Friday, July 21, 2023

7 vegetarian foods to increase hemoglobin levels

 Vegetarian foods rich in iron and other nutrients can help increase hemoglobin levels in individuals with iron-deficiency anemia. Here are seven vegetarian foods that are excellent sources of iron and can support hemoglobin production:

Spinach: Spinach is a leafy green vegetable rich in iron and also contains vitamin C, which enhances iron absorption. Include spinach in salads, smoothies, or sautéed dishes.
Lentils: Lentils are a good source of plant-based iron, and they also provide protein and fiber. They are versatile and can be added to soups, stews, salads, or used as a base for veggie burgers.
Tofu: Tofu, a soft white substance made from mashed soya beans, is an iron-rich protein source suitable for vegetarians. Use it in stir-fries, curries, or marinate and grill it as a main dish.
Chickpeas: Chickpeas (garbanzo beans) are not only a good source of iron but also provide folate and protein. Use them in salads, hummus, or make roasted chickpea snacks.
Pumpkin seeds: Pumpkin seeds (pepitas) are a nutritious snack and a good source of iron. Sprinkle them over salads or enjoy them as a standalone snack.
Quinoa: Quinoa কাওনের চাল is a protein-rich grain that contains iron, magnesium, and other essential nutrients. Use it as a base for salads, bowls, or as a side dish.
Blackstrap molasses: Blackstrap molasses is a sweetener that is particularly high in iron. You can use it in baking, smoothies, or mix it with warm water as a drink.
It's essential to combine iron-rich foods with vitamin C-rich foods, such as citrus fruits, tomatoes, or bell peppers, as vitamin C enhances iron absorption. Additionally, consuming foods high in vitamin B12 and folate is important, as they are necessary for the production of healthy red blood cells. If you have low hemoglobin levels or suspect iron-deficiency anemia, it's crucial to consult with a healthcare professional .

রাসুল (সা.)-এর হিজরতের পথচিত্র

 হিজরতের রাত : হিজরতের রাতে রাসুল (সা.) আলি (রা.)-কে তার বিছানায় অবস্থানের নির্দেশ দেন, যেন তিনি কুরাইশ গোত্রের গচ্ছিত সম্পদ ফিরিয়ে দিতে পারেন।

হিজরতের দিন : রাসুল (সা.) আবু বকর (রা.)-এর বাড়িতে যান। আসমা বিনতে আবু বকর (রা.) তাদের জন্য খাবার তৈরি করে নিজের ওড়না ছিড়ে তা বেঁধে দেন।
সাওর গুহায় তিন রাত অবস্থান : ঘরের সামনের দিকের দরজা দিয়ে তাঁরা উভয়ে বের হন এবং সাওর গুহার উদ্দেশ্যে যান।
আবু বকর (রা.) প্রথমে গুহার ভেতর দেখে নেনে এরপর উভয়ে প্রবেশ করেন। এদিকে কুরাইশের লোকজন উভয়কে না পেয়ে খোঁজা শুরু করে। আর কুরাইশের সারাদিনের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করতে রাতের বেলা আবদুল্লাহ বিন আবু বকর (রা.) গুহায় আসতেন। আর আমের বিন ফুহাইরা (রা.) সাওর গুহার কাছে ছাগল চরাতেন। তিনি উভয়ের জন্য দুধ দোহন করে নিয়ে আসতেন। এবং আবদুল্লাহ বিন আবু বকর (রা.)-এর পদচিহ্ন মুছে দিয়ে যেতেন।
চতুর্থ দিন : এদিন তাঁরা সাওর গুহা থেকে বের হয়ে মদিনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। তাদের পথপ্রদর্শক ছিলেন আবদুল্লাহ বিন উরাইকিত।
পঞ্চম দিন : মক্কা উত্তর দিক থেকে ৮০ কি.মি. দূরত্বে উসফান নামক স্থানের পশ্চিম দিক দিয়ে তাঁরা পথ চলেন। এরপর তাঁরা ওয়াদি আমাজ, উম্মে মাবাদ, ওয়াদি কিলয়াহর পথ দিয়ে গমন করেন। শেষোক্ত স্থানে সুরাকা বিন মালিক (রা.) সংশ্লিষ্ট ঘটনাটি ঘটে।
ষষ্ঠ দিন : এ দিন তাঁরা জহফা থেকে তিন মাইল দূরত্বের গদিরে খুম অতিক্রম করেন। এরপর ওয়াদি আল-খাজ্জার, সানিয়্যাহ মাররাহ ও ওয়াদিয়ে লাকাফ অতিক্রম করেন।
সপ্তম দিন : এ দিন তাঁরা মুদলিজা লাকাফ, মুদলিজা মিজাহ, মারজাহ মিজাহ, মারজাহ জুল আদওয়াইন, বাতান জুল কাশাদ, জাদাজিদ, আজরাদ, বাতানে রি, ওয়াদি জু সালাম, মুদলিজা তাহান, আবাইব, আল-ফাজাহ, আল-কাহাহ নামক স্থান অতিক্রম করেন।
অষ্টম দিন : এ দিন তাঁরা ওয়াদি আরাজ অতিক্রম করেন।
নবম দিন : এ দিন তাঁরা আল-জাদওয়াত, রুকুবাহ, দারাব আল-গাইর, ওয়াদি রিম অতিক্রম করেন।
দশম দিন : বির আল-মাশি, ওয়াদি আল-আকিক, আল-জুসজাসাহ অতিক্রম করেন।
১১তম দিন : এ দিন তাঁরা আজ-জিবি, আল-উসবাহ, কুবা অতিক্রম করেন। রাসুল (সা.) কুবায় চারদিন অবস্থান করেন।
মদিনায় পৌঁছার দিন : মদিনায় পৌঁছে রাসুল (সা.) বনু নাজ্জার গোত্রে অবতরণ করেন। সেখানে আবু আইউব আনসারি (রা.)-এর ঘরে থাকেন।
তথ্যসূত্র : আল-আজহার ইসলামিক একাডেমি

সময়ের মূল্যায়ন

সময়ের মূল্যায়নে মুমিনের অনুভূতি সবচেয়ে সূক্ষ্ম ও গভীর। কেননা পরকালে আল্লাহ তাকে জিজ্ঞাসা করবেন, তুমি তোমার জীবন কোথায় নিঃশেষ করেছ? তিনি তাঁর যৌবন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন, তুমি তা কোথায় ব্যয় করেছ? এ জন্য সে সর্বদা সময়ের ব্যাপারে সচেতন থাকে। সে অনর্থক ও নিষ্ফল কাজে সময় ব্যয় করে না। একজন মুমিন কিভাবে সময় অপচয় করতে পারে, অথচ সে জানে সময়ই তার সবচেয়ে মূল্যবান ও পরম মূলধন।

মুমিন পৃথিবীতে জীবনযাপন করলেও প্রাত্যহিক জীবনে তার দৃষ্টি পরকাল পর্যন্ত প্রসারিত থাকে। ফলে সে বৃক্ষ রোপণ করে পৃথিবীতে আর ফল প্রত্যাশা করে পরকালে। সাহাবি আবু দারদা (রা.) জীবনের শেষভাগে একটি আখরোটগাছ রোপণ করেন। লোকেরা বলল, আপনি জীবনের শেষভাগে এসে আখরোটগাছ রোপণ করছেন? এই গাছ তো দীর্ঘ সময়ের পর ফল দেয়। আবু দারদা (রা.) বলেন, কি ক্ষতি হবে যদি আমি সাওয়াব লাভ করি আর মানুষ এর ফল ভোগ করে? তিনি বৃদ্ধ বয়সে একটি জাইতুনগাছ লাগানোর সময় বলেছিলেন, আমাদের জন্য আমাদের পূর্বসূরিরা গাছ লাগিয়েছিল, আমরা ফল ভোগ করেছি। আমরা বৃক্ষ রোপণ করছি, যেন আমাদের পরবর্তীরা তার ফল খেতে পারে। সময় এভাবেই মুমিনের অনুভূতিকে জাগিয়ে তোলে এবং তার পার্থিব জীবনকে পরকালমুখী করে।
ড. ইউসুফ আল-কারজাভি (রহ.)

ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে কোথায় কীভাবে রিপোর্ট করবেন

 বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া চিহ্নিত করার দায়িত্ব নেয়। আর ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া চিহ্নিত করার জন্য থাকে রিপোর্ট ফরম। আসুন, এ বিষয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর জেনে নেওয়া যাক—

প্রতিটি ওষুধের অসংখ্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে, যার বেশির ভাগই অজানা
চিকিৎসার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে ওষুধ। একটি ওষুধ বাজারে আসার আগে বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে। এসব ধাপ অতিক্রমের সময় ওষুধের যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ধরা পড়ে, তার পরিমাণ খুব অল্প। প্রতিটি ওষুধের আরও অসংখ্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে, যার বেশির ভাগই অজানা। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া চিহ্নিত করার দায়িত্ব নেয়। আর ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া চিহ্নিত করার জন্য থাকে রিপোর্ট ফরম। আসুন, এ বিষয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর জেনে নেওয়া যাক—
১. ওষুধ সেবনের পর যেকোনো সমস্যা হলেই কি রিপোর্ট করব?
উত্তর: হ্যাঁ। ওষুধ সেবনের পর কোনো সমস্যা হলে যদি মনে হয়, সমস্যাটি ওষুধ সেবনের জন্য হয়েছে, তাহলে রিপোর্ট করতে হবে।
২. ওষুধ সেবনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বাদে আর কী কী বিষয়ে রিপোর্ট করতে হবে?
উত্তর: ক. ওষুধের গুণগত মানে সমস্যা থাকলে।
খ. ওষুধের নির্দিষ্ট ডোজ বা ব্যবহারের নির্দেশনা অনুসরণ করতে সমস্যা হলে।
গ. ওষুধের প্যাকেজিং ত্রুটি বা মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেলে।
৩. কোথায়, কীভাবে রিপোর্ট করতে হবে?
উত্তর: ক. স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে ইয়েলো কার্ড বা রিপোর্ট ফরম ডাউনলোড করে পূরণ করার পর ই–মেইল করতে হবে।
খ. টেলিফোন: ৮৮০২৯৮৮০৮০৩, ৮৮০১৭২৮৩৪৯৫০৩
গ. ফ্যাক্স: ৮৮০২৯৮৮০৮৫৪
ঘ. ই–মেইল: adrmcell.dgd@gmail.com, dgda.gov@gmail.com
৪. ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঘটার কত সময়ের মধ্যে রিপোর্ট করতে হবে?
উত্তর: ক. যেকোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঘটার সাত দিনের মধ্যে, কিন্তু এক মাসের বেশি নয়।
খ. পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মারাত্মক হলে যত তাড়াতাড়ি রিপোর্ট করা যায়।
৫. রিপোর্ট না করলে কী কী সমস্যা হতে পারে?
উত্তর: ক. রিপোর্ট না করলে ওষুধ সেবনের ফলে সচরাচর হয় না, এমন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অজানা থেকে যাবে।
খ. মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে অজানা থাকার কারণে পরবর্তী সময়ে তা প্রাণঘাতী হতে পারে।
গ. ওষুধ সেবনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়েছে, তা জানা না থাকলে ভুল চিকিৎসা হতে পারে।
ঘ. ওষুধ প্রাত্যহিক জীবনের অতি গুরত্বপূর্ণ উপাদান।
ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যত বেশি নির্ণয় করা সম্ভব হবে, স্বাস্থ্য খাতের সর্বত্র নিরাপত্তা তত বেশি নিশ্চিত হবে। তাই ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া–সম্পর্কিত রিপোর্ট সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি।

বর্ষাতেও স্বাস্থ্যের সঙ্গে আপস নয়।

 রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, ওজন কমানো— চিকিৎসকদের মতে, সব সমস্যার একটাই সমাধান হল হাঁটা। সুস্থ থাকতে হাঁটার যে কোনও বিকল্প নেই। ঠিক কী ভাবে কত ক্ষণ হাঁটলে কতটা উপকার পাবেন? ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা ওজন কমানোর জন্য কত ক্ষণ হাঁটা জরুরি? বলা হয়, দিনে দশ হাজার পা হাঁটাই আদতে সুস্থ থাকার চাবিকাঠি।

শরীর চাঙ্গা রাখার জন্য অনেকেই সকালে কিংবা সন্ধ্যায় হাঁটাহাঁটি করেন। তবে বর্ষার মরসুমে মাঝেমধ্যেই বৃষ্টির কারণে হাঁটতে যাওয়ার সুযোগ হয় না, বৃষ্টি না হলেও চারদিকে কাদা, জল জমার কারণে অনেকেই বর্ষাকালে বাইরে হাঁটতে যেতে পছন্দ করেন না। তা হলে কী করে চাঙ্গা থাকবে শরীর? হাঁটাহাঁটিও বা হবে কী করে?
অফিস থেকে বাড়ি ফিরে অনেকেই টিভি বা ওয়েব সিরিজ় দেখতে শুরু করেন। কেউ সোফায় বসে, কেউ আবার বিছানায় শুয়ে সিরিজ় উপভোগ করেন। শরীর চাঙ্গা রাখতে হলে টিভিতে সিরিজ় কিংবা সিনেমা দেখতে বাড়িতেই হাঁটাহাঁটি করতে পারেন।
দিনের অনেকটা সময় আমরা ফোনে কথা বলি। বন্ধুর সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফোনে কথা বলার সময়ে হোক কিংবা অফিসের কোন ‘কনফারেন্স কল’ চলাকালীন— এক জায়গায় বসে কথা না বলে চেষ্টা করুন হাঁটাহাঁটি করার।
এখন আমরা অনেক বেশি যন্ত্রনির্ভর হয়ে পড়েছি। বাড়ির কাজের জন্য না হয় কোনও যন্ত্রের উপর আমার নির্ভর করি, আর না হলে পারিশ্রমিক দিয়ে পরিচারিকা রাখা হয়। বর্ষায় হাঁটাহাঁটির সুযোগ কম। তাই সব কাজ না হলেও চেষ্টা করুন অন্তত ঘরের আসবাবপত্র নিজে মুছতে। এতেও কিন্তু বেশ খানিকটা হাঁটাহাঁটির সুযোগ হয়।
আনন্দবাজার

Friday, June 16, 2023

End result of a negative attitude

 1.     Conflict is inevitable. You’ll never have total peace ,

2.     Impacts your personality like “Ignore me more, it’s okay. It helps me lose feelings faster “ ,

3.     When our attitude is engaged negatively , we often have trouble seeing things as they are ,

4.     You struggle to create an environment that allows you to grow. You accept : “ Everything bad that happens in my life is my fault “ ,

5.     You’ve no real control over your life. You’re tired of starting over again and quit too soon ,

6.     You focus more on your weaknesses and therefore you’re stuck in this rut of attracting all the things you tried to avoid earlier,

7.     You find yourself envious and bitter about another man’s success,

8.     In a highly competitive world , you tend to lose sight of the importance of compassion ,

9.     Negativity can reverberate for years to come. It’ll destroy you. It’s clarity you want not a paranoia. It’s the downfall of many tyrants to see an enemy in everyone.

Source: https://www.quora.com/profile/Mukul-Royy

মরণ, এসো নির্মম সত্যটাকে মনে করি

কুল্লু নাফসিন জাইকাতুল মাউত!

Every soul will taste death

আল কুরআন ২৯:৫৭

“চিনিস আমারে?” বলে গত ১০০ বছর আগে যারা বাজার আর রাস্তা গরম করতো, তারা আজ একাকী শুয়ে আছে কবরে। আজ তাদের সেই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার মতও কেউ নেই। আসলেই তাদের কেউ চেনে না আর। গোরস্থানের সারি সারি কবরের মাঝে তার কবর কোনটা? খুঁজে বের করতে পারে না তার বংশধরেরাও। অথচ তাদের নাম শুনলে একসময় থরথর করে কাপতো মানুষ। তাদের কবরের উপর দিয়েই আজ শিয়াল কুকুর হেঁটে যায়, পেশাবও করে।

খাটের এক কোনে শুয়ে থাকা প্য্যরালাইজড লিকলিকে বৃদ্ধ মানুষটিও একদিন কথায় কথায় “দেখে নেয়ার” হুমকি দিতো। অথচ মরণ বিছানায় আজ তাকেই দেখার কেউ নেই। সন্তানেরাও তার খোঁজ নেয় না।

মানুষ ভুলে যায় তার অতীত, ভুলে যায় ভবিষ্যত। এটাই নিয়ম।

তারপরও মানুষের কতো ক্ষমতার দাপট?

মৃত্যুতে সব ধুয়ে মুছে বিলীন হয়ে যায়।

মৃত্যুর স্বাদ একদিন সবাইকে গ্রহণ করতে হবে এটা নির্ভুল ও তর্কাতীত সত্য!

 

(প্রাণের কথা ভেবো না৷ এ তো কখনো না কখনো চলে যাবেই৷ চিরকাল থাকার জন্য কেউই দুনিয়ায় আসেনি৷ কাজেই এ দুনিয়ায় কিভাবে প্রাণ বাঁচিয়ে চলতে হবে এটা তোমাদের জন্য কোন চিন্তাযোগ্য বিষয় নয়৷ বরং আসল চিন্তাযোগ্য বিষয় হচ্ছে, ঈমান কেমন করে বাঁচানো যাবে এবং আল্লাহর আনুগত্যের দাবী কিভাবে পূরণ করা যাবে৷ শেষ পর্যন্ত তোমাদের ফিরে আমার দিকে আসতে হবে৷ যদি দুনিয়ায় প্রাণ বাঁচাবার জন্য ঈমান হারিয়ে চলে আসো তাহলে এর ফল হবে ভিন্ন কিছু৷ আর ঈমান বাঁচাবার জন্য যদি প্রাণ হারিয়ে চলে আসো তাহলে এর পরিণাম হবে অন্য রকম৷ কাজেই আমার কাছে যখন ফিরে আসবে তখন কি নিয়ে ফিরে আসবে, কেবল একথাটিই চিন্তা করো৷ প্রাণের জন্য উতসর্গীত ঈমান, না ঈমানের জন্য উতসর্গীত প্রাণ নিয়ে?)

 

মৃত্যু নিয়ে রাফি সাহেবের একটা সুন্দর “গান” আছে। গানের কথাগুলা যদি বুঝতে পারো তবে মৃত্যর স্বরূপ উন্মেচিত হবে তোমার কাছে।

লিংকঃ

Hai Bahar-E-Bagh Duniya Chand Roz