Wednesday, April 27, 2022

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা

 কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে বিশেষ করে খাওয়াদাওয়ার প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন।

অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়ার কারণে মূলত কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা শুরু হয়। আর কী কারণ থাকতে পারে?
আজকাল অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছন। কোষ্ঠকাঠিন্য গ্যাস, পিঠে ব্যথা, ক্লান্তির মতো অন্যান্য শারীরিক সমস্যারও জন্ম দেয়। সাধারণত ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হাইপো থাইরয়েড রোগীদের মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বেশি দেখা যায়। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়ার কারণে মূলত কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা শুরু হয়। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে বিশেষ করে খাওয়াদাওয়ার প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। খাদ্যাভ্যাসে বদল আনাও জরুরি।
ফাইবার জাতীয় খাবার না খেলে
ফল, সব্জি, বাদাম, মুসুর ডালে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার পাওয়া যায়। কিন্তু অনেকের রোজের খাদ্যতালিকাতেও এই ধরনের খাবার সব সময় থাকে না। শরীরের একটি উপকারী উপাদান হল ফাইবার। শরীরে ফাইবারের পরিমাণ হ্রাস পেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রতি দিন প্রায় ৩৮ গ্রাম খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হবে।
পরিমাণমত জল না খেলে
ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খেলে জল খাওয়ার পরিমাণও বাড়াতে হবে। সারা দিনে কত পরিমাণ জল খাচ্ছেন, তার উপর নির্ভর করে হজমশক্তি। শরীরে জলের পরিমাণ কম থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে এক জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের প্রতি দিন গড়ে প্রায় ৩-৪ লিটার জল খাওয়া প্রয়োজন।
মরসুমি ফল না খেলে
শরীরে জলের অভাব ঘটলেই তখন নানা শারীরিক সমস্যার শুরু হয়। জল খাওয়ার পাশাপাশি, জল জাতীয় ফল খাওয়াও সমান ভাবে জরুরি। ফলে রয়েছে ভিটামিন,ক্যালশিয়াম, ফাইবার, ম্যাগনেশিয়ামের মতো বিভিন্ন উপকারী পুষ্টিগুণ। শরীরের অন্যান্য সমস্যা দূর করার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকেও দূরে রাখে ফল। তাই পরিমাণমত ফল খাওয়া জরুরি।
আনন্দবাজার সূত্র

শাইনিঙ পাথ

 যে অন্যের দোষ দেয় তার এখনো অনেক পথ হাঁটতে হবে গন্তব্যে যেতে।

যে নিজেকে দোষ দেয় সে গন্তব্যের মাঝামঝি এসেছে।
যে কারোর দোষ ধরেনা, সে গন্তব্যে পৌঁছেছে।
-চৈনিক কথন

কলা খাওয়ার উপকারিতাগুলো

কলা শরীরের জন্য অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর একটি ফল। তবে রোজ খেলে কোনও সুফল পাওয়া যায় কি?

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে রোজ একটি করে কলা খাওয়া জরুরি।
সকালের জলখাবারে তাড়াহুড়োয় অনেকেই দুধ আর কর্নফ্লেক্সের সঙ্গে কলা খেয়ে থাকেন। চটজলদি আবার স্বাস্থ্যকর একটি খাবার। কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে উপকারী পুষ্টিগুণ। মিনারেল, ভিটামিন, ফাইবার সমৃদ্ধ কলা অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর। এ ছাড়াও কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম। একটি মাঝারি মাপের কলা থেকে শরীরে প্রায় ৪০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম প্রবেশ করে। পটাশিয়াম হৃদ্‌যন্ত্র ভাল রাখতে সাহায্য করে। হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে রোজ একটি করে কলা খাওয়া জরুরি।
কলা মিষ্টি বলে ডায়াবিটিস রোগীরা কলা এড়িয়ে চলেন। কিন্তু কলার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ খুবই কম। তাই ডায়াবিটিস আক্রান্ত রোগীরা নিশ্চিন্তে কলা খেতে পারেন।
শরীরে শক্তি জোগাতে কলার জুড়ি মেলা ভার। গরমে রোদ থেকে ফিরে অনেক সময় খুব দুর্বল লাগে। তখন চাঙ্গা হতে একটি কলা খেয়ে নিতে পারেন। ওজন কমে গেলেও চিকিৎসকরা অনেক সময় কলা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ কলা হাড় মজবুত রাখতে সাহায্য করে। কলায় থাকে পেকটিন নামক ফাইবার। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় দীর্ঘ দিন ধরে ভুগছেন যাঁরা, তাঁরা রোজের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন একটি করে কলা।
কলায় রয়েছে ক্যারোটিনয়ডের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। শরীরের যাবতীয় দূষিত পদার্থ দূর করতে এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট দারুণ কাজ করে। প্রতি দিন একটি করে কলা খাওয়ার অভ্যাসে শরীরের অনেক সমস্যা দূর হয়।
সূত্রঃ আনন্দবাজার

আমানতের খিয়ানত

 আমানতের খিয়ানত না করার মধ্যে অন্যতম বিষয় হলো, অন্যের কোনো গোপন কথা কারো কাছে আমানত রাখলে, তা প্রকাশ করে খিয়ানত না করা। তবে, গোপন বিষয়টি প্রকাশের মাঝে যদি ওই ব্যক্তির ইহ ও পরকালীন সফলতা থাকে, তাহলে তার কল্যাণ কামনায় তা প্রকাশ করা ও তাকে সদুপদেশ দেয়া। রাসূল সা: ইরশাদ করেন, ‘একজন মুসলিমের প্রতি অপর মুসলিমের হক হলো- একজন পরামর্শ চাইলে অপরজন পরামর্শ দেবে এবং তার মঙ্গল কামনা করবে’ (আল আদাবুল মুফরাদ-৯২৫)।

বর্ণিত আছে, হজরত আলী রা:-এর খেলাফতের দায়িত্ব গ্রহণের পর একদা রাতের বেলা বাতির আলোতে রাষ্ট্রীয় কাজ করছিলেন। এমন সময় জনৈক ব্যক্তি বিশেষ প্রয়োজনে তার কাছে এলেন। আলী রা: বাতি নিভিয়ে কথা বলতে শুরু করলেন। তাকে এর কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জবাব দিলেন, এতক্ষণ আমি সরকারি কাজ করছিলাম। তাই সরকারি তেল ব্যবহার করেছি। এখন তো ব্যক্তিগত কাজ করছি। সরকারি বাতি ব্যবহার করা আমানতের খিয়ানত হবে।
আমানতের খিয়ানত করা কবিরা গুনাহ ও মুনাফিকের আলামত, আর আমানত রক্ষা করা ঈমানদারের আলামত। হাদিসে এসেছে রাসূল সা: বলেছেন, ‘যার মধ্যে আমানতদারি নেই তার ঈমান নেই, আর যে অঙ্গীকার রক্ষা করে না, তার দ্বীন নেই’ (সুনানে বায়হাকি, শুয়াবুল ঈমান, মিশকাত)।
হাদিসে মুনাফিকির পরিচয় এভাবে তুলে ধরা হয়েছে, হজরত আবদুুল্লাহ বিন আমর রা: বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সা: বলেন, চারটি স্বভাব যার মধ্যে থাকে সে সুস্পষ্ট মুনাফিক। আর যার মধ্যে এ স্বভাবগুলোর কোনো একটি থাকে, তা ত্যাগ না করা পর্যন্ত তার মধ্যে মুনাফিকির একটি স্বভাব থেকে যায়। আর তা হলো, তার কাছে কেউ কোনো আমানত রাখলে তার খিয়ানত করে। সে কথা বললে মিথ্যা বলে। ওয়াদা করলে তা ভঙ্গ করে এবং ঝগড়া করলে গালমন্দ করে। (বুখারি, মুসলিম, আহমাদ)

ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়া কখন?

 ‘তোমার সাথে চারটি জিনিস থাকলে পৃথিবীর সব হারিয়ে ফেললেও তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে না’-

১. আমানতের হিফাজত;
২. সত্যবাদিতা;
৩. উত্তম চরিত্র ও
৪. পবিত্র রিজিক
-মহানবী সা: (আল মুসতাদরাক লিল হাকিম-৭৯৮৯)।

Sunday, March 20, 2022

জন্মদিনের কেকের মোমবাতিগুলো ফুঁ দিয়ে না নিভালে হয় না?

 সাম্প্রতিক সময়ে জন্মদিন বেশ ঢাকঢোল পিটিয়েই আয়োজন করা হয়। আর তাতে কেক কাটার সময় মোমবাতিতে ফুঁ দেয়ায়ও যেন অপরিহার্য বিষয়ে পরিণত হয়েছে। তবে আর যাই করুন না কেন, এই লেখাটি পড়ার পর জন্মদিনের কেকে মোমবাতি ব্যবহারের আগে দ্বিতীয়বার ভাবেন।

আমেরিকার ক্লেমসন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক সম্প্রতি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, ফুঁ দিয়ে মোমবাতি নেভানোর ফলে কেকের আইসিংয়ে ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ 1400 শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। তার পর যেহেতু সেই কেক সব অতিথিরাই চেটেপুটে খাচ্ছেন, তাই তাঁদের শরীরেও ঢুকে পড়ছে জীবাণু!
ক্লেমসন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর পল ডসন এবং তার সহযোগী কিছু গবেষক এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন। তারা একটি ক্ল্যাসিক বেসলাইন পদ্ধতি ব্যবহার করে ব্যাকটেরিয়া গণনা করেছেন। গবেষণায় প্রচুর সংখ্যক ব্যাকটেরিয়ার খোঁজ মিললেও সবচেয়ে অবাক করেছে যে জিনিসটি তা হলো, ফুঁ ভেদে ভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে এমনও দেখা গেছে, এক ফুঁ’য়ে 120 বারের বেশি ব্যাকটেরিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ থেকে বোঝা যায় যে, কিছু মানুষ অন্যের তুলনায় বেশি ব্যাকটেরিয়ার সৃষ্টি করে।
‘জার্নাল অফ ফুড রিসার্চ’-এ সম্প্রতি প্রকাশিত তাদের গবেষণাপত্রে যা লেখা হয়েছে, তা এইরকম — জন্মদিনের কেকের উপরে রাখা মোমবাতি এক ফুঁ দিয়ে নেভানোর নিয়মটা ঠিক কোথায় চালু হয়েছিল, তা নিয়ে নানা মতভেদ আছে। একদল মনে করেন প্রাচীন গ্রিসের শিকারের দেবতা আর্টেমিসের মন্দিরে নাকি প্রথম চালু হয় এই রীতি। অনেকে মনে করতেন, মোমবাতি নেভানোর পর যে ধোঁয়াটা বেরোয়, সেটাই নাকি মানুষের ইচ্ছাগুলোকে ঈশ্বরের দরবারে পৌঁছে দেয়৷
ডক্টর ডসন বলেন, ‘জন্মদিনের কেকে মোমবাতির আসল আনন্দ থেকে বঞ্চিত করার জন্য এই তথ্য ছড়ানো হচ্ছে না।’ তিনি জানান, ‘আমার ধারণা এসব ব্যাকটেরিয়ার কারণে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়বে না। মানুষের মুখ ব্যাকটেরিয়ায় পূর্ণ এবং অধিকাংশই ক্ষতিকারক নয়।’ তবে কেউ অসুস্থ বা কোনো রকমের সংক্রমণের শিকার হয়ে থাকলে তাকে মোমবাতিতে ফুঁ দেয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
ডক্টর ডসন জানান, তিনি যদি দেখেন কোনো অসুস্থ ব্যক্তি কেকের মোমবাতিতে ফুঁ দিচ্ছেন, সেক্ষেত্রে জন্মদিনের কেক খাওয়া এড়াবেন। সেক্ষেত্রে ঝুঁকি এড়াতে, ওই ব্যক্তির জন্মদিনের কেকে মোমবাতি না জ্বালানোই ভালো হবে।
সাম্প্রতিককালে গবেষকরা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়েছেন যে, সম্ভবত মানুষের নিশ্বাসের বায়োএরোসলের মাধ্যমে কেকের সারফেসে ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়ে।
তাহলে কি পরের জন্মদিনে কেকের উপর সাজানো মোমবাতিতে ফুঁ দিবেন? নাকি কোনও বন্ধুবান্ধবের জন্মদিনে গিয়ে কেক খাওয়া বন্ধ করে দেবেন বলে ভাবছেন?
পাকাপাকি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আরও খানিকটা ভেবে নিন না হয়!
আখেরে ভালোই হবে বলে আশা করা যায়।
সূত্র:
femina.in
mayabeejagat
https://bn.quora.com/

প্রতিবার রাগ মানব মনে কোন না কোন চিহ্ন রেখে যায়

ক্রোধ নিয়ন্ত্রণ

খুব ছোট্ট এক ছেলে।
প্রচন্ড রাগী ছিল।
একদিন তার বাবা তাকে একটা পেরেক ভর্তি ব্যাগ দিল এবং বলল যে, যতবার তুমি রেগে যাবে ততোবার একটা করে পেরেক আমাদের বাগানের কাঠের বেড়াতে লাগিয়ে আসবে।
প্রথমদিনেই ছেলেটিকে বাগানে গিয়ে ৩৭ টি পেরেক মারতে হলো।
পরের কয়েক সপ্তাহে ছেলেটি তার রাগকে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলো, তাই প্রতিদিন কাঠে নতুন পেরেকের সংখ্যাও ধীরে ধীরে কমে এলো।
সে বুঝতে পারলো হাতুড়ী দিয়ে কাঠের বেড়ায় পেরেক বসানোর চেয়ে তার রাগকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক বেশি সহজ।
শেষ পর্যন্ত সেই দিনটি এলো যেদিন তাকে একটি পেরেকও মার‌তে হলো না।
সে তার বাবাকে এইকথা জানালো।
তার বাবা তাকে বললো এখন তুমি যেসব দিনে তোমার রাগকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে সেসব দিনে একটি একটি করে পেরেক খুলে ফেলো।
অনেক দিন চলে গেল এবং ছেলেটি একদিন তার বাবাকে জানালো যে সবগুলো পেরেক সে খুলে ফেলতে সক্ষম হয়েছে।
তার বাবা এবার তাকে নিয়ে বাগানে গেল এবং কাঠের বেড়াটি দেখিয়ে বললো,’তুমি খুব ভাল ভাবে তোমার কাজ সম্পন্ন করেছ,এখন তুমি তোমার রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারো কিন্তু দেখো, প্রতিটা কাঠে পেরেকের গর্তগুলো এখনো রয়ে গিয়েছে।
কাঠের বেড়াটি কখনো আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না। যখন তুমি কাউকে রেগে গিয়ে কিছু বলো তখন তার মনে ঠিক এমন একটা আঁচড় পড়ে যায়। তাই নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে শেখো।
মানসিক ক্ষত অনেক সময় শারীরিক ক্ষতের চেয়েও অনেক বেশি ভয়ংকর হয়।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-
আমি এমন একটি বাক্য জানি, যা বললে রাগের প্রতিক্রিয়া চলে যাবে। তখন মুয়াজ রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, হে আল্লাহর রাসুল ! তা কি?
তিনি বললেন, ‘সে বলবে-
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাশ শায়ত্বানির রাঝিম। ’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ ! আমি আপনার কাছে অভিশপ্ত শয়তান থেকে আশ্রয় চাই। ’
সূত্রঃ আল হাদীস
Upanishad Chatterjee