Saturday, October 13, 2018

কতবার রান্না, এক তেলে? মনে রাখবেন আপনার স্বাস্থ্যটি মহামূল্যবান এক রত্ন!


তেল ছাড়া কি জীবন চলে! পন্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বলেছেন, তৈলের মহিমা অতি অপরূপ। তৈল নহিলে জগতের কোন কাজ সিদ্ধ হয় না। তৈল নহিলে কল চলে না, প্রদীপ জ্বলে না, ব্যঞ্জন সুস্বাদু হয় না, চেহেরা খোলে না, হাজার গুন থাকুক তাহার পরিচয় পাওয়া যায় না, তৈল থাকিলে তাহার কিছুরই অভাব থাকে না।
ভাজাপোড়া ছাড়াও পোলাও বা খিচুড়ি রাঁধতেও তেল লাগে। তাই এই জিনিসটি স্বাস্থ্যকর না হলে বিপদ। অপচয় রোধ করতে গিয়ে অনেকেই তেল পুনর্ব্যবহার করে। এতে তেলের স্বাস্থ্যগুণ নষ্ট হয়। আবার পুনর্ব্যবহারের কিছু উপায়ও আছে। এসব নিয়েই স্বাস্থ্যযত্নের খাঁটি কথা আজকেঃ
তেলের পুনর্ব্যবহারে যা ঘটে
কড়া ভাজার পর ওই তেল আবারও ব্যবহার করলে দূষণ ঘটে। এতে ইনফ্লামেশন এবং পরিণামে আপনি রোগাক্রান্ত হতে পারেন । দূষিত উপাদানগুলো দেহের সুস্থ কোষে প্রবেশ করে। ফলে ক্রমেই নানা ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দিতে থাকে। এসব দূষণ সৃষ্টিকারী উপাদান অনেক সময়ই ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। অ্যাথেরোসক্লেরোসিস বা ধমনী শক্ত হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। ফলে দেহে ক্ষতিকর এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায় আর রক্তবাহী শিরা-উপশিরায় সুষ্ঠু রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়।
তেলের পুনর্ব্যবহারে আরো আছে রোগের ভয়াবহ শঙ্কা
একই তেলে বারবার রান্না করা হলে আরো বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে আছে এসিডিটি, হৃদরোগ, আলঝেইমার্স, পারকিনসন্স এবং কণ্ঠনালিতে অসুবিধা দেখা দিতে পারে। কড়া ভাজার পর ওই তেল দ্বিতীয়বার না ব্যবহার করাই ভালো। তবে কিছু ক্ষেত্রে করা যায়। এটা নির্ভর করে আপনি কোন ধরনের তেল দিয়ে রান্না করছেন। কিংবা একে কতটা তাপে উত্তপ্ত করা হয়েছে তা-ও গুরুত্বপূর্ণ। আবার আপনি কোন ধরনের খাবার রান্না করছেন, সেখানেও কঠোর হিসাব-নিকাশ আছে।
তেলের পুনর্ব্যবহারে কিছু বিষয় খেয়াল রাখুন
চাইলেই কিন্তু একবার রান্না শেষে বেশ পরিমাণ তেল ফেলে দেওয়া ঠিক নয়। এতে যথেষ্ট অপচয় করা হয়। তাই প্রায় সময়ই তেল একাধিকবার ব্যবহার করতে হয়। আর যদি তা স্বাস্থ্যসম্মতভাবে করতে হয় তবে কিছু বিষয় মেনে চলতে হবে। যেমন বেঁচে যাওয়া তেলটুকু প্রথমেই ঠাণ্ডা করে নিতে হবে। তারপর এটা বাতাস প্রবেশ করতে পারে না, এমন কঁচের বোতলে সংরক্ষণ করতে হবে। এতে করে যেসব খাদ্যকণা তেলে রয়ে গেছে সেগুলো তেলকে খুব বেশি নষ্ট করতে পারবে না। তেল একবার ব্যবহারের পর এর ঘনত্ব ও রং খেয়াল করুন। যদি এর রং বেশ গাঢ় হয়ে যায়, পিচ্ছিল গ্রিজের মতো হয় এবং তুলনামূলক বেশি ঘন হয়ে থাকে তবে দেরী না করে ফেলে দিন। সব থেকে ভাল তেল বার বার ব্যবহার না করা। আমরা আমাদের শিক্ষাকে বাস্তবে কাজে লাগাই। এসব কাজে আল্লাহ পাকের কাছ থেকেও ছাড় পাবার কোনই সুযোগ নেই।
পোড়া তেল ফ্রি-রেডিকলের খনি-আর ফ্রি-রেডিকল অসুস্থতা তৈরীর খনি।
“Old oil is a harbour for free radicals. It is important to note that cooking oil should be used only once. Ref: http://www.monitor.co.ug
The consequences of heating cooking oils extend far beyond the immediate risk of burns by splattering hot oil. All oils can withstand varying levels of heat. If that level is exceeded, the oil not only begins to lose its nutritional value and flavor, it produces toxic fumes and hazardous substances called free radicals. Heated cooking oil is considered unsafe when it reaches its smoking point -- the temperature at which it begins to chemically breakdown and smoke continuously. At this point, the fat molecules break down into glycerol and free-fatty acids, and the glycerol breaks down further to produce toxic fumes and free radicals -- not to mention an unpleasant flavor.

এক বিজ্ঞজন আমাকে অনেক দিন আগে বলেছিলন যখন ভাল এক হোটেল থেকে খেয়ে ফিরছিলাম। উনি বল্লেন, জানেন হোটেলের ২টো জিনিস শেষ হয়না কখনো। ১. ভাত আর ২. তেল। এ ২টোই রি-সাইকল হয়। নিয়ত। প্রত্যেকদিন। তাই হোটেল যত দিনের পুরোনো ভাত আর তেল ও ততদিনের রি-সাইকল করা। কত ধরনের মুখরোচক খাবার আমরা রি-সাইকল করা তেলে নিত্যদিনই খাচ্ছি তার হিসাব আমরা কষছিনা। যখন অসুস্থ হই তখনও এর খবর আমরা রাখছিনা। অুসুস্থ অবস্থায় সিঙ্গাড়া খেতে চাইলেন, হোটেল থেকে এলো রি-সাইকল করা তেলে ভাজা সেই প্রিয় সিঙ্গাড়টি। ওই বিজ্ঞজনের কথাটা শুনে আমি অনেক ভীত হয়ে পড়েছিলাম। হেটেলে কালেভদ্রে খাওয়াও বাদ দিয়েছি। আমরা নামী দামী যত হোটেলই দেখিনা বা শুনিনা কেন, তাদের কিচেনের খবর আমরা জানিনা।  হয়তো শোনা যাবে এসব হোটেলের মালিকরা আল্লাহর কাছে হাত তুলে বলছেন, “আমায় দিয়ে কারো ক্ষতি হয়না যেন দুনিয়ায়, আমি কারো ভয় না করি, মোরেও কেউ ভয় না পায়!” কিন্তু কিভাবে তারা ক্ষতি করে চলেছেন তার খবর হয়তো তারাও নেন না লাভ বা মুনাফার আশায়। কিন্তু আহ্ক্কামুল হাকীমিন আল্লাহ এসব কিছুর খবর অবশ্যই সঠিকভাবে জানতে চাইবেন শেষ বিচারের দিন। এতে কোনই ভুল নেই।       

উপসংহারঃ
আবারো পন্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর কথাঃ সর্বশক্তিময় তৈল নানারূপে সমস্ত পৃথিবী ব্যাপ্ত করিয়া আছেন। তৈলের যে মূর্তিতে আমরা গুরুজনকে স্নিগ্ধ করি, তাহার নাম ভক্তি, যাহাতে গৃহিণীকে স্নিগ্ধ করি, তাহার নাম প্রণয়; যাহাতে প্রতিবেশীকে স্নিগ্ধ করি,তাহার নাম মৈত্রী; যাহা দ্ধারা সমস্ত জগতকে স্নিগ্ধ করি, তাহার নাম শিষ্টাচার ও সৌজন্য বা “ফিলনাথ্রপি।” যাহা দ্ধারা সাহেবকে স্নিগ্ধ করি তাহার নাম লয়ালটি; যাহা দ্ধারা বড়লোককে স্নিগ্ধ করি, তাহার নাম নম্রতা বা মোডেষ্টি। চাকর বাকর প্রভৃতিকেও আমরা তৈল দিয়া থাকি, তাহার পরিবর্তে ভক্তি বা যত্ন পাই। অনেকের নিকট তৈল দিয়া তৈল বাহির করি। পরস্পর ঘর্ষিত হইলে সকল সকল বস্তুতেই অগ্ন্যুদ্গম হয়। অগ্ন্যুদ্গম নিবারণের একমাত্র উপায় তৈল। এইজন্যই রেলের চাকায় তৈলের অনুকল্প চর্বি দিয়া থাকে। এইজন্যই যখন দুজনে ঘোরতর বিবাদে লঙ্কাকাণ্ড উপস্থিত হয়, তখন রফা নামক তৈল আসিয়া উভয় ঠাণ্ডা করিয়া দেয়। তৈলের যদি অগ্নিনিবারণী শক্তি না থাকিত, তবে গৃহে গৃহে গ্রামে গ্রামে পিতাপুত্রে স্বামী-স্ত্রীতে রাজায়-প্রজায় বিবাগ বিসম্বাদে নিরন্তর অগ্নিস্ফুলিঙ্গ নির্গত হইত।

কিন্তু আমরা অভাবের বা স্বচ্ছল সংসারে যদি বারংবার পোড়া তৈল দিয়া রাঁধিবার জন্য গিন্নীকে নিয়ত চাপ দিতে থাকি তা হলে আর রক্ষে নেই। শরীর মহাশয় অচিরেই গোস্বা করিবেন আর ফল স্বরুপ আমাদেরকে বা সংসারের কাউকে না কাউকে বিশাল রকম অসুখের ঝামেলায় পড়িতে হইবে আর গোরস্তানে যাওয়াও বিচিত্র নয়। তাই এখনিই সাবধান হওয়া উচিত। 
সূত্রঃ বহুবিধ

Thursday, October 11, 2018

রাগের ৮


১.
রাগ হচ্ছে একমাত্র খারাপ জিনিস যা প্রেমকে নিমিষেই করে ফেলে অদৃশ্য। আর রাগের পর প্রেম হচ্ছে এমনিই সন্দেহপ্রবন জিনিস যা সহজেই দৃশ্যমান হয়। 
২.
রাগের সময় খুব সহজ একটি কর্কশ কথা খুবই বিষাক্ত মনে হয়। রাগের সময় প্রেমময় শত সুন্দর কথাও সেকেন্ডের মধ্যে উধাও হয়ে যায়।
৩.
রাগ “একাই” মানুষের কাছে আসে সাথে করে নিয়ে যায় সকল ভাল গুন। ঠিক তেমনি ধৈর্যও “একাই” আসে আর মানুষকে দিয়ে যায় সকল ভাল গুন।  
৪.
রাগের সময মানুষ এমন বক্তৃতা করে যা রাগ পড়ে গেলে সবচে ভাল বক্তৃতা বলে মনে হয় আর মানুষ এই বক্তৃতার জন্য অনুশোচনাও করে। 
৫.
রাগ খুবই সহজ। কিন্তু সঠিক সময়ে, সঠিক মানুষের সাথে সঠিক উদ্দেশ্যে সঠিক পথে রাগ করা সত্যিই কঠিন।
৬.
রাগ হলো অ্যাসিডের মত। যে পাত্রে সে থাকে, পাত্রকে সে বিষাক্ত করে ফেলে।
৭.
রাগ এমন একটি “অনুভূতি” যা মনটাকে বন্ধ করে দিয়ে মুখটাকে বেশী বেশী কাজ করায়
৮.
একই সময়ে রাগ করা ও হাসতে পারা খুবই কঠিন কাজ। রাগ ও হাসি-সমভাবে মানুষের ২টি বিশেষ গুন। তবে এর যে কোন একটিকে বেছে নিতে হলে মানুষের সে রকম শক্তিও প্রয়োজন। 

আল কুরআন “রাগ” বিষয়ে কী বলে?
যারা সচ্ছল ও অসচ্ছল সব অবস্থায়ই অর্থ-সম্পদ ব্যয় করে এবং যারা ক্রোধ দমন করে ও অন্যের দোষ –ক্রটি মাফ করে দেয়৷ এ ধরনের সতলোকদের আল্লাহ অত্যন্ত ভালোবাসেন৷-আলে ইমরান ১৩৪

আমরা

We drink too much, আমরা পান করি অনেক বেশী
Smoke too much, ধুমপানও করি বেশী
Spend too recklessly, আমাদের খরচের হাত অনেক প্রশস্ত
Laugh too little, আমরা হাসি খুবই কম
Drive too fast, আমরা দ্রুত গাড়ী চালাই
Get too angry, আমরা অনেক বেশী রাগ করি
Stay up too late, আমরা দেরীতে ঘুমাই
Get up too tired, আমরা ক্লান্ত হই অনেক দ্রুততার সাথে
Read too little, আমরা বই পড়ি খুবই কম
Watch TV too much, আমরা বেশী বেশী টিভি দেখি
And pray too seldom আমরা প্রার্থনা করিনা বললেই চলে
We have multiplied our possessions, আমাদের সম্পদের প্রাপ্তি অনেক
But reduced our values কিন্তু আমাদের মূল্যবোধ অবক্ষয়ে
We talk too much, আমরা বেশী বেশী কথা কই
Love too seldom, ভালবাসিনা বল্লেই চলে
And hate too often আর আমরা ঘৃনা করি দ্রুততার সাথে
We’ve learned how to make a living, আমরা জীবযাপন করার কথা জানি
But not a life কিন্তু আমরা জানিনা “জীবন”কে
We've added years to life আমরা বছর যোগ করছি জীবনের সাথে
Not life to years কিন্ত বছরকে প্রানবন্ত করছিনা
We've been all the way to the moon and back আমরা চাঁদে গিয়েছি, ফিরেছিও
But have trouble crossing the street to meet a new neighbor কিন্তু আমরা সড়ক পার হয়ে কষ্টকরে খুবই কাছের আত্মীয়কে দেখতে যাচ্ছিনা
We conquered outer space মহাশূন্য আমাদের হাতের মুঠোয়
But not inner space আমাদের মনের ভেতরটা বিজিত হয়নি এখনো
We've done larger things আমরা বড় বড় কাজ করছি
But not better things কিন্তু ভাল ভাল কাজ করছিনা
we’ve cleaned up the air আমরা নিয়ত বায়ুশোধন করছি
But polluted the soul কিন্তু আমরা আত্মাকে করছি কলুষিত
We've conquered the atom আমরা “অনু”কে জয় করেছি বলে গর্ব করি
But not our prejudice কিন্তু আমরা কুসংস্কারাচ্ছন্ন
We write more আমরা লিখছি বেশী
But learn less কিন্তু শিখছি কম
We plan more আমরা পরিকল্পণা করছি বেশী
But accomplish less শেষ করছি অনেক কম
We've learned to rush আমরা দৌড়ে দৌড়ে বেড়াচ্ছি
But not to wait কিন্তু অপেক্ষা করতে শিখছি না
We build more computers to hold more information, to produce more copies than ever কম্পিউটার তৈরী করে আমরা অনেক তথ্য সন্নিবেশ করছি, তথ্যের পর তথ্য কপি করছি
But we communicate less and less কিন্তু যোগাযোগ করতে ভুলে যাচ্ছি
তাই,
যাকে ভালবাস তাকে সময় দাও, এমন সময় আর হয়তো পাবে না।
যে তোমাকে দেখে ভয় পায় তার কাছে যাও, দয়ার কথা বলো, বলো ভালবাসার কথা। হয়তো একদিন তাকেই তুমি পাশে পাবে।
কাউকে আদর দাও এতে সত্যিই কোন খরচা নেই।
কাউকে বলো মন থেকে “আমি তোমাকে ভালবাসি।” মন থেকে একটা গাঢ় আলিঙ্গন, ভাঙ্গা মন জোড়া লাগায়।
ভালবেসে কারো হাত দুটো ধরো। হয়তো একদিন তাকে পাশে পাবে।
কতবার নিঃশ্বাস নিলে জীবনকে এটা দিয়ে মেপো না বরং যে মূহুর্তগুলো চলে গেল বা যাচ্ছে জীবনকে তা দিয়ে মেপে নাও। ঘড়ির কাঁটার দিকে গভীরভাবে তাকাও। দেখবে তোমার জীবন কি অবিশ্বাস্য গতিতে কবরের দিকে টানছে তোমাকে!

ক্রুসিফার ভেজিটেবলস্

এসময় হলো শরতকাল। এসময় যেসব সব্জি বেশী পাওয়া যায় সেগুলো হলো ক্রুসিফার ভেজিটেবলস্ বা সরিষা জাতীয় সব্জি। এগুলো ত্বকের জন্য খুবই ভাল খাবার। তাই এগুলো বেশী করে দিনের বেলায় খেতে হবে, রাতে নয়। আর একটি কথা হলো এ জাতীয় ভেজিটেবলস্ পেটে গ্যাস তৈরী করতে পারে। তাই ভাল সেদ্ধ করে রোদ থাকতেই খেতে হবে। 
এ জাতীয় ভেজিটেবলস্ আরও যে সব কাজ করে সেগুলো হলোঃ
1. Anti-Cancer Benefits-ক্যানসার থেকে নিস্কৃতি
2. Depression Relief-মানষিক অবসাদ থেকে নিস্কৃতি
3. Pain Relief- ব্যথা থেকে নিস্কৃতি
4. Cardio-protection-হৃদপিন্ডের খাবার
5. Antioxidants supply-অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহকারী
6. Protection From and Elimination of Toxins-শরীরের বিষ থেকে পরিত্রান দেয়
7. Type II Diabetes and Insulin Resistance (IR) Support-ডায়াবেটিসের হাত থেকে রক্ষা করা
8. Helicobacter pylori Support-পাইলস-এর জীবানু থেকে পরিত্রান
9. Alzheimer’s Applications-আলঝাইমার্স থেকে পরিত্রান
10. Anti-Inflammatory Benefits-প্রদাহ-বিরোধী ভূমিকা
11. Promotes Skin Health-ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষা
12. 18. Helps Slow Down Aging-বয়সের ছাপ কমায়
13. 19. Improves Hair Health- চুলের স্বাস্থ্য
14. Imparts Luster to Hair-চুলের দ্যুতি বাড়ায়
15. Improves Men’s Sexual Health-পুরুষের যৌন স্বাস্থ্য রক্ষা
16. Great during Pregnancy-গর্ভাবস্থায় স্বাস্থ্য রক্ষা
17. Improves Brain Health-মগজের শক্তি বাড়াতে দরকার
18. Improves Vision Health-চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায়
19. Cure Allergies-অ্যালার্জিতে কার্যকর
2o. Enhances Liver Health-লিভারের স্বাস্থ্য রক্ষায়
বাংলাদেশে যে সব ক্রুসিফার ভেজিটেবলস্ বা সরিষা জাতীয় সব্জি পাওয়া সেগুলোর তালিকা
১. ফুলকপি
২. বাঁধাকপি
৩. মূলা
৪. গাজর
৫. শালগম
৬. ওলকপি
৭. ব্রাসেলস স্প্রাউট-ইদানিং আমদানী করা হচ্ছে
৮. সরিষা
৯. ব্রোকলি

মানুষ বনাম মানুষ হওয়া

“নিজের বিবেককে কাজে লাগিয়ে যে ব্যক্তি বা সত্তা তার নৈতিক দায়িত্ব-কর্তব্যগুলো যথাযথভাবে পালন করেন, চরিত্রের ভালো উপাদানগুলো গ্রহণ ও মন্দ উপাদানগুলো বর্জন করেন তিনিই প্রকৃত বা ভালো মানুষ”।
A MAN IS A PHYSICO-CHEMICAL SYSTEM WITH A SPECIFIC AND VARYING LEVEL OF ORGANIZATION PATTERN, SELF REGULATIVE, SELF PERPETUATING IN CONTINUOUS ADJUSTMENT WITH THE ENVIRONMENT. - C.P. HICKMANN
‘Human being’ is generally defined as being a member of Homo sapiens race.
‘Being human’ means displaying characteristics that are unique to human beings.
The meaning of being human also differs according to various factors like religion, nationality, family background etc.
মানুষ শব্দের ক্রিয়াপদ ‘মানুষ করা’। মানুষ শব্দের দ্বিতীয় ক্রিয়াপদ ‘মানুষ হওয়া’। মানুষ হওয়া মানে সত্য বলা, কারো ক্ষতি না করা, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা, আপদে-বিপদে অন্যকে সাহায্য করা, সদাচরণ করা ইত্যাদি। সকলে যদি প্রকৃত মানুষ হতো তাহলে পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ, ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে মানব জাতি এক শান্তির সমাজে বসবাস করতো।
#আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মহানবী (সা) কে প্রশ্ন করা হলো, ভালো মানুষ কে? মহানবী(সা) বলেন, ভালো মানুষ তিনিই যে আল্লাহকে বেশি ভয় করে। (বুখারী : ৪৬৮৯)
#আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সা) বলেছেন, তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সেই, যার চরিত্র সবচেয়ে বেশি সুন্দর। (বুখারী: ৩৫৫৯)
#আবু হোরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি যে নিজ পাওনাদারের পাওনা উত্তমভাবে পরিশোধ করে। (বোখারী : ২৩০৫)
#আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) এর নিকট আরজ করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল সর্বোত্তম মানুষ কে? তিনি বললেন- ঐ ব্যক্তি, যার অন্তর পাপমুক্ত, পরিষ্কার, কারো প্রতি কোন আক্রোশ ও বিদ্বেষ নেই এবং যে সত্যবাদী হয়। (ইবনে মাজাহ: ৪২১৬)
#আসমা বিনতে ইয়াজিদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মহানবীকে (সা) বলতে শুনেছি, তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি হলো যাকে দেখলে আল্লাহর কথা স্মরণ হয়। (ইবনে মাজাহ: ৪১১৯)
অবশ্য হাদিসগুলোতে রাসূল (সা) স্থান, কাল, অবস্থা, প্রেক্ষাপটের আলোকে সর্বোত্তম মানুষ বা ভালো মানুষের পরিচয় তুলে ধরেছেন।
ভালো হওয়া অসাধ্য বা কঠিন কোন কাজ নয়। ভালো হতে প্রয়োজন শুধু সদিচ্ছা, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে একটি দৃঢ় প্রত্যয়ের। যেসকল গুণে গুণান্বিত হলে ভালো মানুষ হিসেবে নিজকে উপস্থাপন করা যায় এরমধ্যে অন্যতম হলো-
১. সততা
২. ন্যায়পরায়ণতা
৩. সত্যবাদিতা
৪. প্রতিজ্ঞা বা ওয়াদা পূরণ
৫. আমানতদারিতা
৬. দয়া
৭. ক্ষমা বা মার্জনা করা
৮. বিনয়-নম্রতা
৯. ভদ্রতা
১০. ভালোবাসা
১১. লজ্জাশীলতা
১২. সদুপদেশ
১৩. ধৈর্য
১৪. সহযোগিতা
১৫. সমবেদনাবোধ
১৬. সহনশীলতা
১৭. পরোপকারিতা
১৮. কলুষমুক্ত অন্তর
১৯. চারিত্র্যিক স্বচ্ছতা
২০. আল্লাহভীতি বা তাকওয়া
২১. আত্মত্যাগ
২২. অল্পে তুষ্টি
২৩. অন্যের দোষ গোপন রাখা
২৪. মহানুভবতা
২৫. সুধারণা পোষণ করা
২৬. নিষ্ঠা
২৭. নিয়মানুবর্তিতা
২৮. বড়দেরকে শ্রদ্ধা ও ছোটদের স্নেহ
২৯. ভালো কাজের আদেশ
৩০. মন্দ কাজের নিষেধ
৩১. অপরের কল্যাণ কামনা
৩২. আত্মমর্যাদাসম্পন্ন
নিজকে ভালো মানুষ হতে হলে যে সব বর্জনীয় ত্রুটি থেকে নিজকে মুক্ত রাখা দরকার তার মধ্যে প্রধানতম হলো-
১. মিথ্যা বলা
২. গর্ব-অহংকার
৩. হিংসা-বিদ্বেষ
৪. গীবত-পরনিন্দা
৫. অপরাধ
৬. অশ্লীলতা
৭. কুধারণা
৮. কৃপণতা
৯. ঘৃণা
১০. মাদকাসক্তি
১১. বিশ্বাসঘাতকতা
১২. লোভ-লালসা
১৩. চোগলখুরী
১৪. জুলুম-নির্যাতন
১৫. অপচয়.
১৬. সীমালঙ্ঘন
১৭. সন্ত্রাস
১৮. গুপ্তচরবৃত্তি
১৯. অন্ধ অনুকরণ
২০. কাপুরুষতা
২১. ঠাট্টা-বিদ্রুপ
২২. প্রতারণা
২৩. প্রদর্শনেচ্ছা
২৪. ধোকা দেয়া
২৫. মিথ্যা অপবাদ দেয়া
২৬. গালাগালি
২৭. মুনাফেকী করা
২৮. রাগ
২৯. অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে হরণ করা
৩০. প্রতিশোধ প্রবণতা
সমাজ সচেতন ব্যক্তিবর্গের বৈশিষ্ট্যসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো:
১. দায়িত্ববান- সচেতন বা কর্তব্যনিষ্ঠ ব্যক্তি কোন দায়িত্ব নিতে ভয় পান না, তেমনি দায়িত্ব পালনে কোন গড়িমসির আশ্রয় নেন না।
২. সময় সচেতন- কর্তব্যনিষ্ঠ ব্যক্তি সময়ের ব্যাপারে হবেন একশভাগ সচেতন। সময়কে তিনি কাজে লাগাবেন যথাযথ ভাবে। তার নিজের কর্মস্থলের সময় যেমন তিনি মেনে চলবেন, তেমন অন্যদের কাছ থেকেও তা প্রত্যাশা করবেন।
৩. আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী- তিনি নিজের আবেগের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে সম হবেন। তাদের জানা থাকবে ইতিবাচক আবেগের সুফল এবং নেতিবাচক আবেগের কুফল।
৪. কোন অজুহাত নয়- কর্মনিষ্ঠ ব্যক্তি সকল কাজের ক্ষেত্রে অজুহাতকে এড়িয়ে চলে। নিজের ভুলে কোন কাজে ত্রুটি-বিচ্যুতি হলে তার দায় নিতে দ্বিধা করেন না।
৫. সহযোগিতাপূর্ণ- তারা হবেন পারস্পরিক সহযোগিতাপূর্ণ। কাজের ক্ষেত্রে অন্যের কোন সমস্যায় সহযোগিতার হাত প্রসারিত করবেন।
৬. আত্মপ্রত্যয়ী- তিনি হবেন আত্মপ্রত্যয়ী। সবাইকে সাথে নিয়ে কঠিন কার্যের সমাধানে হবেন দৃঢ় মনোবলের অধিকারী।
৭. সময়ের কাজ সঠিক সময়ে ও সঠিকভাবে সম্পন্ন করা সচেতন ভালো মানুষের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
৮. একজন সমাজ সচেতন মানুষ সদা সর্বদা সত্য কথা বলবেন, মিথ্যাকে পরিত্যাগ করবেন। নিজ নিজ ধর্মের অনুশাসন বা বিধি-বিধানগুলো পরিপূর্ণভাবে মেনে চলবেন।
৯. নিজের মাতা-পিতা, ভাই-বোন, স্ত্রী-পুত্র-কন্যা, আত্মীয়-স্বজন, পরিবার-পরিজন, সমাজ, দেশ, দেশের মাটি, মানুষকে অন্তর দিয়ে ভালোবাসবেন।
১০. একজন সচেতন ব্যক্তি সর্বদা পরোপকারী হবেন। নিজের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে অন্যকে উপকার করার মানসিকতা লালন করবেন।
উত্তম ও অধম
কুকুর আসিয়া এমন কামড় দিল
পথিকের পায়,
কামড়ের চোটে, বিষ দাঁত ফুটে
বিষ লেগে গেল তায়।
ঘরে ফিরে এসে রাত্রে বেচারা
বিষম ব্যাথায় জাগে,
মেয়েটি তাহার তারি সাথে হায়
জাগে শিয়রের আগে।
বাপেরে সে বলে, ভরতসনা ছলে
রাখিয়া কপালে হাত,
তুমি কেন বাবা ছেড়ে দিলে তারে,
তোমার কি ছিল না দাঁত?
কষ্টে হাসিয়া আর্ত কহিল,
তুই রে হাসালি মোরে,
দঁাঁত আছে বলেই কুকুরের পায়ে
দংশি কেমন করে?
কুকুরের কাজ কুকুর করেছে
কামড় দিয়েছে পায়,
তা বলে কিরে কুকুরে কামড়ানো,
মানুষের শোভা পায়?

আদবকেতার ১৫ যা বলা হয়নি

15 unspoken rules of courtesy that everyone should adhere to
ধার করা বইগুলো ফেরত দিতে ভুলবেন না।(15)
আপনার ধুমপানের কারণে কেউ অস্বস্তিতে আছে এমন দেখলে অবশ্যই সেখানে ধুমপান করবেন না।(14)
কারো গাড়ী ব্যবহার করলে ধন্যবাদের বিকল্প হিসেবে গাড়ীটিতে ফুয়েল ভরে দিন। এটা বিশেষ ধরনের ভদ্রতা। (13)
কেউ আপনার জন্য খাবার বা অন্য কিছু কিনলে তাকেই সম্ভব স্বল্প সময়ের ভেতরেই খাইয়ে দিন। (12)
কোন বন্ধুকে ঘরের কাজের জন্য ডাকলে তাকে খাইয়ে দিন পেটপুরে।(11)
ধারের টাকা যত অল্প্ হোক না কেন এমনকি এক পয়সা হলেও স্বল্প সময়ের ভেতরেই ফেরত দিন। এমন মনে করার কোনই কারণ নেই যে এত অল্প টাকা ধার দেয়া লোকটির দরকার নেই। যদি এটা শোধ না করেন তবে তার প্রভাব আপনার ব্যক্তিত্বে পড়বেই। (10)
কারো বাড়ীতে রাত্রে থাকলে তার ঘরের বিছানা বা কম্বল গুছিয়ে রেখে দিন। (09)
পাবলিক প্লেসে চড়াস্বরে ঝগড়াঝাটি না করাই ভাল। ঝগড়া যদি করতেই হয় তাহলে এমন জায়গা বেছে নিন যেখানে অন্যেরা অস্বস্তিতে পড়বে না। (08)
কেউ আপনাকে রান্না করে খাওয়ালে তার রান্না ঘর/কিচেন পরিষ্কার করার জন্য অনুরোধ রাখুন (07)
পাবলিক প্লেসে ভিডিও বা ভিডিও গেম খেলার সময় অ্যাপসের ভল্যুম কমিয়ে রাখুন। দরকার হলে হেডফোন ব্যবহার করুন। (06)
আপনার হাত ফোন ধরে রাখতে অক্ষম-এমন না হলে ২ জনের মধ্যে কথা বার্তার সময় স্পিকারফোন ব্যবহার করবেন না।(05)
যে আপনার জন্য খাবার এনেছে সেখান থেকে কিছু রাখুন তার জন্য যে খাবারটি এনেছে তার জন্য। সে মানুষটি খাবার খেতে না চাইলে সে অন্য কথা।(04)
টেক্সট মেসেজে অন্য কারো ওপর ভেঙ্গে পড়বেন না, মেজাজ দেখাবেন না।(03)
অন্যের অফিসে কারো কম্পিউটার বা ফোন ব্যবহার করার দরকার হলে ব্যবহার তার অফিসের কারো অনুমতি নিন।(02)
কোন কল মিস করলে কলটি ধরতে না পারার জন্য কল দেখা মাত্রই কলারকে একটি মেসেজ দিন। (01)

ইতিবাচক (Positive) বনাম নেতিবাচক (Negative) মানষিকতা (Mentality)

ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কাজের অর্জনটাই দেখতে পায়।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কাজের কষ্টটাই দেখতে পায়।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কাজ করিয়ে দেখায়।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কাজের ফল ভোগ করতে চায়।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কাজের সমাধান খোঁজে।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কাজকে সমস্যা মনে করে।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষের আগেই একটা পরিকল্পনা করে।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষের আগেই কোন পরিকল্পনা করেনা।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষদের কোন বাহানা/অযুহাত থাকেনা।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষদের বাহানা/অযুহাত একটি নিয়মিত ব্যাপার।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বলেন, “এ কাজটি তোমার জন্য।”
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বলে, “এ কাজটি আমার নয়”। 
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বলেন এটি কঠিন কাজ কিন্তু করা সম্ভব।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বলে কাজটি সম্ভব তবে অনেক কঠিন।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কাজ করতে গিয়ে ভুল করলে বলেন, “আমি ভুল ছিলাম।”
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কাজ করতে গিয়ে ভুল করলে বলেন, “না, আমি সঠিক ছিলাম।”
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা ভুল থেকে শিক্ষা নেয়।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা ভুল থেকে শিক্ষা নেয়ার চেষ্টাই করে না।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা দায়িত্বপালনে অঙ্গীকারাবদ্ধ থাকেন।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা দায়িত্বপালনের আশ্বাস দেন।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বড় স্বপ্ন দেখেন।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বড় স্বপ্ন দেখেননা।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বলেন আমি অবশ্যই একটা কিছু করবে।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বলেন একটা কিছু তো হবে।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা নিজেকে দলের অংশ মনে করেন।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা নিজেকে দলবিচ্ছিন্ন ভাবেন। 
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কেবলই দেখতে পায় সাফল্য।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা দেখতে পায় কেবলই পরাজয়।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা উভয় পক্ষের জয়ে বিশ্বাস করে।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা উভয় পক্ষের জয়ে বিশ্বাসী নয়।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা দেখতে পায় সম্ভাবনা।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা দেখতে পায় সমস্যা।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা দেখতে পায় ভবিষ্যত সম্ভাবনা।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা তাকিয়ে থাকে অতীতের দিকে।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা তাপনিয়ামক (থার্মোস্ট্যাট)যন্ত্রের মত।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা তাপমানযন্ত্রের (থার্মোমিটার) মত।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা যা বলে তা করবার চেষ্টা করে।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা যা বলে তা তার ব্যক্তিগত পছন্দের ওপার ভিত্তি করে। 
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা শ্রুতিমধুর কথ বলে, শক্তিশালী যুক্তি উপস্থাপন করে। 
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা শ্রুতিকটু কথা বলে আর দুর্বল যুক্তি উপস্থাপন করে।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা নীতিতে আটল থাকে আর তুচ্ছ বিষয় নিয়ে এগোয় না। 
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা নীতিতে অটল থাকতে পারেনা আর তুচ্ছ বিষয় নিয়েও বিতন্ডার সৃষ্টি করে থাকে। 
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা সহানুভূশীল, পরপোকারী।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা সহানুভূতিশীল হয়না। তারা কালে ভদ্রে পরপোকারী হয়ে থাকে।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বলে “কারো সাথে এমন আচরণ করোনা যা তুমি তোমার নিজের বেলায় আন্যের কাছ থেকে প্রত্যাশা করোনা।”
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা বলে থাকে “অন্যেরা তোমার সর্বনাশ করার আগে তুমি তাদের ক্ষতি করো।”
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কাজ করে দেথায়।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা অন্যের দেখানো কাজের ওপর নির্ভর করে এমনকি অন্যের কাজকে নিজের কাজ বলে চালিয়ে দেয়।
ইতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা কোন কিছুতে জয়ী হতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়।
নেতিবাচক মনোভাবের মানুষেরা পরিকল্পণাহীন আর কোন কাজে জয়ী হওয়ার ব্যাপারে ভাবেনা।
তাই আমাদের উচিত হবে সবসময় ইতিবাচক মনোভাবের পরিচয় দেয়া ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী গ্রহণকরা। তা হ’লেই জীবনে সফলতা আর সার্থকতা আসবে।