Sunday, September 3, 2017

কান্না, সুস্বাস্থ্যের জন্য

কান্না, সুস্বাস্থ্যের জন্য

চোখের পানি হচ্ছে ব্যাকটেরিয়া ও বিষক্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিষেধক।ক্ষতিকর জীবাণুকেও ধ্বংস করে অশ্রু।
কান্না আসে দুঃখ বা কষ্ট থেকে।এ কান্না দেহের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ— তা জেনে খুব বেশি অবাক হওয়ার কারণ নেই।গবেষণা থেকে কান্নার উপকারী বেশ কিছু দিক বের হয়ে এসেছে।
মানসিক চাপ কিংবা হতাশা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।এ থেকে নানা রোগও হতে পারে।হূদ রোগ, উচ্চরক্তচাপ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, অবসাদগ্রস্ততা ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।কিন্তু হতাশাগ্রস্ত অবস্থায় একটু কেঁদে নিতে পারলে তা মানসিকচাপকে দারুণভাবে কমিয়ে ফেলবে।
চরম হতাশায় ভুগলে অথবা দ্বিধাগ্রস্ত হলে দেহে ক্ষতিকর কেমিক্যাল উত্পাদিত হতেথাকে।এঅবস্থায় চোখেরপানি কেমিক্যাল কমাতে সাহায্য করবে।
চোখের পানি হচ্ছে ব্যাকটেরিয়া ও বিষক্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিষেধক।কান্নার সময় বের হওয়া চোখের পানি ক্ষতিকর জীবাণুকেও ধ্বংস করে। চোখের পানির সঙ্গে কিন্তু চোখের মধ্যে জমে থাকা ক্ষতিকর টক্সিন এবং ময়লাও বের হয়ে আসে। চোখের পানি আপনার শুষ্ক চোখের শুকনো ভাগ কমিয়ে ফেলে।এ প্রাকৃতিক তৈলাক্তকরণ পদ্ধতি ছাড়া আপনি সাধারণত চোখে দেখতে পারবেন না।
মজার একটি বিষয় হচ্ছে, চোখের অনেক সমস্যার সমাধান করে কান্নার সময় উত্পন্ন আপনার চোখের পানি।প্রাকৃতিক চোখের ড্রপের মতো কাজ করে চোখের পানি আপনার চোখে থাকা জীবাণুর ৯০-৯৫ শতাংশ ধ্বংস করে ফেলতে সক্ষম।
যদি কোনো ব্যক্তি সামান্য অবসাদগ্রস্ত অবস্থায় একটু কেঁদে নিতে পারেন, তা হলে তার মানসিক অবস্থার একটা ইতিবাচক পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবেই হবে।

কান্নার পর ব্রেইন এবং হূদযন্ত্র বেশ স্মুথ হবে।ফলে আপনি বেশ ভালো এবং স্বস্তি বোধ করবেন।
কান্নার সুফল
আবেগপ্রবণ হলে মানুষের চোখে পানি দেখাদেয়।সেই অশ্রুঝরার কিছুউপকারী দিকও রয়েছে বলে গবেষকেরা জানিয়েছেন।কান্নায় মানসিক চাপ প্রশমিতহয়।কারণ, চোখের পানির সঙ্গে ম্যাঙ্গানিজের মতো জৈবরাসায়নিক অনেক উপাদান শরীর থেকে বেরিয়ে যায়, যেগুলো মানসিক চাপ সৃষ্টির জন্যদায়ী।কান্না অনেক সময় মানুষের ইতিবাচক আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্তচাপ বৃদ্ধির ব্যাপারটা সীমিত রাখে। আবেগজনিত অশ্রুছাড়াও চোখ থেকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কিছু তরল নির্গত হয়।সেগুলো চোখ পরিষ্কার রাখে এবং চোখের উপরিতলকে মসৃণ বা পিচ্ছিল রাখে।পেঁয়াজের ঝাঁজ বা ধুলাবালুর সংস্পর্শেও চোখ থেকে পানি ঝরে।যুক্তরাষ্ট্রের সাউথফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানী জোনাথান রোটেনবার্গও তাঁর সহযোগীরা এক গবেষণার ভিত্তিতে বলেন, উদ্বিগ্ন অবস্থায় কান্নার মাধ্যমে নারীরা একধরনের প্রশান্তি অনুভব করেন।
কান্নার ৫ অসাধারণ উপকারিতা
কান্নাকাটিকে অনেকে বিড়ম্বনার বিষয় বলেই মনে করেন। যদিও বাস্তবে চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, কান্না মন ও শরীর দুইয়ের জন্যই ভালো। মনোবিদরা জানাচ্ছেন, কান্না পেলে তা আটকানোর প্রয়োজন নেই বরং কেঁদে নেওয়াই ভালো। এ লেখায় থাকছে কান্নার কয়েকটি উপকারিতা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
১. চোখ পরিষ্কার করে
কান্নার সময় চোখের পানি আমাদের চোখের মণি আর চোখের পাতা ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে দেয়। এটি আমাদের চোখকে পানিশূন্যতা থেকেও বাঁচায়। ফলে চোখ পরিষ্কার রাখতে আর দৃষ্টি পরিষ্কার করতে সাহায্য করে কান্না।
২. ব্যাকটেরিয়া দূর করে
চোখের পানিতে থাকে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস দূর করার উপাদান। রাস্তা-ঘাটে, বাসে-ট্রামের ধুলো-বালি থেকে সারা দিনে চোখের ভেতর কত ময়লাই না জমা হয়। এগুলো থেকে নানা জীবাণু আমাদের চোখের বাসা বাঁধতে পারে। কিন্তু চোখের পানি এসব ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের জীবাণু ধ্বংসে খুবই কার্যকর। চোখের পানিতে থাকা আইসোজাইম মাত্র ৫-১০ মিনিটেই চোখের প্রায় ৯০-৯৫ ভাগ ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলতে পারে।
৩. মন উদ্দীপ্ত করে
কান্নায় মন ভালো হয়। কারণ কান্নায় শরীরে ম্যাঙ্গানিজের মাত্রা কমে যায়। এই ম্যাঙ্গানিজ বেশি মাত্রায় জমতে থাকলে উদ্বেগ, অস্বস্তি, রাগ-ক্ষোভ বেড়ে যাওয়াসহ নানা আবেগি ঝামেলা তৈরি করতে থাকে। কিন্তু কেঁদে ফেলতে পারলে এর মাত্রা কমে গিয়ে শরীর ও মন হালকা হয়।
৪. মানসিক চাপ কমায়
কান্নাতে আমাদের মনের ওপর চাপ কমে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ থেকে আমাদের শরীরে 'লিওসিন এনকেফেলিন ও প্রোলাকটিন'-এর মতো কিছু রাসায়নিক জমা হয়। আবার কান্নার অবদমন আমাদের উদ্বেগ-উতকণ্ঠার চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু কাঁদতে পারলে এই সব অতিরিক্ত চাপ কমে যায়।
৫. আবেগজনিত চিকিৎসা
কান্না বাস্তবে একটা চিকিতসার মতো। এটা উদ্বেগ কাটায়, বিষণ্নতা দূর করে। আবেগে কেঁদে ফেলতে পারাটা বহু কারণেই মন ও দেহের জন্য উপকারী। দীর্ঘদিন ধরে আবেগ চেপে রাখা ক্ষতিকর। এতে মনের ভেতর জমে ওঠে নানামুখী চাপ। এটি মস্তিষ্কেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। আর এ পরিস্থিতি সামলাতে প্রয়োজন কান্না।

কান্নায় প্রশান্তি আসে
কান্না মানুষের সহজাত প্রবণতা। দুঃখের কারণে মানুষ যেমন কান্নাকাটি করে, তেমনি সুখে তার চোখে পানি আসে। তবে কান্নার পর দেহমনে প্রশান্তি আসে; আগের চেয়ে অনেক ভালো অনুভূতি হয়— নতুন এক গবেষণায় এমন তথ্যই উঠে এসেছে।
মানুষের ওপর কান্নার প্রভাব নিয়ে গবেষণা চালিয়েছেন নেদারল্যান্ডসের ইউনিভার্সিটি অব টিলবার্গের আসমির গ্রাকানিন ও তার দল। তারা গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের লাইফ ইজ বিউটিফুল ও হাচি: এ ডগস টেল নামে দুটি চলচ্চিত্র দেখান এবং তাদের প্রতিক্রিয়া ভিডিও করেন। পরে অংশগ্রহণকারীদের জিজ্ঞাসা করা হয়, তাদের অনুভূতি কেমন। গবেষকরা নিয়ন্ত্রিত ল্যাবে তাদের তাত্ক্ষণিক ও কিছুক্ষণ পরের মানসিক অবস্থা পরীক্ষা করে দেখেন। এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন মোটিভেশন অ্যান্ড ইমোশন জার্নালে প্রকাশ হয়েছে।
গবেষণাটিতে ৬০ জন অংশ নেন। চলচ্চিত্র দুটি দেখার পর ২৮ জনের চোখে পানি এসেছিল এবং ৩২ জন ছিল স্বাভাবিক। ২০ ও ৯০ মিনিট পর তাদের মানসিক অবস্থা নির্ণয় করা হয়। যাদের চোখে পানি আসেনি, তাদের মেজাজে কোনো পরিবর্তন আসেনি। অন্যদিকে যাদের চোখে পানি এসেছে, তাদের মেজাজে পরিবর্তন দেখা গেছে। ২০ মিনিট পর তাদের মেজাজ চলচ্চিত্র দেখার আগের অবস্থায় ফিরে গেছে। তবে ৯০ মিনিট পর তাদের মধ্যে প্রশান্তির ভাব বেশি দেখা যায়।
গবেষণার ফলাফল থেকে দেখা যায়, কান্নাকাটির পর তাত্ক্ষণিকভাবে নয়, বরং কিছুক্ষণ পর মেজাজে পরিবর্তন ঘটে। এ প্রসঙ্গে আসমির গ্রাকানিন বলেন, কান্নার পর তারা আগের মেজাজে ফিরে যায় এবং পরে তাদের মনে প্রশান্তিও আসে।

Wednesday, August 23, 2017

Control your anger, it is indispensable

Control your anger, it is indispensable
Those who spend in the path of Allah in prosperity and adversity and who restrain anger and who pardon men. And virtuous people are dear to Allah. - Surah Al-i'Imran : Verse No 134 
     “For every minute you are angry, you lose 60 seconds of happiness.”

If you are patient in one moment of anger, you will escape a hundred days of sorrow. 

Wednesday, August 16, 2017

A to Z of Friendship

Accepts you for who you are
Believes in you
Calls just to say “Hi”
Doesn’t give up on you
Envisions the whole of you
Forgives your mistakes
Gives unconditionally
Helps you
Inspires you
Judges you rarely but fairly
Keeps your secretes
Loves you for who you are
Makes you feel better
Never abandons you
Opens doors for you
Pushes you to be better
Quiets your fears
Restores your confidence
Shares your joy & grief
Tells you the truth
Understands you
Values you
Wants the best for you
Xpects (expects) the best from you
Yanks (Pull) you back to reality
Zeros in on what’s wrong


Wednesday, August 2, 2017

Laugh, Apologize and Let Go

Grudges are a waste of perfect happiness.

Laugh when you can, apologize when you should,

and let go of what you can't change.

Tuesday, August 1, 2017

What are the types of Happiness

Essentially, happiness can be divided into 3 categories:
1.) Physical happiness;
2.) Mental happiness;
3.) Spiritual happiness.
 
 
In order for us to fill our lives with these three types of happiness, we first must learn the steps to achieve them. The following is a brief summary of these steps.

​​
1. For Physical Happiness:a. Regular and proper diet.
b. Regular and proper rest.
c. Regular and proper exercise.
 
​​
2. For Mental Happiness:a. Minimize expectation.
b. Minimize ego/pride.
c. Minimize negative thoughts.
 
​​
3. For Spiritual Happiness:

a. Recognize your soul (as a separate entity from the body).
    Do not live in the past. ( Free yourself of past memories and experiences.
    Do not worry about the future. ( But, plan for the future)
    Free yourself of any attachments and hatred
b. Help all living beings without any expectations.
c. Meditate regularly and surrender to the Almighty Lord
d. Never blame anybody.

Monday, July 24, 2017

বৃষ্টিতে ভিজলে রোগমুক্তি

বৃষ্টি নাকি শরীরের পক্ষে একেবারেই ভাল নয়। সত্যিই কি তাই? বৃষ্টিতে ভিজলে বাস্তবিকই কি হাজারো রোগ শরীরকে আক্রমণ করে? অথচ বিজ্ঞান এবং গবেষণা যা বলছে, তা শুনলে কিন্তু আপনি অবাক হয়ে যাবেন।
শরীরের কথা ভেবে বৃষ্টিকে অপছন্দ করেন যারা, তারা জেনে নিন, অল্প-বিস্তর বৃষ্টিতে ভিজলে একেবারেই শরীরের কোনও ক্ষতি হয় না। বরং মন ও মস্তিষ্ক একেবারে চাঙ্গা হয়ে যায়। কীভাবে এমনটা হয়, চলুন জেনে নেওয়া যাক। প্রসঙ্গত, একটানা ১০-১২ মিনিটের বেশি বৃষ্টিতে ভিজবেন না যেন, তাহলে কিন্তু শরীর বিদ্রোহ করলেও করতে পারে। আর বৃষ্টিতে ভেজার পর মনে করে এক কাপ ধোঁয়া ওঠা লিকার চা অথবা গ্রিন টি খেয়ে নেবেন, তাহলেই দেখবেন শরীর খারাপ কাছেও ঘেঁষতে পারবে না।
১.
বৃষ্টির পানিতে কোনও ভেজাল থাকে না। তাই তো সেই পানি শরীরে লাগলে কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাই থাকে না। প্রসঙ্গত, বৃষ্টির পানি মাটিতে, নদী-নালায় মেশার পর নোংরা হয়ে যায়, তার আগে নয়! সেই কারণেই তো বিশ্বের অনেক দেশে বৃষ্টির পানি জমিয়ে রাখা হয়। পরে প্রয়োজন মতো তা পান করা হয়ে থাকে।
২.
একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়েছে যে বৃষ্টির সময় হাওয়া-বাতাস খুব বিশুদ্ধ হয়ে যায়। তাই তো ওই সময় শ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করা প্রতিটি বায়ু আমাদের দেহের উপকারে লাগে। শুধু তাই নয়, বৃষ্টির সময় পরিবেশে উপস্থিত টক্সিক উপাদানের ক্ষতি করার ক্ষমতাও খুব কমে যায়। ফলে এই সময় বাড়ির বাইরে থাকলে সব দিক থেকে শরীরের ভালই হয়। তবে যেমনটা অগেও অলোচনা করা হয়েছে যে ১০-১২ মিনিটের বেশি বৃষ্টিতে ভেজা চলবে না। এর বেশি হলে ঠান্ডা লেগে যাওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া আর কোনও ক্ষতি যদিও হয় না।
৩.
সম্প্রতি প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে বৃষ্টির পানি পরিষ্কার পাত্রে সংগ্রহ করে খেলে শরীরের উপকার হয়। সেই সঙ্গে একাধিক রোগের প্রকোপও হ্রাস পায়। তবে এক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন, যে পাত্রে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করছেন সেই পাত্র যেন জীবাণুমুক্ত হয়, না হলে কিন্তু শরীরের ভাল হওয়ার পরিবর্তে খারাপই হবে বেশি।
৪.
বারিবর্ষণের সময় পরিবেশে উপস্থিত জলীয় বাষ্প ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভাল হয়। শুধু তাই নয়, বৃষ্টির পর জলীয় বাষ্প বেড়ে যাওয়ার কারণে পরিবেশে উপস্থিত একাধিক ক্ষতিকর জীবাণুর কর্মক্ষমতা কমে যায়। ফলে এই সময় শরীরের কোনও ক্ষতি হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই থাকে না।
৫.
বৃষ্টির পর কেমন মাটি থেকে সোঁদা গন্ধ বেরোয় দেখেছেন। এই গন্ধটাকে মন-প্রাণ দিয়ে শরীরে অন্দের নিয়ে যাবেন, দেখবেন নিমেষে মন ভাল হয়ে যাবে। গবেষকরা এই গন্ধকে ‘পেট্রিকোর’ নামে ডেকে থাকেন। প্রসঙ্গত, বৃষ্টি পড়া মাত্র মটিতে উপস্থিত এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিশেষ এক ধরনের কেমিক্যাল রিলিজ করে। যে কারণে এমন সোঁদা গন্ধ বেরোতে শুরু করে।
৬.
বেশ কিছু গবেষক মনে করেন বৃষ্টির পানি চরিত্রে অ্যালকেলাইন। অর্থাৎ এই পানি পান করলে শরীরের অন্দরে জমে থাকা টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যায়। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে। এখানেই শেষ নয় অ্যালকালাইন রক্তের পি এইচ লেভেলকে স্বাভাবিক মাত্রায় নিয়ে আসে। ফলে শরীরে অ্যাসিডির মাত্রা কমে যাওয়ার কারণে একাধিক রোগের প্রকোপ হ্রাস পায়।
৭.
আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন বৃষ্টির পানি অ্যালাকালাইন হওয়ায় ক্যান্সারের কষ্ট কমাতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। যদিও এই যুক্তির স্বপক্ষে কোনও প্রমাণ আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
৮.
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ৩ চামচ বৃষ্টির পানি খেলে অ্যাসিডিটি এবং গ্যাস-অম্বল হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতারও উন্নতি ঘটে।
৯.
অনেককে বলতে শুনেছি বৃষ্টিতে ভেজার পর শ্যাম্পু না করলে নাকি চুলের মারাত্মক ক্ষতি হয়। এই ধারণা কিন্তু মোটেও ঠিক নয়। কারণ বাস্তবে একেবারে উল্টো ঘটনা ঘটে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টির পানি বিশুদ্ধ হয়। ফলে এই পানি দিয়ে চুল ধুলে মাথার ত্বকে থাকা একাধিক ব্যাকটেরিয়া এবং ময়লা ধুয়ে যায়। ফলে চুলের সৌন্দর্য যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি খুশকি সহ নানাবিধ রোগের প্রকোপও কমে।
১০.
কখনও লক্ষ্য করেছেন কিনা জানা নেই। তবে বৃষ্টিতে ভেজার পর আমাদের ত্বক আরও উজ্জ্বল এবং সুন্দর হয়ে যায়। কারণ সেই একই! বৃষ্টির পানি ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার করে। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই স্কিন তার হারিয়ে যাওয়া ঔজ্জ্বল্য ফিরে পায়।
১১.
বেশ কিছু কেস স্টাডি করে দেখা গেছে তুমুল বৃষ্টিতে ৫ মিনিট ভিজলে স্ট্রেস লেভেল একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে শরীরের ক্লান্তিও দূর হয়।
সাবধানতা: গর্ভবতী মহিলারা ভুলেও বৃষ্টিতে ভিজবেন না যেন! এমনটা করা এই সময় শরীরের পক্ষে একেবারেই ভাল হবে না।
খেয়াল রাখবেন: বৃষ্টির পানি খাওয়ার আগে দেখে নেবেন যেখানে সেটি স্টোর করেছেন সেটি পরিষ্কার কিনা। না হলে কিন্তু কোনও উপকারই পাবেন না। উল্টো শরীরের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে।
সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া থেকে 

Friday, July 21, 2017

Dreams and Aims

The Difference between
DREAM & AIM
Dream requires
soundless sleep to see
and
AIM requires

Sleepless effort to achieve…