Friday, November 8, 2024

পরিপক্কতার ছয় 6 Laws Of Maturity

  1. Control Yourself, Not Others

True power comes from managing your own actions, not controlling others.
2. Expect Nothing, Appreciate Everything
Be thankful for the small things in life to find peace within yourself.
3. Do Your Best and Trust the Process
The more effort you put in, the more opportunities you'll create.
4. Learn to React Less
By managing your reactions, you avoid being manipulated by others.
5. Stop Sharing Everything
Most people don’t care about your personal details, and some may not wish you well.
6. Choose Friends Wisely
The best way to improve is to be around people who inspire you.
May be an image of text
lkis Khanom

মুরগির হাড় খাও

 মুরগির মাংস খাওয়ার পর হাড় চিবিয়ে খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। কেউ আবার হাড়ের ভেতরে মজ্জা খেতেও ভালোবাসেন।

হাড়ের সাদা অংশ তরুণাস্থি দুই ধরনের প্রোটিন দ্বারা গঠিত। এতে রয়েছে গ্লাইসিন, যা কোলাজেন প্রস্তুতিতে সাহায্য করে। হাড়ের মজ্জায়ও একাধিক পুষ্টিগুণ রয়েছে। এতে আছে ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, আয়রন, সেলেনিয়াম ও জিংক। হারের ফ্যাট টিস্যুতে আছে ভিটামিন এ, ই, কে।
পাশাপাশি ভিটামিন বি ১২ গুণে সমৃদ্ধ মাংসের হাড়ের লাল অংশ (মজ্জা)। ক্যালরির পরিমাণ বেশি হলেও এতে আরও রয়েছে থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন ও ফসফরাস।
বাড়িতে রান্না করা দেশি মুরগির হাড়ে এমনি আরও উপকারিতা মিলবে। যেমন:
ভালো রাখে মস্তিষ্কের কোষ
হাড়ের মজ্জায় ভিটামিন বি ১২ থাকে, যা অ্যান্টি–অক্সিডেন্টের কাজ করে। যে কারণে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
কমায় প্রদাহ
হাড়ের মজ্জায় গ্লুকোস্যামাইন, গ্লাইসিন, কনজুগেটেড লিনোলাইক অ্যাসিড রয়েছে, যা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়
গবেষণায় দেখা গেছে, যাঁদের ওজন অতিরিক্ত, তাঁদের দেহে এডিনোপেকটিনের পরিমাণ কম থাকে। আর তাই ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে। হাড়ে এই উপাদান বিদ্যমান।
মেটাবলিক সিনড্রোমের ঝুঁকি কমায়
হাড়ের মধ্যে থাকা এডিনোপেকটিন ইনসুলিনের কার্যক্ষমতা ঠিক রাখে, পাশাপাশি ফ্যাট ভাঙতে সাহায্য করে। তাই ডায়াবেটিক মেটাবলিক সিনড্রোম এড়াতে সাহায্য করে।
শিশুর বুদ্ধি বিকাশে
হাড়ের মজ্জায় থাকা ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ছোট ছেলেমেয়েদের বুদ্ধি বিকাশে সাহায্য করে।
রক্ত জমাট বাঁধা
হাড়ে ভিটামিন কে থাকায় দেহের কোথাও ছোটখাটো কাটাছেঁড়া হলে দ্রুত রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
ত্বক, হাড় ও জয়েন্টের স্বাস্থ্য
থায়ামিন, ভিটামিন এ, বি ১২, আয়রন, ফসফরাস ত্বক, হাড় ও জয়েন্টের স্বাস্থ্য রক্ষা করে।
সাবধানতাঃ হাড় খাওয়ার সময় সাবধান। হাড়ের টুকরোগুলো অনেক সময় তীক্ষ্ণ হয়। ফলে সেগুলো মুখগহ্বরের ক্ষতি করতে পারে, করেও।
সূত্র: ১. সাজিয়া মাহমুদ, কনসালট্যান্ট পুষ্টিবিদ, প্যানকেয়ার হাসপাতাল।
২. নিজ পাঠ
May be an image of vulture and bone
hms

মুসলিম নির্লজ্জ হবে না; লাজুকতা ঈমানের অঙ্গ লজ্জাশীলতা : পূর্ণ ঈমানের জন্যে যা অনিবার্য

 কথায় বলে, লজ্জা নারীর ভূষণ। লজ্জাশীলতার গুণ নারীর চরিত্রে যোগ করে এক ভিন্ন মাত্রা। এ গুণ তাকে পাইয়ে দেয় পবিত্র ও সুন্দর জীবনের স্বাদ। পবিত্র কুরআনের কাহিনী। ফেরাউনের রাজপরিষদ একবার নবী হযরত মূসা আলাইহিস সালামকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। সংবাদ পেয়ে তিনি বেরিয়ে পড়লেন ফেরাউনের এলাকা ছেড়ে। চলে গেলেন মাদয়ানে, আরেক নবী হযরত শুয়াইব আলাইহিস সালামের এলাকা সেটি। তিনি দেখলেন, মাদয়ানবাসীরা একটি কূপ থেকে তাদের পশুকে পানি খাওয়াচ্ছে। কূপের পাশে রাখাল-জনতার ভিড়। আর একটু দূরে নিজেদের পশু আগলে রেখে দাঁড়িয়ে আছেন দুই নারী। হযরত মূসা আলাইহিস সালাম তাদের কাছে দূরে দাঁড়িয়ে থাকার কারণ জানতে চাইলেন। তারা জানালেন : ‘আমাদের বাবা অতিশয় বৃদ্ধ। তাই পশুগুলোকে পানি খাওয়ানোর জন্যে আমাদের আসতে হয়েছে। কিন্তু রাখালেরা এখান থেকে চলে যাওয়া পর্যন্ত আমরা আমাদের পশুদের পানি খাওয়াতে পারি না।’ তারা দুজন ছিলেন হযরত শুয়াইব আলাইহিস সালামের কন্যা। তাদের এ কথা শুনে হযরত মূসা আলাইহিস সালাম তাদের পশুকে পানি খাইয়ে দেন। এরপর তারা চলে যায়। তিনিও সেখান থেকে চলে আসেন এক গাছের ছায়ায়...।

এরপর তাদের একজন তাঁর কাছে আবার ফিরে আসে। কুরআনের ভাষায়- ‘তখন নারীদ্বয়ের একজন লজ্জাজড়িত চরণে তার নিকট এল এবং বলল, আমার পিতা আপনাকে আমন্ত্রণ করছেন, আমাদের পশুগুলোকে পানি পান করানোর প্রতিদান দেয়ার জন্যে।’ -সূরা কাসাস (২৮) : ২৫
এই যে রাখালদের ভিড় ছেড়ে দূরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করা, আর বাবার পক্ষ থেকে অচেনা এক পুরুষের নিকট সংবাদ পৌঁছে দেয়ার সময় নিজেকে লজ্জায় আবৃত করে রাখা- এগুলো চিরাচরিত সেই প্রবাদকেই মনে করিয়ে দেয়।
সৃষ্টিগতভাবেই নারীর চরিত্রে লজ্জাশীলতা একটু বেশি। এই লজ্জাশীলতা নারীর অহংকার। রূপ-সৌন্দর্যে পিছিয়ে থেকেও এ গুণে নিজেকে গুণান্বিত করে কোনো নারী হয়ে উঠতে পারে সকলের প্রিয়, চোখের মণি। আর চোখ ধাঁধানো সৌন্দর্য নিয়েও যদি কেউ এ থেকে বঞ্চিত হয় তাহলে সে হয়ে পড়ে ধিকৃত, নিন্দার পাত্র।
প্রচলিত প্রবাদে এ লজ্জাশীলতা যদিও নারীর অলংকার, কিন্তু বাস্তবিক অর্থে তা নারী-পুরুষ সকলের জন্যেই অপরিহার্য। লজ্জা একটি মানবিক গুণ। এর পরিচয় হিসেবে বলা যায়, ভালো-মন্দ যে কোনো কাজ করার, যে কোনো পথ বেছে নেয়ার সুযোগ ও সক্ষমতা প্রতিটি মানুষেরই আছে। এ সুযোগ ও সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে যারা ভালো পথ বেছে নেয়, ভালো কাজ করে, তারা দুনিয়াতেই পুরস্কৃত হয়, অভিনন্দিত হয় কিংবা প্রশংসিত হয়। আর যারা মন্দ পথ ও মন্দ কাজ বেছে নেয়, তারা লাঞ্ছিত হয়, শাস্তি পায়, অন্তত নিন্দিত ও ধিকৃত তো হয়ই। উপরন্তু ভালো-মন্দ সবকিছুতেই রয়েছে পরকালীন প্রতিদান- বেহেশত কিংবা দোজখ। প্রাথমিক সুযোগ ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে কেউ যখন কোনো মন্দ পথে পা বাড়ায়, সেটা হতে পারে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে মন্দ, কিংবা সামাজিক বা নৈতিক যে কোনো দিক থেকে, তখন যার মাঝে যতটুকু মানবিক বোধ থাকে এবং কাজটিকে সে যতটুকু মন্দ বিবেচনা করে, সে চায় তার এ মন্দ কাজটা ততটাই গোপন থাকুক। অন্য কেউ তার এ মন্দ কাজের কথা না জানুক। কেউ যদি দেখে ফেলে কিংবা জেনে যায় তাহলে সে মনে মনে সংকুচিত হয়। এ সংকোচবোধের নামই লজ্জা।
লজ্জাশীলতা যে কেবল একটি মানবিক বিষয়, এমন নয়। হাদীসের ভাষ্য অনুসারে তা ঈমানের অংশ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
الإِيمَانُ بِضْعٌ وَسَبْعُونَ أَوْ بِضْعٌ وَسِتُّونَ شُعْبَةً فَأَفْضَلُهَا قَوْلُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَدْنَاهَا إِمَاطَةُ الأَذَى عَنِ الطَّرِيقِ وَالْحَيَاءُ شُعْبَةٌ مِنَ الإِيمَانِ.
ঈমানের সত্তরোর্ধ কিংবা ষাটোর্ধ্ব শাখা রয়েছে। এর মাঝে সর্বোত্তম হলো ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলা, আর সর্বনিম্নটি হলো রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক জিনিস সরিয়ে দেয়া। আর লজ্জাশীলতাও ঈমানের একটি শাখা। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ৩৫
শুধুই কি ঈমানের শাখা? এ লজ্জাশীলতাকে যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্বীন ইসলামের মূল চরিত্র হিসেবেই অভিহিত করেছেন-
إِنَّ لِكُلِّ دِينٍ خُلُقًا، وَخُلُقُ الإِسْلاَمِ الْحَيَاءُ.
প্রতিটি দীনেরই একটি চরিত্র রয়েছে। ইসলামের চরিত্র হলো লজ্জাশীলতা। -সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ৪১৮১
লজ্জাশীলতা যার মাঝে যতটুকু থাকে, প্রকাশ্যে কোনো অন্যায় করতে সে ততটাই সংকোচ বোধ করে। এর ফলে সহজেই সে বেঁচে যায় বহু অন্যায় কাজ থেকে। ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছায় হোক, এ লজ্জাশীলতার কারণে তখন বাধ্য হয়েই মন্দ কাজ আর মন্দ পথ পরিহার করে চলতে হয় সুন্দর ও ন্যায়ের পথে। প্রিয় নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কী অর্থপূর্ণ সরল বাণী-
الْحَيَاءُ لاَ يَأْتِي إِلاَّ بِخَيْرٍ
লজ্জাশীলতা কেবলই কল্যাণ নিয়ে আসে। -সহীহ বুখারী, হাদীস ৬১১৭
মানবচরিত্রের এ গুণ কোনো নতুন বিষয় নয়। বরং যখন থেকে মানব-ইতিহাসের যাত্রা, তখন থেকেই লজ্জাশীলতার সূচনা। প্রথম নবী ও প্রথম মানুষ হযরত আদম আলাইহিস সালাম আর তাঁর সঙ্গিনী হযরত হাওয়া রা.-এর ঘটনা তো সবিস্তারে পবিত্র কুরআনেই বর্ণিত হয়েছে- ‘... অতপর যখন তারা সেই বৃক্ষফলের আস্বাদ গ্রহণ করল, তখন তাদের লজ্জাস্থান তাদের নিকট প্রকাশিত হয়ে পড়ল এবং তারা জান্নাতের পাতা দিয়ে নিজেদেরকে আবৃত করতে লাগল...’ -সূরা আ‘রাফ (৭) : ২২
প্রিয় নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ গুণটির প্রাচীনতার কথা বলেছেন এভাবে-
إِنَّ مِمَّا أَدْرَكَ النَّاسُ مِنْ كَلاَمِ النُّبُوَّةِ الأُولَى إِذَا لَمْ تَسْتَحْيِ فَاصْنَعْ مَا شِئْتَ.
নবুওতের সূচনাকাল থেকে যে বিষয়গুলো মানুষের মাঝে (অবিচ্ছিন্নভাবে) আছে সেসবের অন্যতম হলো- তুমি যখন নির্লজ্জ হয়ে পড়বে তখন যা ইচ্ছা তা-ই করো। -সহীহ বুখারী, হাদীস ৬১২০
অর্থাৎ লজ্জাশীলতা যদি কারও মাঝে না থাকে, তাহলে সে আর কোনো অন্যায়কেই পরোয়া করবে না। অনৈতিক কিংবা পাপের কোনো কাজ করতে গিয়ে সে মনে মনে সংকুচিত হবে না। কেউ তাকে দেখে ফেলে কি না- এমন কোনো আশংকাও তার মনে থাকবে না। ফলে পাপকর্ম কিংবা অসামাজিক ও অনৈতিক কর্মকা- থেকে বিরত থেকে ভালো পথে চলার মতো কোনো প্রেরণা নিজের পক্ষ থেকে সে পাবে না। ভালো-মন্দের বাছ-বিচার হারিয়ে সে তখন যা ইচ্ছা তা-ই করবে। কোনো অসহায়কে দেখে পকেট থেকে টাকা বের করে তার হাতে তুলে দিতে পারে, আবার কারও কাছে টাকা দেখলে সে টাকা লুট করার জন্যে তার ওপর হামলেও পড়তে পারে। কেউ কিছু বলবে কি না, কেউ দেখে ফেলল কি না- এমন কোনো চিন্তা তো আর তার মাথায় নেই। লজ্জাশীলতা এভাবেই মানুষকে কল্যাণের পথে টেনে আনে।
লজ্জা বলতে আমরা সাধারণত মানুষে মানুষে পারস্পরিক লজ্জার কথাই বুঝি। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সন্দেহ নেই, কিন্তু নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে লজ্জাশীলতার এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একটি দিকের নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তোমরা আল্লাহর সঙ্গে যথাযথ লজ্জা অবলম্বন করো। সাহাবায়ে কেরাম বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আলহামদু লিল্লাহ, আমরা লজ্জা অবলম্বন করি। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেন,
لَيْسَ ذَاكَ ، وَلَكِنَّ الاِسْتِحْيَاءَ مِنَ اللهِ حَقَّ الحَيَاءِ أَنْ تَحْفَظَ الرَّأْسَ وَمَا وَعَى، وَالبَطْنَ وَمَا حَوَى، وَلْتَذْكُرِ الْمَوْتَ وَالبِلَى، وَمَنْ أَرَادَ الآخِرَةَ تَرَكَ زِينَةَ الدُّنْيَا، فَمَنْ فَعَلَ ذَلِكَ فَقَدْ اسْتَحْيَا مِنَ اللهِ حَقَّ الحَيَاءِ.
আমি তো এটা বলিনি। বরং আল্লাহর সঙ্গে যথাযথ লজ্জা হবে এমন- তুমি মাথা হেফাযত করবে, মাথা যা কিছু ধারণ করে তাও হেফাযত করবে, পেট হেফাযত করবে, পেট-সংলগ্ন যা কিছু আছে তাও হেফাযত করবে, আর মৃত্যুকে স্মরণ করবে, স্মরণ করবে (মৃত্যু পরবর্তী সময়ে) চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে মাটিতে মিশে যাওয়াকেও। আর যে পরকাল কামনা করে সে তো দুনিয়ার জৌলুস বর্জন করে। এগুলো যে করতে পারল সে-ই আল্লাহর সঙ্গে যথাযথ লজ্জা অবলম্বন করল। -জামে তিরমিযী, হাদীস ২৪৫৮
হাদীসের বাণী দ্ব্যর্থহীন, স্পষ্ট। আল্লাহ তাআলার সঙ্গে পূর্ণ লজ্জাশীল আচরণ করতে চাইলে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে সব রকম গোনাহের কাজ থেকে। আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও সামনে যেমন মাথা নুইয়ে দেয়া যাবে না, তেমনি রুকু-সিজদা তথা নামায হতে হবে সম্পূর্ণ রিয়া ও লৌকিকতা মুক্ত। পাপ থেকে মুক্ত রাখতে হবে মাথার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জিহ্বা চোখ নাক কানকেও। পেটে যেন কোনো হারাম খাবার না ঢুকে সেদিকে যেমন সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে, তেমনি পেট-সংলগ্ন অঙ্গসমূহ যেমন, লজ্জাস্থান হাত পা ইত্যাদিকেও হেফাযত করতে হবে সব রকম নিষিদ্ধ কর্মকা- থেকে। স্মরণ করতে হবে অনিবার্য মৃত্যুকে, মৃত্যুর পর মাটিতে মিশে যাওয়াকে। মৃত্যুর স্মরণ যদি তাজা থাকে, তাহলে মানুষ পাপ ছাড়তে বাধ্য। সর্বশেষ কথা, পরকালীন সফলতা আর দুনিয়ার চাকচিক্য তো একসঙ্গে থাকতে পারে না। কেউ কেউ তো এ দুটো বিষয়কে দুই সতীনের সঙ্গেই তুলনা করেছেন। পরকালে মুক্তি পেতে হলে দুনিয়ার চাকচিক্য ছাড়তে হবে। এভাবে মাথা থেকে পা পর্যন্ত নিজের প্রতিটি অঙ্গকে যে পাপমুক্ত রাখতে পারবে, কেবল সে-ই তো আল্লাহ তাআলার সঙ্গে লজ্জা অবলম্বন করল।
বিষয়টি আমরা ভিন্নভাবেও বুঝতে পারি। মানুষ যখন কোনো অন্যায় করে আর তা কেউ জেনে যায়, তখনই সে লজ্জায় নীল হয়। কেউ যদি কাউকে কোনো প্রকার অনুগ্রহ করে, বিপদে সহযোগিতা করে, সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ায়, আর এ অনুগ্রহকারীর কোনো কথা সে রাখতে না পারে তখনো সে লজ্জায় কুঁকড়ে যায়। আর আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সম্পর্কে তো আমাদের স্থির বিশ্বাস- তিনি সবকিছু দেখেন, শোনেন। ন্যায়-অন্যায় যা-ই আমরা করি না কেন, তাঁর অজানা থাকে না কিছুই। যা প্রকাশ্য তাও তিনি জানেন, যা কিছু রাতের অন্ধকারে বাড়ির ভেতরের গোপন কক্ষে করা হয় তাও তিনি জানেন। আবার তিনিই তো আরহামুর রাহিমীন- সবচেয়ে বড় অনুগ্রহশীল। দুর্যোগে বিপদে তিনিই আমাদের আশ্রয়। এমন কারও সঙ্গে অবাধ্যতা- তা কি সুস্থ বিবেকের কাজ হতে পারে? তিনি যেহেতু সবকিছুই জানেন, তাই তাঁর সঙ্গে লজ্জা অবলম্বন করতে হলে তো অবশ্যই তাঁর অবাধ্যতা ছাড়তে হবে। কিংবা কোনো পাপে জড়াতে চাইলে এমন কোনো স্থান খুঁজে নিতে হবে, যা তাঁর দৃষ্টির বাইরে। আর এটা যে অসম্ভব- তা কে অস্বীকার করবে?
তবে মনে রাখতে হবে, এ লজ্জাশীলতা যতক্ষণ কাউকে পাপ থেকে বিরত রাখবে, অন্যায়-অপকর্ম-অনৈতিকতা থেকে মুক্ত রাখবে, ততক্ষণই তা কল্যাণকর। লজ্জার কারণে যখন অনিচ্ছা সত্ত্বেও কাউকে দান করতে হয়, কিংবা কারও প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হয় তখনো তা কল্যাণকর। কিন্তু এ লজ্জা যদি কারও কল্যাণের পথে, ন্যায়ের পথে, ইলম হাসিলের পথে, সঠিক পদ্ধতিতে আল্লাহ পাকের ইবাদতের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে তখন আর তা কল্যাণকর নয়। সাহাবায়ে কেরাম তো পবিত্রতা সংক্রান্ত খুঁটিনাটি নানা বিষয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করতেন। তিনিও নিঃসঙ্কোচে উত্তর দিতেন। অথচ হাদীসের ভাষ্য অনুসারে, তিনি ছিলেন অন্তঃপুরের কুমারীর চেয়েও অধিক লজ্জাশীল। -সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ৪১৮০
May be an image of flower and nature
Dhms

মুরগীর মাষ্টারী একটি শিক্ষণীয় পোষ্ট

 1. She lays a full clutch of eggs before beginning to incubate them.

GOOD PLANNING
2. Once she begins to sit on her eggs, she restricts her movements.
DISCIPLINE
3. She loses weight while brooding, as she eats less to remain focused.
SACRIFICE AND SELF-DENIAL
4. She will brood over eggs that are not her own.
NON-DISCRIMINATION AND GENEROSITY
5. She patiently incubates her eggs for 21 days and, even if none hatch, she will try again.
FAITH, HOPE, AND PERSEVERANCE
6. She identifies unfertilized eggs and removes them.
AWARENESS AND DISCERNMENT
7. She leaves spoiled eggs behind and focuses on caring for her healthy chicks, even if only one hatches.
WISDOM, PRACTICALITY, AND ADAPTABILITY
8. She fiercely protects her chicks from threats.
PROTECTIVENESS AND LOVE
9. She gathers all her chicks close to her.
UNITY AND TOGETHERNESS
10. She stays with her chicks until they’re mature enough to survive independently.
MENTORSHIP
11. She always leads her chicks from the front.
LEADERSHIP
May be a doodle
kis Khanom

Thursday, November 7, 2024

৫ পরিস্থিতিতে মুমিনের কান্না

 মানুষ বিভিন্ন কারণে কান্না করে। নিচে কয়েক ধরনের কান্না সম্পর্কে আলোচনা করা হলো—

এক. মুসিবতের কান্না
এটা সবাই জানেন, মানুষ মুসিবতে পড়লে ছোট-বড়, নারী-পুরুষ সবাই কান্না করে থাকে।
হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর শিশুপুত্র ইবরাহিমের মৃত্যুর সময় কান্নারত অবস্থায় বলেছেন, ‘চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরে, হৃদয় ব্যথিত হয়। তবে আমরা তাই বলি যার ওপর আমাদের সব সন্তুষ্টি। আর তোমার বিচ্ছেদে আমরা ব্যথিত।’ (বুখারি, হাদিস : ১৪০৭)
দুই. বিচ্ছেদের কান্না
আপনজন ও প্রিয়জনের বিচ্ছেদে মানুষ কান্না করে থাকে।
ইয়াকুব (আ.) আপন সন্তান ইউসুফ (আ.)-এর বিচ্ছেদে কান্না করেছেন। কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘আর তার চোখ দুটি কাঁপতে কাঁপতে সাদা হয়ে গিয়েছিল এবং তার হৃদয় চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাচ্ছিল।’ (সুরা : ইউসুফ, আয়াত : ৮৪)
তিন. তিলাওয়াতের কান্না
এমন অনেক সৌভাগ্যবান ব্যক্তি আছেন, যাঁরা কোরআন তিলাওয়াতের সময় কান্না করেন। এ সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা কেঁদে কেঁদে কোরআন তিলাওয়াত করো, যদি কান্না না আসে তাহলে কান্নার ভান ধরো।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৩৩৭)
ইমাম গাজ্জালি (রহ.) বলেন, সাহাবায়ে কিরামের কোরআন তিলাওয়াতের সময় আচার্যজনক অবস্থা সৃষ্টি হতো, সাহাবিদের ভেতর কেউ তিলাওয়াতের সময় কান্না করতেন, কেউবা আবার বেহুঁশ হয়ে যেতেন, আবার কেউ এই বেহুঁশের মধ্যেই চিরবিদায় হয়ে যেতেন।
(খুতবাতে জুলফিকার : ৪/১৭৯)
চার. গুনাহের কথা স্মরণ করে কান্না
যাপিত জীবনে কমবেশি সবাই গুনাহ করে থাকে, তবে গুনাহের কথা স্মরণ করে কান্না করা এক অনন্য গুণ। যে ব্যক্তি আপন গুনাহের কথা স্মরণ করে কান্না করে, আল্লাহ তাআলা তার ওপর সন্তুষ্ট হয়ে যান। এ সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলার কাছে দুটি ফোঁটা অত্যন্ত প্রিয়। এক. আল্লাহ তাআলার ভয়ে যে অশ্রু ফোঁটা ঝরে। দুই. আল্লাহ তাআলার রাস্তায় যে অশ্রু ফোঁটা ঝরে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১৬৩৯)
পাঁচ. আল্লাহর ভয়ে কান্না
চোখের সদ্ব্যবহারের একটি অনন্য দিক হলো, আল্লাহর ভয়ে কান্না করা। তা ছাড়া আল্লাহর ভয়ে কান্না করা মুমিনের একটি বিশেষ গুণ এবং একনিষ্ঠতার বড় প্রমাণও। আল্লাহর ভয় ঈমানের অপরিহার্য উপাদান। কেননা ঈমান হলো আশা ও ভয়ের ভেতরে। নবী-রাসুলদের বৈশিষ্ট্যের ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন, ‘এরা সৎ কাজে ছিল ক্ষিপ্রগতি, তারা আমাকে ডাকত আশা নিয়ে ও ভীত হয়ে, আর তারা ছিল আমার প্রতি বিনয়ী।’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ৯০)
আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় হচ্ছে তাঁর ভয়ে অশ্রুপাত করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তিনটি চোখ জাহান্নামের আগুন দেখবে না। যে চোখ আল্লাহর রাস্তায় পাহারাদারি করে, যে চোখ আল্লাহর ভয়ে কাঁদে, যে চোখ আল্লাহ কর্তৃক নিষিদ্ধ জিনিস দেখে ক্ষুব্ধ হয়।’ (আল মুজামুল কাবির লিত তিবরানি, হাদিস : ১০০৩)
আল্লাহ তাআলা আমাদের তাঁর জন্য কান্না ও অশ্রুপাত করে চিরস্থায়ী জীবনের সফলতা অর্জনের তাওফিক দান করুন।
ছবির কথাঃ
wa lam akum bidu'aaa'ika Rabbi shaqiyyaa
May be an image of text


এক নিঃশ্বাসে পড়ি

এক নিঃশ্বাসে পড়ি

https://www.quora.com/

May be an image of text
All reactions:
You, Ashraf U Khan and Imran Hasan Tulon