Friday, March 22, 2024

যুগে যুগে নিকটজনেরাই ভালো মানুষেরাই বিরোধিতা করেছে

 কথা কও হে অতীত!

যুগে যুগে নিকটজনেরাই ভালো মানুষেরাই বিরোধিতা করেছে। কিন্তু শেষ অব্দি তার নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।
নুহ (আ.) ও তাঁর পুত্র
পাহাড়ের মতো ঢেউয়ের মধ্যে তা (নৌকা) তাদের নিয়ে বয়ে চলে। নুহ তাঁর পুত্রকে—যে (তাঁদের কাছ থেকে দূরে) পৃথক ছিল—ডেকে বলল, ‘হে আমার পুত্র! আমাদের সঙ্গে আরোহণ করো এবং কাফিরদের সঙ্গী হয়ো না।
সে [নুহ (আ.)-এর পুত্র] বলল, ‘আমি এমন এক পর্বতে আশ্রয় নেব, যা আমাকে প্লাবন হতে রক্ষা করবে।’ তিনি [নুহ (আ.)] বললেন, ‘আজ আল্লাহর (আজাবের) নির্দেশ থেকে রক্ষা করার কেউ নেই।
তবে ওই ব্যক্তি রক্ষা পাবে, যার প্রতি আল্লাহ দয়া করবেন।’ এরপর (পিতা-পুত্রের কথোপকথনের পর) তরঙ্গ তাদের বিচ্ছিন্ন করে দেয় এবং সে [নুহ (আ.)-এর পুত্র] নিমজ্জিতদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। (সুরা : হুদ, আয়াত : ৪২-৪৩)
তাফসির : আগের আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছিল, হজরত নুহ (আ.) তাঁর পরিবার ও ইমানদারদের ‘বিসমিল্লাহ’ বলে নৌকায় আরোহণ করতে বলেছেন। নৌকা আল্লাহর হুকুমে চলতে থাকে।
চারদিকে মহা প্লাবন শুরু হয়ে যায়। এখানে সে প্লাবনের ভয়াবহতা এবং নুহ (আ.) ও তাঁর পুত্র কিনআনের ঐতিহাসিক কথোপকথন বর্ণনা করা হয়েছে।
প্লাবনের পরিধি ও ভয়াবহতা বাড়তে থাকে। প্লাবনের সঙ্গে ছিল প্রচণ্ড তুফান।
তুফান এতই শক্তিশালী ছিল যে পানি পাহাড়ের মতো বড় বড় ঢেউ দিয়ে যাচ্ছিল অনবরত। প্লাবনের পানি সে সময়ের সর্বোচ্চ পাহাড়ের চূড়া থেকে ১৫ হাত অতিক্রম করে। কেউ কেউ বলেছেন, সে পানি পৃথিবী থেকে ৮০ মাইল ওপরে উঠে যায়। (ইবনে কাসির, তাফসিরে মুনির)
পাহাড়ের মতো তরঙ্গ পৃথিবীকে গ্রাস করে চলছে, মহা প্লাবনে সব কিছু তছনছ হতে শুরু করেছে—এমন বিভীষিকাময় পরিস্থিতিতে নুহ (আ.)-এর মনে প্রচণ্ডভাবে পিতৃস্নেহ জেগে ওঠে। তাঁর তিন পুত্র ইমান আনলেও চতুর্থ পুত্র ইমান আনেনি।
তার নাম কিনআন হিসেবে প্রসিদ্ধ। তবে আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.) তার নাম ‘ইয়াম’ উল্লেখ করেছেন। নুহ (আ.) সস্নেহে পুত্র কিনআনকে দূর থেকে ডাক দিলেন। সে কাফিরদের কাছে ছিল। তিনি তাকে কাফিরদের দল ত্যাগ করে মুমিনদের কাতারে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান।
সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার যে দরদ, তাদের ভবিষ্যতের ব্যাপারে পিতা-মাতার যে দায়িত্ব আছে, কিনআনের প্রতি নুহ (আ.)-এর আহ্বানে তা চমত্কারভাবে ফুটে ওঠে। এ ছাড়া অসৎ সঙ্গীর কারণে যে কারো সন্তান, এমনকি নবীর সন্তানও পথভ্রষ্ট হতে পারে, এ আয়াত তারই উদাহরণ।
নুহ (আ.)-এর অবাধ্য পুত্র পিতার শেষ আহ্বান বিবেচনায় না এনে গোঁয়ার্তুমির আশ্রয় নেয়। সে পিতার আহ্বান উপেক্ষা করে বলে, ‘আমি পাহাড় চূড়ায় উঠে যাব। সেখানে গেলেই প্লাবনের হাত থেকে রক্ষা পাব।’ তার এই বোধ ছিল না যে আল্লাহ সর্বশক্তিমান। পাহাড়-পর্বত সব কিছু তাঁর নির্দেশের অধীন।
মুহূর্তের মধ্যে দৃশ্য পাল্টে যায়। হঠাৎ উত্তাল তরঙ্গ নুহ (আ.)-এর পুত্রকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। স্নেহপরায়ণ পিতা তাঁর পুত্রকে বাঁচার জন্য ডাকছেন, আর দাম্ভিক পুত্র মরার জন্য তর্ক করছে—এমন সময় পাহাড়ের মতো বড় বড় ঢেউ তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দেয়।
লুত আ. এঁর স্ত্রী
হযরত লুত (আঃ)-এর স্ত্রী জাহান্নামে যাবে। কেননা, তাঁর স্ত্রী ওয়াহিলা পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বপ্রথম নারী, যে বনু তমীমের সরদারদের সমলিঙ্গের অপকর্ম করার আহ্বান করেছিল।
লুত (আঃ)-এর স্ত্রী সমলিঙ্গ অপকর্ম প্রতিষ্ঠা করার জন্য অনেক চেষ্টা চালিয়েছিল। এর বিরুদ্ধে হযরত লুত (আঃ) তাঁর সম্প্রদায়কে পুরুষ-সমকামিতার বিরুদ্ধে প্রচারণা এবং সাথে সাথে আল্লাহর একত্বে বিশ্বাস স্থাপনের জন্য আহ্বান করেন। যা তাঁকে ঐ স্থানের লোকদের দ্বারা উপেক্ষা ও তামাসার পাত্রে পরিণত হন। বনু তমীমের লোকেরা যখন পুরুষে পুরুষে যেনায় লিপ্ত ঠিক তখনই আল্লাহ তায়ালা গজব দেয়ার লক্ষ্যে প্রথম আসমানের ফেরেশতাদের সর্দার হযরত ঈসমাইল (আঃ)-এর নেতৃত্বে ১২জন ফেরেশতা হযরত লুত (আঃ)-এর ঘরে মেহমান স্বরূপ প্রেরণ করেন।
এ মেহমানদের দেখে ওয়াহিলা বনু তমীমে গিয়ে খবর দেয়, আমাদের বাড়িতে সুদর্শন ১২জন পুরুষ এসেছে। তোমরা যেতে পার। রাত শেষ হওয়ার পূর্বে লুত (আঃ) তাঁর অনুসারী সহ, তার স্ত্রী ছাড়া, সে স্থান ত্যাগ করেন। অবশেষে ফেরেস্তারা ঐ ভূমি উল্টিয়ে দিয়ে এবং প্রস্থর বৃষ্টি বর্ষণ করে সম্প্রদায়কে বিনাশ করেন। ইতিহাসে সেই স্থানটি এখন ডেড সি বা মৃত সাগর নামে পরিচিত।
May be an image of text that says "সময় মানুষকে মানুষ চিনতে শিখিয়ে দেই!"
All reactions:

নিরাশ হওয়ার কিছুই নেই একজন মুসলিমের!

 ক্রমাগত দু‘আ তাকদীরকে উত্তম কিছু দ্বারা পরিবির্তন করে দিতে পারেঃ

মূসা আলাইহিসসালাম ছিলেন কালিমুল্লাহ। তিনি আল্লাহর সাথে সরাসরি কথা বলতে পারতেন।
একদিন এক মহিলা মূসা আলাইহিসসালাম এর কাছে এসে অনুরোধ করলো, যাতে তিনি আল্লাহর কাছে তার ব্যাপারে ফরিয়াদ করেন। ওই মহিলা নিঃসন্তান ছিলেন। তিনি চাচ্ছিলেন মূসা আলাইহিসসালাম যাতে আল্লাহকে অনুরোধ করেন আর আল্লাহ তাকে সন্তান দান করেন।
মহিলাটি বিবাহের পর অনেকদিন হয়ে গিয়েছিল, মনেপ্রাণে তিনি মা হতে চাচ্ছিলেন। মূসা আলাইহিসসালাম আল্লাহর কাছে চাইলেন। আল্লাহ জবাব দিলেন- সেই মহিলা বন্ধ্যা, সে সন্তান জন্মদানে অক্ষম। মূসা আলাইহিসসালাম মহিলাকে এ কথা জানালে সে চলে গেলো।
আমি বা আপনি যদি আল্লাহর কাছ থেকে এব্যাপারে জানতে পারতাম, আমরা হয়তো থেমেই যেতাম। আমরা অনেকে তো কিছুদিন দু'আ করেই হতাশ হয়ে যাই আর নালিশ জানাই। অনুযোগ করে বলে ফেলি- আল্লাহ কখনোই আমার দু'আ শুনেন না। কিন্তু ওই মহিলা ক্রমাগত আল্লাহর কাছে দু'আ করে যাচ্ছিলো। সে অকাতরে, বিনীত ও বিনম্রভাবে আল্লাহর কাছে চাইতে থাকলো। কখনো দু'আ করা বাদ দিলোনা।
এরপর একদিন তিনি দ্বিতীয়বার মূসা আলাইহিসসালাম এর কাছে গিয়ে বললেন, "আপনার প্রভুকে বলুন, হে মূসা!"
মূসা আলাইহিসসালাম জানালেন- আল্লাহ একই জবাব দিয়েছেন, আপনি বন্ধ্যা।
এভাবে তিনি তিনবার মূসা আলাইহিসসালাম এর কাছে অনুরোধ জানিয়ে প্রত্যাখ্যান হলেন। প্রতিবারই একই উত্তর পেলেন- তিনি বন্ধ্যা, সন্তান জন্মদানে অক্ষম।
তিনি চতুর্থবার মূসা আলাইহিসসালাম এর সাথে দেখা করলেন। কিন্তু, এবার তার কোলে একটি ফুটফুটে শিশু ছিলো। তার হাত ধরে নারছিলো আরেকটি শিশু। তিনি বললেন, "দেখুন মূসা! আল্লাহ আমাকে দুটো সন্তান দান করেছেন।"
মূসা আলাইহিসসালাম বিব্রতবোধ করলেন। আল্লাহকে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, "হে আল্লাহ! আপনি তিনবার আমাকে জানালেন যে, সে বন্ধ্যা, তার সন্তান হবেনা। কিন্তু তারপর আপনি তাকে সন্তান দান করলেন!"
আল্লাহ জবাব দিলেন, "প্রত্যেকবার যখন আমি লিখে রাখি যে সে বন্ধ্যা, তখনই সে দু'আ করছিলো আর বলছিলো: 'হে দয়াময়! হে দয়াময়!"
আল্লাহ বলেন- হে মূসা, তখন আমার দয়া তার জন্য নির্ধারিত তাক্বদীরকে পরিবর্তন করে দিয়েছে।
সূত্র: শাইখ মূসা জিবরীল
May be an image of heart and flower
All reactions:

ওয়েটিংরুমে আছি

 এক লোক ট্রেন থেকে নামলো, আরেক ট্রেনে উঠবে ২০ মিনিট পর। এর মাঝখানে সে ওয়েটিং রুমে অপেক্ষা করার জন্য বসলো। ওয়েটিংরুমে ঢুকেই তার চোখে পড়লো রুমের লাইটটি নষ্ট। তাই সে একটি ইলেকট্রিক বাল্ব কিনে লাগালো। তার পর খেয়াল করলো রুমে অনেক মাকড়সার জাল। তাই সে এক একটি ঝাড়ু কিনে রুমটি পরিষ্কার করলো। তারপর খেয়াল করলো রুমের ফ্লোরে ময়লা। তখন সে রুম ঝাড়ু দিলো। তারপর সে খেয়াল করলো রুমের বসার চেয়ারগুলো বেশি একটা আনন্দদায়ক নয়। তাই সে একটি আরামদায়ক চেয়ার কিনলো। এখন সে রুমটি সাজানোর জন্য কিছু জিনিস কিনে রুমটি সাজালো। এখন সে অনেক ক্লান্ত হয়ে গেল এবং তার আরামদায়ক চেয়ারে বসতে যাচ্ছে এই মুহুর্তে হঠাৎ করেই ট্রেনের হর্ন শুনতে পেল এবং সে ট্রেনে উঠার জন্য রুম থেকে চলে গেল এবং ট্রেনে বসে তার গন্তব্য স্থানে চলে গেল।

আমি জানি আপনারা ভাবছেন এই লোকের চেয়ে বোকা লোক আর পৃথিবীতে নেই।
কিন্তু আপনি কি জানেন এই লোকটি কে ?
এই লোকটি আর কেও নয় আপনি,আমি, সবাই! অবাক হলেও এটাই সত্য। আমরাও দুনিয়াতে এসেছি শুধু কিছু সময়ের জন্য।
১ম ট্রেন আমাদের জন্ম,
২য় ট্রেন আমাদের মৃত্যু এবং আমাদের গন্তব্য জান্নাত অথবা জাহান্নাম। আর দুনিয়ার জীবন হচ্ছে ওয়েটিংরুম যেখানে আমরা মাত্র কিছু সময় থাকবো। অথচ আমরা এই দুনিয়ার জীবনকেই এমনভাবে সাজাচ্ছি যে, আমরা ভুলেই গেছি আমাদের মৃত্যু খুব সন্নিকটে এবং আমাদের এই সাজানো গোছানো দুনিয়ার সবকিছু ছেড়ে মৃত্যু নামক ট্রেনে চড়ে চলে যেতে হবে। আমরা এই ওয়েটিং রুম সাজিয়ে কয় মিনিট ভোগ করতে পারবো?
তাই আমাদের এই ইহকালের জন্য জীবনকে সুখী করতে হারাম কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে ও পরকালের জন্য ইবাদত করতে হবে। যাতে করে আমরা পরকালে চিরশান্তির স্থান জান্নাত লাভ করতে পারি।
No photo description available.
All reactions:

পিংক সল্ট খাও

 The pink Himalayan salt contains 84 minerals inside, such as fluoride, borate, sulfate, bicarbonate, potassium, bromide, strontium, and magnesium.

Therefore the Himalayan salt is able to easily regulate the electrolytes in our body, accelerate our metabolism, balance our pH levels and fluids, hydrate our body, strengthen our bones, boost the libido, prevent from muscle cramps, boost blood circulation, decelerates aging, and cleanses our body from heavy metals, toxins and chemicals.
This salt is coming from the salty water body, but this form is the purest one. Also it contains natural iodine, even though that the sea salt contains the same components too, this salt has a crystal structure, which makes it very low in sodium, compared to the sea salt.
If we compare it to the table salt, which is processed a lot and from that process it is stripped from all beneficial minerals, and is chemically bleached, its structure is also destroyed from the exposure to the high temperatures. This salt cannot dissolve in our body, just like it won’t dissolve in the foods, and the iodine that is contained in this salt is added artificially.
You can add the pink Himalayan salt to your meals as well, to your meat dishes, to your fish, or to your delicious fresh green salad. But this is not its only use, you can also use it for:
Purifying the Air
The Himalayan crystal rock lamps are very popular and also very beneficial. They are very good to cleanse the air in your home from toxins, therefore preventing from many respiratory health issues.
Baths
Adding a little bit of pink Himalayan salt into your warm bath and soaking inside, will detoxify your body, optimize your levels of minerals in your body, as well as soothe any pain.
Decoration
Also placing a small decorative container with pink Himalayan salt in your living room, will look very decorative and will cleanse the air as well.
Also we highly recommend this beneficial recipe for poultry with some pink Himalayan salt:
Ingredients:
A gallon of water
1 tablespoon of grated lemon zest
3 ounces of sugar
3 ounces of Himalayan salt
Instructions:
Put the water in a pot, put it on heat and when it starts to boil add all of the ingredients inside to dissolve. Then when the ingredients are completely dissolved, leave the mixture to cool down for six hours. Then you can soak the port in the brine or the poultry to sit from 6 to 8 hours, then put it in the fridge to chill a little bit, for a couple of hours, after that you may roast it.
May be an image of text that says "THIS IS HOW A1/4 TEASPOON OF HIMALAYAN SALT FIGHTS MUSCLE PAIN, TOXINS AND BELLY FAT"
All reactions:

বিরিয়ানী জিন্দাবাদ

 ভারতে ইফতারে বিরিয়ানি কেন এত জনপ্রিয়?

পবিত্র রমজান মাসে রোজা রাখার পর পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন বা বন্ধুদের সঙ্গে ইফতার করতে পছন্দ করেন অনেকেই। সেটা বাড়ি হোক কিংবা মসজিদে। ইফতারে ভারতে অনেকেই পাতে একটি বিশেষ খাবার তুলে নিতে পছন্দ করেন। খাবারটি বিরিয়ানি।
বাড়ি কিংবা রেস্তোরাঁ—ইফতারে হরেক পদের রান্না হয়। আর টেবিলে বিরিয়ানি থাকাটা ভিন্ন একটা আমেজ যুক্ত করে। শুধু ভারত নয়, পুরো উপমহাদেশে পবিত্র রমজান মাসে বিরিয়ানির কদর বেড়ে যায়।
সুগন্ধি চালের সঙ্গে হরেক পদের মাংস (মুরগি, গরু, খাসি, ভেড়া) দই, বিভিন্ন মসলা মিশিয়ে রান্না করা হয় বিরিয়ানি। অনেকে আবার চিংড়ি কিংবা মাছ দিয়েও বিরিয়ানি রাঁধেন। এ উপমহাদেশে বিরিয়ানি একটি অভিজাত খাবার হিসেব পরিচিত। একসময় মোগলদের হাত ধরে ভারতবর্ষে আসে রাজকীয় খাবার বিরিয়ানি। তবে এখন খাবারটি ভারতের ঐতিহ্যের অংশ হয়ে গেছে।
অভিজাত আওলাদ পরিবারের সন্তান মনজিলাত ফাতিমা পেশায় আইনজীবী। পাশাপাশি কলকাতায় মনজিলাত’স রেস্টুরেন্ট নামে একটি রেস্তোরাঁ চালান তিনি। ফাতিমা বলেন, বিরিয়ানি এমন একটি খাবার, যার সঙ্গে আর কিছু খাওয়ার দরকার পড়ে না। সঙ্গে শুধু একটুখানি পুদিনার রায়তা হলেই চলে। সারা বছরই মানুষ বিরিয়ানি খেতে পছন্দ করেন। তবে উৎসব-আয়োজনে কদর বেড়ে যায়।
ফাতিমা আরও বলেন, রোজায় ইফতারে বিরিয়ানি খেতে বেশি পছন্দ করে মানুষ। কেননা এ সময় মানুষ এমন খাবার খোঁজেন যেটা তৃপ্তিদায়ক, সহজে রান্না করা ও খাওয়া যায়।
ভারতীয় উপমহাদেশে বিরিয়ানির ইতিহাস খুঁজতে গেলে বহু শতাব্দী আগে যেতে হবে। ২০১৭ সালে প্রকাশিত নিজের কুকবুকে প্রতিভা কারণ লিখেছেন, ১৬ শতকে মুসলিম শাসকেরা ভারতে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। ওই সময় তাঁরা পারস্য থেকে ভারতবর্ষে বিরিয়ানি বানানোর কৌশল নিয়ে আসেন। বিরিয়ানি শব্দটি ফারসি ‘বিরিঞ্জ’ শব্দ থেকে এসেছে। এটি ভাতের ফারসি প্রতিশব্দ। মূলত রাজা-অভিজাত ব্যক্তিদের জন্য জাফরান ও ক্রিমের মতো দামি উপাদান মিশিয়ে এই খাবার রান্না করা হতো।
বিরিয়ানি জনপ্রিয় করার পেছনে মুমতাজ মহলের ভূমিকার কথা বলেন অনেকে। তিনি মোগল সম্রাট শাহজাহানের স্ত্রী ছিলেন। ১৭ শতকে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঐতিহাসিক তাজমহল নির্মাণ করা হয়েছিল। কথিত আছে, মুমতাজ মহল একবার সেনা ব্যারাক পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেখানে শীর্ণকায় মোগল সেনাদের দেখে তিনি বিশেষ ও সুষম খাবার খাওয়ানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। সম্রাজ্ঞীর নির্দেশে পরে সেনাদের বিরিয়ানি খাওয়ানো হতো।
তবে বেশির ভাগ খাবারবিশারদ ও পুষ্টিবিদেরা মনে করেন, বিরিয়ানির উৎপত্তি ইরানে। পরে সেখান থেকে নানান জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে খাবারটি। মূলত বিরিয়ানি বানানোর উপাদান দেখে তাঁরা মনে করেন যে এটা ইরানের খাবার।
যুক্তরাষ্ট্রে বিরিয়ানি ও কাবাবের ক্যাটারিং ব্যবসায়ী হালা পারভেজ বলেন, ফারসি শব্দ বিরিঞ্জ থেকেই বিরিয়ানি শব্দ এসেছে। এর অর্থ ফ্রায়েড রাইস। তিনি বলেন, ভারতীয় উপমহাদেশ সমৃদ্ধ এ খাবারটিকে নিজেদের করে নিয়েছে। সেই সঙ্গে এটিকে আঞ্চলিকভাবে রান্না করে ৫০০টির মতো বৈচিত্র্য তৈরি করেছে।
মোগলদের হাত ধরে ভারতে বিরিয়ানি রান্নার কৌশল ও উপাদান—দুটিই আসে। কোমল হলুদ রং ও সুগন্ধির জন্য মোগলরা এতে জাফরান মিশিয়েছিল। আর স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করত দই। মোগলরাই শিখিয়েছিল, কীভাবে কম আঁচে, মুখবদ্ধ পাত্রে চাল, মসলা আর মাংসের মিশেলে ধীরে ধীরে বিরিয়ানি রান্না করতে হয়। এ কৌশলকে বলা হয়, ‘দমে রাখা’।
১৮ শতকে এসে আওয়াধ রাজ্য ও হায়দরাবাদের রাজকীয় বাবুর্চিরা বিরিয়ানি রান্নার নিখুঁত কৌশল বের করেছিলেন। তবে ভারতবর্ষের অন্যান্য এলাকার মানুষ বিরিয়ানির নিজস্ব স্বাদ পেতে নিজস্ব উপাদান যোগ করে স্বতন্ত্র রন্ধনকৌশল উদ্ভাবন করেছিল।
আওয়াধি বিরিয়ানি ভারতে জনপ্রিয় বিরিয়ানিগুলোর অন্যতম। ফাতিমা বলেন, ১৭৮৪ সালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের সময় আওয়াধের মুসলিম নবাব আসাফ-উদ-দৌলা লক্ষ্ণৌতে ‘আসাফি ইমামবারা’ নির্মাণ শুরু করান। ওই সময় কর্মযজ্ঞে নিয়োজিত ২০ হাজার শ্রমিককে চাল দিয়ে তৈরি একধরনের ভারী খাবার দেওয়া হতো। যাতে বিশেষ এ খাবার খেয়ে শ্রমিকেরা দীর্ঘক্ষণ কাজ করতে পারেন। দীর্ঘ সময় তাঁদের পেট ভরা থাকে। এটা ছিল বিরিয়ানি।
ফাতিমা আরও বলেন, শ্রমিকদের জন্য রান্না করা বিরিয়ানির ঘ্রাণ নবাবকেও মুগ্ধ করেছিল। বিরিয়ানিতে মজেছিলেন তিনিও। নবাবের পাতে ওঠার মধ্য দিয়ে বিরিয়ানি অচিরেই রাজকীয় মর্যাদা লাভ করে। যদিও নবাবের পাতে দেওয়ার জন্য বিরিয়ানি থেকে শাকসবজি বাদ দেওয়া হয়েছিল। আর স্বাদ বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল ক্রিম ও জাফরান।
১৮৫৬ সালে আওয়াধের দশম নবাব ওয়াজিদ আলি শাহকে ব্রিটিশরা নির্বাসনে পাঠান। তিনি লক্ষ্ণৌ থেকে কলকাতায় চরে আসেন। সঙ্গে আনেন বিরিয়ানি রান্নার কৌশল। তিনি কলকাতার বাবুর্চিদের বিরিয়ানিতে আলু যোগ করতে বলেন। ভারতজুড়ে এখন আলু খুবই সাধারণ ও প্রচলিত একটি সবজি। কিন্তু তখন ভারতীয়দের রসুইঘরে আলু এতটা প্রচলিত ছিল না।
এখন ভারতীয়দের কাছে বছরজুড়ে বিরিয়ানি খুবই জনপ্রিয় খাবার। ভারতে অনলাইনে খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সুইগি বলছে, তাদের প্ল্যাটফর্মে নানা পদের খাবার সরবরাহ করা হয়। তবে টানা আট বছর ধরে সবচেয়ে বেশি অর্ডার আসছে বিরিয়ানির। ২০২৩ সালে সুইগি প্রতি মিনিটে ১৫০টি বিরিয়ানির অর্ডার পেয়েছে।
সূত্র: বিবিসি
May be an image of 2 people and biryani
All reactions:

রোজা মাকরুহ হয় যেসব কারণে

 ১. গড়গড়াসহ কুলি করা : রোজা থাকা অবস্থায় গড়গড়াসহ কুলি করা এবং নাকের গভীরে পানি পৌঁছানো মাকরুহ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তুমি ভালোভাবে অজু করো এবং নাকের গভীরে পানি পৌঁছাও, যদি না তুমি রোজা থাকো। (সুনানে নাসায়ি, হাদিস : ৮৭)

২. বিনা প্রয়োজনে খাবারের স্বাদ নেওয়া : খাবারের স্বাদ গ্রহণ করা খাবার খাওয়ার সদৃশ। তাই বিনা প্রয়োজনে কেউ রোজা রেখে খাবারের স্বাদ নেবে না। কিন্তু যদি বিশেষ প্রয়োজন হয়—যেমন অসুস্থ ব্যক্তি বা শিশুর জন্য খাবার তৈরি করা, তবে তা মাকরুহ হবে না।
৩. রোজা অবস্থায় মুখে থুথু জমিয়ে তা গিলে ফেলা মাকরুহ।
৪. রোজা অবস্থায় পেস্ট বা এমন ঝাঁজযুক্ত মাজন দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করা মাকরুহ। তবে মিসওয়াক করা জায়েজ।
৫. দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা থাকলে শিঙা লাগানো মাকরুহ।
৬. কামাসক্ত হওয়ার ভয় থাকলে স্ত্রীকে স্পর্শ করা, চুম্বন করা বা অনুরূপ কোনো স্বামী-স্ত্রীসুলভ আচরণ করা মাকরুহ।
৭. সন্দেহযুক্ত সময় পর্যন্ত বিলম্ব করে সাহরি খাওয়া মাকরুহ।
৮. সাহরি ও ইফতার ছাড়া ধারাবাহিকভাবে একাধিক দিনে রোজা রাখা মাকরুহ।
৯. বেশি কষ্ট হলে মুসাফিরের জন্য রোজা রাখা মাকরুহ।
১০. রোজা অবস্থায় মুখে পানি নিয়ে বারবার কুলি করা, মাথায় পানি ঢালা এবং ভেজা কাপড় শরীরে জড়িয়ে রাখা মাকরুহ।
সূত্র : দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম
May be an illustration of African violet and scorpion grass
All reactions:

Instant energy foods

 1. Bananas: They're rich in carbohydrates, natural sugars, and potassium, providing a quick source of energy.

2. Nuts and seeds: Almonds, walnuts, and pumpkin seeds are packed with healthy fats, protein, and fiber, offering sustained energy.
3. Oatmeal: A bowl of oatmeal provides complex carbohydrates, fiber, and B vitamins, which release energy steadily throughout the day.
4. Greek yogurt: High in protein and low in sugar, Greek yogurt can provide a quick energy boost without causing a blood sugar spike.
5. Apples: The natural sugars and fiber in apples provide a quick energy boost, and they're convenient for on-the-go snacking.
6. Dark chocolate: A small piece of dark chocolate contains caffeine and antioxidants, providing a quick energy boost and improving focus.
7. Honey: The natural sugars in honey offer a quick source of energy, and it can be easily added to snacks or beverages.
8. Whole grain bread: Complex carbohydrates in whole grain bread provide sustained energy, and it can be paired with protein-rich toppings like peanut butter for a balanced snack.
May be an image of text that says "8 foods that provide instant energy"
All reactions: