Thursday, May 30, 2019

Obstacles in the way of success


Obstacle is something that blocks one's way or prevents or hinders progress. The success, on the other hand, is accomplishment of an aim or purpose. So, the term ‘Obstacle to Success’ may be defined as something that creates barriers/hindrance on the way to one’s accomplishment of the aim or purpose.

Obstacle to success in terms of career development involves a lot of dimensions covering professional as well as individual’s physique and psyche which may be of the following types:

  1. Obstacles in terms of Professional Aspects
  2. Obstacles in terms of Moral Aspects
  3. Obstacles in terms of Psychological Aspects
  4. Obstacles in terms of Physical Aspects
  5. Obstacles in terms of Attitudinal Aspects
  6. Obstacles in terms of Training/motivational Aspects   

Professional Aspects
  1. Insufficient professional knowledge
  2. Lack of practical knowledge & Skill
  3. Lack of quality/quantity/accuracy and perfection
  4. Inefficiency in making decision
  5. Inept in implementing decision
  6. Weakness in expression
  7. Lack of co-operation
  8. Lack of discipline & punctuality
  9. Lack of consciousness about security
  10. Lack of control over organizational information
  11. Lack in keeping the skill current
Moral Aspects
  1. Lack of honesty & integrity
  2. Excessive greed and avarice
  3. Indulgence in taking bribe
  4. Extravagant way of life
  5. Maintaining a selfish approach
  6. Indulgence in immoral activities beyond religious sanction
Psychological Aspects
  1. Lack of moral courage
  2. Lack of self confidence
  3. Hesitating attitude
  4. Introverted and hiding approach
  5. Maintaining negative attitude
  6. Lack of intelligence
  7. Lack of mental stability
  8. Lack of creativity
  9. Lack of innovation
  10. Lack of focus
Physical Aspects
  1. Lack of Physical fitness
  2. Frequent ailment
  3. Lack of physical energy
  4. Indolence and indifferent
Attitudinal Aspects
  1. Un-smart  attitude
  2. Lack of leadership quality
  3. Sluggish approach to carry the instructions
  4. Bleak personality
  5. Lack of initiative & drive
  6. Apathy to do work
  7. Absence of right image
  8. Lack of self discipline
Training/motivational Aspects
1.       Lack of training
2.       Poor score in the training
3.       Lack of proper job rotation
4.       Inability to train the subordinate
5.       Lack of being motivated
6.       Lack of motivating ability

Source: Training Methodology

Thursday, May 16, 2019

পুরুষদের কঠিন ৫ সমস্যা

প্রতি ৪০ সেকেন্ডে পৃথিবীতে একজন ব্যক্তি আত্মহত্যা করে। যারা নিজের জীবন এভাবে শেষ করে দেন এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা পুরুষ। নিজেদের সমস্যা নিয়ে কথা বলা অথবা কোন বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়ার প্রবণতা সম্ভবত তাদের কম।
এক্ষেত্রে জেনে নেয়া জরুরি যে পাঁচটি বিষয় নিয়ে পুরুষদের কথা বলা দরকার।
১. নিঃসঙ্গতা নিয়ে কথা বলুন
বিবিসি নিজে ওয়েলকাম কালেকশন নামে একটি সংস্থার সাথে নিঃসঙ্গতা নিয়ে জরিপ চালিয়েছিল। তাতে দেখা গেছে ১৬ থেকে ২৪ বছর বয়সীরা সবচেয়ে বেশি নিঃসঙ্গতা অনুভব করে। খুব দীর্ঘ সময়ের নিঃসঙ্গতা একজন মানুষের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।
গবেষণায় দেখা গেছে, সহজে নিরাময় হয় না শরীরে এমন রোগের জন্ম দেয় নিঃসঙ্গতা। তা মানুষের মধ্যে বেপরোয়া আচরণের জন্ম দেয়।
একাকীত্বের সাথে স্মৃতিভ্রংশ জনিত রোগেরও সম্পর্ক রয়েছে।
২০১৭ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে, বিশেষ করে পুরুষদের জন্য এই নিঃসঙ্গতা থেকে বেরিয়ে আসা মুশকিল।
এই গবেষণার প্রধান রবিন ডানবার বলছেন, যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব বজায় রাখার ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের মধ্যে বিশাল ফারাক তারা দেখতে পেয়েছেন।
পুরুষরা নিজেদের একাকীত্ব স্বীকারও করেন না। ২০১৭-১৮ সালে যুক্তরাজ্যের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, 'একা বোধ করি না' এই কথাটিই বরং পুরুষরা মেয়েদের তুলনায় বেশি বলেন।
২. কান্না ও পুরুষালী ধারনা
সমাজের প্রচলিত একটি কথাই রয়েছে যে 'ছেলেদের কাঁদতে নেই'।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইউগভ-এর ২০১৮ সালের এক হিসেব অনুযায়ী দেশটির ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী পুরুষদের ৫৫ শতাংশ মনে করেন কান্না পুরুষের আচরণের সাথে যায় না বা কান্না পুরুষালী বিষয় নয়।
আত্মহনন প্রবণতায় ভোগে এমন মানুষদের সহায়তা করে অস্ট্রেলিয়ান দাতব্য প্রতিষ্ঠান লাইফলাইন। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক কোলম্যান ওড্রিসকল বলছেন, "আমরা খুব ছোটবেলা থেকে ছেলেদের এমনভাবে তৈরি করি যেন তাদের আবেগ প্রকাশ করতে নেই। সমাজ সেভাবেই ছেলেদের বড় করে তোলে। তাদের ধারনা দেয়া হয় যে আবেগ প্রকাশ করা দুর্বলতার লক্ষণ।"
অথচ বহু গবেষণায় দেখা গেছে নিজের মন হালকা করার জন্য কান্না খুব কাজে আসে।
৩. পরিবারের জীবিকার প্রধান দায়িত্ব পুরুষের জন্য বড় চাপ
যুক্তরাজ্যে এক গবেষণায় দেখা গেছে ৪২ শতাংশ পুরুষরা মনে করে তাদের নারী সঙ্গীদের তুলনায় তাদের আয় বেশি হওয়া উচিত।
সেরকম একজন নাইজেরিয়ান ফুটবলার অলুমাইড ডরুযাইয়ে। তিনি বলছেন, "আমি দেখেছি আমার বাবা ছিলেন পরিবারের প্রধান রুটির যোগানদাতা। দিনরাত খাটতেন। আমিও সেরকমই হয়েছি। যেকোনভাবেই হোক আমাকে অর্থ উপার্জন করতে হয়েছে কারণ আমাকে সেই পুরুষের ভূমিকাটি নিতে হয়েছে।"
পরিবারের সবার রুটির যোগান দেয়া পুরুষের দায়িত্ব এই ধারনার কারণে পুরুষরা অনেকেই বাড়তি চাপের মধ্যে থাকেন।
পুরুষদের জন্য এই দায়িত্ব বাড়তি বোঝা বলে মনে করা হয়। অর্থনৈতিক বোঝা মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে।
বেকারত্বের সাথে আত্মহত্যার সম্পর্ক রয়েছে বলে ২০১৫ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে।
৪. সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ও বাস্তবতা
গবেষকরা বলছেন, মানসিক স্বাস্থ্যের উপর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম সম্ভবতঃ খুব গভীর প্রভাব ফেলছে। যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা যত বেশি সময় কাটাই তাতে আমরা আরও বেশি নিঃসঙ্গ ও বিষণ্ণ হয়ে পড়ি।
এই গবেষণার লেখক মেলিসা হান্ট বলছেন, "সামাজিক যোগাযোগের ব্যবহার কমিয়ে দিলে সাধারণত বিষণ্ণতা ও নিঃসঙ্গতার মাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসে।"
কিন্তু সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এমন কি আছে যা আসলে ক্ষতিকর?
মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক অস্কার ইয়াবারা বলছেন, "সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে যা দেখা যায় তা খুব কম ক্ষেত্রেই বাস্তব জীবনের প্রতিফলন। আপনি এতে ঢুকে যা দেখছেন তা সচরাচর খুবই বাছাই করা বিষয়াদি। কিন্তু মানুষ তবুও নিজের জীবনের সাথে তার তুলনা করে।"
৫. নিজের শরীর সম্পর্কে ধারনা
যুক্তরাজ্যে গত বছর লাভ আইল্যান্ড নামে টেলিভিশনে একটি রিয়ালিটি শোতে অংশ নিয়ে কিছুটা খ্যাতি অর্জন করেছিলেন এমন একজন জশ ডেনজেল।
তিনি বলছেন, এই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার আগে তিনি সারাদিন জিমে কাটাতেন। তারপরও আয়নায় নিজের দিকে তাকাতেন এবং নিজের শরীর নিয়ে সংকোচ বোধ করতেন।
তিনি বলছেন, "এখনো সৈকতে হয়ত আমার পাশ দিয়ে দারুণ সিক্স প্যাক শরীর নিয়ে কেউ হেঁটে যাচ্ছে, আমি তখন নিজের দিকে তাকিয়ে নিজেকেই খুব হীন পুরুষ মনে হয়েছে।"
তরুণ প্রজন্মের মধ্যে একটি দারুণ ফিগার নিয়ে এখন অনেকেই খুব চিন্তা করেন। তাই স্থূল হয়ে যাওয়া বা শরীরের কোন খুঁতের সাথেও মানসিক স্বাস্থ্যের যোগসূত্র রয়েছে বলে মনে করা হয়।
এই সকল বিষয় নিয়ে পুরুষদের খোলাখুলি আলাপ করাকেই এখন উতসাহিত করা হচ্ছে।
নিজের আবেগকে দূরে ঠেলে না দিয়ে, বোতল বন্দি করে না রেখে তার সংস্পর্শে এলেই বরং মানসিক স্বাস্থ্যের উপকার হয়- সেই বার্তা দেয়া হচ্ছে পুরুষদের।
সূত্র: বিবিসি

Friday, May 10, 2019

হেঁচকি কেন ওঠে? হলে কী করবেন?


খেতে বসে হেঁচকি উঠলে আমাদের মা-দাদীকেকে বলতে শোনা যেত, 'কেউ নিশ্চয়ই মনে মনে তোর নাম করছে।' মা-দাদীর কথা না-হয় বাদ রইল। চারপাশে হেঁচকি নিয়ে অন্ধবিশ্বাসের কমতি নেই। এমনও বলতে শোনা যায়, চুরি করে খেলে নাকি হেঁচকি ওঠে! অবশ্যই এর সঙ্গে বিজ্ঞানের কোনও যোগ নেই। তা হলে, হেঁচকি কেন ওঠে?

আমাদের বুকের খাঁচাকে পেট থেকে আলাদা করেছে একটি মাংসপিণ্ড। যার নাম ডায়াফ্রাম বা বক্ষচ্ছদা। শ্বাসপ্রশ্বাস প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে এই ডায়াফ্রামের। এই ডায়াফ্রামের আকস্মিক সংকোচনের কারণেই হেঁচকি বা হিক্কা শুরু হয়। প্রতিবার সংকোচনের ফলে ভোকাল কর্ড সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে যায় বলে, হিক শব্দ তৈরি হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এটি কয়েক মিনিট স্থায়ী হয়। কিন্তু ৪৮ ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হলে, ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ডায়াফ্রামের স্নায়ুতে ব্যাঘাত হলেই এই আকস্মিক সংকোচন দেখা দিতে পারে। স্ট্রোক, মস্তিষ্কে টিউমার ও আঘাত বা প্রদাহ হলেও হেঁচকি হয়। ডায়াবেটিস ও কিডনির অসুখ, রক্তে লবণের তারতম্য ঘটলে, অ্যানেসথেশিয়ার পর এবং নানা রকম ঘুমের ওষুধ বা স্টেরয়েড ওষুধ সেবনেও এটি হতে পারে।
এখন প্রশ্ন, বিব্রতকর এই হেঁচকি বা হিক্কার হাত থেকে পরিত্রাণ পাবেন কী করে?
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনা থেকে সেরা যায়। না কমলে, ঠান্ডা জলে গার্গল করুন বা কয়েক ঢোঁক ঠান্ডা জল খেয়ে নিন, স্বস্তি পাবেন। ঘাবড়ে গেলেও কারও কারও হেঁচকি উঠতে দেখা যায়। সেক্ষেত্রে চুইংগাম চিবোলেই সেরে যাবে। মনোযোগ সরে যাওয়াতেই হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়। মুখে একচামচ চিনি দিলেও হেঁচকি বন্ধ হয়ে যায়। ঘরোয়া এমন অজস্র টোটকা রয়েছে। একটানা হেঁচকি উঠতে থাকলে, জিভে এক চামচ ভিনিগার দিন। এর টক স্বাদ আপনার হেঁচকি বন্ধ করবে। গরম জলে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলেও হেঁচকির হাত থেকে পরিত্রাণ মেলে। অনবরত হেঁচকি হতে থাকলে, ৪টি এলাচ ৫০০ গ্রাম জলে ফুটিয়ে তা ২০০ গ্রামে পরিণত করে, সেই জল পান করুন। ম্যাজিকের মতো কাজ করবে। আদা কুঁচি করে কেটে মুখে দিলেও রেহাই পাবেন। দু আঙলে দু-কানের ছিদ্র কিছুক্ষণ চেপে ধরলেও, হেঁচকি বন্ধ হয়ে যায়।
হেঁচকি শুরু হলে তা দ্রুত বন্ধ করতে কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন:

১. দ্রুত এক চামচ মাখন বা চিনি খেয়ে নিন। এতে তাড়াতাড়ি হেঁচকি বন্ধ হয়ে যাবে।
২. বেশি করে পানি পান করুন। বিশেষ করে এই সময় ঠাণ্ডা পানি খেলে হেঁচকির সমস্যায় দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।
৩. হেঁচকির সমস্যা শুরু হলে হালকা চাপ দিয়ে নাক চেপে ধরুন। এই পদ্ধতি হেঁচকির সমস্যা কমাতে সাহায্য করবে।
৪. হেঁচকি বন্ধ করতে লম্বা শ্বাস নিয়ে নাক-মুখ কিছুক্ষণ বন্ধ করে রাখুন। যতক্ষণ সম্ভব দম ছাড়বেন না। এতে সমস্যা কমে যাবে।
৫. লম্বা শ্বাস নিন। এ বার হাঁটুকে বুকের কাছাকাছি এনে দুহাত দিয়ে জড়িয়ে ধরুন। কিছুক্ষণ এভাবে থাকলে হেঁচকির সমস্যা কমে যাবে।
৬. হেঁচকি বন্ধ করতে লেবুর রসের সঙ্গে সামান্য আদার কুচিও একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। 
৭. হঠাত করে হেঁচকি শুরু হলে দুই কানে দুই আঙ্গুল ঢুকিয়ে কিছুক্ষণ দম বন্ধ করে থাকুন। এতে হেঁচকি নিমেষেই বন্ধ হয়ে যাবে।
৮. দ্রুত হেঁচকি বন্ধ করার জন্য জিভে এক টুকরো লেবু রেখে কিছুক্ষণ চুষতে থাকুন। এটি হেঁচকি বন্ধ করতে খুবই কার্যকর।

Monday, April 29, 2019

দাড়িতে কি স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে?

আপনি যদি নতুন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য কোনো অ্যান্টিবায়োটিকের খোঁজ করতে চান, তবে কোথা থেকে শুরু করবেন? এ জন্য কি কোনো জলাশয়ে অথবা দূরবর্তী দ্বীপে যাবেন? ভালো, তাহলে চিরুনি দিয়ে আঁচড়ানো যায় এমন দাড়ি হলে কেমন হয়? মাইকেল মোসলি এ ব্যাপারটি নিয়েই অনুসন্ধান করেছেন।
দাড়ির সমালোচনাকারীরা বলে থাকেন যে দাড়ি যে শুধু বিরক্তিকর একটি ব্যাপার তাই নয়, অস্বস্তিকর ব্যাকটেরিয়ার আশ্রয়স্থলও বটে। তা হলে দেখা যাক যে দাড়িতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে এমন কিছু কি রয়েছে?
দাড়িকে যারা ভয় পান তারা নিউ মেক্সিকোর গবেষণাটির কথা বলেন যেখানে দৈব চয়নে নির্ধারণ করা কিছু দাড়ির মধ্য পায়খানায় থাকা এন্টেরিক ব্যাকটেরিয়া রয়েছে পেয়েছেন। একটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে যে কিছু দাড়িতে টয়লেটের চেয়ে বেশি দুর্গন্ধ রয়েছে। কিন্তু এতে কি দাড়ির মধ্যে থাকা ব্যাকটেরিয়া সম্পর্কে সঠিকভাবে প্রতিফলন ঘটেছে? আমেরিকান একটি হাসপাতাল আগেরটার চেয়ে অনেক বেশি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে এমন একটি গবেষণা করেছে।
হসপিটাল ইনফেকশন জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় দাড়িওয়ালা ও দাড়িহীন ৪০৮ জন হাসপাতাল কর্মচারীর মুখমণ্ডল পরীক্ষা করেন গবেষকেরা। এ গবেষণাটি করার তাদের যথেষ্ট কারণও ছিল। হাসপাতাল থেকে প্রাপ্ত সংক্রমণ পরে ‘রোগ ও মৃত্যুর’ একটি বড় কারণ। অনেক রোগী হাসপাতাল থেকে এমন কিছু রোগ পেয়ে থাকে হাসপাতালে প্রবেশের আগে তাদের দেহে ওই রোগগুলো ছিল না। হাসপাতাল পরিদর্শনে যাওয়া অথবা হাসপাতাল স্টাফদের হাতে, কোটে, টাইয়ের মধ্যে এমনকি যন্ত্রপাতিতে এসব জীবাণু থাকে।
কিন্তু দাড়ির কি অবস্থা? গবেষকেরা বিষ্মিত হয়েছেন যে দাড়িওয়ালা ব্যক্তির চেয়ে ক্লিন শেভ করা ব্যক্তির মুখমণ্ডল অস্বস্তিকর কিছু বহন করতে দেখে। ক্লিন শেভ করা ব্যক্তিরা তাদের গালে তিন গুণের চেয়ে বেশি Methicillin-resistant Staphylococcus aureus (এমআরএসএ) প্রজাতির জীবাণু বহন করেন। Methicillin-resistant Staphylococcus aureus বা এমআরএসএ হাসপাতাল থেকে প্রাপ্ত জীবাণু। তাহলে হচ্ছেটা কি? গবেষকেরা সুপারিশ করেছেন যে দাড়ি শেভ করা হলে ত্বকের খুবই ক্ষুদ্র (মাইক্রো) অংশ কেটে যায় এবং এই অংশটুকুতে ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয় ও বেড়ে উঠে।
গবেষকেরা দাড়ি নিয়ে একটি যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা দিয়েছেন যে দাড়ি ইনফেকশনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।
ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের মাইক্রোবায়োলজিস্ট ড. এ্যাডাম রবার্টসের কাছে গবেষকেরা দাড়ি শোষণযুক্ত যন্ত্রের সাহায্যে কিছু অংশ পাঠিয়েছিলেন। ড. এ্যাডাম দাড়ি থেকে প্রাপ্ত ত্বকের কেটে যাওয়া অংশের মাইক্রোবস থেকে ১০০’র বেশি ব্যাকটেরিয়া উতপাদন করেন। এর মধ্যে একটি ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেছে যা আমাদের ইনটেস্টাইনে পাওয়া যায়। এ্যাডাম জানান যে ব্যাকটেরিয়াটি মল থেকে এসেছে মনে করার কোনো কারণ নেই। দাঁড়িতে এ ধরনের ব্যাকটেরিয়ার প্রাপ্তি খুবই স্বাভাবিক এবং এতে উদ্বিগ্ন হওয়ারও কিছু নেই।
খুবই মজার ব্যাপার হলো দাড়িতে যে ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেছে তা অন্য ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে। ব্যাকটেরিয়াকে আমাদের শত্রু হিসেবে ধরা হলেও এগুলো সেরকম নয়। দাড়ির মধ্যে থাকা ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাক একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করে নিজেদের সংখ্যা কমিয়ে থাকে। এরা সেখানে খাদ্য, রিসোর্স ও স্পেসের (নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য জায়গা) জন্য লড়াই করে। এ্যাডাম বলেন, দাড়ির মধ্যে থাকা মাইক্রোবস টক্সিন উতপাদন করে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।
এ্যাডাম দাড়ির ওই নমুনায় স্টেফাইলোকক্সাস এপিডারমিস-Staphylococcus epidermidis, a Gram-positive bacterium প্রজাতির ব্যাকটেরিয়ার ঘাতক খুঁজে পেয়েছেন। এ্যাডাম গবেষণাগারে ওষুধ প্রতিরোধী কিছু ই-কোলাইর বিরুদ্ধে পরীক্ষা করলে দেখতে পান দাড়ির এইসব স্টেফাইলোকক্কাস এপিডারমিস ই-কোলাইর প্রজাতিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে প্রচুর পরিমাণে।
উল্লেখ্য অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবানু প্রতি বছর বিশ্বে ৭ লাখ মানুষকে মেরে ফেলে। ২০৫০ সালে এটা এক কোটিতে উন্নীত হবে। যেখানে গত ৩০ বছরে বিশ্বে নতুন কোনো অ্যান্টিবায়োটিক মানুষের জন্য আবিস্কার হয়নি। এ্যাডাম দাড়ি থেকে প্রাপ্ত এসব মাইক্রোবসকে মাউথওয়াশ ও টুথপেস্টে যোগ করতে চান। এটা মুখের এসিড উতপাদনকারী ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করবে।
সূত্রঃ বিবিসি

Sunday, April 14, 2019

৫টি সোনালী সময় যখন আসমানের দুয়ার খুলে দেওয়া হয়


আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তাঁর নিকট দোয়া প্রার্থনা করার তাগিদ দিয়েছেন। হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার নিকট কোনো কিছু চায় না, ওই ব্যক্তির প্রতি আল্লাহ তাআলা রাগান্বিত হন।’ দৈনন্দিন জীবনে দোয়া কবুলের ৫টি সোনালী সময় রয়েছে। যে সময়গুলোতে আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়। হাদিসে বর্ণিত সময়গুলো তুলে ধরা হলোঃ
১. জোহরের আগ মুহূর্তেঃ
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, সূর্য যখন মধ্যাকাশ থেকে পশ্চিমাকাশের দিকে হেলে পড়ে। অতঃপর জোহরের নামাজ পর্যন্ত তা আর বন্ধ করা হয় না। (সহিহ জামে)
২. আজানের সময়ঃ
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন আজান দেয়া হয়, তখন আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয় এবং ওই সময় দোয়া কবুল করা হয়। (তারগিব)
৩. নামাজের জন্য অপেক্ষা করার সময়ঃ
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা এই মর্মে সুসংবাদ গ্রহণ কর যে, তোমাদের রব আসমানের দরজাসমূহ খুলে দিয়েছেন এবং তোমাদের নিয়ে ফেরেশতাদের সাথে গর্ব করে বলছেন- ‘আমার বান্দাগণ আমার নির্দেশিত ফরজ আদায়ের পর পরবর্তী ওয়াক্তের ফরজ নামাজের জন্য অপেক্ষা করছে`। (ইবনে মাজাহ)
৪. রাতের শেষ সময়েঃ
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘রাতের শেষার্ধ শুরু হলে একজন ঘোষক ঘোষণা দিতে থাকেন- কোনো আবেদন পেশকারী আছে কি? তার আবেদন গ্রহণ করা হবে। কারো চাওয়া-পাওয়ার কিছু আছে কি? তার চাওয়া-পাওয়া কবুল করা হবে। আছে কোনো বিপদগ্রস্ত ব্যক্তি? তাকে বিপদ থেকে মুক্ত করা হবে। ওই সময় পেশাদার ব্যভিচারীনী ব্যতীত কোনো মুসলিমের দোয়াই বিফলে যায় না।’ (তারগিব)
৫. তাসবিহ পাঠের সময়ঃ
আল্লাহু আকবার কাবিরা, ওয়াল হামদু লিল্লাহি কাছিরা, ওয়া সুবহানাল্লাহি বুকরাতাও ওয়া আসিলা’ এই তাসবিহ পাঠের সময় আসমানের দরজা খুলে দেয়া হয়।
একদিন আমরা প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে নামায পড়ছিলাম। ওই সময় লোকদের মধ্য থেকে একজন বলে ওঠলো- ‘আল্লাহু আকবার কাবিরা, ওয়াল হামদু লিল্লাহি কাছিরা, ওয়া সুবহানাল্লাহি বুকরাতাও ওয়া আসিলা।’
অর্থাত আল্লাহ মহান, অতি মহান; আল্লাহ তাআলার জন্য অনেক অনেক প্রশংসা এবং সকাল-সন্ধ্যা আমি আল্লাহ তাআলার পবিত্রতা বর্ণনা করছি।’
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজ শেষ করে বললেন, এই কথাগুলো (তাসবিহ) কে বলেছে? উপস্থিত লোকদের মধ্যে একজন বলল- হে আল্লাহর রাসুল! আমি।
প্রিয় নবী বললেন, ‘এ দোয়ায় আমি খুব আশ্চর্যান্বিত হয়েছি। এ বাক্যগুলোর জন্য আসমানের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়েছে। হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এ কথা শোনার পর থেকে এ তাসবিহ-এর পাঠ আমি কখনো পরিহার করিনি। (মুসলিম, তিরমিজি)
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে দোয়া কবুলের জন্য আসমানের দরজা খুলে দেয়ার গুরুত্বপূর্ণ ৫টি সোনালী সময়ে হাদিসের নির্দেশিত পন্থায় দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণে দোয়া করার তাওফিক দান করুন।

Saturday, April 13, 2019

আহার, রাতে শোবার আগে

আহার বিহার দুটোই নিদ্রার উপর বেশ প্রভাব ফেলে। রাতে শোবার আগে সঠিক খাদ্য খেলে সুনিদ্রা হয়, আবার যেসব খাদ্য খেলে নিদ্রার ব্যাঘাত হয় তাও জানা ভালো।

ট্রিপটোফ্যান সমৃদ্ধ খাবার বেছে নিন, দুধ, দুধজাত দ্রব্য উষ্ণ দুধ পানে স্বপ্নরাজ্যে যাবার পথ সুগম হয় জানি আমরা। কেন, জানি? দুধ ও দুধজাত দ্রব্যে রয়েছে প্রচুর ট্রিপটোফ্যান, একটি নিদ্রাকর্ষক বস্তু। পোলট্রি, মধু, কলা ইত্যাদিতে আছে এই এমিনো এসিড ট্রিপটোফ্যান।
শ্বেতসার খাদ্য খাবেন যদি দুধ নাও খেতে পারেন। শ্বেতসার খাদ্যে খেলে এতে বাড়ে রক্তে ট্রিপটোফ্যান মান। এক বাটি মুড়ি/খই ও দুধ বা দধি ও ক্রাকার্স বা রুটি ও পনির সোবার আগে খেলে তোফা ঘুম হয়।

রাতে শোবার আগে সামান্য নাস্তা প্রশ্রয় দেয়া যায় যাদের নিঘুর্ম রাত কাটে। রাতে সামান্য খাবার, ঘুমাবার আগে পেটে দিলে ঘুম হবে। তবে একে ভুরি ভোজের সমতুল্য করা ঠিক হবে না। সামান্য নাস্তা। বেশি খেলে বরং বদ হজম, পেটভার হয়ে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
ফাস্টফুড, বার্গার, ভাজা, ফ্রেঞ্চফ্রাই খাওয়া যাবেনা। চর্বিসমৃদ্ধ খাবার বাদ দিলে ভালো। যত কম খাওয়া যায়। গবেষণায় দেখা গেছে যারা চর্বিযুক্ত খাবার বেশি খান তারা যে শুধু মোটা হন তাই নয় তাদের নিদ্রাচক্রও ছিন্ন বিছিন্ন হয়ে যায়।
ক্যাফিন থেকে সাবধান। অবাক হবার কিছু নেই। বিকেলে বা সন্ধ্যায় এক কাপ চা বা কফি পান করলে রাতের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। মাঝারি মান ক্যাফিনেও ঘুমের সমস্যা হয়। কেবল চা, কফি কেন? চকোলেট, কোলাতেও আছে ক্যাফিন। ওষুধেও থাকতে পারে ক্যাফিন। ব্যথা নাশক ওষুধ, ওজন কমানোর ওষুধ, মুত্রবর্ধক ওষুধ, ঠান্ডা-সর্দির ওষুধে থাকতে পারে ক্যাফিন। চেক করে নেয়া ভালো। রাতে মদপান করা অনুচিত। ঘুমের খুব সমস্যা হয়। এমনিতেই মদপান খুব খারাপ স্বাস্থ্যের জন্য। ধূমপান আরো খারাপ। অবশ্য বর্জনীয়। এটি বড় রকমের বদভ্যাস।
ঝাল-মশলা খম খাওয়া ভালো। রাতে ভরপেট খাওয়া খুব খারাপ। আর তেল-ঝাল-মসলা সমৃদ্ধ খাবার আরও খারাপ স্বাস্থ্যের জন্য। অস্বস্তিও হতে পারে। ঘুমের সময় পাকতন্ত্র ধীর হয়ে যায় তাই ঝাল-মসলাযুক্ত খাবার খেলে বুক জ্বলা হতে পারে। ভরপেট খাবার খেতে হলে ঘুমাবার ৪/৫ ঘন্টা আগে খাবার শেষ করা উচিত।
ঘুমাবার আগে প্রোটিন খাবার খেতে হয় কম করে।
ওজন কমানোর ডায়েটকে বা অ্যাকশান ডায়েটকে রাতে অনুসরণ নয়। দিবাকালীন চলায় প্রোটিন আহার বড় প্রয়োজনীয় হলেও রাতে ঘুমের আগে খাওয়া উচিত নয়। প্রোটিন সমৃন্ধ খাবার হজম বড় কঠিন। রাতে তাই শোবার আগে প্রোটিন খাবার না খেয়ে একগ্লাস গরম দুধ বড় ভালো।
রাত ৮টার পর পানি পান নয়। সারাদিন প্রচুর পানি পান করুন। থাকুন সজল। শরীরের জন্যও ভালো। কিন্তু শোবার বেশ আগে থেকে আর পানি পান ভালো নয়। কেননা যেতে হবে টয়লেটে বারবার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাবে।
ধূমপান অবশ্যই শিথিল করেনা মন ও শরীর। ঘুমের বড্ড ব্যাঘাত ঘটায়  ধূমপান। তাই ঘুমাবার আগে কখনই ধূমপান করা উচিত নয়।
Courtesy: ল্যাবরেটরী সার্ভিসেস, বারডেম, ঢাকা 

Thursday, April 11, 2019

নেগেটিভ অ্যাটিচুডের মানুষদের বৈশিষ্ট্য


HOW TO RECOGNIZE NEGATIVE ATTITUDES
Not a team player- দলীয়ভাবে কাজ করতে অনাগ্রহ
Does the minimum- সবচেয়ে কম কাজ করে
Disrespectful- ব্যক্তিগত আচরণ ভালো নয়
Insubordinate- বাধ্যগত নয়
Always negative- সব সময় নেতিবাচক
Unhappy- অসুখী
Pessimistic- হতাশায় ভোগে
Unpleasant- অপ্রীতিকর
Offers no solutions- কোন সমাধান চায় না
Surly (bad tempered) বদ মেজাজী 
Tardy- পিছিয়ে পড়ার ভেতরে থাকে 
Gossipy-গল্পগুজবে সময় কাটানো
Clock Watcher- সব সময় ঘড়ির প্রতি খেয়াল রাখে 
Prima donna-সবাই তার দৃষ্টি আকর্ষন করুক তা চায়
Defensive-সব সময় ভয়ে ভয়ে থাকে, অঅমার যেন কিছু না হয় এরকম ভাব নিয়ে থাকা
Argumentative- ঝগড়াটে

নেগেটিভ অ্যাটিচুডে কী ফল হয়?
Consequences
Erosion of team spirit-দলীয়ভাবে কাজ করার ক্ষমতা চলে যায়(ক্ষয়িষ্ণু)
Morale suffers; feelings get hurt-আস্থা হারিয়ে যায়, অনুভুতিহীন হয়ে যায়
Poor quality service, reputation suffers-কাজের মান কমে যায়, সম্মান ব্যহত হয়
Frustration on the part of others because they have to pick up the slack-অন্যকে ভালো হতে দেখলে, ভালো থাকতে দেখলে হতাশা চলে আসে
The virus spreads-ভালোগুণগুলো হারিয়ে যায়
Communication suffers- যোগাযোগের সংকট তৈরী হয়
Productivity suffers- উতপাদনমূখী কাজ কমে যায়
Management has to crack down because of perceived dissatisfaction,
paranoia ensues- ব্যবস্থাপণায় ধ্বস নামে, মনে অতৃপ্তি থাকে ও ভয় জাগে