Friday, July 21, 2023

প্রত্যেক মানুষের জীবনে আলাদা আলাদা কাহিনী আছে

 জীবন যেমন

প্রত্যেক মানুষের জীবনে আলাদা আলাদা কাহিনী আছে। কাউকে ভালো করে না জেনে কোনো মন্তব্য করা কোনভাবেই ঠিক নয়!
Each one of us, throughout life, goes through moments, lives through experiences, and meets certain people that, inevitably, will leave a mark on us. You are a unique result of the events you’ve experienced, the people you’ve interacted with, and the temperament you were born with. Yet, from time to time, it’s natural to lose clarity on who that “you” is. Facing other people’s expectations and demands — particularly of those you love — can sometimes get in the way of embracing yourself.
Trying to change someone is one of the most difficult things in life to do. Every single person on this world is the way that they are for a specific reason and many times people aren't the way that they are because they want to be, but are instead a product of their past. It is already complicated to delve into the depths of our own minds and try to understand ourselves; how are are going to know what the intentions and motivations of others are? How can we know how that person is experiencing a given situation?
The habits and the actions we commit are influenced by others at times, but are ultimately a result of our own desires. We should be aware of our tendency to pass judgment. It’s only by listening to others and keeping in mind that their perspective is formed from their own story, their own experiences and feelings, that we can try to understand them. Sometimes, it is impossible for us to fully understand, and that may be due to our own story and our own experiences.
However, we can try to reach out to those that we feel need a change, but trying to force someone to change never works. People must be willing to change on their own accord. Always remember that beneath every exterior there is a person, a strong but sensitive soul that has its own wounds and scars, that has its own story.

Jackfruit

 Jackfruit, a tropical fruit native to Southeast Asia, offers several essential nutrients that contribute to a well-rounded diet. Here are some key nutrients found in jackfruit:

Carbohydrates: Jackfruit is a good source of carbohydrates, providing energy for the body.
Dietary Fiber: Jackfruit is high in dietary fiber, which aids in digestion, supports bowel regularity, and promotes satiety. It can help prevent constipation and maintain a healthy gut.
Vitamin C: Jackfruit contains vitamin C, an antioxidant that helps boost the immune system, promotes collagen synthesis for healthy skin, supports wound healing, and acts as an antioxidant to protect against oxidative stress.
Vitamin A: Jackfruit contains small amounts of vitamin A, which is important for vision health, immune function, and cell growth.
Potassium: Jackfruit is a good source of potassium, an essential mineral that helps maintain fluid balance, supports proper muscle function, and aids in maintaining healthy blood pressure levels.
Magnesium: Jackfruit provides magnesium, which plays a role in numerous biochemical reactions in the body, including energy production, nerve function, muscle contraction, and maintaining bone health.
B Vitamins: Jackfruit contains various B vitamins, including thiamine (vitamin B1), riboflavin (vitamin B2), niacin (vitamin B3), and folate (vitamin B9). These vitamins are important for energy metabolism, nervous system function, and red blood cell production.
Antioxidants: Jackfruit contains antioxidants such as flavonoids, carotenoids, and phenolic compounds. These compounds help protect the body against oxidative stress and reduce the risk of chronic diseases.
Calcium and Iron: While jackfruit is not a significant source of calcium and iron, it still provides small amounts of these minerals that contribute to overall nutrient intake.
It's worth noting that the nutrient composition of jackfruit may vary slightly depending on the ripeness and variety. Additionally, jackfruit is typically consumed in its ripe, sweet form, but it can also be consumed unripe when it has a more neutral flavor and is commonly used as a meat substitute in vegetarian and vegan dishes.
Incorporating a variety of fruits and vegetables into your diet ensures a broad range of nutrients. It's always beneficial to combine jackfruit with other nutrient-dense foods to achieve a well-balanced and diverse nutrient intake.

সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রাখুন

 একজন লোক মাত্র বিয়ে করে তার স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বাড়িতে ফিরছিল। তারা যখন নৌকা দিয়ে নদী পার হচ্ছিল। তখন তারা হঠাত একটি বড় ঝড়ের কবলে পড়েছিল। লোকটি ছিল একজন সাহসী যোদ্ধা, কিন্তু তার স্ত্রী খুব ভয় পেয়ে যান। যেহেতু নৌকাটি ছিল ছোট এবং যে কোন মুহূর্তে তারা নিমজ্জিত হতে পারে। এতে তার স্ত্রী খুব নিরাশ হয়ে পড়ল। কিন্তু লোকটি তখনও নীরব এবং শান্ত ছিলেন যেন কিছুই ঘটেনি।

স্ত্রীটি আতঙ্কগ্রস্ত এবং কম্পিত কন্ঠে জিজ্ঞেস করল--আপনি কি ভীত নন?
এটাই আমাদের জীবনের শেষ মুহূর্ত হতে পারতো! শুধুমাত্র কিছু অলৌকিক ঘটনা আমাদের রক্ষা করতে পারে। অন্যথায় মৃত্যু নিশ্চিত!
লোকটি হাসতে হাসতে তার তলোয়ারটি খোলস থেকে বের করল। স্ত্রীটি আরো আতঙ্কিত হয়ে পড়ল। সে আসলে কি করতে যাচ্ছে? তারপর সে তার খোলা তলোয়ারটি তার স্ত্রীর প্রায় গলাকে স্পর্শ করে ধরে রাখল এবং বলল--“তুমি কি ভয় পাচ্ছ?”
তার স্ত্রী হাসতে শুরু করল আর বলল-- “আমি কেন ভয় পাব? তলোয়ারটি তো আপনার হাতে! আমি জানি যে আপনি আমাকে অনেক ভালোবাসেন।
সে তলোয়ারটি খোলসের ভিতর রাখতে রাখতে বলল--
“তুমি আমার উত্তর পেয়ে গেছো!
আমি জানি আল্লাহ আমাদের ভালবাসেন এবং ঝড় তারই হাতে। তাই যাহা কিছুই হতে যাচ্ছে ভালোই হবে। যদি আমরা বেঁচে থাকি ভালো, আর না বাঁচলেও ভালো। কারণ, সবকিছু তার হাতে এবং তিনি কোন ভুল কিছু করতে পারেন না।-সংকলিত

ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী নিয়ে কুরআন

 পবিত্র কুরআন অত্যন্ত গুরুত্বের মানবজাতির সামনে পৃথিবীর স্বরূপ তুলে ধরেছে। পৃথিবীর দৃশ্যমান চিত্রের অন্তরালে যে চিত্রগুলো আছে সেগুলো বর্ণনা করেছে। যেন মানুষ পার্থিব জীবনে নিমজ্জিত না থাকে, তারা পৃথিবীর রূপ-সৌন্দর্যে প্রতারিত না হয়, পৃথিবীর মোহে আটকা না পরে; সর্বোপরি পার্থিব জীবনকেই একমাত্র জীবন ভেবে না বসে। কোরআন মানুষকে বারবার সতর্ক করেছে যে পার্থিব জীবন ক্রীড়া-কৌতুকের মতোই।

পৃথিবী হলো শস্যের শুকনা খোসার মতো, যা বৃষ্টির পানি পেলে সজীব হয়; কিন্তু আবারও তা শুকিয়ে যায়। চাকচিক্যময় এই পৃথিবীর স্থায়িত্বও খুব সামান্য। সুতরাং মানুষের উচিত হবে প্রতারক পৃথিবীর মোহে আচ্ছন্ন হয়ে পরকালীন জীবনের উপার্জন থেকে বিমুখ হয়ে থাকা।
কুরআনের বর্ণনায় পৃথিবীর স্বরূপ
নিম্নে পৃথিবীর স্বরূপ তুলে ধরা হয়েছে এমন কয়েকটি আয়াত উল্লেখ করা হলোঃ
১. মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে : মানুষ পার্থিব জীবনে নিজেকে স্বাধীন ও সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী মনে করে। অথচ পৃথিবীর কোনো কিছুতেই তার নিয়ন্ত্রণ নেই। নিয়ন্ত্রণ কেবল মহান আল্লাহর। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘বস্তুত পার্থিব জীবনের দৃষ্টান্ত এরূপ : যেমন আমি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করি যদ্দ্বারা ভূমিজ উদ্ভিদ ঘন সন্নিবিষ্ট হয়ে উদ্গত হয়, যা থেকে মানুষ ও জীব-জন্তু আহার করে থাকে।
অতঃপর যখন ভূমি তার শোভা ধারণ করে ও নয়নাভিরাম হয়। তার অধিকারীরা মনে করে তা তাদের আয়ত্তাধীন, তখন দিনে বা রাতে আমার নির্দেশ এসে পড়ে ও আমি তা এমনভাবে নির্মূল করে দিই, যেন গতকালও তার অস্তিত্ব ছিল না। এভাবেই আমি নিদর্শনাবলি বিশদভাবে বিবৃত করি চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য।’ (সুরা ইউনুস, আয়াত : ২৪)
২. ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী : মানুষের পার্থিব জীবন ক্ষণস্থায়ী, যা দ্রুত ফুরিয়ে যায়। বিপরীতে পরকালীন জীবন অনন্ত ও স্থায়ী।
মহান আল্লাহ বলেন, ‘তাদের কাছে পেশ কোরো উপমা পার্থিব জীবনের : তা পানির মতো, যা আমি বর্ষণ করি আকাশ থেকে। যদ্দ্বারা ভূমিজ উদ্ভিদ ঘন সন্নিবিষ্ট হয়ে উদ্গত হয়। অতঃপর তা শুকিয়ে এমন চূর্ণ-বিচূর্ণ হয় যে বাতাস তাকে উড়িয়ে নিয়ে যায়। আল্লাহ সর্ববিষয়ে শক্তিমান।’ (সুরা কাহফ, আয়াত : ৪৫)
৩. ক্রীড়া-কৌতুক মাত্র : স্থায়িত্ব, পরিণাম ও মূল্যের বিবেচনায় পৃথিবী ক্রীড়া-কৌতুক মাত্র, বেলা ফুরানোর পর যার কথা কেউ মনে রাখে না। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা জেনে রাখো, পার্থিব জীবন ক্রীড়া-কৌতুক, জাঁকজমক, পারস্পরিক শ্লাঘা, ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে প্রাচুর্য লাভের প্রতিযোগিতা ছাড়া আর কিছু নয়। তার উপমা বৃষ্টি, যদ্দ্বারা উত্পন্ন শস্যসম্ভার কৃষকদের চমত্কৃত করে, অতঃপর তা শুকিয়ে যায়, ফলে তুমি তা পীতবর্ণ দেখতে পাও, অবশেষে তা খড়-কুটায় পরিণত হয়। পরকালে রয়েছে কঠিন শাস্তি এবং আল্লাহর ক্ষমা ও সন্তুষ্টি। পার্থিব জীবন প্রতারণার সামগ্রী ছাড়া কিছুই নয়।’ (সুরা হাদিদ, আয়াত : ২০)
৪. জীবন-জীবিকা আল্লাহ নির্ধারণ করেন : পৃথিবীতে মানুষের জীবন-জীবিকার সীমারেখা মহান আল্লাহ নির্ধারণ করেন। মানুষ কখনোই সে সীমার বাইরে যেতে পারে না। ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ যার জন্য ইচ্ছা তার জীবনোপকরণ বর্ধিত করেন এবং সংকুচিত করেন। কিন্তু তারা পার্থিব জীবনে উল্লসিত, অথচ দুনিয়ার জীবন আখিরাতের তুলনায় ক্ষণস্থায়ী ভোগ মাত্র।’ (সুরা রা’দ, আয়াত : ২৬)
৫. পার্থিব জীবন পরীক্ষাস্বরূপ : আল্লাহ পার্থিব জীবনকে মুমিনের জন্য পরীক্ষার জায়গা বানিয়েছেন। তিনি তাদের ভোগ-বিলাস, বিপদ ও সম্পদহানির মাধ্যমে পরীক্ষা করে থাকেন। আল্লাহ বলেন, ‘পৃথিবীর ওপর যা কিছু আছে আমি সেগুলোকে তার শোভা করেছি, মানুষকে এ পরীক্ষা করার জন্য যে, তাদের মধ্যে কাজে কে শ্রেষ্ঠ। তার ওপর যা কিছু আছে তা অবশ্যই আমি উদ্ভিদশূন্য ময়দানে পরিণত করব।’ (সুরা কাহফ, আয়াত : ৭-৮)
৬. পার্থিব জীবন প্রতারণা মাত্র : পার্থিব জীবন মানুষকে নানাভাবে প্রতারিত করে। তাই আল্লাহ দুনিয়ার ধোঁকা থেকে বেঁচে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘যারা তাদের দ্বিনকে ক্রীড়া-কৌতুকরূপে গ্রহণ করে এবং পার্থিব জীবন যাদেরকে প্রতারিত করে তুমি তাদের সংগ বর্জন কোরো।’ (সুরা আনআম, আয়াত : ৭০)
৭. আপনরাও আপন নয় : পার্থিব জীবনে যাদেরকে মানুষ আপন মনে করে, তারা অনেক ক্ষেত্রেই আপন নয়। যেমন আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনরা! তোমারে স্ত্রী ও সন্তান-সন্তুতিদের মধ্যে কেউ কেউ তোমাদের শত্রু; অতএব তাদের সম্পর্কে তোমরা সতর্ক থেকো। ...তোমাদের সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি পরীক্ষা বিশেষ; আর আল্লাহ, তাঁর কাছেই আছে মহাপুরস্কার।’ (সুরা তাগাবুন, আয়াত : ১৪-১৫)
মুমিনের করণীয়
কোরআনে পৃথিবীর স্বরূপ বর্ণনা করার পাশাপাশি মুমিনের করণীয়ও তুলে ধরেছে। যেমন—
১. উপেক্ষা করা : আল্লাহ মুমিনদের পার্থিব জীবনের ভোগ-বিলাস ও সৌন্দর্যকে উপেক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তুমি তোমার চোখ দুটি কখনো প্রসারিত কোরো না তার প্রতি যা আমি তাদের বিভিন্ন শ্রেণিকে পার্থিব জীবনের সৌন্দর্যস্বরূপ উপভোগের উপকরণ হিসেবে দিয়েছি, তদ্দ্বারা তাদের পরীক্ষা করার জন্য। তোমার প্রতিপালকের দেওয়া জীবনোপকরণ উত্কৃষ্ট ও অধিক স্থায়ী।’ (সুরা তাহা, আয়াত : ১৩১)
২. পরকালের পাথেয় সংগ্রহ করা : আল্লাহ পার্থিব জীবনের উপায়-উপকরণকে পরকালের পাথেয় সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ যা তোমাকে দিয়েছেন তদ্দ্বারা আখেরাতের আবাস অনুসন্ধান কোরো এবং দুনিয়া থেকে তোমার অংশ ভুলো না; তুমি অনুগ্রহ কোরো যেমন আল্লাহ তোমার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করতে চেয়ো না। আল্লাহ বিপর্যয় সৃষ্টিকারীকে ভালোবাসেন না।’ (সুরা কাসাস, আয়াত : ৭৭)
৩. কল্যাণ কামনা করা : মুমিন পার্থিব জীবনে কল্যাণের সঙ্গে জীবনযাপনের দোয়া করবে। কেননা আল্লাহ সেসব মানুষের প্রশংসা করেছেন যারা বলে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দাও এবং আখেরাতে কল্যাণ দাও। আমাদেরকে শাস্তি থেকে রক্ষা কোরো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ২০১)
৪. পরকালকে অগ্রাধিকার দেওয়া : মুমিন পার্থিব জীবনে পরকালকে অগ্রাধিকার দেবে। কেননা যারা পার্থিব জীবনকে প্রাধান্য দেয় আল্লাহ তাদের নিন্দা করে বলেছেন, ‘কিন্তু তোমরা পার্থিব জীবনকে প্রাধান্য দাও, অথচ পরকালই উত্কৃষ্টতর এবং স্থায়ী।’ (সুরা আলা, আয়াত : ১৬-১৭)
আল্লাহ মুমিনদেরকে পরকালমুখী করুন। আমিন।
রেফারেন্স: মো. আবদুল মজিদ মোল্লা

গভীর পানির তীব্র চাপে মাছ কীভাবে বেঁচে থাকে?

 আল্লাহই মহান

গভীর সমুদ্র এমন একটি পরিবেশ, যা ঘুটঘুটে অন্ধকারে আচ্ছন্ন এবং অত্যাধিক চাপ সংবলিত। প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরে প্রায় ১১ কিলোমিটার নিচে, মারিয়ানা ট্রেঞ্চে প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে পানির চাপ প্রায় আট টন, যা সমুদ্রপৃষ্ঠের চাপের চেয়ে প্রায় ১১০০ গুণ বেশি । এই ধরনের চাপের অধীনে, জলের অণুর স্বাভাবিক আকার বিকৃত হয়ে যায়। জীবের অভ্যন্তরে জলের অণুর আকারের এমন পরিবর্তন, জীবের জৈবিক প্রক্রিয়াগুলো ঘটতে বাধা দেয়, যার ফলে জীব মৃত্যুবরণ করে।
বেশিরভাগ সামুদ্রিক মাছের মধ্যেই TMAO বা trimethylamine N-oxide নামে একটি রাসায়নিক পদার্থ থাকে। লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা গভীর সমুদ্রে মাছের টিকে থাকার কারণ হিসেবে এই রাসায়নিককেই ব্যাখ্যা করেছেন। গবেষণায় দেখা যায়, সমুদ্রে বসবাসকারী প্রাণীদের মধ্যে TMAO এর পরিমাণ তারা যে গভীরতায় বাস করে তার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ভাবে থাকে । গবেষণায় দেখা যায়, TMAO ছাড়া জলের অণুর বন্ধন বিকৃত এবং সংকুচিত হয়ে ওঠে এবং TMAO এর উপস্থিতিতে জলের বন্ধনগুলো শক্তিশালী এবং উচ্চচাপ প্রতিরোধে সক্ষম । গভীর সমুদ্রে মাছের অভ্যন্তরে TMAO এমন একটি কাঠামোগত প্রতিরোধ বেষ্টনী প্রদান করে যার ফলে গভীর সমুদ্রে মাছ টিকে থাকতে সক্ষম হয়৷
চীনের গবেষকদের করা অন্য একটি গবেষণায় পাওয়া যায়, গভীর সমুদ্রে থাকা মাছের কঙ্কালতন্ত্রে বিভিন্ন ফাঁকা স্থান রয়েছে, যা তাদের বাইরের এবং অভ্যন্তরীন চাপে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে । এছাড়া তাদের কঙ্কালতন্ত্রের বেশিরভাগ হাড়ই তরুনাস্থি দ্বারা গঠিত, ফলে এগুলো অনেক বেশি নমনীয় এবং অনেক চাপেও কোনো সমস্যা হয়না ।
রেফারেন্সঃ Team Science Bee

মা বলতো মুরগীর বিসমিল্লাহ (Chicken Heart) খাবি! অনেক পাবি।

Chicken hearts are relatively small organ meat with a unique texture and flavor. They are considered a nutrient-dense food, rich in various essential nutrients. Here is an overview of the approximate nutritional value of chicken hearts per 100 grams:

Calories: 165
Protein: 25 grams
Fat: 5 grams
Carbohydrates: 0 grams
Chicken hearts are a great source of high-quality protein, providing all the essential amino acids needed for various bodily functions, including muscle building and repair. They are also relatively low in fat, particularly saturated fat. The fat content consists of both monounsaturated and polyunsaturated fats, including omega-3 and omega-6 fatty acids.
In addition to being a good source of protein, chicken hearts contain several essential vitamins and minerals, including:
Vitamin B12: Chicken hearts are particularly rich in vitamin B12, which is vital for the production of red blood cells and for maintaining a healthy nervous system.
Iron: They provide a good amount of iron, an essential mineral necessary for oxygen transport, energy production, and overall cellular function.
Zinc: Chicken hearts are a decent source of zinc, which is involved in immune function, protein synthesis, and wound healing.
Copper: They contain copper, an important mineral for the formation of red blood cells, collagen synthesis, and antioxidant defense.
Phosphorus: Chicken hearts are a good source of phosphorus, a mineral necessary for bone health, energy metabolism, and DNA synthesis.
It's worth noting that the exact nutrient composition may vary slightly depending on factors such as the diet and breed of the chickens. If you have specific dietary concerns or requirements, it's always a good idea to consult a healthcare professional or a registered dietitian.
রেফারেন্স: Food Nutritional Ingredients

হিন্দু থেকে ইসলামে ধর্মান্তরিত নারী কি বিয়ের পরে মায়ের বাড়ীতে থাকতে পারবে?

 প্রশ্ন : আমি একজন নওমুসলিমাহ। আমার পিতা-মাতা ইসলাম ধর্মের নয়। আমি এখন স্বামীর বাড়ি থাকি। আমি কি আমার পিতা-মাতার কাছে গিয়ে কিছুদিন থাকতে, খেতে পারব? আমি অনেক মানুষের কাছে শুনছি ইসলাম ধর্মের নয় এমন মা-বাবার বাসায় খাওয়া যাবে না। উল্লেখ্য, আমার ও আমার স্বামীর পরিবার আমাদের মেনে নিয়েছে।

উত্তর : মৌলিকভাবে আপনার বাবা-মায়ের কাছে যেতে বা থাকতে সমস্যা নেই। তবে যদি সেখানে গেলে আগের ধর্মের প্রতি দুর্বল হয়ে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা থাকে বা তারা আপনাকে আবার আগের ধর্মে ফিরে যাওয়ার জন্য উপদেশ দেয় বা নিরাপত্তার অভাব থাকে তাহলে সেখানে যাওয়া ঠিক হবে না। গেলেও বেশি সময় অবস্থান করবেন না। মুসলিম মেয়ের অন্য ধর্মের পরিবেশে থাকলে ধর্ম পালনে সমস্যা হতে পারে। অল্প সময়ের জন্য যাবেন। তাদের জবাই করা কোনো প্রাণীর মাংস খাওয়া যাবে না। এ ছাড়া অন্যান্য হালাল খাবার খেতে অসুবিধা নেই।
- ফতোয়া বিভাগ, আস সুন্নাহ ট্রাস্ট