Friday, May 31, 2024

10 Psychological facts About Women In Love

 1. When a woman loves you, she seeks assurance and wants to feel like the only special person in your life.

2. Paying attention to the little details and noticing changes can make her feel valued and important.
3. Women take more time to fall in love as they process their emotions and experiences thoroughly.
4. Women in love tend to indulge and laugh at their partner's jokes, finding humor in everything.
5. Calling her by a nickname fills her with happiness and shows affection.
6. Women get protective when in love, wanting to keep their partner safe from harm.
7. Feeling bad when a partner bails in the middle of a conversation shows she values communication.
8. Women love surprises as they bring joy and enhance the relationship.
9. Feeling loved makes a woman extremely happy and adds sparkle to her life.
10. Respecting her, not taking her for granted, and making her feel cherished earns her respect and love.
PEOPLE MIND READER REFERENCE
May be an image of 1 person, blonde hair, sable coat, scarf and overcoat
All reactions:

Monday, May 27, 2024

10 habits of highly intelligent women

 Intelligence is not just about academic achievement or IQ scores. There are different types of intelligence, and everyone is intelligent in their own way. Here are 10 habits of highly intelligent women that can help you develop your own intelligence:

1. Curiosity: They are curious about their environment and the things that interest them.
2. Asking questions: They seek answers and engage with others to gain knowledge.
3. Reading: They are voracious readers and constantly seek knowledge.
4. Embracing challenges: They use their skills and experience to tackle new situations and problems.
5. Thinking: They engage in positive reasoning and meditation to gain insight.
6. Imagination: They exercise their imaginative power to come up with creative ideas.
7. Solitude: They spend time alone to reflect, meditate, and recreate themselves.
8. Socializing and networking: They understand the importance of people and relationships.
9. Playing hard: They balance work and social life and enjoy their hobbies.
10. Giving back: They understand the importance of giving back to society and helping others.
Remember, intelligence can be developed and nurtured through these habits. Engaging in these habits can help you become a highly intelligent woman.
No photo description available.
All reactions:

হেঁচকি কেন ওঠে আর থামাবেন কীভাবে?

 খাবার খাওয়ার সময়, গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজের মধ্যে অথবা অবসর কাটানোর সময় হঠাৎ হেঁচকির প্রকোপ শুরু হওয়াটা খুব সাধারণ একটি বিষয়।

এমনকি কোনো কারণ ছাড়াই যখন তখন মানুষের হেঁচকি শুরু হলে তা নিয়ে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিপাকতন্ত্রের গোলমালের কারণেই মানুষের হেঁচকি আসে।
মানুষের হেঁচকি আসে কেন?
বিজ্ঞানীরা শত শত বছর ধরে আপাতদৃষ্টিতে ক্ষতিহীন এই শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যার সুনির্দিষ্ট কারণ খোঁজার চেষ্টা করেছেন।
হেঁচকির সময় শ্বাসনালীতে সামান্য খিঁচুনির মত হয় যার ফলে শ্বাসযন্ত্রে দ্রুত বাতাস প্রবেশ করে। তখন ভোকাল কর্ড হঠাৎ বন্ধ হয়ে 'হিক' শব্দ তৈরি হয়।
ফুসফুসের নীচের পাতলা মাংসপেশীর স্তর, যেটিকে ডায়াফ্রাম বলে, হঠাৎ সংকোচনের ফলেই হেঁচকি তৈরি হয়।
হেঁচকি ওঠার একশো'র বেশি মেডিক্যাল কারণ থাকতে পারে, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেগুলো খুবই সামান্য কারণেই হয়ে থাকে।
ওষুধ নির্মাতা সংস্থা অ্যাকমে'র সিনিয়র ম্যানেজার ও চিকিৎসক আফরোজা আখতার বলেন, "হেঁচকির সবচেয়ে সাধারণ কারণ দ্রুত খাবার গ্রহণ করা।"
দ্রুত খাওয়ার কারণে খাবারের সাথে সাথে পেটের ভেতর বাতাস প্রবেশ করার কারণে 'ভ্যাগাস' নার্ভের কার্যকলাপ বাধাগ্রস্ত হয়, ফলে হেঁচকি তৈরি হয়।
চেতনানাশক, উত্তেজনাবর্ধক, পার্কিনসন্স রোগ বা কেমোথেরাপির বিভিন্ন ধরণের ওষুধ নেয়ার ফলেও হেঁচকি তৈরি হতে পারে।
এছাড়া কিছু অসুখের ক্ষেত্রেও মানুষের হেঁচকি হতে পারে।
মিজ. আখতার বলেন, "কিডনি ফেল করলে, স্ট্রোকের ক্ষেত্রে, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস বা মেনিনজাইটিসের ক্ষেত্রেও অনেকের হেঁচকি তৈরি হতে পারে।"
কিন্তু অধিকাংশ সময়ই হেঁচকি শুরু হওয়ার জন্য এসব কোনো কারণেরই দরকার হয় না।
হাসি বা কাশির মধ্যে, অতিরিক্ত মদ্যপান, অতিদ্রুত খাবার গ্রহণ করা বা ঝাঁঝসহ পানীয় বেশি পরিমাণে খেলে হেঁচকি শুরু হতে পারে, তবে কোনো ধরণের কারণ ছাড়াও হেঁচকি আসাটা একেবারেই অস্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়।
হেঁচকি ওঠাটা খুবই স্বাভাবিক একটি ঘটনা এবং সাধারণত মিনিটখানেকের মধ্যেই তা স্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছে যায়। তবে অতিরিক্ত মাত্রায় হেঁচকির উদাহরণও কিন্তু রয়েছে।
যেমন সবচেয়ে বেশি সময় ধরে হেঁচকি ওঠার বিশ্ব রেকর্ডের উদাহরণ হিসেবে মনে করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের চার্লস অসবোর্নের ঘটনাকে।
১৯২২ সালে হেঁচকি তোলা শুরু করেন তিনি, কথিত আছে সেসময় তিনি একটি শূকর ওজন করার চেষ্টা করছিলেন। মি. অসবোর্ন হেঁচকি তোলা থামান ১৯৯০ সালের ফেব্রুয়ারিতে - মোট ৬৮ বছর পর।
হেঁচকি থামানোর উপায়
ঘরোয়াভাবে হেঁচকি থামানোর প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে মূলত দুইটি মূলনীতি অনুসরণ করা হয়।
একটি হলো রক্তে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া যেন শ্বাসনালীতে খিঁচুনি বন্ধ হয়।
আরেকটি হলো শ্বাসপ্রশ্বাস ও গলধকরণের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা 'ভ্যাগাস' স্নায়ুকে উদ্দীপ্ত করা।
যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী কয়েকটি পদ্ধতিতে হেঁচকি থামানো যায়।
কাগজের ব্যাগে নিশ্বাস ফেলা (ব্যাগ মাথা দিয়ে ঢুকাবেন না)
দুই হাঁটু বুক পর্যন্ত টেনে ধরে সামনের দিকে ঝুঁকে পড়া
বরফ ঠাণ্ডা পানি খাওয়া
কিছু দানাদার চিনি খাওয়া
লেবুতে কামড় দেয়া বা একটু ভিনেগারের স্বাদ নেয়া
স্বল্প সময়ের জন্য দম বন্ধ করে রাখা
কখন চিকিৎসার পরামর্শ নিতে হবে
হেঁচকি সাধারণত আপনা থেকেই ভাল হয়ে যায়, তবে যদি অতি দীর্ঘসময় ধরে হেঁচকি উঠতে থাকে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন।
মিজ. আখতার বলেন, "হেঁচকি নিরাময়ে ঘরোয়া চিকিৎসা যদি কাজ না করে সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।"
হেঁচকির তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন মিজ. আখতার।
এছাড়া নিয়মিত হেঁচকিতে দৈনন্দিন জীবনের কার্যক্রম ব্যহত হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার উপদেশ দেন বিশেষজ্ঞরা।
সূত্র: বিবিসি
May be an image of 2 people and text that says "Breath Hiccup Glottis open Glottis closed -L Lung Diaphragm Spasm"
All reactions:

জানেন কি ? কুকুর কেন এক পা উপরে তুলে উঁচু স্থানে প্রশ্রাব করে?

 আমরা সাধারণত সবাই কুকুরের ঘ্রাণ শক্তি সম্পর্কে জানি। কারণ পুলিশ ও অনেক প্রশাসন কুকুর ব্যবহার করেই অনেক অপরাধীদের সনাক্ত করে থাকে।

কুকুর সাধারণত গাছ, দেয়াল বা এক কথায় উঁচু স্থানে এক পা উপরে তুলে প্রশ্রাব করে। আমার মতো হয়ত অনেকেরই মনে এরকম প্রশ্ন জাগতে পারে যে কুকুর কেন এমনটি করে?
সো প্রথমে বলি কুকুর কেন উঁচু স্থানে প্রশ্রাব করে?
কুকুরের এমনটি করার মাঝে যে কারণটি হতে পারে সেটি হলো - এক স্থানের কুকুর অন্য কোন স্থানের কুকুরকে তার সম্পর্কে তথ্য জানিয়ে দেয়া।
অর্থাৎ আপনার এলাকায় যখন অন্য কোন এলাকার কুকুর আসবে তখন সে আপনার এলাকার কুকুরের প্রশ্রাবের গন্ধ শুকে বুঝে নেয় এই স্থান কারো দখলে আছে। একটা কুকুর অন্য কুকুরের প্রশ্রাবের গন্ধ শুকে এটাও অনুধাবন করতে পারে যে, সে কতটা শক্তিশালী। এ কারনে গন্ধ শুকে সে যখন বুঝতে পারে যে এই স্থানের কুকুর দুর্বল তখন সে এ স্থানের কুকুরের উপর আক্রমণ করে এবং সব খাবার লুট করে নেয়।
এবার আসি কুকুর কেন এক পা উপরে তুলে প্রশ্রাব করে?
একটু খেয়াল করলে দেখতে পারবেন - কুকুর কিন্তু জন্মের পর থেকেই এক পা উপরে তুলে প্রশ্রাব করে না। তারা যখন একটা নির্দিষ্ট বয়সে পৌছায় তখন থেকেই এক পা উপরে তুলে প্রশ্রাব করে। অর্থাৎ প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় পর থেকেই কুকুর এমনটি করে থাকে । সুতরাং যদি দেখেন কোনো কুকুর এক পা উপরে তুলে প্রশ্রাব করছে তখন বুঝে নেবেন কুকুরটি প্রাপ্তবয়স্ক হয়েছে।
Why Do Male Dogs Lift Legs and Females Squat to Pee?
It’s a fact: Every dog pees. Most males lift their legs to do it, and many females squat to get the job done. Though both behaviors are necessary, some females raise a rear limb while urinating, too. But why do certain dogs choose specific pee postures?
Why Do Dogs Lift Their Legs to Pee?
“Urinating in both male and female dogs has several purposes,” says Dr. Mary Burch, Ph.D., certified applied animal behaviorist and director of the Canine Good Citizen Program. “The two main functions are eliminating urine and marking territory.”
Canine urine contains tiny odor molecules that tell other animals that a dog is present and the territory is off-limits. Because dogs rely on their sense of smell to figure out their surroundings, they quickly pick up the message to keep away. To express their ownership of a particular area, dogs pee on it.
Some may lift their legs as high as possible to mark their scent on elevated surfaces like trees, fire hydrants, or posts. Peeing at this elevation lets the dog leave their message near nose level, which makes it easy for other dogs to discover. The urine dribbles down and covers a larger area than if left on the lawn. The spread helps maximize the scent they leave behind.
“When dogs walk by an elevated pee station, they can more easily smell urine on a vertical surface than on a flat surface,” Burch says. For other dogs who stop and sniff the lofty scene, the pungent aroma may also signal that the urinating dog is bigger.
Dogs looking for a challenge will pee on top of another dog’s potty spot. Rather than lifting a leg, some dogs prefer to lean their bodies forward when peeing and extend their hind legs back on the ground. “Male dogs who don’t lift a leg and opt for squatting do so because the position often causes discomfort on their rear leg joints or after experiencing hip or knee surgery,” Burch says.
Female Dogs’ Pee Postures
“Females usually squat to urinate because they can stay cleaner than if they lifted a leg,” Burch says. “Males try to point the pee away from their legs to keep them clean.”
Dogs looking for a challenge will pee on top of another dog’s potty spot. Rather than lifting a leg, some dogs prefer to lean their bodies forward when peeing and extend their hind legs back on the ground. “Male dogs who don’t lift a leg and opt for squatting do so because the position often causes discomfort on their rear leg joints or after experiencing hip or knee surgery,” Burch says.
Other female dogs lift their legs to pee. They will assume this position for several reasons. For one, the raised stance may feel more comfortable than squatting. While exercising outside their home, some female dogs prefer a different body stance for bathroom breaks. Intact females may mark with lifted legs during heat cycles. This gets the word out to receptive males that mating season has begun.
Female dogs also raise a leg to pee if they feel anxious and want to establish their territory. The female’s size may explain whether she is a squatter or a stand-up pee machine. Smaller females tend to lift their legs, while medium- and large-size females often do not. Other females will raise a leg while urinating to mark their territory.
Maturity and Leg Lifting
“Before they mature, male dogs will squat to urinate, but once they reach adolescence, the leg will go up,” says Dr. Jerry Klein, Chief Veterinary Officer for the AKC. “The age of maturity varies from dog to dog, but generally it begins at about six months old in smaller dogs and about eight to twelve months in larger male dogs.”
Leg lifts may stop due to medical conditions. “If a male dog is neutered(প্রজনন অঙ্গ অপসারণ) early in life, they may not have the hormonal influence that affects this behavior,” Klein says. “An older, arthritic dog may urinate by squatting rather than lifting its leg because it feels painful.”
Pee posture largely depends on your dog. If you see them doing something that seems out of the ordinary, or they are struggling to urinate, contact your vet.
American Kennel Club
নিজ পাঠ
May be an image of dog
All reactions:

Sunday, May 12, 2024

ছোটবেলার অপর্যাপ্ত ঘুম

 Lack of sleep in children linked to risk of developing psychotic disorder in adulthood

বাচ্চাদের ঘুম নিয়ে মায়েদের নানা রকম অভিযোগ থাকে। কেউ রাতে একেবারেই ঘুমোতে চায় না। কোনওটির ঘুম আবার ভীষণ পাতলা। দিনের বেলা ঘুমিয়ে নিয়ে যে সেই ঘাটতি পূরণ হয়, তা নয়। দিনের পর দিন অপর্যাপ্ত ঘুম হলে বয়ঃসন্ধিতে ‘সাইকোটিক ডিজ়অর্ডার’ আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অন্তত সাম্প্রতিক গবেষণা তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
মাস ছয়েকের শিশু থেকে সাত বছর বয়সি ১২,৪০০ শিশুর ঘুমের স্বাভাবিক প্রবণতা নিয়ে ইংল্যান্ডের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একদল বিজ্ঞানী এই গবেষণা করেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, ছোটবেলায় কম ঘুমোলে বয়ঃসন্ধিতে কল্পনার জগতে বিচরণ করা বা ‘হ্যালুসিনেট’ করার প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে যাকে ‘সাইকোটিক ডিজ়অর্ডার’ বলা হয়। ‘জার্নাল অফ আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন সাইকিয়াট্রি’-তে সেই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে।
শরীর ও মনের সার্বিক সুস্থতায় পর্যাপ্ত ঘুমের গুরুত্ব রয়েছে। এক জন পূর্ণবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে প্রতি দিন অন্তত ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুমের প্রয়োজন। তবে, শিশুদের ঘুমের চাহিদা একটু বেশি। শিশুদের মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত প্রয়োজন। তা হলেই বিপত্তি! বাচ্চারা কম ঘুমোলে পাল্টে যেতে পারে মস্তিষ্কের গড়ন। স্মৃতিশক্তিও ফিকে হয়ে যেতে পারে। মেধা কমে যাচ্ছে। স্থায়ীভাবে মস্তিষ্কের এই গড়ন পাল্টে যাওয়ার জেরে শিশুদের কেউ অবসাদে ভুগছে, কেউ আলস্যে, কেউ আবার কৈশোরেই নেশায় আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। এমনটাই জানা গিয়েছে সম্প্রতি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সমীক্ষায়।
গবেষকরা জানিয়েছেন, কম ঘুমোলে মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে, আর ঘুমের ‌মধ্যেই মস্তিষ্কের স্মৃতি সঞ্চয় হয়। সারাদিন ধরে আমরা যা শিখছি তা সবই যে মস্তিষ্কের একদিকে জমা হয় তেমনটা কিন্তু নয়। বিষয় নিরিখে ভিন্ন প্রকোষ্ঠে তা সঞ্চিত হয়। ইতিবাচক স্মৃতিগুলি হিপোক্যাম্পাস অংশে জমে। আর নেতিবাচক স্মৃতিগুলি অ্যামিগডালা অংশে সঞ্চিত হয়। ঘুম কম হলে হিপোক্যাম্পাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই গঠনমূলক চিন্তা ভাবনাগুলি বেশি দিন মাথায় থাকতে চায় না।
anandabaza
May be an image of 1 person, child, smiling and bedroom
ll reactions:

No Sugar Diet

 বেশি চিনি খাওয়া যে স্বাস্থ্যের পক্ষে তেমন ভাল নয়, এ কথা তো সকলেরই জানা। তবু মাঝে মধ্যে তো মিষ্টি খেতে ইচ্ছা করে। লোভ সামলাতে না পারলে মিষ্টি খাওয়া হয়েই যায়। আবার, সচেতন ভাবে ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন কেউ কেউ। চিনি দেওয়া কোনও খাবারই খেতে চান না তাঁরা। যে সব খাবারে চিনি ‘লুকোনো’ থাকে, মুখরোচক সেই সব খাবারকেও ব্রাত্য করে রেখেছেন। স্থূলত্ব, ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার আরও একটি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কারণ হল চিনি। হঠাৎ করে চিনি খাওয়া বন্ধ করলে তার প্রভাব কিন্তু শরীরে পড়ে। জানেন সেগুলি কী?

১) চিনি দেওয়া খাবার খাওয়া বন্ধ করলে ওজন ঝরানো সহজ হবে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মিষ্টি দেওয়া খাবার না খাওয়ার অভ্যাফ দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
২) অনেক সময়ে কাজের প্রতি অনীহা আসে। শরীরে শক্তির অভাব হয়। এক মাস চিনি খাওয়া বন্ধ করে দেখুন, শরীরে স্ফূর্তি বাড়বে। কর্মক্ষমতাও বাড়বে।
৩) দাঁতের সমস্যা রোধ করতে চিনি খাওয়ার পরিমাণ কমাতে হবে। মিষ্টিজাতীয় খাবার বেশি খেলে মুখের মধ্যে ব্যাক্টেরিয়ার বাড়বাড়ন্ত হয়। যার ফলে দাঁত, মাড়ির সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।
৪) ত্বকের প্রদাহজনিত সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে অতিরিক্ত চিনি খাওয়া বন্ধ করতে হবে। শুধু তা-ই নয়, ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া থেকেও বাঁচাবে চিনি খাওয়ায় রাশ টানা। এর ফলে ত্বকের টান টান ভাবও বজায় থাকবে।
৫) হার্টের রোগের ঝুঁকিও বাড়ে বেশি চিনি খেলে। হার্টের রোগের ঝুঁকি কমাতে চিনি খাওয়া বন্ধ করে দিতে পারেন। লিভারের রোগ ঠেকাতেও চিনি খাওয়া বন্ধ করার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদেরা।
anandabazar
May be an image of flower, stone-fruit tree and fog
ll reactions:

৩৫ বছর বয়সের ওপরে মা হওয়া কতটা ঝুঁকিপূর্ণ

 একজন নারীর মা হওয়ার সক্ষমতা তাঁর বয়স এবং শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নারীর দেহে ডিম্বাণুর সংখ্যা কমতে থাকে। একই সঙ্গে কমতে থাকে তাঁর মা হওয়ার সম্ভাবনা। মা হওয়ার সঠিক বয়স কোনটা? কত বয়স পর্যন্ত একজন নারী মা হতে পারেন? কোন বয়সে মা হওয়াটা ঝুঁকিপূর্ণ? চলুন জেনে নেওয়া যাক—

বয়ঃসন্ধির শুরুতে একজন কিশোরীর দেহে তিন থেকে পাঁচ লাখ ডিম্বাণু থাকতে পারে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিম্বাণুর সংখ্যা কমতে থাকে। একজন নারীর বয়স যখন ৩৭ বছর, সংখ্যাটা কমে তখন ২৫ হাজারে এসে দাঁড়ায়। ৫১ বছর বয়সে পৌঁছতে পৌঁছতে তা নেমে হয় এক হাজার বা তারও কমসংখ্যক। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাই প্রাকৃতিক উপায়ে (অর্থাৎ কোনো ধরনের চিকিৎসাপ্রযুক্তির সহায়তা ছাড়া) মা হওয়ার সম্ভাবনা কমতে থাকে। ৩০ বছর বয়স হওয়ার আগে একজন নারীর প্রাকৃতিক উপায়ে মা হওয়ার সম্ভাবনা যেখানে থাকে ৮৫ শতাংশ, ৩০ বছর বয়সেই তা নেমে আসে ৭৫ শতাংশে। ৩৫ বছর বয়সে পৌঁছে মা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে ৬৬ শতাংশ, ৪০ বছর বয়সে মাত্র ৪৪ শতাংশ।
বেশি বয়সে গর্ভধারণ করতে চাইলে অনেক সময় তা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই চিকিৎসাপ্রযুক্তির সহায়তা নিতে হয়। তবে বয়স যত বাড়ে, প্রযুক্তি সফল হওয়ার সম্ভাবনাও কিন্তু ততই কমে। তাই ৭০ বছর বয়স পেরোনোর পর মা হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল।
৩৫ বছরের পর মা হওয়ার অর্থ হলো আপনি এমনিতেই ‘একটু বেশি বয়সী’ মা হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণদের তালিকায় ঢুকে যাচ্ছেন। তাই এই বয়সে মা হওয়ার ভালো সম্ভাবনা থাকলেও ঝুঁকিগুলো বিবেচনায় রাখুন। এই বয়সী মায়েদের গর্ভপাত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। এমনকি প্রসবের কাছাকাছি সময়ে গিয়েও গর্ভের সন্তানের মৃত্যু হতে পারে। তা ছাড়া বেশি বয়সে গর্ভধারণ করলে সন্তানের জিনগত সমস্যার ঝুঁকিও বেশি থাকে। বেশি বয়সে মা হলে মায়ের নিজেরও কিছু শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে, যেমন গর্ভকালীন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং প্রি-এক্লাম্পসিয়া। আবার মায়ের নানাবিধ জটিলতার কারণে অপরিণত অবস্থায় গর্ভের সন্তানের জন্ম হতে পারে।
বয়সের সঙ্গে সঙ্গে মাতৃত্বের সম্ভাবনা যেমন কমে, তেমনি আবার বেশি বয়সে সন্তান গর্ভে এলে মা এবং সন্তানের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে। তবে আপনি যে বয়সেই মা হতে চান না কেন, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকুন। মাতৃত্বজনিত জটিলতা যেকোনো বয়সেই হতে পারে। তাই সব বয়সী অন্তঃসত্ত্বা নারীরই বাড়তি যত্নের প্রয়োজন। আর মা হওয়ার পরিকল্পনা করলে তার তিন মাস আগে থেকেই ফলিক অ্যাসিড গ্রহণ শুরু করা আবশ্যক।
সূত্র: হেলথ লাইন
May be an image of flower and stone-fruit tree
ll reactions: