Thursday, March 21, 2019

নতুন প্রেসিডেন্ট ও মান হানিকর কথার জবাব

প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ১ম দিন অফিস করছেন তিনি। আজ তার উদ্বোধনী ভাষন দেয়ার কথা রয়েছে। অল্প পরেই সঠিক সময়েই ভাষন শুরু হলো। তার ১ম ভাষনের মাঝেই আধুনিক পোশাক পরা কেতাদুরস্ত এক সিনেটর দাঁড়ালেন। নোতুন প্রেসিডেন্টকে প্রশ্ন করলেন। মি. প্রেসিডেন্ট, বোধ করি আপনি ভুলে যাননি যে আপনার বাবা একজন মুচি ছিল আর সে আমাদের পরিবারের পুরুষ নারী সবারই জুতো বানাতো। পুরো সিনেট অট্টহাসিতে ফেটে পড়লো। হাসি যেন আর থামেনা। সিনেটররা ধরেই নিলো যে এক নিরেট বোকাকে তাদের প্রেসিডেন্ট বানিয়েছে।
কিন্তু কিছু কিছু মানুষ্ এই দুনিয়াতেই রয়েছে যারা অসম্ভব দৃঢ় প্রত্যয়ী হন। প্রেসিডেন্ট প্রশ্নকর্তার চোখের দিকে সরাসরি তাকালেন। তাকে বল্লেন, “জনাব, আমি জানি আমার বাবা আপনাদের পরিবারের পুরুষ নারী সবারই জুতো বানাতেন। এ রকম অরো মুচি এই শহরের ভেতরেই আছে। কিন্তু আমার বাবা অসম্ভব রকমের ভালো জুতো বানাতে পারতেন যা আর কারো পক্ষে সম্ভব ছিল না, বুঝেছেন।”
প্রেসিডেন্ট থামলেন না। বলেই চললেন। আমার বাবা ছিলেন একজন সৃষ্টিশীল মানুষ, একজন জিনিয়াস। তিনি শুধু জুতোই বানাতেন না। তিনি যা বানাতেন তাতে তার হৃদয় নিংড়ানো ভালবাসা থাকতো। আমি এটাই আপনাকে বলছি যে আমার বাবার তৈরী জুতো নিয়ে আপনার কি কোন অভিযোগ রয়েছে? থাকলে আমাকে বলুন। আর আমিও বাবার কাছ থেকে জুতো বানানো শিখেছি। আপনি চাইলো আরো কয়েক জোড়া জুতো আপনার জন্য তৈরী করে দেবো আমি নিজেই। আর আমি এখন অব্দি জানি যে এই তল্লাটের কেউই আমার বাবার তৈরী জুতো নিয়ে অভিযোগ তো দূরের কথা-একটা টু শব্দও করেনি। আমি আমার বাবাকে নিয়ে গর্বিত। আরো গর্বিত যে এমন এক বাবার সন্তান আমি।
হঠাত করেই যেনো গোটা সিনেটে পিনপতন নীরবতা নেমে এলো। সিনেটররা কেউই আঁচ করতে পারেনি প্রেসিডেন্টের জ্ঞানের গভীরতা আর ব্যাপকতা বিষয়ে। কারণ, তার বাবার কাজের খুঁত কেউই ধরতে পারেনি। তার বাবা ছিলেন একজন ধারালো মানুষ। কাজও ছিল সুচিন্তিত ও ধারালো। ছেলেটাও হয়েছে তেমনিই।
ফোকাসঃ আপনার অনুমতি ছাড়া কেউই আপনাকে মান হানিকর কোন কথা বলার ক্ষমতা রাখেনা। যা ঘটে যায় আমরা তা থেকে মানসিক আঘাত পাইনা। মানসিক আঘাতটা পাই মানুষের অভিব্যক্তি বা রেসপন্স থেকে।
Ref: Motivational Story

Wednesday, March 20, 2019

To Simplify Your Life: 10 Tips

Simplicity makes things easy.
Learn "KISS"-"keep it simple, stupid",
The KISS principle states that most systems work best if they are kept simple rather than made complicated; therefore, simplicity should be a key goal in design, and unnecessary complexity should be avoided.
1. Avoid getting influenced
2. Avoid impulse buying
3. The 6 months Rule: anything which has not been used in last 6 months will not be used in next 6 months most likely
4. Avoid Credit Cards Usage
5. Learn to say No
6. Reduce too much social gatherings
7. Reduce your love for money
8. Less TV more Books
9. Spend time with Nature
10. Change your eating habits. Avoid visiting costly restaurants again and again. Purpose of food is to fill your belly. Remember, most of the food items in the market silently making you a heart patient in the long run.
Work on your real wealth and live a happy life.
আরো কিছু-
Simple is easier to understand. সহজিয়া জিনিস সহজবোধ্য
Simple is easier to remember. সহজিয়া কোন কিছু মনে রাখা সহজ
Animals are simple. সকল প্রাণিই সহজ. এমনকি হিংস্র প্রাণিও
Simple things are always more beautiful. সহজ জিনিস আসলেই বিউটিফুল
Simple is harder to break. সহজকে ভাঙ্গা সহজ নয়
Simple things load faster. সহজ জিনিস সহজেই লোড করা যায়
In a complex world, simple is rare and appreciated. জটিল দুনিয়াতে সজহটাই মঙ্গা আর সহজকে সবাই ভালবাসে
Simple is the culmination of clear thinking and action. পরিষ্কার চিন্তার জন্য সহজকে আশ্রয় করা সহজ
Simple is closer to the truth. সহজ হলো সত্যের সবচেয়ে কাছে
Simple things are accessible to everyone. সহজটা সবাই চায়
সহজ কথা বলতে আমায় বলো যে, সহজ কথা যায়না বলা সহজে।

SOME OF THE HUMAN QUALITIES ALLAH, THE ALMIGHTY LOVES

"Say (O Muhammad to mankind): "If you (really) love Allah, then follow me (i.e. accept Islamic monotheism, follow the Quran and the Sunnah), Allah will love you and forgive you your sins. And Allah is Oft-Forgiving, Most Merciful." (Quran: 3:31)
Ø Patience
Ø Justice and Dealing with Equity
Ø Putting Trust in Allah
Ø Perfection of One's Work
Ø Rescuing
Ø Being Kind and Gentle to Others
Ø Kindliness
Ø Repentance
Ø Piety
Ø Good-doing
Ø Body Purification
Ø Humility of the Rich
Ø Belief and Work
Ø Reflection of Allah's Grace
Ø Magnanimity
Ø Virtuosity
Ø Loftiness
Ø Justice
Ø Strength
Ø Love for the Sake of Allah
Ø Forgiveness
Ø Continuous Performance of Righteous Deeds
Ø Loving and Visiting Believers
Ø Exhortation and Advising
Ø Love of Virtuous Deeds
Ø Good Manners and Conduct

বন্ধুত্ব: ইসলামের দৃষ্টিতে এবং যা করা দরকার

A conglomerate ( man) is known by company it(he) keeps.
A person tends to associate with people who are like him or her. "Son, when you go away to school, spend your time with serious people; don't hang around with people who go to parties all the time. A man is known by the company he keeps. If you want to know what kind of person Muhammad is, look at his friends. A man is known by the company he keeps."
সমাজে চলার পথে বন্ধুর প্রয়োজন হয়। সামাজিক সম্পর্ক তৈরীতে বন্ধুত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। মানুষের কর্ম, চিন্তা-ভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন হয় বন্ধুত্বের কল্যাণে। এ কারণে কার সাথে বন্ধুত্ব করতে হবে এবং কাদের বর্জন করতে হবে এ ব্যাপারে স্বয়ং আল্লাহতায়ালা আমাদের পথ দেখিয়েছেন। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহতায়ালা বলেন, “আর ঈমানদার পুরুষ এবং ঈমানদার একে অপরের বন্ধু। তারা ভালো কথার শিক্ষা দেয় এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে। নামাজ প্রতিষ্ঠিত করে, যাকাত দেয় এবং আল্লাহ ও রাসূলের নির্দেশ অনুযায়ী জীবনজাপন করে। তাদের ওপর আল্লাহতায়ালা অনুগ্রহ করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ পরাক্রমশালী সুকৌশলী। [সূরা আত্-তওবা : ৭১]
নবী করীম (সাঃ) বলেছেন, “মুমিন ব্যক্তির সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্ক মজবুত কর। আর তার সাথেই পানাহার কর।” এখানে মুমিন ব্যক্তিদের সাথে বন্ধুত্ব করার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু মুমিন ছাড়া কি আর কারো সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে না? এ প্রশ্নের উত্তর আল্লাহ তায়ালাই দিয়েছেন। তিনি বলেন,
“হে ঈমানদারগণ, তোমরা ঈমানদারদের বাদ দিয়ে কাফেরদের নিজের বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তোমরা কি তাদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করে আল্লাহতায়ালার কাছে তোমাদের বিরুদ্ধে কোন সুস্পষ্ট প্রমাণ তুলে দিতে চাও?
[সূরা আন নিসা: ১৪৪]
অন্য এক আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “ঈমানদার ব্যক্তিরা কখনো ঈমানদারদের বদলে কাফেরদের বন্ধু বানাবে না। যদি তোমাদের কেউ তা করে, তবে আল্লাহর সাথে তার কোন সম্পর্কই থাকবে না।” [সূরা আলে-ইমরান: ২৮]
এ আয়াত দ্বারা বোঝা যায় যে, এমন ব্যক্তিকে আমরা বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করবো যে ঈমানদার, ধর্মপ্রাণ, সত্যবাদী, সদাচারী, সতকাজে অভ্যস্ত এবং নীতিবান।
যেহেতু আমরা বন্ধুছাড়া চলতে পারি না সেহেতু বন্ধু গ্রহণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে।
এ সম্পর্কে মহানবী (সাঃ) বলেন, “মানুষ তার বন্ধুর ধর্মের দ্বারা প্রভাবিত হয়। তাই তোমাদের যে কেউ যেন বিবেচনা করে দেখে কাকে সে বন্ধুরূপে গ্রহণ করছে। [তিরমিজি]
মহানবী (সঃ) আরো বলেন “জীবন যাপন প্রণালী ও চিন্তা ভাবনায় ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের বেলায় অভিন্নতা থাকা বাঞ্ছনীয়। অতএব বন্ধু নির্বাচনে প্রত্যেকের যতœশীল হওয়া উচিত। [তিরমিজি]
বিভিন্ন কারণে আমাদের বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। কিন্তু আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের ভিত্তিতে যে বন্ধুত্ব গড়ে উঠে সে বন্ধুত্ব সবচেয়ে মজবুত হয়। অপরদিকে নিজের স্বার্থের জন্য উপকার লাভের আশায়, ক্লাব সদস্যের ভিত্তিতে, সামাজিক শ্রেণী ও জাতিগত পরিচিতির ভিত্তিতে যে বন্ধুত্ব গড়ে উঠে তা বেশিদিন টিকে না। এ সকল ক্ষেত্রে কারো স্বার্থে কোন রকম আঘাত লাগলেই নষ্ট হয়ে যায়।
নবী করিম (সাঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি কাউকে ভালোবাসলো তো আল্লাহ্র জন্যই ভালোবাসলো, কাউকে ঘূণা করলো তো আল্লাহ্র জন্যই ঘৃণা করলো, কাউকে কিছু দিল তো আল্লাহর জন্যইড দিল এবং কাউকে দেওয়া বন্ধ করলো তো আল্লাহর জন্যই দেয়া বন্ধ করলো, তবে সে তার ঈমানকে পূর্ণ করলো। [মিশকাত]
অর্থাৎ ঈমান ও আনুগত্যের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা বন্ধুত্ব সর্বোত্তম। হাদীসে কুদসীতে আছে, আল্লাহতায়ালা বলেছেন, “যারা আমার প্রেমে পরস্পরকে ভালোবাসে, আমার খাতিরে সমবেত হয়, যারা আমার খাতিরে পরস্পরের খবরাখবর নেয় ও পারস্পরিক যোগাযোগ বহাল রাখে, আমার ভালোবাসা তাদেরই প্রাপ্য”।
ইসলামের দৃষ্টিতে উপযুক্ত লোকদের সাথেই বন্ধুত্ব করা উচিত এবং সারা জীবন ঐ বন্ধুত্ব অটুট রাখার জন্য চেষ্টা করা উচিত। যে বন্ধুত্ব আমাদের জীবনের আমূল পরিবর্তন করে দেয়, যে বন্ধুত্ব ছাড়া আমাদের চলা সম্ভব নয়, সে বন্ধুত্ব লালনের জন্য কুরআন ও হাদীসে নির্দেশনা রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে:-
* আল্লাহর আনুগত্য লাভের আশায় সকল বিশ্বাসীগণকে ভালোবাসা।
* ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সাথে সাক্ষাত করা। বেহেস্তের সুসংবাদ সেই ব্যক্তির জন্য রয়েছে, যে অন্য সমস্ত উদ্দেশ্য বাদ দিয়ে শুধুমাত্র বন্ধুর ভালোমন্দ জানার জন্য বন্ধুত্বের খাতিরে বন্ধুর সাথে সাক্ষাত করে।
* আত্মসর্বস্বতা/selfishness পরিহার করা। নবী করীম (সাঃ) বলেছেন,” নিজের ভাবনায় যা প্রিয়, তা অন্য মুসলিম ভাইয়ের জন্য প্রিয় না হওয়া পর্যন্ত সত্যিকারের বিশ্বাসী হওয়া যায় না।
* দুর্নীতি, মুনাফেকী চাল ও আত্মম্ভরিতা পরিহার করা। এগুলো হৃদয়ে পরিবর্তন আছে এবং বন্ধুত্ব নষ্ট করে।
* সামাজিক সৌজন্য চর্চা করা যেমন সহগামী মুসলিমের নাম জানা ও ঠিকানা সংগ্রহ করা।
* খাবার দাওয়াত দেয়া হলে তা কবুল করা।
* দয়ার বিনিময়ে দয়া জানানো।
* বন্ধুদের খাটো বা বিদ্রুপ না করা।
* বিদ্রুপ করে বন্ধুদের মনে কষ্ট না দেয়া।
* অসাক্ষাতে বন্ধুর নামে খারাপ কথা না বলা।
* বিনয়ী হোন এবং আত্মম্ভরিতা ত্যাগ করা।
* বন্ধুর কর্মকান্ডে অসত উদ্দেশ্য আরোপ না করা।
* বন্ধুকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখা এবং সত কাজে উতসাহিত করা।
* বিরোধ দেখা দিলে নিজেই প্রথমে মিটিয়ে ফেলার জন্য উদ্যোগী হওয়া।
আল্লাহ তাওফীক দিন ভাল মানুষ, ঈমানদার মানুষ বেছে নিয়ে তার সাথে চলতে।

Get Rid of Headaches, 11 Simple & Effective Ways to

1. Cut out Foods Containing a Lot of Histamine from Your Diet
খাবার থেকে হিষ্টামিন বাদ রাখুন
These foods include histamine:
• aged cheeses
• fermented foods
• beer
• wine
• smoked fish
• cured meats
2. Avoid Strong Smells
তীব্র গন্ধ এড়িয়ে চলুন
3. Use Essential Oils to Ease Your Pain
সুগন্ধি তেল ব্যবহার করুন
2 Essential oils beneficial to relieving headaches are lavender and peppermint oil
4. Stop Consuming Narcotics
নেশা হয় এমন দ্রব্য পান নয়।
5. Look Out For Foods Containing Nitrates and Nitrites
যে সব খাবারে নাইট্রেট রয়েছে সেসব খাবার নয়
These food preservatives can be found in many meat products:
• hot dogs
• sausages
• processed foods containing meat
6. Caffeine Is Your Best Friend
ক্যাফিন হতে পারে আপনার বেষ্ট ফ্রেন্ড
Caffeine can relieve headaches and make you feel more alert.
7. Avoid bright lights and loud sounds
উজ্বল আলো ও তীব্র সাউন্ড থেকে দূরে থাকুন
8. Use a Warm or Cold Compress On Your Neck and Head
ঘাড় মাথায় ঠান্ডা বা গরম সেঁক দিন
9. Take a B-Complex Vitamin
ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স নিন
10. Massage your neck and temple
কপাল ও ঘাড়ে মাসাজ করুন
11. Sip Some Ginger Tea
জিঞ্জার টি বা আদা চা পান করুন

নিঃসঙ্গতা ২১ শতকের মহামারীঃ আল কুরআন ও হাদীস ভিত্তিক সল্যুশন

নিঃসঙ্গতা মানব মস্তিষ্ককে ভিন্নভাবে চালিত করে
একাকিত্ব মানুষের মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলতে পারে।
একাকী ব্যক্তির মস্তিষ্ক সামাজিক নানা পরিপ্রেক্ষিতের প্রতি বেশি সক্রিয়।
সঙ্গহীন মানুষের মস্তিষ্ক অন্যদের তুলনায় ভিন্নভাবে কাজ করে। এ ধরনের মানুষের মস্তিষ্ক সামাজিক পরিস্থিতির প্রতি বেশি সক্রিয় থাকার কারণে অপরিচিতদের থেকে সম্ভাব্য শঙ্কা ও বিপদের বিষয়ে বেশি সচেতন থাকে।
সামাজিকভাবে ঋণাত্মক কোনো শব্দ সামনে আনার পর নিঃসঙ্গ ব্যক্তিরা ভীষণভাবে সচেতন হয়ে ওঠে, যেখানে অন্যদের ক্ষেত্রে প্রতিক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন দেখা যায় না।
নিঃসঙ্গতা স্ব-সংরক্ষণ পন্থাকে প্রণোদিত করে এবং অসামাজিক শঙ্কার তুলনায় সামাজিক শঙ্কার প্রতি মানুষকে বিশেষভাবে সচেতন ও সক্রিয় করে তোলে। নিঃসঙ্গ মানুষ অধিকাংশ ক্ষেত্রে ঋণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে। সামাজিক নানা শঙ্কা সম্পর্কিত এ প্রতিক্রিয়ার মূল অবচেতনের মধ্যেই প্রথিত আছে।
Loneliness and health
Loneliness can become a health problem when it is in your life for a long time and joins forces with things like:
Depression
Self harming or suicidal thoughts
Drugs, tobacco and alcohol
Anxiety or fear
Anger
Violence
Prostitution
Criminal activity
Mental illness.
Loneliness is a hidden scourge of modern life.
People are happier and healthier when they feel connected.
Loneliness does you no good. You can’t reach out to anyone and you tend to stew in your own juice.
All of us can benefit from having more connection and more support –and giving more support to other people.
Loneliness is a serious public-health problem
পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হচ্ছে, হে মানবসমাজ! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর যিনি তোমাদের এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন আর বিস্তার করেছেন তাদের দুজন থেকে অনেক পুরুষ ও নারী। আর আল্লাহকে ভয় কর যার নামে তোমরা একে অপরের কাছে চেয়ে থাক এবং আত্মীয়স্বজনদের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন কর, নিশ্চয়ই আল্লাহতায়ালা তোমাদের ব্যাপারে সচেতন রয়েছেন। (সূরা নিসা-১) ।
পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হচ্ছে, ‘হে মানব, আমি তোমাদের এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদের বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি, যাতে তোমরা পরস্পর পরিচিত হও। নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে সে-ই সর্বাপেক্ষা মর্যাদাবান যার তাকওয়া বেশি।’ (সূরা আল হুজরাত: ১৩) ।
জ্ঞাতি সম্পর্ক রক্ষার গুরুত্বঃ হজরত আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রাহেম’ শব্দটি (আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নাম) রহমান’ থেকে উতসারিত। তাই আল্লাহ তাআলা বলেন, যে ব্যক্তি রাহেম’ এর সাথে সম্পর্ক বজায় রাখবে, আমি তার সাথে সম্পর্ক বজায় রাখব এবং যে ব্যক্তি তা ছিন্ন করবে আমিও তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করব। (বুখারি)।
আরবীতে জ্ঞাতি সম্পর্ক রক্ষা করাকে সিলাতুর রাহেম’ বলা হয়। যার অর্থ জ্ঞাতি সম্পর্ক বজায় রাখা। হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রাহেম’ (আল্লাহ তা’আলার) আরশের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় আছে এবং বলে, যে আমাকে সংযুক্ত করবে আমি তাকে সংযুক্ত করব এবং যে আমাকে বিচ্ছিন্ন করবে আল্লাহ তাআলাও তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করবেন। (বুখারি, মুসলিম)
পারিবারিক বন্ধন রক্ষার পুরষ্কারঃ হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি চায় তার রিযিক প্রশস্ত হোক এবং জীবন দীর্ঘায়ু হোক সে যেন তার আত্মীয় স্বজনের সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক রাখে। (বুখারি) হাদিসের ভাষ্যকারগণ বলেন, এ হাদিস থেকে উদ্দেশ্য আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পাওয়া নয়, বরং তার অর্থ হল, এধরনের লোক আল্লাহর অনুগ্রহ লাভ করবে এবং জীবনের সংক্ষিপ্ত সময়ে অনেক বেশি কাজ করতে সক্ষম হবে। অধিকন্তু, রুজি বৃদ্ধি পাওয়ার অর্থ পরিমাণ কিংবা ওজনে বৃদ্ধি পাওয়া নয়; বরং তা থেকে উদ্দেশ্য হল আল্লাহ তা’আলার অনুগ্রহ ও বারক্কাত বৃদ্ধি পাওয়া। যার ফলে খাদ্যদ্রব্য নষ্ট হওয়া থেকে হেফাজত থাকবে এবং তা দীর্ঘস্থায়ী হবে।
সূত্র: অনেক

এক মিনিটের আমল

আপনি কি মর্যাদার শিখরে পৌছতে চান?
তাহলে ৬০ সেকেন্ড সময়কে বাস্তবে কাজে লাগান।
আল্লাহ্র ইচ্ছায় ৬০ সেকেন্ডে আপনি যে যে আমলগুলো করতে পারেন:
১) ১ মিনিটে সূরা ফাতিহা মনে মনে তিন বার পড়তে পারেন। কেউ কেউ হিসাব কষে দেখিয়েছেন একবার সূরা ফাতিহা পড়লে ৬০০ টির বেশি নেকি পাওয়া যায়। বা তারও বেশী।
২) ১ মিনিটে আপনি সূরা ইখলাস ২০ বার পড়তে পারেন। এই সূরা একবার পাঠ করলে কুরআন শরীফের এক তৃতীয়াংশ পড়ার সমান সওয়াব পাওয়া যায়।
৩) ১ মিনিটে আপনি আল্লাহর কিতাবের এক পৃষ্ঠা পাঠ করতে পারেন।
৪) ১ মিনিটে আপনি আল্লাহর কিতাবের ছোট একটি আয়াত মুখস্থ করতে পারেন।
৫) ১ মিনিটে আপনি “সুবানাল্লাহি অবিহামদিহি” ১০০ বার পড়তে পারেন।
৬) ১ মিনিটে আপনি “সুবানাল্লাহি অবিহামদিহি ও সুবানাল্লাহিল আজিম” ৫০ বার পড়তে পারেন।
৭) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “সুব্হানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আক্বার পাঠ করা যা কিছুর উপর সূর্য উদিত হয়েছে সবকিছু থেকে আমার নিকট অধিক প্রিয়।”[হাদিসটি বর্ণনা করেছেন মুসলিম (২৬৯৫)]
৮) এক মিনিটে আপনি আল্লাহর কাছে ১০০ বারের বেশি ইসতিগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারেন। এর ফজিলত আপনার অজানা নয়। এটি ক্ষমা প্রাপ্তি ও জান্নাতে প্রবেশের উপায়।
৯) ১ মিনিটে আপনি সংক্ষেপে কিছু ভাল কথা বলতে পারেন যা দ্বারা আল্লাহ হয়ত এমন কোন কল্যাণের পথ খুলে দিবেন যা আপনি ভাবতেও পারেননি।
১০) ১ মিনিটে আপনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর ৫০ বার দরূদ পাঠ করতে পারেন। শুধু পড়বেন “সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম”। এর প্রতিদানে আল্লাহ আপনার উপর ৫০০ বার সালাত (রহমত) পাঠাবেন।
১১) ১ মিনিটে আপনার মন আল্লাহর কৃতজ্ঞতা, তাঁর ভালবাসা, তাঁর ভয়, তাঁর প্রতি আশা এবং তাঁর প্রেমে উদ্বেল হয়ে উঠতে পারে। এর মাধ্যমে আপনি আল্লাহর দাসত্ব এর স্তরসমূহ অতিক্রম করতে পারেন; হতে পারে সে সময় আপনি হয়ত আপনার বিছানায় শুয়ে আছেন অথবা কোন পথ ধরে হেঁটে যাচ্ছেন।
১২) ১ মিনিটে আপনি সহজবোধ্য উপকারী কোনো বইয়ের দুই পৃষ্ঠার বেশি পড়তে পারেন।
১৩) ১ মিনিটের টেলিফোন যোগাযোগের মাধ্যমে আপনি ‘সিলাতুর রাহেম’ বা আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষার আমল পালন করতে পারেন।
১৪) ১ মিনিটে আপনি দুই হাত তুলে ব্যাপক অর্থবোধক দোয়াগুলো হতে পছন্দমত যে কোন দোয়া করতে পারেন।
১৫) ১ মিনিটে আপনি কয়েকজন ব্যক্তিকে সালাম দিতে পারেন ও তাদের সাথে মুসাফাহা করতে পারেন।
১৬) “অ্যাক্ট অব লিটল কাইন্ডনেস” বা এমন কিছু কথা বা কাজ যা মানুষের মনে দয়া বা ভালবাসার উদ্রেক করে তা ৬০ সেকেন্ডে করতেই পারেন।