Thursday, February 23, 2023

সকালে না খেয়ে থাকলে কী কী সমস্যা হয়?

 দেরি করে ঘুম থেকে উঠছেন, সকালে খাচ্ছেন না, রাতভর জাগছেন। এতে কী কী ক্ষতি হচ্ছে সে বিষয়ে কোনও ধারণা আছে কী? সকালে না খেলে যে ভয়ঙ্কর ক্ষতি হতে পারে তার মধ্যে ডায়বেটিস, মুটিয়ে যাওয়ার মতো ভয়ঙ্কর রোগ আছে জানেন কী।

ব্রেকফাস্টকে বা সকালের নাস্তাকে আমরা যতটা তাচ্ছিল্যের চোখে দেখি না কেন। সকালবেলা খাবার না খাওয়ার ফল যে কতটা মারাত্মক হতে পারে তা কল্পনার বাইরে। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির করা এক গবেষণা অনুসারে যারা নিয়মিত ব্রেকফাস্ট করেন না, তাদের হাঠাত করে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ২৭ শতাংশ বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে হরমোনাল ইমব্যাল্যান্সসহ আরও নানাবিধ শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আরও যেসব ঝুঁকি থাকে তার একটি তালিকা দেওয়া হচ্ছেঃ

১. ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে: সকালে কিছু না খেয়েই যারা দিন শুরু করুন, তাদের শরীরে গ্লকোজ টলারেন্স বেড়ে যায়, যা এক সময়ে গিয়ে ইনসুলিন রেজিটান্স হওয়ার পথকে প্রশস্ত করে করে। ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

২. ওজন বৃদ্ধি পায়: অনেকেই ভাবেন কম খেলে ওজন কমে। এই ধরণা কিন্তু একেবারেই ঠিক নয়। বরং যত কম খাবেন, তত বেশি বেশি করে ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে। কেন এমনটা হয় জানেন? ব্রেকফাস্ট না করার কারণে লাঞ্চের সময় আসতে আসতে এতটাই খিদে পেয়ে যায় যে মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া হয়ে যায়। ফলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি জমা হতে হতে এক সময়ে গিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

৩. হজম ক্ষমতা কমে যায়: খাবার হল জ্বালানি, যাকে কাজে লাগিয়ে শরীর সচল থাকে। সেই কারণেই তো সকাল বেলা কিছু না খেলে শরীরের কাছে নির্দেশ যায় কম কম কাজ করার জন্য। সে সময় হজম কম হতে থাকে।

৪.বুদ্ধি কমে যায়: ব্রেকফাস্ট না করলে শরীরে গ্লকোজ লেভেল কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে রক্তে শর্করার মাত্র কমে যাওয়ার কারণে ব্রেনে পুষ্টির ঘাটতি হতে শুরু করে। ফলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বুদ্ধির ধারও(sharpness) কমতে শুরু করে।

৫. রাগ বাড়তে থাকে: লক্ষ করে দেখবেন যখন পেটে খিদের আগুন জ্বলতে থাকে, তখন মন মেজাজও কেমন বিগড়ে যায়। বলা হয় A hungry man is an angyr man. তাই তো সকাল সকাল খাবার না খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীর ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে মন মেজাজও খারাপ হতে শুরু করে। ফলে কোনও কিছুতেই মন বসতে চায় না। সম্প্রতি ব্রিটেনের একটি সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে ব্রেকফাস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যা মনকে একেবারে চাঙ্গা করে তোলে।

সোরসঃ হাকীম মোঃ আব্দুর রশিদ

যে মুসলিম ডিপ্রেশনের গপ্প শোনায়, সে মুসলিম নয়!

 হাদিসে এমনো অনেক ঘটনা রয়েছে যা মনে করলেই অন্তরে প্রশান্তি চলে আসে। উদাহরণ হিসেবে

🔺খাদিজা(রা:) খুব ধনী ঘরের মেয়ে ছিলেন। বিলাসিতার মধ্যেই বড় হওয়াটাই স্বাভাবিক। নবিজী(স:) এর ইসলাম প্রচারের কারণে অন্যান্য গোত্র যখন কুরাইশদের অবরোধ দিল তখন নবীজি আর খাদিজা (রা:) এর গোত্রের শিশুদের আড়াই বছর তীব্র কষ্টে থাকতে হয়েছিলো। এমনকি ক্ষুধার তাড়নায় গাছের পাতা পর্যন্ত খেয়েছিলেন।

🔺হযরত বিলাল (রা) ছিলেন হাবশী ক্রীতদাস। ইসলাম কবুলের অপরাধে তাকে মরুভূমির রোদে ফেলে রাখা হতো, তার গায়ের চর্বি গলে যেতো। তারপরও তার মুখে লেগে থাকতো প্রশান্তি, রোদের তেজ তাঁর কালিমার তেজের কাছে পরাজিত হতো।

🔺ইমাম ইবনু তাইমিয়্যা তাঁর জীবনে আট বছর জেল খেটেছেন। জেলেই মরেছেন। অথচ তিনি কী বলেছিলেন, জানেন? বলেছিলেন, দুনিয়াতেও একটা জান্নাত আছে, আমি আমার হৃদয়ে সে জান্নাতের খোঁজ পেয়েছি।❣

ঘটনা তিনটি পর্যালোচনা করার পরেও কি আপনারা বুঝতে সক্ষম নন যে উনারা কিরকম ঈমানের অধিকারী ছিলেন ⁉️

1.   তারপরে আসি দুনিয়াবি কিছু ভোগ বিলাসের বস্তু সম্পর্কে। এই যে গান শোনা, মুভি দেখা, মোটিভেশনাল বই পড়া বা মানুষের সাথে আড্ডা দিয়েই যদি ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি মিলত তবে গায়ক লিনকিন পার্ক আত্মহত্যা করলেন কেন? কিংবা অভিনেতা সুশান্ত শিং সুইসাইড করলেন কেন?মোটিভেশন গুরু ডেল কার্নেগি আত্মহত্যা করেছিলেন কেন?   

আল্লাহ্ তাআলা, ইসলাম, ঈমান আর ডিপ্রেশন এক অন্তরে একসঙ্গে থাকতে পারে না। যদি আপনার মনে বিন্দুমাত্র ডিপ্রেশন থাকে, তার মানে আপনার হৃদয়ে আল্লাহ্ নাই, বরং ওখানে শয়তান বাসা বেঁধেছে।

🔺‘যারা পথভ্রষ্ট তারা ছাড়া আর কে তার রবের অনুগ্রহ থেকে হতাশ হয়?’ ( সূরা আল-হিজর, ৫৬)

যারা ডিপ্রেশনে পড়ে বা আত্মহত্যা করে, মোটা দাগে দেখবেন, এরা অজ্ঞেয়বাদী নাহয় অবিশ্বাসী। কোনো মুসলিম যদি ডিপ্রেশনের স্বীকার হন, তাহলে আপনার ঈমান নিয়ে ভেবে দেখার সময় এসেছে। 🙂

কোন পরিস্থিতির গল্প শোনান আপনি? বউ ভালো না?

হযরত লূত (আ) এর স্ত্রীও ভালো ছিলো না। হযরত আছিয়া (আ) এর স্বামী ছিলেন কে জানেন? ফেরাউন। ফেরাউনকে ঈশ্বর না মানার অপরাধে তাঁকে টুকরো করে কেটে গরম তেলের মধ্যে ডোবানো হয়েছিল।

আরও শুনবেন? চেষ্টা করেও কিছু হচ্ছে না তাই ডিপ্রেশন?

হযরত নুহ (আ) প্রায় হাজার বছর দাওয়াত দিয়ে আশি জনকে দাওয়াত কবুল করাতে পেরেছিলেন।

আপনজন কষ্ট দিয়েছে? অপবাদ দিয়েছে?

ইউসুফ (আ) এর ভাইয়েরা তাকে কুয়ার মধ্যে ফেলে দিয়ে চলে গেলো। ব্যবসায়ীর বৌ জুলেখার সাথে ব্যভিচার না করায় উল্টো অপবাদ দিয়ে সাত বছরের জেল দেওয়া হলো!!

এরপরও আপনি আমাকে কোন পরিস্থিতির গল্প শোনাবেন?

🔺আল্লাহ্‌র রহমত হতে তোমরা নিরাশ হয়ো না। কারণ আল্লাহর রহমত হতে কেউই নিরাশ হয় না, কাফির সম্প্রদায় ছাড়া ।’ (সূরা ইউসুফ, ৮৭)

মনে রাখবেন-

🔺 "নিশ্চয় কষ্টের সাথেই স্বস্তি আছে" (সূরা আল ইন'শিরাহ, ৬)

তাই এই ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি লাভের জন্য আপনাকে আল্লাহর উপর পরিপূর্ণ বিশ্বাস রেখে তার দিকেই ফিরে আসতে হবে। ইনশা আল্লাহ, তাহলেই আপনি সক্ষম হবেন। ❣️

Man, Oh Man

 পুরুষ মানুষ অনেকটা খেজুর গাছের মতো।

আদর পায় না

যত্ন পায় না

কেউ পানি দেয় না

সার দেয় না

গোড়ায় কেউ মাটি দেয় না

অন্যেরা আবার বলে নিজের পায়ের তলার মাটি নিজে শক্ত করো

পুরুষ মানুষ অনেকটা অযত্নে অবহেলায় বেড়ে ওঠে

কিন্তু তার কাছে অনেকের অনেক পাহাড় সমান প্রত্যাশা!

পুরুষ মানুষের ফল ভারী মিষ্টি

পুরুষ মানুষের রসের জন্য হাহাকার পড়ে যায়

পুরুষ মানুষের রসের গুড় চিনির চেয়ে কয়েকগুন বেশি উপকারী

পুরুষ মানুষকে করা হয় বছরের পর বছর ক্ষতবিক্ষত

যতদিন বেঁচে থাকে তাকে কাটা হয়

তার রস ফোঁটা ফোঁটা করে নিঙড়ে নেয়া হয়

রস নেয়া শেষ হলে তার আর কোন কদর থাকে না

পথের ধারে একাকী অযত্নে অবহেলায় খাড়া হয়ে থাকে

আবার জীবন শেষ করে জ্বালানির কাঠ হিসেবে পুরুষ মানুষ অধিক বিশ্বস্ত

মাছ ধরার ফাঁদ পাতার জন্য তার জুড়ি নেই

তারপরও খেজুর গাছ রূপী পুরুষ মানুষ কোন অভিযোগ করে না

কিছু প্রত্যাশা করেনা

ভালোবাসা চায়না; শুধু ফল দিয়ে যায়

রস দিয়ে যায় আর মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকে নিঃস্বার্থভাবে

পরিবারের জন্য সবকিছু কোরে!

-সূত্রঃ বলাই চাঁদ মুখোপাধ্যায় ও নাঈম ইসলাম

-নিজ অভিজ্ঞতা

তরঙ্গায়িত জীবন

 Every minute someone leaves this world behind

প্রতি মিনিটেই কেউ না কেউ এ দুনিয়া ছেড়ে চলে যাচ্ছে

We're all in "the queue" without knowing it

আমরা সবাই ওই লাইনেই আছি সেটা না জেনে

We will never know how many people are ahead of us

আমরা জানতে পারবো না আমাদের আগে ক’জন চলে গেছে

We can't move to the bottom of the row

আমরা এই লাইনের শেষে যেতে পারবোনা কক্খনোই

We can't get out of line

না পারবো আমরা এই লাইনের বাইরে যেতে

We can't avoid the queue

না পারবো আমরা এই লাইন অবজ্ঞা করতে

 

So while we wait in line

তাই আমরা যখন এখানে অপেক্ষমান-

Make the moments count

আমরা দিন-ক্ষণ হিসেব করে চলি

Make priorities

অগ্রাধিকারগুলো কি কি, তা জেনে নেই

Make the time

সময় বের করি সেগুলো করতে

Let your qualities be known

গুণগুলো অপরকে জানাই

Make people feel important

মনুষের গুরুত্ব বুঝতে চেষ্টা করি

Make your voice heard

আমার কন্ঠস্বর ছড়িয়ে পড়ুক

Make big things out of small things

ছোট ছোট কাজের সমন্বয়ে বড় বড় কাজ করি।

Make someone smile

কারো অন্তরের সুখ হয়ে বেঁচে রই

Make the change

ভালোর দিকে বদলাই

Make love

ভালোবাসি মানুষকে

Make Peace

শান্তির দিকে আসি

Get it together

একত্রে থাকি, একত্রে বাঁচি

Make sure you tell your people you love them

মানুষ যেনো বলে আমি তাদের ভালোবাসি

Make sure you have no regrets

নিশ্চিত হই যে আমার কোন অনুতাপ নেই

Make sure you're ready

নিশ্চিত হই চলে যাবার জন্যে

Very true

এটেই নিরেট সত্যি

Live life and let live, enjoy, be grateful

বাঁচি, বাঁচতে দেই, আনন্দ করি  আর কৃতজ্ঞ থাকি

don't waste time arguing

মিছে তর্কে সময় না নষ্ট করি

fighting in doing bad things life is short

জীবন ছোট, তাই ছোট খাটো কিছু নিয়ে বিতন্ডা না করি

live it

সচেতন হই,

be humble

বিনয়ী থাকি

love yourself and be happy with what you have

নিজেকে ভালোবাসি আর সুখী থাকি আমার যা যা আছে তাই নিয়ে

Have a awesome life

জীবন হোক সুন্দরতম

সকালে না খেয়ে থাকলে কী কী সমস্যা হয়?

 দেরি করে ঘুম থেকে উঠছেন, সকালে খাচ্ছেন না, রাতভর জাগছেন। এতে কী কী ক্ষতি হচ্ছে সে বিষয়ে কোনও ধারণা আছে কী? সকালে না খেলে যে ভয়ঙ্কর ক্ষতি হতে পারে তার মধ্যে ডায়বেটিস, মুটিয়ে যাওয়ার মতো ভয়ঙ্কর রোগ আছে জানেন কী।

ব্রেকফাস্টকে বা সকালের নাস্তাকে আমরা যতটা তাচ্ছিল্যের চোখে দেখি না কেন। সকালবেলা খাবার না খাওয়ার ফল যে কতটা মারাত্মক হতে পারে তা কল্পনার বাইরে। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির করা এক গবেষণা অনুসারে যারা নিয়মিত ব্রেকফাস্ট করেন না, তাদের হাঠাত করে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ২৭ শতাংশ বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে হরমোনাল ইমব্যাল্যান্সসহ আরও নানাবিধ শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আরও যেসব ঝুঁকি থাকে তার একটি তালিকা দেওয়া হচ্ছেঃ
১. ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে: সকালে কিছু না খেয়েই যারা দিন শুরু করুন, তাদের শরীরে গ্লকোজ টলারেন্স বেড়ে যায়, যা এক সময়ে গিয়ে ইনসুলিন রেজিটান্স হওয়ার পথকে প্রশস্ত করে করে। ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
২. ওজন বৃদ্ধি পায়: অনেকেই ভাবেন কম খেলে ওজন কমে। এই ধরণা কিন্তু একেবারেই ঠিক নয়। বরং যত কম খাবেন, তত বেশি বেশি করে ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে। কেন এমনটা হয় জানেন? ব্রেকফাস্ট না করার কারণে লাঞ্চের সময় আসতে আসতে এতটাই খিদে পেয়ে যায় যে মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া হয়ে যায়। ফলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি জমা হতে হতে এক সময়ে গিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
৩. হজম ক্ষমতা কমে যায়: খাবার হল জ্বালানি, যাকে কাজে লাগিয়ে শরীর সচল থাকে। সেই কারণেই তো সকাল বেলা কিছু না খেলে শরীরের কাছে নির্দেশ যায় কম কম কাজ করার জন্য। সে সময় হজম কম হতে থাকে।
৪.বুদ্ধি কমে যায়: ব্রেকফাস্ট না করলে শরীরে গ্লকোজ লেভেল কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে রক্তে শর্করার মাত্র কমে যাওয়ার কারণে ব্রেনে পুষ্টির ঘাটতি হতে শুরু করে। ফলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বুদ্ধির ধারও(sharpness) কমতে শুরু করে।
৫. রাগ বাড়তে থাকে: লক্ষ করে দেখবেন যখন পেটে খিদের আগুন জ্বলতে থাকে, তখন মন মেজাজও কেমন বিগড়ে যায়। বলা হয় A hungry man is an angry man. তাই তো সকাল সকাল খাবার না খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীর ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে মন মেজাজও খারাপ হতে শুরু করে। ফলে কোনও কিছুতেই মন বসতে চায় না। সম্প্রতি ব্রিটেনের একটি সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে ব্রেকফাস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যা মনকে একেবারে চাঙ্গা করে তোলে।
Source: হাকীম মোঃ আব্দুর রশিদ

কোষ্ঠকাঠিন্যে

 কিছু টোটকা

আমলকির রস
আমলকিতে রয়েছে ভিটামিন সি, এ-র উপকারী ভিটামিন। যা প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য ঠেকাতেও কিন্তু ভরসা রাখতে পারেন আমলকির রসে। কোষ্ঠকাঠিন্যের রোগীরা প্রতি দিন গরম জলে আমলকির রস মিশিয়ে খেতে পারেন। সুফল পাবেনই।
চিয়াবীজ
প্রোটিন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফাইবারে সমৃদ্ধ চিয়াবীজ কোষ্ঠকাঠিন্যের ঘরোয়া ওষুধ হতেই পারে। এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্যের পাশাপাশি হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিও কমাত সাহায্য করে। ফাইবার থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে চিয়াবীজ দারুণ উপকারী।
নারকেল তেল
রূপচর্চা থেকে ওজন কমানো— সবেতেই নারকেল তেলের জুড়ি মেলা ভার। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা এড়াতেও কিন্তু নারকেল তেল ঠিক তেমন ভাবেই সাহায্য করে। নারকেল তেলে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পারে। নারকেল তেলে রান্না করতে পারেন। অথবা স্যালাডের উপর থেকে নারকেল তেল ছড়িয়ে দিতে পারেন।
যে খাবারে ফাইবার বেশি
হজমশক্তি ঠিক রাখতে ফাইবার দারুণ সাহায্য করে। হজমের গোলমাল থেকে কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্ম। তাই কোষ্ঠকাঠিন্য দূরে থাকতে ফাইবার আছে এমন খাবার বেশি করে খান। বেরি, ওট্‌স, বিনস্‌, ডাল, মটরশুঁটিতে রয়েছে ভরপুর পরিমাণে ফাইবার। নিয়মিত এগুলি খেতে পারেন। উপকার পাবেন।
-anandabazar

মুখের দুর্গন্ধ

 মুখের দুর্গন্ধ বিব্রতকর একটি সমস্যা

মুখের দুর্গন্ধ বিব্রতকর একটি সমস্যা। এ সমস্যাটার সমাধান কিন্তু খুব সহজ—জীবনযাত্রায় ইতিবাচক কিছু পরিবর্তন। আর এর পেছনে যদি আলাদা কোনো কারণ দায়ী থাকে, তাহলে সেটির চিকিৎসাও প্রয়োজন।
প্রতিটি মানুষের মুখ, দাঁত ও জিহ্বায় স্বাভাবিকভাবেই কিছু জীবাণু থাকে। এগুলো নিজের সুস্থতার জন্যই প্রয়োজনীয়। তবে এসব ব্যাকটেরিয়া থেকে এমন কিছু উদ্বায়ী পদার্থ তৈরি হয়, যা মুখের দুর্গন্ধের জন্য দায়ী। মুখের স্বাভাবিক লালা সঞ্চারণের ফলে এমন দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী পদার্থ জমা হতে পারে না, তাই সাধারণত সারা দিনে মুখে তেমন দুর্গন্ধ হয় না। ঘুমালে লালা সঞ্চারণ কমে যায়, ফলে ঘুম থেকে ওঠার পর মুখের দুর্গন্ধ হয় অনেকেরই। নিয়মিত সঠিক উপায়ে দাঁত ব্রাশ, খাওয়ার পরে কুলকুচি, প্রয়োজনে ফ্লস ব্যবহার, মাউথওয়াশ ব্যবহার করার মাধ্যমে সহজেই এমন সমস্যা
ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি ছাড়াও যেসব কারণে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে—
খাবারদাবার এবং অভ্যাস
পেঁয়াজ, রসুন, কমলালেবুর রস এবং কিছু মসলার কারণে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। এ ছাড়া যেকোনো খাবার দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকলে মুখে দুর্গন্ধ হয়। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলেও কিন্তু মুখে দুর্গন্ধ হয়। তাই না খেয়ে থাকতে হলে (যেমন পবিত্র রমজানে রোজা রেখে কিংবা উপবাসের সময়) মুখ পরিষ্কার রাখার প্রতি বাড়তি মনোযোগ দিতে হবে। যাঁরা অ্যালকোহল কিংবা ধূমপান করেন, তাঁদের মুখেও দুর্গন্ধ হয়। পান, সুপারি, জর্দা, গুল প্রভৃতিও দুর্গন্ধের কারণ।
মুখের আরও ব্যাপারস্যাপার
মুখ যাঁদের শুষ্ক হয়ে থাকে, তাঁদেরও মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার প্রবণতা বেশি। মুখ খোলা রেখে যাঁরা ঘুমান, তাঁদের মুখ শুষ্ক হয়ে থাকে। আবার কিছু ওষুধ সেবনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবেও মুখ শুষ্ক হয়ে যায়।
দুর্গন্ধের অন্যান্য কারণ
শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ
সাইনাসে দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ
গলার পেছনের অংশে কফ জমা হওয়া
বদহজম
ডায়াবেটিস
লিভার বা কিডনির কিছু রোগ
দুর্গন্ধের সমাধান
মুখ পরিষ্কার করার সময় জিহ্বাও (গোড়ার দিকটাসহ) পরিষ্কার করুন।
ঘুমের আগে মাউথওয়াশ ব্যবহারের অভ্যাস করুন।
চিনিবিহীন Chewingগাম চিবাতে পারেন।
মুখ শুকনা বোধ করলেই একটু পানি খেয়ে নিন, যাতে অন্তত গলাটা ভেজে।
পান, সুপারি, জর্দা, গুল, সিগারেট এবং অ্যালকোহল গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন।
যখন চিকিতসা প্রয়োজন
সব চেষ্টার পরও মুখে দুর্গন্ধ রয়ে গেলে চিকিতসকের পরামর্শ নিন। দাঁত বা মাড়ির কোনো অভ্যন্তরীণ সমস্যা থাকলে সেটির চিকিতসা নিন। আর কফ-কাশি, হজমের সমস্যা কিংবা অন্য কোনো উপসর্গ দেখা গেলে সেটির চিকিতসা তো নেবেনই।

সূত্র: প্রথম আলো