduce you to tears. Nothing brings nostalgia better than with words.

Words are...decisions. They can express our wants, needs, dreams, and burdens. Words divide. Words hurt. Words console. Words persuade. Words are a window to our feelings. Words write the Book of Life of each one of us.

It's up to you what to write on each and every page... So then, you can enjoy the read.

Care: কর যত্ন হবে জয়

 Expressing my care and concern, I respond to situations with a cool head and people with a warm heart.


দিলের আরজু (আকাঙ্ক্ষা) থেকেই দিলরুবাকে পাওয়া যায়।

বলো না কাতর স্বরে বৃথা জন্ম এ সংসারে
এ জীবন নিশার স্বপন
দারা পুত্র পরিবার তুমি কার কে তোমার
বলে জীব করো না ক্রন্দন।
মানব-জনম সার এমন পাবে না আর
বাহ্যদৃশ্যে ভুলো না রে মন
কর যত্ন হবে জয় জীবাত্মা অনিত্য নয়
ওহে জীব কর আকিঞ্চন।

সহজভাব

করুণ করে বলো না পৃথিবীতে জন্ম বৃথা
মানুষের জীবন নিছক কোনো স্বপ্ন নয়।
স্ত্রী-পুত্র-কন্যা, পরিবার-পরিজন কে কার-
এই মিথ্যা ধারণায় কান্না করো না।
এমন সার্থক-সুন্দর মানব জীবন আর পাওয়া যাবে না
বাইরের জগতে চাকচিক্যময় অবস্থা দেখে
সব ভুলে থেকেও না
জীবনকে যত্ন কর জয় হবে
অত্যন্ত মূল্যবান জীবন বার বার পাওয়া যাবে না
জীবনের প্রতি যত্নবান হলে
জয় করার ইচ্ছা পোষণ কলে জয় হবেই

করো না সুখের আশ পরো না দুখের ফাঁস
জীবনের উদ্দেশ্য তা নয়
সংসারে সংসারী সাজ করো নিত্য নিজ কাজ
ভবের উন্নতি যাতে হয়।
দিন যায় ক্ষণ যায় সময় কাহারো নয়
বেগে ধায় নাহি রহে স্থির
সহায় সম্পদ বল সকলি ঘুচায় কাল
আয়ু যেন শৈবালের নীর।

সহজভাব

সুখের আশা করে দুঃখকে বরণ করো না
সুখে থাকাই জীবনের উদ্দেশ্য নয়
নিত্য সংসারের অর্থাৎ জগতের কাজ করলে উন্নতি হয়
দিন ক্ষণ চলে যায়, এই সময় কারো নয়
সময় বেগেই চলে যায় কারো জন্য অপেক্ষা করে না।
সহায় সম্পদ শরীরের বল, খ্যাতি সবই কালের হাতে বন্দি
জীবনের আয়ুও ক্ষণস্থায়ী।
সংসারে-সমরাঙ্গনে যুদ্ধ কর দৃঢ়পণে

সংসারে-সমরাঙ্গনে যুদ্ধ কর দৃঢ়পণে
ভয়ে ভীত হইও না মানব
কর যুদ্ধ বীর্যবান যায় যাবে যাক প্রাণ
মহিমাই জগতে দুর্লভ।
মনোহর মূর্তি হেরে ওহে জীব অন্ধকারে
ভবিষ্যতে করো না নির্ভর
অতীত সুখের দিন পুনঃ আর ডেকে এনে
চিন্তা করে হইও না কাতর।

সহজভাব
সংসারযুদ্ধে যুদ্ধ করে দাঁড়াতে হয়
ভয়ে ভীতু হলে চলে না
মহিমার জন্য বীরের মতো যুদ্ধ করতে হবে
যদি প্রাণ যায় দিতে হবে
অন্ধাকারের ভবিষ্যতের উপর নির্ভর না করে
আলোকিত জীবনের দিকে আসতে হবে
অতীতের সুখে কাতর না হয়ে বর্তমানমুখী হতে হবে

মহাজ্ঞানী মহাজন যে পথে করে গমন
হয়েছেন প্রাতঃস্মরণীয়
সেই পথ লক্ষ্য করে স্বীয় কীর্তি ধ্বজা ধরে
আমরাও হব বরণীয়।
সমর-সাগর-তীরে পদাঙ্ক অঙ্কিত করে
আমরাও হব হে অমর
সেই চিহ্ন লক্ষ করে অন্য কোনো জন পরে
যশোদ্বারে আসিবে সত্বর।

সহজভাব

যারা মহান, মহাজ্ঞানী তারা যেভাবে দুনিয়া থেকে চলে গিয়েছে
তাদের কথা স্মরণ করতে হবে
তাদের পথ অনুসরণ করেত হবে
তাদের পথে চলে, তাদের অনুস্মরণ করে
আমাদেরও বরণীয় হতে হবে, অমর হতে হবে
তাদের পথে চললে আমাদেরও যশ, খ্যাতি আসবে।
করো না মানবগণ বৃথা ক্ষয় এ জীবন
করো না মানবগণ বৃথা ক্ষয় এ জীবন
সংসার-সমরাঙ্গন মাঝে
সংকল্প করেছ যাহা সাধন করহ তাহা
রত হয়ে নিজ নিজ কাজে।

সহজভাব

মহামূলবান জীবন বৃথা নষ্ট করো না
এই জগতের মাঝে ভালো সংকল্প করে তা পূরণ করতে হবে
নিজের কাজের প্রতি যত্নবান হয়ে কাজ সম্পন্ন করলেই
জীবন হবে সার্থক ও অমর।

সূত্র: Henry Wadsworth Longfellow এর ‘A Psalm of life’
হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়;  থ্যটফরটুডে

সুন্দর মৃত্যুর জন্য

 জীবনের সময়টুকু একজন মানুষের ইহকালীন মূলধন। যদি তা আখিরাতের কল্যাণের ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হয়, তবেই তো সফলতা। আর যদি তা বিনষ্ট করা হয় গুনাহ ও পাপাচারে আর এ অবস্থায় মৃত্যু হয়, তাহলে সে হবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, ‘ঈমানদার ব্যক্তি গুনাহকে এমন মনে করে, যেন সে কোনো পাহাড়ের নিচে বসে আছে।

আর যেকোনো মুহূর্তে পাহাড়টি তার ওপর ধসে পড়তে পারে। ’ (বুখারি : ১১/৮৯)
অনেক মানুষ বেপরোয়াভাবে পাপাচারে লিপ্ত থাকে। একপর্যায়ে তার শেষ সময় এসে যায় এবং তার অপমৃত্যু ঘটে। যখন মৃত্যু নিকটবর্তী হয়, তখন বেশি পরিমাণে আল্লাহর রহমতের আশা করা উচিত। আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রবল হওয়া উচিত। কারণ যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাতে আগ্রহী হয়, আল্লাহও তার সাক্ষাতে আগ্রহী হন। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের প্রত্যেকে যেন শুধু এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে যে সে আল্লাহর প্রতি সুধারণা পোষণ করে। ’ (মুসলিম, হাদিস : ২৮৭৭)
বেশি বেশি মৃত্যুকে স্মরণ করলে দুনিয়ার মোহ কেটে যায় এবং আখিরাতের চিন্তা সৃষ্টি হয়। ফলে তা বান্দার মধ্যে বেশি বেশি নেক আমলের প্রেরণা সৃষ্টি করে এবং ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ায় অবৈধ ভোগবিলাস থেকে বিরত রাখে। মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘সব ভোগ-উপভোগ বিনাশকারী মৃত্যুকে তোমরা বেশি বেশি স্মরণ করো। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪০৯)
কবর মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয় তার পরিণামের কথা। মৃত্যুর পর আপনজনই তো কবর খনন করে। মৃতকে অন্ধকার ঘরে শায়িত করে। মাটির নিচে রেখে ফিরে আসে। আল্লাহর রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা কবর জিয়ারত করো। কারণ তা মৃত্যুকে স্মরণ করিয়ে দেয়। ’ (মুসলিম, হাদিস : ৯৭৬)
সুন্দর মৃত্যুর জন্য বিশেষ কিছু করণীয় রয়েছে—এক. ইবাদতের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা।
দুই. কোনো পাপকাজ সংঘটিত হলে দ্রুত তাওবা করা।
তিন. আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম পন্থায় মৃত্যুর জন্য দোয়া করা।
চার. জাহের ও বাতেন তথা প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে আমলের সঙ্গে লেগে থাকা।
পাঁচ. দ্বিনের ওপর অবিচল থাকা।
ছয়. আল্লাহ সম্পর্কে ভালো ধারণা পোষণ করা।
সাত. তাকওয়া ও খোদাভীতি অর্জন করা।
আট. বেশি বেশি তাওবা, ইস্তেগফার করা।
নয়. বেশি বেশি মৃত্যুর চিন্তা করা এবং দীর্ঘ জীবনের আশা পরিত্যাগ করা।
দশ. অপমৃত্যু থেকে আল্লাহর কাছে পরিত্রাণ চাওয়া।
নেককারদের সংস্পর্শ হৃদয়ে ঈমানি চেতনা জাগ্রত করে এবং হিম্মত ও প্রেরণা বৃদ্ধি করে। কারণ নেককার ব্যক্তিদের ইবাদত-মগ্নতা, পুণ্যের কাজে উদ্যম ও প্রতিযোগিতা যখন অন্য মানুষ প্রত্যক্ষ করে, তখন তাদের মধ্যেও পুণ্যের পথে চলার সাহস ও প্রেরণা জাগে। একইভাবে মানুষ যখন তাদের আল্লাহমুখিতা ও দুনিয়াবিমুখতা প্রত্যক্ষ করে, তখন তাদের মনেও এই বৈশিষ্ট্য অর্জনের আগ্রহ জাগে।

ভয়কে জয়

 গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল বলেছিলেন, মানুষের প্রথম গুণ হচ্ছে উদ্দীপনা বা উত্সাহ, যা তাকে সবকিছু সম্ভব করে তোলার প্রেরণা জোগায়। এ দার্শনিকের কথার সূত্র ধরেই স্নায়ুবিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, মনের ভয়কে জয় করার জন্যও চাই উদ্দীপনা। মস্তিষ্কের একটি বিশেষ অংশ উত্সাহে সাড়া দেয়। আর এ সাড়াই পারে মনের ভয়গুলোকে তাড়িয়ে দিতে। নিচের ছয়টি পদ্ধতি অবলম্বন এক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়—

নড়বড়ে ভাবনাটাকে বিদায় দিন: জীবনটা খুব নড়বড়ে হয়ে আছে, চাকরির ভয়, রাস্তার ভয়, ছিনতাইয়ের ভয়— এমন শতচিন্তা ভয়কে আরো গাঢ় করে তোলে। যুক্তরাষ্ট্রের হটসন গ্র্যাজুয়েট স্কুলের শিক্ষক ব্রেনে ব্রাউন এসব চিন্তা ঝেড়ে ফেলতে বলেছেন। মনটাকে এসব চিন্তা থেকে ছুটি দেয়াই ভয়কে জয় করার প্রাথমিক পদক্ষেপ। মনে সাহস ও বেঁচে থাকার শক্তি সঞ্চয় করতে পারলে অনেক ভয়কেই তাড়ানো যায়। তাছাড়া যৌক্তিকভাবে কোনো কিছুকে বিচার করতে না পারলে ভয়ের জয়ই হয়।
কিসের এত ভয়: পিপারডেইন বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট ২০১০ সালে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল নিজের ভয়টা কোথায় অথবা কিসের, তা পরিষ্কারভাবে খুঁজে বের করতে। কেউ হয়তো ভয় পায় উঁচু ছাদে উঠলে, কেউ পানিকে, কেউ অন্ধকারকে। কিন্তু কে কোনটা, তা পরিষ্কারভাবে জানতে পারলে অজানা আশঙ্কা থেকে মুক্তি লাভ সম্ভব। ভয়ের কারণ জানা থাকলে তার পরিণতি ও তা থেকে দূরে থাকার মধ্য দিয়েও আতঙ্ক থেকে রেহাই মেলে।
অন্যকেও জানতে দিতে হবে: মনোবিজ্ঞানী নোয়াম স্পেন্সার জানিয়েছেন, অন্যকেও জানতে দিতে হবে ভয়ের কথা। কিসে ভয়, কেন ভয়, তা অন্যকে জানানোর মধ্য দিয়ে নিজের মনেও সাহস ও ভরসা ফিরে আসে। অন্য ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপের ফলে ভয়ের ধরন, এর বাস্তবতা অথবা করণীয় বিষয়ে জানা যায়। এতে নিজের মনেও ভয়ের বিষয়গুলো সম্পর্কে একটা ধারণা তৈরি হয়। মোকাবেলার প্রস্তুতি নেয়া যায়। আবার অমূলক ভয়কেও চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।
ইতিবাচক মন: মার্ক টেইলর নামে যুক্তরাষ্ট্রের এক মনোবিজ্ঞানী কাজ করেছেন অ্যাথলিটদের ওপর। এমন দুরন্ত গতিতে দৌড়ে চলা, এত ওপর থেকে ঝাঁপ দেয়া— সব কাজই তারা অবলীলায় কীভাবে করে। এর উত্তরে তিনি জেনেছেন, ইতিবাচক মন থাকার কারণেই সেটা সম্ভব হয়েছে। তারা জেনেছেন, তাদের লক্ষ্য কী, তারা কীভাবে সেটা অর্জন করতে সক্ষম এবং তাদের বিপদগুলো সম্পর্কেও ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ভয় নিয়েই তাদের ব্যস্ত থাকতে হয়নি। ব্যক্তিজীবনেও এসব কথাই সত্য। আশপাশকে ভালোভাবে জানতে পারলে ভয় এড়ানো সহজ হয়। নিজেকে ইতিবাচক কোনো উদ্দেশ্যের দিকে পরিচালনা করলে ভয় হারিয়ে যাবে।
ক্লান্তি দূর: ক্লান্তিকে শরীর ও মনে বাস করতে দেয়া যাবে না। ক্লান্ত মন ভয়ের নিরাপদ আবাস। ক্লান্ত শরীর ভীত থাকে এমনিতেই। সুতরাং ক্লেদ, বিরক্তি এসবকে জয় করতে হবে। তার জন্য হয়তো ব্যায়াম করতে হবে, ধ্যান ও নিয়মিত ভালো ভালো খাবারের মধ্য দিয়েও সম্ভব ক্লান্তি দূর করা। ক্লান্তিকে এড়িয়ে চললে ভয়কেও এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।
ঝুঁকি নিন: এমন কোনো কাজ যার প্রতি ভয় জাগে, তার কাছাকাছি এলে মনে সাহস বাড়বে। যেমন পানি বা উঁচু ছাদ। অথবা পাহাড় বাওয়ার কাজ করলেও ভয় যাবে দূরে সরে। অন্ধকার কোনো ঘরে মনে সাহস নিয়ে চুপি চুপি বসে থাকুন অনেক্ষণ, ধীরে ধীরে ভয় কেটে যাবে মন থেকে। মার্কিন মনোবিজ্ঞানী বে ডেন দিয়েছেন এ পরামর্শ। ভয়ের চেহারাটা একবার দেখে আসতে পারলে কিন্তু তার জন্য আর পিছুটান কাজ করবে না। ভয় আর পেছন থেকে টেনে ধরে রাখতে পারবে না।
ভয় পাওয়ার বিষয়টি মনোচিকিতসকরা ব্যাখ্যা করেন মানসিক বিষয় হিসেবে। অনেকে আছেন, যাঁরা একা ঘরে ঘুমাতে ভয় পান, ভূতের সিনেমা দেখে ভয় পান কিংবা রাতে ওয়াশরুমে যেতে ভয় পান। এই আতঙ্কের প্রধান কারণ হলো, আপনি মনের মধ্যে ভয়কে পুষে রেখেছেন, যা আপনিই দূর করতে পারেন। আর হ্যাঁ, এর জন্য মানসিক ডাক্তারের কাছে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
মনের ছোট ছোট ভয় বা আতঙ্ক দূর করতে ওয়েক আপ ক্লাউড ওয়েবসাইটে দেওয়া পরামর্শগুলো একবার দেখে নিতে পারেন।
১. প্রথমে ভালো করে লক্ষ করুন, কোন বিষয়গুলোতে আপনি ভয় পাচ্ছেন। সেখানে ভয় পাওয়ার মতো কোনো বিষয়ের অস্তিত্ব আছে কি না। যে ভূতের সিনেমা দেখে আপনি ভয় পাচ্ছেন, সেটার শেষ পর্যন্ত কী ঘটে। আবার ভাবুন, আপনি সিনেমা দেখেই ভয় পাচ্ছেন আর যে নায়ক বা নায়িকা ভূতের চরিত্রে অভিনয় করল, তাদের তো ভয়ে মরেই যাওয়া উচিত, তাই না? যখনই কোনো ভূতের সিনেমা দেখবেন, তখন সেই নায়ক বা নায়িকার কোনো রোমান্টিক সিনেমার গানের কথা ভাবতে থাকুন। দেখবেন, ভয় দূর হয়ে আপনি মনে মনে হাসতে শুরু করবেন।
২. অনেক সময় কৌতূহলের কারণেও মনের ভয় দূর হয়। আপনি যদি মনের মধ্যে ভয় পুষে রাখেন, তাহলে তা কোনো দিনই দূর হবে না। যে বিষয়টাতে আপনি ভয় পাচ্ছেন, সেই বিষয়ে কৌতূহলী হয়ে উঠুন। দেখবেন, যখন পুরোটা জেনে যাবেন, তখন আর ভয় কাজ করবে না।
৩. ভয় পেলে সঙ্গে সঙ্গে কোনো না কোনো কাজ করতে থাকুন। কোনোভাবেই চুপচাপ বসে থাকবেন না। কাজের মধ্যে থাকলে ভয়ের কথা আপনি একসময় ভুলে যাবেন।
৪. প্রিয়জনের সঙ্গে কথা বলুন। এটা আপনার ভয় কাটাতে সাহায্য করবে। ইতিবাচক কথাগুলো আপনার মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা ভয়কে দূর করবে।
৫. বই পড়ুন। প্রিয় লেখকের বই আপনার সব ধরনের বিষণ্ণতা, ভয়, আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে। বিশেষ করে থ্রিলার বা গোয়েন্দা টাইপের বই পড়ুন, যা আপনার মস্তিষ্ককে অন্যদিকে ধাবিত করবে।
৬. বেশি করে খান। চট করে পছন্দের খাবারটি তৈরি করে ফেলুন। দেখবেন, এক নিমেষেই আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। আর ভয়, সেটা তো রান্না করতে করতেই ভুলে যাবেন।
৭. সাধারণ ব্যায়াম বা যোগব্যায়াম করুন। দেখবেন, আপনার ক্লান্তি দূর হবে। মস্তিষ্ক সতেজ মনে হবে। দেখবেন, ভয়ের কারণে আপনার শরীরে যে ভার অনুভব করছেন, তখন সেটা অনেক হালকা মনে হবে।
৮. প্রার্থনা করুন। প্রার্থনা ধ্যান করার মতো। দেখবেন, মনের ভয় বা আতঙ্ক সহজেই দূর হয়ে যাবে।
রবীন্দ্রনাথের ভাষায়-
সঙ্কোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান,
সঙ্কটের কল্পনাতে হোয়ো না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত করো ভয়, আপনা-মাঝে শক্তি ধরো, নিজেরে করো জয়।
দুর্বলেরে রক্ষা করো, দুর্জনেরে হানো,
নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো।
মুক্ত করো ভয়, নিজের ’পরে করিতে ভর না রেখো সংশয়।
ধর্ম যবে শঙ্খরবে করিবে আহ্বান
নীরব হয়ে নম্র হয়ে পণ করিয়ো প্রাণ।
মুক্ত করো ভয়, দুরূহ কাজে নিজেরই দিয়ো কঠিন পরিচয়॥
সূত্র: Bonik Barta, ntvbd.com ও bn.wikisource.org

৯টি কবিরা গুনাহ

 তায়সাল ইবনে মায়াস রহ: বলেন, আমি যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত ছিলাম। আমি কিছু পাপ কাজ করে বসি যা আমার মতে কবিরা গুনাহর শামিল। আমি তা ইবনে উমার রা:-এর কাছে উল্লেখ করলে তিনি জিজ্ঞেস করেন, তা কী? আমি বললাম, এই এই ব্যাপার। তিনি বলেন, এগুলো কবিরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত নয়। কবিরা গুনাহ ৯টি :

১. আল্লাহর সাথে শরিক করা,
২. নরহত্যা,
৩. জিহাদের ময়দান থেকে পলায়ন,
৪. সতী-সাধ্বী নারীর বিরুদ্ধে জেনার মিথ্যা অপবাদ রটানো,
৫. সুদ খাওয়া,
৬. ইয়াতিমের মাল আত্মসাত করা,
৭. মসজিদে ধর্মদ্রোহী কাজ করা,
৮. ধর্ম নিয়ে উপহাস করা এবং
৯. সন্তানের অসদাচরণ যা পিতা-মাতার কান্নার কারণ হয়।
ইবনে উমার রা: আমাকে বলেন, তুমি কি জাহান্নাম থেকে দূরে থাকতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে চাও? আমি বললাম, আল্লাহর শপথ! আমি তাই চাই। তিনি বলেন, তোমার পিতা-মাতা কি জীবিত আছেন? আমি বললাম, আমার মা জীবিত আছেন। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ! তুমি তার সাথে নম্র ভাষায় কথা বললে এবং তার ভরণপোষণ করলে তুমি অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে, যদি কবিরা গুনাহসমূহ থেকে বিরত থাকো।
- আল আদাবুল মুফরাদ : ৮; তাবারির তাফসির, আবদুর রাযযাক আল-খারাইতির মাসাবিউল আখলাক