Saturday, January 27, 2024

মুমিনের যেমন আমল আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয়

 একজন মুমিন প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর থেকে আমৃত্যু ইবাদত ও আমলের মধ্যে জীবন পার করবে, এটাই স্বাভাবিক। সুতরাং মুমিনের জন্য করণীয় হলো ইবাদতে বিরক্ত না হওয়া। ইবাদতে বিরক্ত না হওয়ার অর্থ হচ্ছে, ইবাদতে মধ্যপন্থা অবলম্বন করা। কারণ সামর্থ্যের অতিরিক্ত আমল করা শুরু করলে কয়েক দিন পর সেটাতে বিরক্তি চলে আসবে।

তাই ইবাদতে মধ্যপন্থা অবলম্বন বাঞ্ছনীয়। নবী করিম (সা.) বলেন, হে লোক সকল! তোমরা তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী আমল করতে থাকো। কারণ আল্লাহ (সওয়াব দানে) ক্লান্তি বোধ করেন না, যতক্ষণ না তোমরা (আমল সম্পাদনে) ক্লান্ত হয়ে পড়ো। আর আল্লাহর কাছে ওই আমল সবচেয়ে প্রিয়, যা অল্প হলেও নিয়মিত করা হয়। (বুখারি, হাদিস : ৫৮৬১)
ইবাদতে বিরক্ত হওয়ার অর্থ হচ্ছে আমল সম্পাদনে শৈথিল্য অনুভূত হওয়া। সামর্থ্যের বেশি অনুশীলনের কারণে এটা ঘটে। কখনো কখনো কারো কারো ক্ষেত্রে এটা হয়; যেমন—কেউ যদি ইবাদতে অবসর নেওয়ার জন্য তাহাজ্জুদ শুরু করতে চায় এবং প্রথম পর্যায়েই দু-তিন ঘণ্টার কিয়ামুল লাইলে কঠোরভাবে আত্মনিয়োগ করে, তাহলে দেখা যাবে যে কয়েক দিন পর তার উদ্যমে ভাটা পড়বে এবং সে তাহাজ্জুদ ছেড়ে দেবে। সে জন্য মধ্যপন্থা অবলম্বন করে সামর্থ্য অনুযায়ী ইবাদতে প্রবৃত্ত হওয়া উচিত, যেন সেটা নিয়মিত সম্পাদন করা যায়, বিরক্তি না আসে এবং আগ্রহে ভাটা না পড়ে।
অনেক সময় পাপের কারণে ইবাদতে বিরক্তি চলে আসে। সে জন্য ইবাদতে বিরক্তি আসার কারণ খুঁজে বের করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি ঈমানি শক্তি ও শারীরিক সক্ষমতার মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে হবে। কারো জন্য হয়তো তাহাজ্জুদে অভ্যস্ত হওয়া সহজ, আবার কারো জন্য সিয়াম পালন করা সহজ। আবার কেউ সব ক্ষেত্রেই সমানভাবে ইবাদত করতে সক্ষম; যেমন—আবু বকর (রা.) সব ইবাদতে সমানভাবে তৎপর ছিলেন।
অন্যদিকে আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) শারীরিক দুর্বলতার কারণে সিয়াম কম রেখে তাহাজ্জুদ ও কোরআন তিলাওয়াতে বেশি সময় ব্যয় করতেন। এ ক্ষেত্রে নিজের সময়, শরীর ও সক্ষমতার আলোকে ভারসাম্য বজায় রেখে ইবাদত করতে হবে। তবে ফরজ ইবাদতে কোনো শৈথিল্য প্রদর্শন করা যাবে না।
তাই কেউ যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজসহ ফরজ ইবাদতগুলোতে বিরক্তি অনুভব করে, কোরআন তিলাওয়াতে ক্লান্তি বোধ করে, তাহলে বুঝে নিতে হবে, বেশি পাপের কারণে তার হৃদয় দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছে, যার আশু চিকিৎসা করা প্রয়োজন। আর অন্তরের রোগব্যাধির প্রধান প্রতিষেধক হলো তাওবা-ইস্তিগফার ও কোরআন অনুধাবন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর আমরা কোরআন নাজিল করি, যা মুমিনদের জন্য আরোগ্য ও রহমতস্বরূপ।’ (সুরা : বনি ইসরাঈল, আয়াত : ৮২)
মহান আল্লাহ আমাদের আমলময় ও কল্যাণময় জীবন দান করুন।
May be an image of text that says "জিকির HIDDEN HAYA বলেছেন: রাসূলুল্লাহ শয়তান আদম সন্তানের কলবের বা অন্তরের উপর জেঁকে বসে থাকে। যখন সে আল্লাহর জিকির করে তখন সরে যায় আর যখন গাফিল বা অমনোযোগী হয় তখন শয়তান তার দিলে ওয়াসওয়াসা দিতে থাকে। গ্রন্থ: মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস নম্বর: ২২৮১"
All reactions:
Atowar Khan

Saturday, January 6, 2024

ইসলামে উপযুক্ত নেতা কেমন হবেন?

 ১. সচ্চরিত্রবান হওয়া : কারণ অনেক ক্ষেত্রে মানুষ তার জনপ্রতিনিধির দ্বারা প্রভাবিত হয়। তার রুচি ও অভ্যাসের প্রভাব তার এলাকার আইন-শৃঙ্খলায় লক্ষ্য করা যায়। তাই জনগণের উচিত, জনপ্রতিনিধি হিসেবে যোগ্য ব্যক্তিকে বেছে নেওয়া। সত ব্যক্তির গুণ নিয়ে হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বলেন, নবী (সা.) অশ্লীল ভাষী ও অসদাচরণের অধিকারী ছিলেন না। তিনি বলতেন, তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম, যে নৈতিকতায় সর্বোত্তম। (বুখারি, হাদিস : ৩৫৫৯)

২. সত্যবাদী হওয়া : জনগণের প্রতিনিধি হওয়ার সবচেয়ে আবশ্যকীয় যোগ্যতা হলো মুত্তাকি হওয়া, সত্যবাদী হওয়া। কারণ যার মধ্যে আল্লাহর ভয় নেই, যে সত্যবাদী নয়, সে কখনো কারো কল্যাণে কাজ করবে না; বরং লোভ-লালসার মোহে পড়ে সামান্য স্বার্থে জনগণের অনেক বড় ক্ষতি করে ফেলবে। এরা আল্লাহর চোখে অত্যন্ত নিকৃষ্ট মানুষ। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, তিন ব্যক্তির সঙ্গে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা কথা বলবেন না, তাদের (গুনাহ থেকে) পবিত্র করবেন না। বর্ণনাকারী আবু মুআবিয়া বলেন, তাদের প্রতি তাকাবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি। (এরা হলো) বৃদ্ধ ব্যভিচারী, মিথ্যাবাদী শাসক বা রাষ্ট্রপ্রধান ও অহংকারী দরিদ্র ব্যক্তি। (মুসলিম, হাদিস : ১৯৬)
৩. জনদরদি হওয়া : যে সব সময় জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেবে, জনগণের সুখ-দুঃখে তাদের পাশে থাকবে, জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করবে না- এমন লোককেই জনপ্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত। রাসুল (সা.) বলেছেন, এমন আমির যার ওপর মুসলিমদের শাসনক্ষমতা অর্পিত হয়, অথচ এরপর সে তাদের কল্যাণ সাধনে চেষ্টা না করে বা তাদের মঙ্গল কামনা না করে; আল্লাহ তাকে তাদের সঙ্গে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন না। (মুসলিম, হাদিস : ৪৬২৫)
৪. ন্যায়পরায়ণ হওয়া : হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘সাত রকমের লোক, যাদের আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাঁর ছায়ায় আশ্রয় দেবেন, যেদিন তাঁর ছায়া ছাড়া অন্য কোনো ছায়া হবে না। ১. ন্যায়পরায়ণ শাসক...’ (বুখারি, হাদিস : ৬৮০৬)
৫. জ্ঞানী ও শিক্ষিত হওয়া : জ্ঞান ও শিক্ষা না থাকলে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করা সম্ভব নয়, জনগণের অধিকার অনুধাবন ও তা সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়। জনগণের দাবিগুলো ওপর মহলে যৌক্তিকভাবে উপস্থাপন করে জনগণের কল্যাণের দাবি আদায় করাও সম্ভব নয়। তাই জনপ্রতিনিধি হতে হলে অবশ্যই তার মধ্যে দ্বিনি ও জাগতিক শিক্ষা থাকা আবশ্যকীয়। মিসরের রাজা হজরত ইউসুফ (আ.)-কে মন্ত্রিত্ব গ্রহণের প্রস্তাব করলে তিনি সে মন্ত্রালয়ের দায়িত্ব প্রার্থনা করেন, যে মন্ত্রণালয়ের সংকট দূর করার স্বচ্ছ জ্ঞান মহান আল্লাহ তাঁকে দিয়েছিলেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘ইউসুফ বলেন, আমাকে দেশের ধনভাণ্ডারের ওপর কর্তৃত্ব প্রদান করুন; আমি তো উত্তম রক্ষক, সুবিজ্ঞ।’ (সুরা : ইউসুফ, আয়াত : ৫৫)
উল্লেখ্য, সাধারণ অবস্থায় যদিও পদ বা নেতৃত্ব প্রার্থনা করা বৈধ নয়; কিন্তু ইউসুফ (আ.)-এর এই পদক্ষেপ গ্রহণ থেকে জানা যায় যে বিশেষ অবস্থায় যদি কোনো লোক এটা মনে করে যে জাতি ও রাষ্ট্রের ওপর আসা সংকটের উচিত ব্যবস্থার যথাযথ যোগ্যতা আমার মধ্যে বিদ্যমান, যা অন্যের মধ্যে নেই, তাহলে সে নিজের যোগ্যতা অনুসারে এই বিশেষ পদ প্রার্থনা করতে পারে। ইউসুফ (আ.) মূলত পদ প্রার্থনাই করেননি; বরং তখন মিসরের রাজা তাঁর সামনে এর প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
৬. স্বেচ্ছাচারী না হওয়া : এই গুণ জনপ্রতিনিধিকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে সাহায্য করে। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, আমি তোমাদের আমার ইচ্ছামতো কোনো জিনিস দিই না এবং আমার ইচ্ছামতো তোমাদের তা থেকে বঞ্চিত করি না। আমি তো শুধু কোষাধ্যক্ষ বা বণ্টনকারী। আমাকে যেখানে ব্যয়ের নির্দেশ দেওয়া হয় সেখানেই ব্যয় করি। (আবু দাউদ, হাদিস : ২৯৪৯)
৭. আমানতদার হওয়া : জনপ্রতিনিধিত্ব একটি আমানত। এর যথাযথ হক আদায়ের জন্য জনপ্রতিনিধির মধ্যে আমানত রক্ষার যোগ্যতা থাকতে হবে। তা না হলে এটিই তার জন্য লাঞ্ছনার কারণ হবে। আবু জার (রা.) বলেন, আমি আবেদন করলাম, হে আল্লাহর রাসুল, আপনি কি আমাকে প্রশাসক পদ প্রদান করবেন? তিনি তখন তাঁর হাত দিয়ে আমার কাঁধে আঘাত করে বলেন, ‘হে আবু জার, তুমি দুর্বল, অথচ এটি হচ্ছে একটি আমানত। (দায়িত্ব আদায়ে অবহেলা হলে) আর কিয়ামতের দিন এটা হবে লাঞ্ছনা ও অনুশোচনা। তবে যে এর হক সম্পূর্ণ আদায় করবে তার কথা ভিন্ন।’ (মুসলিম, হাদিস : ৪৬১৩)
৮. সুবিচার করার যোগ্যতা রাখা : সাধারণত জনপ্রতিনিধিকে মানুষের অনেক সমস্যা সমাধান করতে হয়, বিরোধ মীমাংসা করতে হয়, অনেক ক্ষেত্রে বিচারও করতে হয়। তাই একজন যোগ্য জনপ্রতিনিধি হতে হলে অবশ্যই সত্যকে অনুধাবন ও সুবিচার করার যোগ্যতা থাকতে হবে। বুরাইদা (রা.) হতে বর্ণিত আছে, নবী (সা.) বলেছেন, বিচারকরা তিন প্রকারের হয়ে থাকে। দুই প্রকারের বিচারক হচ্ছে জাহান্নামি এবং এক প্রকারের বিচারক হচ্ছে জান্নাতি। জেনেশুনে যে লোক (বিচারক) অন্যায় রায় প্রদান করে সে হচ্ছে জাহান্নামি। সত্যকে সম্পূর্ণরূপে উপলব্ধি না করেই যে লোক (বিচারক) মানুষের অধিকারসমূহ নস্যাৎ করে সে লোকও জাহান্নামি। আর যে লোক ন্যায়সংগতভাবে ফায়সালা প্রদান করে (বিচারক) সে জান্নাতের অধিবাসী। (তিরমিজি, হাদিস : ১৩২২)
৯. প্রতিশোধপরায়ণ না হওয়া : ব্যক্তিগত কারণে প্রতিশোধপরায়ণ না হওয়া নেতৃত্বের সবচেয়ে বড় গুণ, যা প্রিয় নবী (সা.)-এর মধ্যে বিদ্যমান ছিল। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে আছে, রাসুল (সা.) কোনো ব্যক্তিগত ব্যাপারে কখনো প্রতিশোধ গ্রহণ করতেন না। অবশ্য কেউ আল্লাহর নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে, তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তার প্রতিশোধ নিতেন। (বুখারি, হাদিস : ৬১২৬)
রেফাঃ মুফতি মুহাম্মদ মর্তুজা
May be an image of flower
l reactions:

Tuesday, January 2, 2024

৫ খাবার: নিয়মিত খেলে শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি মিটতে পারে

 ঠান্ডায় জল কম খেলে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়ে। তার সঙ্গে রক্তে বিভিন্ন উপাদানের ভারসাম্য বজয় রাখতেও সাহায্য করে। পর্যাপ্ত ঘুম হলেও যদি ক্লান্তি কাটতে না চায়, সে ক্ষেত্রে পটাশিয়ামের ঘাটতি হচ্ছে কি না, তা পরীক্ষা করিয়ে দেখা যেতে পারে। হঠাৎ পায়ের পেশিতে টান ধরার লক্ষণও কিন্তু এই উপাদানের ঘাটতি থেকে হতে পারে। শারীরবৃত্তীয় কাজকর্ম পরিচালনা করতে সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম— এর মতো উপাদানের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বশে রাখতেও পটাশিয়ামের ভূমিকা রয়েছে। এর মধ্যে কোনও একটির পরিমাণ কমে গেলে জীবনহানির মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। জল কম খেলে, অত্যধিক বমি অথবা ডায়েরিয়া হলে পটাশিয়ামের মাত্রা কমে যেতে পারে। বয়স্কদেরও হঠাৎ হঠাৎ এমন সমস্যার উদ্রেক হয়। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গেলে চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে আর অন্য উপায় থাকে না। তবে পুষ্টিবিদেরা বলছেন, সাধারণ খাবারের মধ্যে দিয়েই কিন্তু এই উপাদান শরীরে যেতে পারে।

কোন কোন খাবারের মধ্যে পটাশিয়াম রয়েছে?
১) কলা
রোজ একটি করে কলা খেলেই পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব। পুষ্টিবিদেরা বলেন, মাঝারি মাপের একটি কলায় ৪০০ থেকে ৪৫০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম রয়েছে। যা শারীরবৃত্তীয় কাজ সম্পন্ন করার জন্য যথেষ্ট।
২) মিষ্টি আলু
কলার চাইতেও বেশি পটাশিয়াম পাওয়া যায় মিষ্টি আলু থেকে। তাই উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা খেতে পারেন এই আলু। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে। পটাশিয়াম হার্টের রোগ থেকে দূরে রাখে। পাশাপাশি মাংসপেশির যত্ন নেয়।
৩) কমলালেবু
ভিটামিন সি-এর ঘাটতি পূরণ করতে শীতে কমলালেবু খেয়েই থাকেন। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না, পটাশিয়ামের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হল কমলালেবু। একটি কমলালেবুতে প্রায় ২৩০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে।
৪) পালং শাক
পুষ্টিবিদেরা বলেন, এক কাপ পালং শাক নিয়মিত খেতে পারলে শরীরে পটাশিয়ামের অভাব হবে না। প্রায় ৮০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম রয়েছে এই শাকে।
৫) অ্যাভোকাডো
স্বাস্থ্য সচেতন মানুষেরা পাউরুটির টোস্টের উপর মাখনের বদলে অ্যাভোকাডো মাখিয়ে খেয়ে থাকেন। একটি মাঝারি মাপের অ্যাভোকাডোতে প্রায় ৭০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে। নিয়মিত খেতে পারলে হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি এড়িয়ে চলা যায়।
Sources: anandabazar, banglatribune
May be an image of text that says "POTASSIUM"

শীতে বিশ্বনবীর আমল

 বিশ্বনবীর জীবনেও এসেছে কখনো শীত কখনো গরম। ঋতুচক্রের এই পরিবর্তন মু’মিনের জন্য রহমত। রাসূল সা: কিভাবে শীত কাটাতেন? শীতকালে কী কী আমল করতেন? চলুন জেনে নিই।

চাদরকে আরবিতে বলা হয় ‘রিদা’। রঙ, আকৃতি ও সুতার প্রকারভেদে এর আরবি নামেও আছে ভিন্নতা। তবে অধিকাংশ সময় চাদরকে আরবের লোকজন ‘রিদা’ই বলে। শীত বা অন্য কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে যেমন- মেহমানের সামনে, অনুষ্ঠানে রাসূল সা: চাদর গায়ে জড়িয়ে আসতেন। হজরত উরওয়া ইবনে মাসউদ রা:-এর বর্ণনা মতে, বিশ্বনবী চার হাত লম্বা ও আড়াই হাত চওড়া চাদর ব্যবহার করতেন। এতে যেমন শীত নিবারণ হতো তেমনি আরবীয় ঐতিহ্যও ঠিক থাকত। শীতের নানা পোশাকের মধ্যে চাদরকে নির্বাচন করা সুন্নাত। চাদর গায়ে জড়িয়ে পিয়ারা নবীর কথা স্মরণ করলে সুন্নাহ জিন্দা হবে। নারী-পুরুষ সবাই চাদর পরিধান করতে পারেন। নারীদের জন্য বরং ভালো। এক দিকে শীত নিবারণ অন্য দিকে পর্দা পালনও হয়ে যায়।
বিখ্যাত হাদিসগ্রন্থ মুসনাদে আহমাদের ১১৬৫৬ নং হাদিসে হজরত আবু সাইদ খুদরি রা:-এর বর্ণনায় পাওয়া যায়, রাসূলুল্লাহ সা: ইরশাদ করেন, ‘শীতকাল মু’মিনের বসন্তকাল’। মাকাসিদুল হাসানাহ গ্রন্থের ২৫০ নং হাদিসের বর্ণনায় এসেছে- বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা: বলতেন, শীতকালকে স্বাগতম! শীতকাল বরকত বয়ে আনে। কারণ শীতের রাত লম্বা হওয়ায় নফল সালাত আদায়ে সহায়ক হয়। আর দিন ছোট হওয়ায় নফল রোজা পালনও সহজ হয়। শীতকালে মজার একটি সুবিধার ইবাদত হলো মোজার উপর মাসেহ করা। (যদিও এই বিধানের জন্য কোনো ঋতুর সাথে সম্পর্ক নেই) শীতের কারণে আমরা যে মোজা পরিধান করি তা যদি চামড়া বা সমজাতীয় হয় তাহলে তা না খুলে অজু করার সময় শুধু তার উপর মাসেহ করলেই হয়ে যায়। পা ভিজানোর প্রয়োজন হয় না। অবশ্য তার জন্য সময়সীমা আছে। নিজ বাড়িতে (মুকিম) থাকলে এক দিন-এক রাত পর্যন্ত আর মুসাফির হলে (নিজ বাড়ি থেকে ৭৮ কিলোমিটার দূরত্ব সফরে যাওয়ার নিয়তে পথে আর সেখানে ১৫ দিনের কম অবস্থানের নিয়ত থাকলে) সেখানেও তিন দিন-তিন রাত মোজা না খুলে শুধু মাসেহ করে নিলেই হবে।
কাজা বা নফল রোজা রাখা শীতকালে সুবিধা হয়। নারীদের রমজানে যে রোজা ভাঙা পড়ে সেগুলো শীতকালে রাখতে পারেন। নফল রোজা, মান্নতের রোজাও শীতকালে রাখা সহজ হয়। এ সময় দিন ছোট থাকে। সুনানে বাইহাকির ৩৯৪০ নং হাদিসের বর্ণনায় এসেছে, শীতের রাত দীর্ঘ হওয়ায় মু’মিন বান্দা রাতের নফল সালাত সহজে আদায় করতে পারে আর দিন ছোট হওয়ায় রোজা রাখতে পারে। লাতাইফুল মাআরিফ গ্রন্থের ৩২৬ নং পৃষ্ঠার বর্ণনায় হজরত ইবনু রজব হাম্বলি রহ: বলেন, শীতে মু’মিনে আনুগত্যের বাগিচাগুলোতে খুশির উল্লাস হয়। তারা ইবাদত-বন্দেগির চত্বরে অবগাহন করে। ছোট ছোট সহজ আমলের ময়দানে পরিভ্রমণ করে। শীতকালীন সবজি খেয়ে আল্লাহর শোকর আদায় করাও ইবাদত। শীতের বড় ইবাদত হলো শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। বস্ত্রহীনকে বস্ত্র দান করা। এই সম্পর্কে বিশ্বনবী সা: কী বলেছেন? জামে তিরমিজির ২৪৪৯ নং হাদিসের বর্ণনায় হজরত আবু সাঈদ খুদরি রা: বলেন, রাসূলুল্লাহ সা: ইরশাদ করেন, ‘যে ঈমানদার কোনো ক্ষুধার্ত ব্যক্তিকে খাদ্য দান করে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাতের ফল খাওয়াবেন।
মু’মিন কোনো পিপাসিত ব্যক্তিকে পানি পান করায়, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে ইনটেক খাঁটি পানি (রাহিকুল মাখতুম) পান করাবেন। আর যে মু’মিন কোনো বস্ত্রহীনকে বস্ত্র দান করেন, আল্লাহ তাকে জান্নাতে সবুজ পোশাক পরিধান করাবেন। আমাদের নবী সা:-এর শিক্ষা হলো- দরিদ্রদের জন্য শীতকালে গরম কাপড়ের ব্যবস্থা করা। শীতার্ত, বিপন্ন সব মানুষের পাশে দাঁড়ানো। আসুন মানবতার সেবায় অগ্রগামী হই।
সূত্র: হাফেজ মাওলানা মুফতি সিফাতুল্লাহ

জাপানি শিশুরা সবচেয়ে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী, যে কারণে

 খাদ্যতালিকায় তৃপ্তিদায়ক ও পুষ্টিকর খাবার রাখা

জাপানি খাবার সাধারণত পুষ্টিকর; তৃপ্তিদায়কও বটে। পুষ্টিকর খাবার পেটভরে খেলে পরে ‘জাঙ্ক ফুড’ খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আর থাকে না। তাই বলে আমাদের শিশুদের স্বাস্থ্যবান করে তুলতে জাপানি সিউইড, সুশি বা তোফুই যে খাওয়াতে হবে, তা নয়; দেশি পুষ্টিকর খাবার খাওয়ালেই চলবে। উদ্ভিজ্জ খাবার, যেমন ফলমূল, শাকসবজি, শস্যদানা ও উপকারী চর্বি (এ ক্ষেত্রে হৃদপিণ্ডের জন্য উপকারী ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ মাছ) বেশি খাওয়াতে হবে। শিশুর খাদ্যতালিকায় কম লবণ ও চিনিযুক্ত খাবার রাখুন। এসব উদ্ভিজ্জ খাবার স্থূলতা এবং তা থেকে সৃষ্টি হওয়া রোগবালাইয়ের হাত থেকে শিশুকে রক্ষা করে।
খাওয়া ও সংযম উভয়ই উপভোগ করতে শেখানো
শিশুকে ‘ট্রিট’ গ্রহণ করার অনুমতি দিন। এ ব্যাপারে অনুমতি না দিয়ে কঠোর হয়ে তাকে অসামাজিক বানাবেন না। অনুমতি দেওয়ার সঙ্গে মুখরোচক খাবার উপভোগ করতে শেখান। তবে খাওয়ার সময় আপনার শিশুর মধ্যে সংযমবোধও যেন থাকে, সেদিকে তাকে নজর রাখতে বলুন। পশ্চিমাদের তুলনায় জাপানিরা স্ন্যাকস বা ভাজাপোড়া খুবই কম খায়। এ ক্ষেত্রে তারা মেনে চলে কঠোর পরিমিতবোধ। এ ছাড়া সাংসারিক বা পেশাগত কাজে যত ব্যস্তই থাকুন না কেন, দিনে অন্তত একবার আপনার শিশুর সঙ্গে একই টেবিলে বসে খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। খাওয়ার সময় শিশুকে দেখান কীভাবে আপনি খাবারটি বেশ উপভোগ করছেন এবং তা কতটা সুস্বাদু হয়েছে। এতে শিশু যেকোনো খাবার উপভোগ করে খাওয়া এবং সংযম বা পরিমিতবোধের চর্চাও শিখবে। জাপানিরা ঠিক এটাই করেন।
ভিন্ন রকমের খাবার খেয়ে দেখতে শেখানো
শিশুকে নতুন নতুন খাবারের স্বাদ নিতে দিন। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খাবারের বেলায় শিশুর পছন্দ-অপছন্দের তালিকা বদলে যায়। এ কারণে স্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি তাদের আগ্রহ তৈরি করানো বাবা–মায়েদের জন্য সহজ হয়। ছোট থেকেই ভিন্ন রকম খাবারের স্বাদ নিতে পারলে শিশু পরবর্তী জীবনে নিজের ডায়েটের সময় সঠিক খাদ্যতালিকা ঠিক করতে পারবে।
খাবার ছোট ছোট প্লেটে পরিবেশন করা
জাপানে শিশুদের সামনে খাবার দেওয়া হয় ছোট ছোট প্লেটে। ১০ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার ব্যাসের প্লেটে ভাত এবং ২ দশমিক ৫ থেকে ৭ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার ব্যাসের বাটিতে ডাল, শাকসবজি বা তরকারি পরিবেশন করতে পারলে সবচেয়ে ভালো। যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ার টেম্পল ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর ওবেসিটি রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশনের গবেষক জেনিফার অরলেট ফিশারের গবেষণা বলছে, এতে শিশুদের খিদে এবং গৃহীত খাবারের পরিমাণের মধ্যে ভালো সমন্বয় ঘটে। আপনার শিশুর খাবারও তাই ছোট ছোট প্লেট বা বাটিতে পরিবেশন করুন। তবে পরিমিতিবোধ পালন করতে গিয়ে যেন আবার প্রয়োজনীয় ফলমূল, শাকসবজি বাদ না পড়ে যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে ভুলবেন না।
পর্যাপ্ত দৌড়ঝাঁপ করতে দেওয়া
ভিডিও গেম বা মুঠোফোনের আসক্তি থেকে শিশুদের দূরে রাখা খুবই দুরূহ কাজ। তারপরও দিনে অন্তত এক ঘণ্টা বাইরে গিয়ে খেলাধুলা বা দৌড়ঝাঁপ করলে শিশুরা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়। আপনার শিশুকে তাই ঘরের বাইরে, মাঠে খেলাধুলা করার জন্য উতসাহ দিন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের পর্যাপ্ত কায়িক শ্রম দরকার। এতে তাদের পেশি ও হাড় দৃঢ় ও মজবুত হয়।
খাবার তৈরি ও পরিবেশনে শিশুকে অংশগ্রহণ করানো
অ্যাপেটাইট জার্নালে প্রকাশিত ৬ থেকে ১০ বছরের শিশুদের ওপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাবার তৈরির প্রক্রিয়ায় শিশুদের অংশ নিতে দিলে তারা নিজেদের স্বাস্থ্য ও ডায়েটের প্রতি বেশ মনোযোগী হয়ে ওঠে। তাই খাবার তৈরি এবং তা পরিবেশনের কাজে আপনার শিশুকেও নিয়োজিত করুন। জাপানিরা এটা নিয়মিতই করেন। এ ছাড়া পরিবারের সবাই একসঙ্গে খাবার খান। ২০১৪ সালের নভেম্বরে পেডিয়াট্রিকস জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা বলছে, খাবার টেবিলে পরিবারের বড়দের উপস্থিতি শিশুদের বেশ উতসাহিত করে। এতে শিশুরা শৈশবকালীন স্থূলতার ঝুঁকি থেকেও রক্ষা পায়। আর এতে যে পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় হয় এবং শিশুরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে, তা বলা বাহুল্য।
কিছু জায়গায় কর্তৃত্বপূর্ণ হওয়া
কেউ কেউ সন্তানের ওপর কর্তৃত্ব প্রয়োগ করতে গিয়ে অস্বস্তিতে ভোগেন। কিন্তু যখন তাদের খাবার এবং জীবনযাপনের ব্যাপার চলে আসে, তখন কর্তৃত্বের চর্চা না করে উপায় নেই। জাপানি বাবা–মায়েরা সন্তানের ওপর কর্তৃত্ববাদী আচরণের চেয়ে কর্তৃত্বপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে অভিভাবকত্বের প্রয়োগ করতে বেশি পছন্দ করেন। প্রশ্ন হলো, এই কর্তৃত্বপূর্ণ অভিভাবকত্ব আবার কী? সহজ কথায় বললে ‘আমি বলেছি, তাই তোমাকে করতে হবে’ বা এ-জাতীয় বাক্য প্রয়োগ না করে শিশুকে কিছু করতে বলা। তবে কর্তৃত্বপূর্ণ অভিভাবকত্ব প্রয়োগে মা-বাবা হিসেবে আপনাকে আগে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। যেমন সরাসরি ‘না’ বা ‘হ্যাঁ’ বলেও কোনো কিছু শেখানো যায়। আবার শিশু ভুল করলে শাস্তি না দিয়ে তার পাশে থাকা এবং পরে বিষয়টি বোঝানো। এই নিয়ম শিশুর জন্য এমন একটা পরিবেশ তৈরি করে, যা তাদের সুষ্ঠু খাদ্যাভ্যাসে অনুপ্রাণিত করে।
সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট
আবু দারদা মাহফুজ
All reactions:

Saturday, December 30, 2023

নেতিবাচক মানুষ কারা?

 ১.সদা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত যারা

২. হতাশাবাদী যারা
৩. অভিযোগের শেষ নেই যাদের
৪. নতুন অভিজ্ঞতাকে না বলে যারা
৫. সফল নন যারা
৬. এনার্জি শুষে নেয় সে সব মানুষ
৭. অসুখী যারা
May be an image of bird, shadbush and firethorn
All reactions:

নারী-পুরুষ সবার জন্য এক ডজন নিয়ম

 ১. সম্পর্কে থাকা অবস্থায় যে আপনার সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তার কাছে ফিরবেন না; বরং একা থাকুন!

২. আত্মমর্যাদা নিয়ে চলুন। কাউকে অসম্মান করবেন না। নিজেকেও নয়। নিজেকেও অসম্মানিত হতে দেবেন না।
৩. কখনো বসে ‘হ্যান্ডশেক’ করবেন না। উঠে দাঁড়ান। এবার হাত বাড়িয়ে দিন।
৪. অন্যের মন রক্ষা করতে গিয়ে নিজের মন ভাঙবেন না।
৫. ইতিবাচক চিন্তা আপনাকে ইতিবাচকতার দিকে নিয়ে যাবে। নেতিবাচকতা আপনাকে নেতিবাচকতার দুষ্টচক্রে আটকে ফেলবে। ইতিবাচকতার চর্চা করুন।
৬. লক্ষ্য রাখুন উঁচু। যেটা হয়ে গেছে, গেছে। সামনের দিকে তাকান। পেছনের কোনো কিছু যেন আপনাকে আটকে না রাখে, নিশ্চিত করুন।
৭. কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করার পর এক থেকে তিন সেকেন্ড সময় নিন। তারপর উত্তর দিন।
৮. সম্পর্কে দয়া ভিক্ষা চাইবেন না। দয়া করে সম্পর্ক হয় না। সম্পর্ক হয় সম্মানে, বিশ্বাসে, পারস্পরিক নির্ভরশীলতায়।
৯. যেখানে আপনাকে দাওয়াত দেওয়া হয়নি, সেখানে যেচে দাওয়াত চাইতে যাবেন না, সেখানে যাবেন না।
১০. সব সময় কাছে কিছু ক্যাশ টাকা রাখবেন। যেখানেই যান না কেন, সুন্দর পোশাকে পরিপাটি হয়ে যান।
১১. কারও সঙ্গে কথা বলার সময় তার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন।
১২. যে খাবার আপনি কেনেননি, সেটার শেষ টুকরা খাবেন না।
সূত্র: গ্রোথ মাইন্ডসেট টিপস
May be an image of text that says "Life is made of ever so many partings welded together. -Charles Dickens"
All reactions: