Friday, March 7, 2025

সন্তানদের জন্য ইবরাহিম (আ.)-এর দু‘আ

 সন্তানদের জন্য ইবরাহিম (আ.) অনেক দোয়া করেছেন। বিশেষত তিনি ভবিষ্যত প্রজন্ম যেন ঈমানদার হয় এবং নামাজ পড়েন এজন্য দু‘আ করেছেন। এমন একটি দু‘আ হলো-

رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلوةِ وَ مِنْ ذُرِّيَّتِي رَبَّنَا وَ تَقَبَلْ دُعَاءِ
অর্থ : হে আমার রব, আমাকে নামাজ প্রতিষ্ঠানকারী করুন এবং আমার সন্তানদের মধ্য থেকেও (এমন লোক সৃষ্টি করুন, যারা নামাজ প্রতিষ্ঠা করবে)। হে আমার রব, আমার দু‘আ কবুল করুন।
(সুরা ইবরাহিম, আয়াত : ৪০)
অন্য আয়াতে ইবরাহিম (আ.) সব মুসলিমদের ক্ষমা প্রার্থনা চেয়ে দোয়া করেছেন। দু‘আটি হলো-
رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ
অর্থ: হে আমার রব, যে দিন হিসাব হবে, ওইদিন আমাকে আমার বাবা-মা ও সব মুমিনকে ক্ষমা করুন। (সুরা ইবরাহিম, আয়াত : ৪১)
No photo description available.
and 2 others

বেড়ে উঠছিতো?

 বেড়ে উঠছিতো?

Dhms

সূরা আন্ নাহল, আয়াত ৯০

 আল্লাহ ন্যায়-নীতি, পরোপকার ও আত্মীয়-স্বজনদেরকে দান করার হুকুম দেন এবং অশ্লীল-নির্লজ্জতা ও দুষ্কৃতি এবং অত্যাচার-বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেন। তিনি তোমাদের উপদেশ দেন, যাতে তোমরা শিক্ষালাভ করতে পারো।

ব্যাখ্যাঃ
এ ছোট্ট বাক্যটিতে এমন তিনটি জিনিসের হুকুম দেয়া হয়েছে যেগুলোর ওপর সমগ্র মানব সমাজের সঠিক অবকাঠামোতে ও চরিত্রে প্রতিষ্ঠিত থাকা নির্ভরশীল।
প্রথম জিনিসটি হচ্ছে আদল বা ন্যায়পরতা। দু’টি স্থায়ী সত্যের সমন্বয়ে এর ধারণাটি গঠিত। এক, লোকদের মধ্যে অধিকারের ক্ষেত্রে ভারসাম্য ও সমতা থাকতে হবে। দুই, প্রত্যেককে নির্দ্বিধায় তার অধিকার দিতে হবে। আমাদের ভাষায় এ অর্থ প্রকাশ করার জন্য “ইনসাফ” শব্দ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু এ শব্দটি বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। এ থেকে অনর্থক এ ধারণা সৃষ্টি হয় যে, দু’ব্যক্তির মধ্যে “নিসফ” “নিসফ” বা আধাআধির ভিত্তিতে অধিকার বন্টিত হতে হবে। তারপর এ থেকেই আদল ও ইনসাফের অর্থ মনে করা হয়েছে সাম্য ও সমান ভিত্তিতে অধিকার বণ্টন। এটি সম্পূর্ণ প্রকৃতি বিরোধী। আসলে “আদল” সমতা বা সাম্য নয় বরং ভারসাম্য ও সমন্বয় দাবী করে। কোন কোন দিক দিয়ে “আদল” অবশ্যই সমাজের ব্যক্তিবর্গের মধ্যে সাম্য চায়। যেমন নাগরিক অধিকারের ক্ষেত্রে। কিন্তু আবার কোন কোন দিক দিয়ে সাম্য সম্পূর্ণ “আদল” বিরোধী। যেমন পিতা-মাতা ও সন্তানের মধ্যে সামাজিক ও নৈতিক সাম্য এবং উচ্চ পর্যায়ের কর্মজীবি ও নিম্ন পর্যায়ের কর্মজীবীদের মধ্যে বেতনের সাম্য। কাজেই আল্লাহ যে জিনিসের হুকুম দিয়েছেন তা অধিকারের মধ্যে সাম্য নয় বরং ভারসাম্য ও সমন্বয় প্রতিষ্ঠা। এ হুকুমের দাবী হচ্ছে এই যে, প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার নৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, আইনগত, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার পূর্ণ ঈমানদারীর সাথে আদায় করতে হবে।
দ্বিতীয় জিনিসটি হচ্ছে ইহ্সান বা পরোপকার তথা সদাচার, ঔদার্যপূর্ণ ব্যবহার, সহানুভূতিশীল আচরণ, সহিষ্ণুতা, ক্ষমাশীলতা পারস্পরিক সুযোগ সুবিধা দান, একজন অপর জনের মর্যাদা রক্ষা করা, অন্যকে তার প্রাপ্যের চেয়ে বেশী দেয়া এবং নিজের অধিকার আদায়ের বেলায় কিছু কমে রাযী হয়ে যাওয়া--- এ হচ্ছে আদলের অতিরিক্ত এমন একটি জিনিস যার গুরুত্ব সামষ্টিক জীবনে আদলের চাইতেও বেশী। আদল যদি হয় সমাজের বুনিয়াদ তাহলে ইহসান হচ্ছে তার সৌন্দর্য ও পূর্ণতা। আদল যদি সমাজকে কটুতা ও তিক্ততা থেকে বাঁচায় তাহলে ইহসান তার মধ্যে সমাবেশ ঘটায় মিষ্ট মধুর স্বাদের। কোন সমাজের প্রত্যেক ব্যক্তি সর্বক্ষণ তার অধিকার কড়ায় গণ্ডায় মেপে মেপে আদায় করতে থাকবে এবং তারপর ঐ নির্দিষ্ট পরিমাণ অধিকার আদায় করে নিয়েই তবে ক্ষান্ত হবে, আবার অন্যদিকে অন্যদের অধিকারের পরিমাণ কি তা জেনে নিয়ে কেবলমাত্র যতটুকু প্রাপ্য ততটুকুই আদায় করে দেবে, এরূপ কট্টর নীতির ভিত্তিতে আসলে কোন সমাজ টিকে থাকতে পারে না। এমনি ধরনের একটি শীতল ও কাঠখোট্টা সমাজে দ্বন্দ্ব ও সংঘাত থাকবে না ঠিকই কিন্তু ভালবাসা, কৃতজ্ঞতা, ঔদার্য, ত্যাগ, আন্তরিকতা, মহানুভবতা ও মঙ্গলাকাংখার মত জীবনের উন্নত মূল্যবোধগুলোর সৌন্দর্য সুষমা থেকে সে বঞ্চিত থেকে যাবে। আর এগুলোই মূলত এমন সব মূল্যবোধ যা জীবনে সুন্দর আবহ ও মধুর আমেজ সৃষ্টি করে এবং সামষ্টিক মানবীয় গুণাবলীকে বিকশিত করে।
তৃতীয় যে জিনিসটির এ আয়াতে হুকুম দেয়া হয়েছে সেটি হচ্ছে আত্মীয়-স্বজনদেরকে দান করা এবং তাদের সাথে সদাচার করা। এটি আত্মীয়-স্বজনদের সাথে ইহসান করার একটি বিশেষ ধরণ নির্ধারণ করে। এর অর্থ শুধু এই নয় যে, মানুষ নিজের আত্মীয়দের সাথে সদ্ব্যবহার করবে, দুঃখে ও আনন্দে তাদের সাথে শরীক হবে এবং বৈধ সীমানার মধ্যে তাদের সাহায্যকারী ও সহায়ক হবে। বরং এও এর অর্থের অন্তর্ভুক্ত যে, প্রত্যেক সমর্থ ব্যক্তি নিজের ধন-সম্পদের ওপর শুধুমাত্র নিজের ও নিজের সন্তান-সন্ততির অধিকার আছে বলে মনে করবে না বরং একই সঙ্গে নিজের আত্মীয়-স্বজনদের অধিকারও স্বীকার করবে। আল্লাহর শরীয়াত প্রত্যেক পরিবারের সচ্ছল ব্যক্তিবর্গের ওপর এ দায়িত্ব অর্পণ করেছে যে, তাদের পরিবারের অভাবী লোকেরা যেন অভুক্ত ও বস্ত্রহীন না থাকে। তার দৃষ্টিতে কোন সমাজের এর চেয়ে বড় দুর্গতি আর হতেই পারে না যে, তার মধ্যে বসবাসকারী এক ব্যক্তি প্রাচুর্যের মধ্যে অবস্থান করে বিলাসী জীবন যাপন করবে এবং তারই পরিবারের সদস্য তার নিজের জ্ঞাতি ভাইয়েরা ভাত-কাপড়ের অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করতে থাকবে। ইসলাম পরিবারকে সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান গণ্য করে এবং এক্ষেত্রে এ মূলনীতি পেশ করে যে, প্রত্যেক পরিবারের গরীব ব্যক্তিবর্গের প্রথম অধিকার হয় তাদের পরিবারের সচ্ছল ব্যক্তিবর্গের ওপর, তারপর অন্যদের ওপর তাদের অধিকার আরোপিত হয়। আর প্রত্যেক পরিবারের সচ্ছল ব্যক্তিবর্গের ওপর প্রথম অধিকার আরোপিত হয় তাদের গরীব আত্মীয়-স্বজনদের, তারপর অন্যদের অধিকার তাদের ওপর আরোপিত হয়। এ কথাটিই নবী ﷺ তাঁর বিভিন্ন বক্তব্যে সুস্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন। তাই বিভিন্ন হাদীসে পরিষ্কার বলে দেয়া হয়েছে, মানুষের ওপর সর্বপ্রথম অধিকার তার পিতা-মাতার, তারপর স্ত্রী-সন্তানদের, তারপর ভাই-বোনদের, তারপর যারা তাদের পরে নিকটতর এবং তারপর যারা তাদের পরে নিকটতর। এ নীতির ভিত্তিতেই হযরত উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু একটি ইয়াতীম শিশুর চাচাত ভাইদেরকে তার লালন পালনের দায়িত্বভার গ্রহণ করতে বাধ্য করেছিলেন। তিনি অন্য একজন ইয়াতীমের পক্ষে ফায়সালা দিতে গিয়ে বলেছিলেন, যদি এর কোন দূরতম আত্মীয়ও থাকতো তাহলে আমি তার ওপর এর লালন পালনের দায়িত্ব অপরিহার্য করে দিতাম। অনুমান করা যেতে পারে, যে সমাজের প্রতিটি পরিবার ও ব্যক্তি (Unit) এভাবে নিজেদের ব্যক্তিবর্গের দায়িত্ব নিজেরাই নিয়ে নেয় সেখানে কতখানি অর্থনৈতিক সচ্ছলতা, কেমন ধরনের সামাজিক মাধুর্য এবং কেমনতর নৈতিক ও চারিত্রিক পুতঃ পবিত্র, পরিচ্ছন্ন ও উন্নত পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে।
ওপরের তিনটি সৎ কাজের মোকাবিলায় আল্লাহ তিনটি অসৎ কাজ করতে নিষেধ করেন। এ অসৎকাজগুলো ব্যক্তিগত পর্যায়ে ব্যক্তিবর্গকে এবং সামষ্টিক পর্যায়ে সমগ্র সমাজ পরিবেশকে খারাপ করে দেয়।
প্রথম জিনিসটি হচ্ছে অশ্লীলতা-নির্লজ্জতা (فَحْشَاءِ) । সব রকমের অশালীন, কদর্য ও নির্লজ্জ কাজ এর অন্তর্ভুক্ত। এমন প্রত্যেকটি খারাপ কাজ যা স্বভাবতই কুৎসিত, নোংরা, ঘৃণ্য ও লজ্জাকর। তাকেই বলা হয় অশ্লীলতা। যেমন কৃপণতা, ব্যভিচার, উলংগতা, সমকামিতা, মুহররাম আত্মীয়কে বিয়ে করা, চুরি, শরাব পান, ভিক্ষাবৃত্তি, গালাগালি করা, কটু কথা বলা ইত্যাদি। এভাবে সর্ব সম্মুখে বেহায়াপনা ও খারাপ কাজ করা এবং খারাপ কাজকে ছড়িয়ে দেয়াও অশ্লীলতা-নির্লজ্জতার অন্তর্ভুক্ত। যেমন মিথ্যা প্রচারণা, মিথ্যা দোষারোপ, গোপন অপরাধ জনসমক্ষে বলে বেড়ানো, অসৎকাজের প্ররোচক গল্প, নাটক ও চলচ্চিত্র, উলংগ চিত্র, মেয়েদের সাজগোজ করে জনসমক্ষে আসা, নারী পুরুষ প্রকাশ্যে মেলামেশা এবং মঞ্চে মেয়েদের নাচগান করা ও তাদের শারীরিক অংগভংগীর প্রদর্শনী করা ইত্যাদি।
দ্বিতীয়টি হচ্ছে দুষ্কৃতি (مُنْكَرِ) । এর অর্থ হচ্ছে এমন সব অসৎ কাজ যেগুলোকে মানুষ সাধারণভাবে খারাপ মনে করে থাকে, চিরকাল খারাপ বলে আসছে এবং আল্লাহর সকল শরীয়াত যে কাজ করতে নিষেধ করেছে।
তৃতীয় জিনিসটি জুলুম-বাড়াবাড়ি (بَغْيِ)। এর মানে হচ্ছে, নিজের সীমা অতিক্রম করা এবং অন্যের অধিকার তা আল্লাহর হোক বা বান্দার হোক লংঘন করা ও তার ওপর হস্তক্ষেপ করা।
May be an image of peony

Saturday, March 1, 2025

Ramadan Teachings

 Ramadan is around the corner! I hope everyone is prepared to receive the immense blessings and mercy of this holy month. Ramadan is a time of fasting, reflection, and spiritual growth—an opportunity to strengthen our connection with Allah, purify our hearts, and develop self-discipline. Preparing in advance allows us to make the most of this sacred time. Let's get ready for a meaningful and rewarding Ramadan.

1. Strengthen Your Connection with Allah
● Increase Your Worship
▪︎ Start praying on time and, if possible, include extra prayers like Tahajjud and Sunnah prayers.
▪︎ Recite and reflect on the Qur'an daily to get into the habit of consistent reading.
▪︎ Make dua (supplication) regularly, asking Allah for guidance, strength, and forgiveness.
● Repent and Seek Forgiveness
▪︎ Purify your heart by sincerely repenting for past mistakes.
▪︎ Forgive others to enter Ramadan with a clean and peaceful mind.
▪︎ Let go of your grudges and negativity.
2. Improve Your Fasting Habits
Fasting is more than just refraining from food and drink; it is about self-control and devotion.
▪︎ Try voluntary fasts (such as Mondays and Thursdays) to ease into the Ramadan routine.
▪︎ Reduce consumption of caffeine, sugar, and processed foods to avoid withdrawal symptoms.
▪︎ Regulate your sleep schedule to adjust to suhoor (pre-dawn meal) and Taraweeh prayers.
3. Organize Your Time and Responsibilities
● Set Your Ramadan Goals
▪︎ Plan how much Qur'an you want to read and reflect upon.
▪︎ List good deeds you want to accomplish, such as charity, helping others, and improving relationships.
▪︎ Focus on breaking bad habits and replacing them with positive ones.
● Prepare Your Home and Finances
▪︎ Stock up on healthy food items for suhoor and iftar to avoid last-minute rushes.
▪︎ Allocate money for zakat (charity) and sadaqah (voluntary charity) in advance.
▪︎ Create a Ramadan-friendly schedule that includes work, prayer, family time, and rest.
4. Develop Good Character and Self-Discipline
▪︎ Control anger and impatience, as Ramadan is about self-restraint.
▪︎ Avoid idle talk, gossip, and negativity to maintain a pure heart.
▪︎ Be kind, patient, and helpful to those around you.
5. Educate Yourself and Your Family
▪︎ Read or listen to Islamic lectures on the significance of Ramadan. Join a Ramadan study group of Tafseer Quran or offer Salah in congregation."
▪︎ Teach children about the importance of fasting and good deeds through stories and activities.
Ramadan is a precious gift from Allah—a chance for renewal, spiritual growth, and deepening our connection with Him. Preparing in advance allows us to fully embrace its blessings. By strengthening our faith, managing our time wisely, and improving our habits, we can make this Ramadan a truly transformative experience.
Allah’s mercy is boundless and beyond human understanding. He is always ready to embrace us, waiting for us to make the first move. When we take a step toward Him, He hastens toward us. Let’s not allow this fleeting life to slip away in regret—this world is temporary, but our deeds here have everlasting consequences.
Faith is a divine illumination that Allah places in the hearts of sincere believers. Those who have experienced its sweetness know that it is the greatest gift one can receive in this life.
It takes just one step, and you will see how the Almighty—the Creator, Sustainer, and Architect of all existence—fills your life with unimaginable blessings, inShaAllah.
So take that step, Begin your preparation today, and pray for a Ramadan filled with peace, forgiveness, and closeness to Allah.
May Allah bless us all, accept our efforts, and grant us a Ramadan that brings us nearer to Him. Ameen!
May be an image of text that says "Ramadan KAREEM (+ Welcome the month of Ramadan with the heart filled with peace, harmony and joy. May the divine blessings of Allah protect and guide you."
d 3 others

ইফতারে কী কী খাবেন

 বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ মাস পবিত্র রমজান। ইফতার রোজার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইফতারে আমরা সাধারণত প্রথমে পানি বা শরবত পান করি। এরপর খেজুর বা সহজপাচ্য শর্করা, যেমন দই-চিড়া, গুড়ের পায়েস, ওটমিল, চিয়া পুডিং (এসব খাবারের সঙ্গে চাইলে পছন্দমতো বিভিন্ন বাদাম, ফল মিশিয়ে) দিয়ে ইফতার করা যেতে পারে। এসব খাবার শরীরে দ্রুত শক্তি জোগায় এবং পেট ঠান্ডা রাখে।

আমরা অনেকেই ইফতারে পানি খেয়েই ভাজাভুজি, যেমন ছোলা, পিঁয়াজি, বেগুনি খেতে ভালোবাসি। সারা দিন রোজা রাখার পর এসব খাবারে বুকজ্বালা, পেটব্যথা, বুক ধড়ফড় করতে পারে; রক্তে ক্ষতিকর চর্বি বাড়তে পারে। আর ওজন তো বাড়বেই। কারণ, এসব তৈলাক্ত, চর্বিযুক্ত খাবারে প্রচুর ক্যালরি থাকে।
ইফতারে পুষ্টি উপাদানগুলো যেন সহজেই পাওয়া যায়, তেমন খাবার খেতে হবে। নমুনা হিসেবে এনার্জি বুস্ট করে এমন কিছু খাবারের কথা বলা যায়। যেমন ইফতারের শুরুতেই খেতে হবে দই, লাল চিড়া, কলা, বাদাম, খেজুর—সবকিছু একসঙ্গে মিশিয়ে অথবা গ্রহণ করতে হবে সহজে হজমযোগ্য, যেমন তরলজাতীয় খাবার বা ফলের জুস বা স্মুদি।
মাগরিবের নামাজের পর বা এক-দুই ঘণ্টা পরঃ
● হালিম খুব পুষ্টিকর খাবার। এটি খাওয়া যায়। কারণ, হালিম কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও ফ্যাটের ভালো উৎস।
● সেদ্ধ ছোলা, মুড়ি, টমেটো, শসার পাশাপাশি পছন্দের ভাজাপোড়ার মধ্যে একটি-দুটি সিলেক্টিভ আইটেম, যেমন পিঁয়াজু, আলুর চপ কম তেলে ভেজে খাওয়া যায়।
● সবজি ও ডিম বা চিকেন স্যুপ খুব স্বাস্থ্যকর। এমন খাবার থেকে প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেলস পাওয়া যায়।
● বিভিন্ন ফল দিয়ে তৈরি ‘সালাদ’ পুষ্টিকর খাবার। এটি শরীরকে হাইড্রেট রাখে।
অনেকের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হয়। পেটের সমস্যা এড়াতে তোকমা, ইসবগুল ও তাজা ফলের রস এ সমস্যায় সাহায্য করে। শরীরকে যথাসম্ভব হাইড্রেট রাখা দরকার, যেন পানিশূন্যতা না হয়। সারা দিন রোজা রেখে অতিরিক্ত না খেয়ে খেতে হবে ধীরে ধীরে ও ভালোমতো চিবিয়ে। এতে শরীর সুস্থ থাকবে ও পরের দিনের রোজা রাখার জন্য নিজেকে সুস্থভাবে তৈরি করা যাবে।
সূত্রঃ লাজিনা ইসলাম চৌধুরী, পুষ্টিবিদ, পিপলস হাসপাতাল, মালিবাগ, চৌধুরীপাড়া, ঢাকা
May be an image of drink
ilkis Khanom

How Water is digested?

 পানি কিভাবে হজম হয়?

Unlike food, water doesn’t need digestion—it’s absorbed almost immediately. The moment you drink it, water starts working its way through your body, hydrating your cells and supporting vital functions. But have you ever wondered what actually happens once that sip goes down?
I remember once feeling completely drained after a long day in the clinic, only to realize I hadn't had a single glass of water. The moment I drank some, I felt a near-instant boost in energy and clarity. That’s because water gets absorbed rapidly, unlike food that takes hours to break down.
How Water Moves Through Your Body
Straight to the Stomach – The moment you swallow, water enters the stomach. Unlike food, it doesn’t need to be broken down and can pass through within minutes.
Absorbed in the Small Intestine – Most water is absorbed here, entering the bloodstream within seconds to minutes.
Distributed by Blood – Once in circulation, water reaches cells, regulates temperature, flushes out toxins, and helps transport nutrients.
Filtered by the Kidneys – Excess water is processed by the kidneys and eliminated through urine, keeping hydration balanced.
Why Hydration Matters
Even mild dehydration can cause headaches, fatigue, and difficulty concentrating. If you feel sluggish, try drinking a glass of water before reaching for caffeine.
First Aid for Dehydration
For mild dehydration – Sip water slowly. If you feel dizzy, lie down and elevate your legs.
For moderate dehydration – Electrolyte solutions (coconut water, ORS) help replenish lost minerals.
For severe dehydration – Seek medical help immediately, especially if there’s confusion or fainting.
Water is life—don’t wait until you’re thirsty to drink it. Keep a bottle nearby, and your body will thank you.
May be an image of body of water and text that says "Water Takes 0 min."
ms