Tuesday, November 5, 2024

আমার কি কিছু আছে?

 পরের জায়গা পরের জমিন, ঘর বানাইয়া আমি রই

আমি তো সেই ঘরের মালিক নই
ঘরখানা যার জমিদারি
আমি পাই না তাহার হুকুম জারি
সেই ঘরখানা যার জমিদারি
আমি পাই না তাহার হুকুম জারি
আমি পাই না জমিদারের দেখা
পাই না জমিদারের দেখা, মনের দুঃখ কারে কই
জমিদারের ইচ্ছামতো দেই না জমি চাষ
তাই তো ফসল ফলে না রে, দুঃখ ১২ মাস
খাজনাপাতি সবই দিলাম
তবু জমিন আমার হয় যে নিলাম
আমি চলি যে তার মন জোগাইয়া
চলি যে তার মন জোগাইয়া, দাখিলায় মেলে না সই
আমি তো সেই ঘরের মালিক নই।
All reactions:
You, Atowar Khan and Lulu Bilkis Khanom

মানুষকে সতর্ক করুন

 মানুষের জন্য এটা কি আশ্চর্যের বিষয় যে, আমরা তাদেরই একজনের কাছে অহি পাঠিয়েছি এ মর্মে যে, আপনি মানুষকে সতর্ক করুন এবং মুমিনদের সুসংবাদ দিন যে, তাদের জন্য তাদের রবের কাছে আছে উচ্চ মর্যাদা। কাফিররা বলে, এ তো এক সুস্পষ্ট জাদুকর। -(সূরা ইউনুস-১০:২)

আল হাদীস
মুআবিয়া বিন হাকাম সুলামির হাদিসে বর্ণিত-তিনি বলেন, উহুদ ও জাওয়ানিয়াহর মধ্যবর্তী জায়গায় আমার কিছু ছাগল ছিল, যার দেখাশোনা করত আমারই এক ক্রীতদাসী। একদিন সে পাল ছেড়ে দিলে অকস্মাৎ এক নেকড়ে এসে একটি ছাগল নিয়ে চম্পট দেয়। আমি আদম সন্তানের অন্যতম মানুষ; মনস্তাপ ও ক্রোধে দাসীকে চপেটাঘাত করলাম। এরপর নবী সা:-এর কাছে এসে সে কথার উল্লেখ করলে তিনি তা আমার জন্য বড় গুরুতর মনে করলেন। আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি ওকে মুক্ত করে দেবো না কি?’ তিনি বললেন, ওকে ডাকো। আমি ওকে ডেকে আনলে তিনি ওকে প্রশ্ন করলেন, আল্লাহ কোথায়? দাসীটি বলল, ‘আকাশে’। তিনি আবার প্রশ্ন করলেন, আমি কে? সে বলল, ‘আপনি আল্লাহর রাসূল’। তিনি বললেন, ওকে মুক্ত করে দাও; যেহেতু ও মুমিন নারী।
-(মুসলিম-১২২৭, আবু দাউদ-৯৩১, নাসাঈর কুবরা-১১৪১ প্রভৃতি)
 and 1 other

৫ পরিস্থিতিতে মুমিনের কান্না

 মানুষ বিভিন্ন কারণে কান্না করে। নিচে কয়েক ধরনের কান্না সম্পর্কে আলোচনা করা হলো—

এক. মুসিবতের কান্না
এটা সবাই জানেন, মানুষ মুসিবতে পড়লে ছোট-বড়, নারী-পুরুষ সবাই কান্না করে থাকে।
হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর শিশুপুত্র ইবরাহিমের মৃত্যুর সময় কান্নারত অবস্থায় বলেছেন, ‘চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরে, হৃদয় ব্যথিত হয়। তবে আমরা তাই বলি যার ওপর আমাদের সব সন্তুষ্টি। আর তোমার বিচ্ছেদে আমরা ব্যথিত।’ (বুখারি, হাদিস : ১৪০৭)
দুই. বিচ্ছেদের কান্না
আপনজন ও প্রিয়জনের বিচ্ছেদে মানুষ কান্না করে থাকে।
ইয়াকুব (আ.) আপন সন্তান ইউসুফ (আ.)-এর বিচ্ছেদে কান্না করেছেন। কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘আর তার চোখ দুটি কাঁপতে কাঁপতে সাদা হয়ে গিয়েছিল এবং তার হৃদয় চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাচ্ছিল।’ (সুরা : ইউসুফ, আয়াত : ৮৪)
তিন. তিলাওয়াতের কান্না
এমন অনেক সৌভাগ্যবান ব্যক্তি আছেন, যাঁরা কোরআন তিলাওয়াতের সময় কান্না করেন। এ সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা কেঁদে কেঁদে কোরআন তিলাওয়াত করো, যদি কান্না না আসে তাহলে কান্নার ভান ধরো।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৩৩৭)
ইমাম গাজ্জালি (রহ.) বলেন, সাহাবায়ে কিরামের কোরআন তিলাওয়াতের সময় আচার্যজনক অবস্থা সৃষ্টি হতো, সাহাবিদের ভেতর কেউ তিলাওয়াতের সময় কান্না করতেন, কেউবা আবার বেহুঁশ হয়ে যেতেন, আবার কেউ এই বেহুঁশের মধ্যেই চিরবিদায় হয়ে যেতেন।
(খুতবাতে জুলফিকার : ৪/১৭৯)
চার. গুনাহের কথা স্মরণ করে কান্না
যাপিত জীবনে কমবেশি সবাই গুনাহ করে থাকে, তবে গুনাহের কথা স্মরণ করে কান্না করা এক অনন্য গুণ। যে ব্যক্তি আপন গুনাহের কথা স্মরণ করে কান্না করে, আল্লাহ তাআলা তার ওপর সন্তুষ্ট হয়ে যান। এ সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলার কাছে দুটি ফোঁটা অত্যন্ত প্রিয়। এক. আল্লাহ তাআলার ভয়ে যে অশ্রু ফোঁটা ঝরে। দুই. আল্লাহ তাআলার রাস্তায় যে অশ্রু ফোঁটা ঝরে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৬৩৯)
পাঁচ. আল্লাহর ভয়ে কান্না
চোখের সদ্ব্যবহারের একটি অনন্য দিক হলো, আল্লাহর ভয়ে কান্না করা। তা ছাড়া আল্লাহর ভয়ে কান্না করা মুমিনের একটি বিশেষ গুণ এবং একনিষ্ঠতার বড় প্রমাণও। আল্লাহর ভয় ঈমানের অপরিহার্য উপাদান। কেননা ঈমান হলো আশা ও ভয়ের ভেতরে। নবী-রাসুলদের বৈশিষ্ট্যের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন, ‘এরা সৎ কাজে ছিল ক্ষিপ্রগতি, তারা আমাকে ডাকত আশা নিয়ে ও ভীত হয়ে, আর তারা ছিল আমার প্রতি বিনয়ী।’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ৯০)
আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় হচ্ছে তাঁর ভয়ে অশ্রুপাত করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তিনটি চোখ জাহান্নামের আগুন দেখবে না। যে চোখ আল্লাহর রাস্তায় পাহারাদারি করে, যে চোখ আল্লাহর ভয়ে কাঁদে, যে চোখ আল্লাহ কর্তৃক নিষিদ্ধ জিনিস দেখে ক্ষুব্ধ হয়।’ (আল মুজামুল কাবির লিত তিবরানি, হাদিস : ১০০৩)
আল্লাহ তাআলা আমাদের তাঁর জন্য কান্না ও অশ্রুপাত করে চিরস্থায়ী জীবনের সফলতা অর্জনের তাওফিক দান করুন।
ছবির কথাঃ
wa lam akum bidu'aaa'ika Rabbi shaqiyyaa
May be an image of text
Dhms

শিক্ষণ ও শিক্ষণ পরবর্তী জীবন

 The Journey of Two Lives

We all live two lives. In the first, we make mistakes, face hardships, and gather lessons that shape us. It's the life of learning, growth, and self-discovery. Then comes the second—a life where we apply that wisdom, savor the peace that understanding brings, and live more authentically. This second life feels lighter, clearer, and truer.
May be a doodle of 1 person and text
hms

সমস্যাগুলোকে সক্ষমতার সাথে মোকবেলার মধ্যেই সুখ নিহিত

 সমস্যাগুলোকে সক্ষমতার সাথে মোকবেলার মধ্যেই সুখ নিহিত।

হৃদয়ের মাঝে পাশাপাশি আছে
গুপ্ত দুখানি ঘর
দুঃখ ও সুখ বাস করে তাহে
যমজ দু সহোদর।
সুখ জেগে ওঠে আপনার মনে
খেলে গো আপন ঘরে
দুরন্ত ছেলে দুঃখ এখনো
ঘুমাইছে অবসরে।
ওরে সুখ! তুই চুপি চুপি খেল,
করিসনে কলরব
-এখনি দুঃখ জাগিয়া উঠিবে
করিবে উপদ্রব।
May be a doodle of text
hms

REAL DOPAMINE Addiction

 REAL DOPAMINE Addiction

🧠✨
May be an image of text
ms

Sunday, November 3, 2024

আল কুরআনে ইশারা ভাষা

 পারস্পরিক যোগাযোগ ছাড়া পৃথিবীতে জীবন যাপন করা প্রায় অসম্ভব। আর পারস্পরিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম মানুষের মুখের ভাষা, কিন্তু মানুষ সব সময় কথা বলতে সক্ষম হয় না। জন্মগত ত্রুটির কারণে বহু মানুষ কথা বলতে পারে না। আবার অনেকে দুর্ঘটনার কারণে ভাষা হারিয়ে ফেলে।

পারস্পরিক যোগাযোগে এসব মানুষ ইশারা ভাষা ব্যবহার করে থাকে। পবিত্র কুরআনের একাধিক স্থানে ইশারা ভাষার প্রয়োগ দেখানো হয়েছে, যা একই সঙ্গে ইশারা ভাষার স্বীকৃতি, মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতাকে প্রমাণ করে।
ইশারা ভাষার পরিচয়
সাধারণত অঙ্গভঙ্গি ও ইঙ্গিতের মাধ্যমে যে ভাষা প্রয়োগ করা হয় তাকে ইশারা ভাষা বলা হয়। শরিয়তের পরিভাষায় ইশারা ভাষা হলো, এমন বিষয়গুলোকে ভাষার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে গ্রহণ করে নেওয়া যাকে প্রকৃতপক্ষে বয়ান তথা বর্ণনার জন্য প্রয়োগ করা হয় না।
তবে প্রয়োজনের তাগিদে তাকে ভাষা হিসেবে গ্রহণ করে নেওয়া হয়। যেমন—চুপ থাকা, দেহভঙ্গির মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা ইত্যাদি।
(নুরুল আনওয়ার : ২/২০১; আল ইত্তিসালুল ইনসানি ওয়া দাউরুহু ফিততাফাউলিল ইজতিমায়ি, পৃষ্ঠা ৭৫)
আল কুরআনে ইশারা ভাষা
ড. মুহাম্মদ আমিন মুসা আহমদ (রহ.) বলেন, পবিত্র কোরআনের প্রায় চার হাজার ৪৮০টি আয়াতে মৌখিক ভাষা ছাড়া যোগাযোগের ধারণা পাওয়া যায়, যা পবিত্র কোরআনের মোট আয়াতের প্রায় ৭২ শতাংশ। পবিত্র কোরআনের ১১৪ সুরার মধ্যে ১১১ সুরা থেকে ভাষাহীন যোগাযোগ প্রমাণ করা সম্ভব, যা মোট সুরার ৯৭ শতাংশ। (আল ইত্তিসালু গাইরুল লাফজিয়্যি ফিল কোরআনিল কারিম, পৃষ্ঠা ২২)
ইশারা কথার বিকল্প
পবিত্র কুরআনের একাধিক আয়াতে ইশারাকে কথা বা মৌখিক ভাষার বিকল্প হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন—মারইয়াম (আ.) সন্তানের ব্যাপারে নানা প্রশ্নে জর্জরিত করা হলে তিনি সন্তানের কাছেই তাঁর পরিচয় জানার ইঙ্গিত করেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘অতঃপর মারইয়াম সন্তানের প্রতি ইঙ্গিত করল। তারা বলল, যে কোলের শিশু তার সঙ্গে আমরা কিভাবে কথা বলব?’ (সুরা : মারইয়াম, আয়াত : ২৯)
অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘তোমার নিদর্শন এই যে তিন দিন তুমি ইশারা ছাড়া কথা বলতে পারবে না।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ৪১)
কুরআনে ইশারা ভাষার মাধ্যমগুলো
ইশারা ভাষার মাধ্যম হিসেবে স্বীকৃত সব মাধ্যমেরই বর্ণনা এসেছে।
যেমন—
১. চোখ : চোখ মানুষের অভিব্যক্তি প্রকাশের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘রাসুলের প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে তা যখন তারা শোনে তখন তারা যে সত্য উপলব্ধি করে তার জন্য তুমি তাদের চোখ অশ্রু বিগলিত দেখবে।’ (সুরা : মায়িদা, আয়াত : ৮৩)
অন্য আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘সে তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিল এবং বলল, আফসোস ইউসুফের জন্য। শোকে তার চক্ষুদ্বয় সাদা হয়ে গিয়েছিল এবং সে ছিল অসহনীয় মনস্তাপে ক্লিষ্ট।’ (সুরা : ইউসুফ, আয়াত : ৮৪)
২. মুখমণ্ডল : চেহারা বা মুখমণ্ডলকে বলা হয় অন্তরের আয়না। মানুষের মনের ভাব সহজেই চেহারায় প্রস্ফুটিত হয়। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তুমি তাদের মুখমণ্ডলে স্বাচ্ছন্দ্যের দীপ্তি দেখতে পাবে।’ (সুরা : মুতাফফিফিন, আয়াত : ২৪)
অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে, ‘তাদের কাউকে যখন কন্যাসন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন তার মুখমণ্ডল কালো হয়ে যায় এবং সে অসহনীয় মনস্তাপে ক্লিষ্ট হয়।’ (সুরা : নাহল, আয়াত : ৫৮)
৩. হাতের নড়াচড়া : পবিত্র কোরআনে আল্লাহ হাতের নড়াচড়া (ক্রিয়াকর্ম) দ্বারা মানুষের অবস্থা বর্ণনা করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘তুমি তোমার হাত তোমার গ্রীবায় আবদ্ধ করে রেখো না এবং তা সম্পূর্ণ প্রসারিতও কোরো না, তা হলে তুমি তিরস্কৃত ও নিঃস্ব হয়ে পড়বে।’
(সুরা : বনি ইসরাঈল, আয়াত : ২৯)
আয়াতে কৃপণতা ও বেহিসাবি খরচের ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে।
অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে, ‘তার ফল-সম্পদ বিপর্যয়ে বেষ্টিত হয়ে গেল এবং সে তাতে যা ব্যয় করেছিল তার জন্য হাতে হাত ঘর্ষণ করতে লাগল (আক্ষেপ করছিল), যখন তা মাচানসহ ভূমিসাৎ হয়ে গেল।’ (সুরা : কাহফ, আয়াত : ৪২)
৪. মাথার নড়াচড়া : মাথার নড়াচড়ার মাধ্যমেও মানুষ মনের ভাব প্রকাশ করে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যখন তাদের বলা হয়, তোমরা এসো, আল্লাহর রাসুল তোমাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবেন, তখন তারা মাথা ফিরিয়ে নেয় এবং তুমি তাদের দেখতে পাবে তারা দম্ভভরে ফিরে যায়।’ (সুরা : মুনাফিকুন, আয়াত : ৫)
অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে, ‘হায়, তুমি যদি দেখতে! যখন অপরাধীরা তাদের প্রতিপালকের সম্মুখে মাথা নত করে বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা প্রত্যক্ষ করলাম ও শ্রবণ করলাম।’ (সুরা : সাজদা, আয়াত : ১২)
৫. দেহভঙ্গি : দেহের ভঙ্গিতে মানুষের অভিব্যক্তি ফুটে ওঠে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘যারা সুদ খায় তারা সেই ব্যক্তিরই মতো দাঁড়াবে, যাকে শয়তান স্পর্শ দ্বারা পাগল করে। এটা এ জন্য যে তারা বলে, ক্রয়-বিক্রয় সুদের মতো। অথচ আল্লাহ ক্রয়-বিক্রয়কে হালাল ও সুদকে হারাম করেছেন।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৭৫)
শরিয়তে ইশারা ভাষার গ্রহণযোগ্যতা
সাধারণ লেনদেনের ক্ষেত্রে কথা বলতে অক্ষম এমন ব্যক্তির ইশারা গ্রহণযোগ্য। তবে সাক্ষ্য হিসেবে ইশারা গ্রহণযোগ্য নয়। ফকিহ আলেমরা বলেন, ‘বোবা (যে কথা বলতে সক্ষম নয়) ব্যক্তির ইশারা শরিয়তে গ্রহণযোগ্য। ইশারা সেসব ক্ষেত্রে মৌখিক ভাষার স্থলাভিষিক্ত হবে, যেখানে কথা বলা আবশ্যক এবং যাতে অঙ্গীকার জড়িত থাকে। সুতরাং সব চুক্তির ব্যাপারে ইশারা গ্রহণযোগ্য। যেমন—বেচাকেনা, ভাড়া, বন্ধক, বিয়ে। সব দায়মুক্তির ব্যাপারে ইশারা গ্রহণযোগ্য। যেমন—তালাক, দাস স্বাধীন করা এবং কোনো বিষয়ে নিজেকে দায়মুক্ত ঘোষণা করা। এভাবে স্বীকারোক্তির ব্যাপারে ইশারা গ্রহণযোগ্য। স্বীকারোক্তি ছাড়া হদ বা দণ্ডবিধির অন্য কোনো ব্যাপারে বেশির ভাগ ইমামের মতে ইশারা গ্রহণযোগ্য নয়। যেমন—সাক্ষ্য দেওয়া। ইমাম শাফেয়ি (রহ.) বলেন, যদি ব্যক্তি ইশারার মাধ্যমে কথা বোঝাতে সক্ষম হয়, তবে ইশারার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে। ইশারা গ্রহণযোগ্য হওয়ার ক্ষেত্রে বোবা ব্যক্তির লিখতে সক্ষম হওয়া ও না হওয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।’
(আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা : ১/২৭৮; ফাতহুল কাদির : ৭/৩৯৭)
আল্লাহ সবাইকে সঠিক জ্ঞান দান করুন। আমিন।
সূত্রঃ আতাউর রহমান খসরু
No photo description available.
ur Dhms