Friday, December 31, 2021

যেকোনো পরিস্থিতিতে যেভাবে স্থির থাকা যায়?

 -মন স্থির রাখার একটা ভালো উপায় কিছু ভাল বই পড়তে থাকা

-ভুল হলে, দুঃখ প্রকাশেও মন স্থির হতে পারে
-অভিযোগ না করে যুক্তি দিয়ে কথা বললে মন স্থির হতে পারে
হুট করে রেগে যাওয়া কিংবা কোনো ঘটনার কথা শুনে অল্পতেই প্রতিক্রিয়া দেখাই আমরা। প্রতিক্রিয়া দেখানোর জন্য আমরা কখনো বেছে নিই ফেসবুকের নীল দেয়াল, আবার কখনো অন্যের সঙ্গে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়ি। যেকোনো পরিস্থিতিতে সব সময় আমাদের স্থির মনোভাব প্রদর্শন করা উচিত। হুট করে রেগে গিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া কখনোই ইতিবাচক আচরণ নয়। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো স্কুল অব প্রফেশনাল সাইকোলজির পিএইচডি গবেষক ও মনোবিদ জেসমিন আক্তার বলেন, ‘প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন আমাদের স্বাভাবিক আচরণগুলোর একটি। ব্যক্তিত্ব ও মন কতটা প্রাণবন্ত তার ওপর নির্ভর করে আমরা কীভাবে কোন পরিস্থিতিতে কী আচরণ করব। স্থিরভাবে প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন সব সময় বুদ্ধিমানের কাজ।
ধীর গতিতে এগোন
যদি সম্ভব হয় কোনো ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া এড়িয়ে চলুন। ধৈর্য ধরে যতটা সম্ভব সঠিক তথ্য ও ঘটনার কারণ জানার চেষ্টা করুন। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিত ও পেছনের কারণ নিয়ে নিজেকে বারবার প্রশ্ন করুন। প্রশ্ন করুন—প্রতিক্রিয়া বা মতামতের, ভবিষ্যতে প্রভাব থাকবে কতটুকু। আপনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার হয়তো আগামীকালই কোনো মূল্য থাকবে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, প্রতিক্রিয়া না দেখালে ভবিষ্যতে তেমন ক্ষতি হয় না। প্রতিক্রিয়া দেখানোর আগে ভাবুন, স্থির থাকুন।
ইতিবাচক থাকুন
যেকোনো ঘটনার সময়ই আমরা চাপ অনুভব করি। চাপের কারণে দুশ্চিন্তায় পড়ি, বিক্ষিপ্ত হয়ে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ি। এমন পরিস্থিতিতে যতই আমরা ঘটনা নিয়ে ভাবব, কারণ অনুসন্ধানে মনকে ব্যস্ত রাখব, ততই আমাদের শান্ত থাকার সম্ভাবনা কমে যায়। পরিস্থিতি নিয়ে ‘এটা হলে কেমন হতো’, ‘ওটা না হলে কেমন হতো’-এমন দ্বিধায় জড়াবেন না। সব সময়ই নেতিবাচক কথা মন থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন। যেকোনো পরিস্থিতিতে ইতিবাচকভাবে মনকে স্থির রাখুন।
‘যদি’ এড়িয়ে চলুন
‘ইশ্‌, যদি ব্যাপারটা এমন হতো’—এমন আক্ষেপে আমরা হতবিহ্বল হয়ে পড়ি। যেকোনো ঘটনা বা পরিস্থিতিতে যদি-সংক্রান্ত সব প্রশ্ন এড়িয়ে চলুন। যা হয়নি, যা হবে না তা নিয়ে ভেবে ভেবে মনকে বিক্ষিপ্ত করে নিজেকে অশান্ত করবেন না। এমন প্রশ্নে আসলে নিজের ভয় আর সংশয় প্রকাশ পায়।
শরীরের যত্ন নিন
যেকোনো পরিস্থিতিতে শান্ত থাকা এক দিনের অভ্যাসে তৈরি হবে না। শরীরের যত্ন নিতে হবে নিয়মিত। টুকটাক ও হালকা ব্যায়াম করুন প্রতিদিন। পরিমাণমতো ঘুমাতে হবে। যোগব্যায়াম করে মনে প্রশান্তি আনুন।
ক্যাফেইনকে ‘না’ বলুন
উত্তেজনাকর যেকোনো মুহূর্তে পারতপক্ষে চা-কফির মাত্রা কমিয়ে দিন। চা-কফির ক্যাফেইন আমাদের উদ্দীপ্ত করে, অ্যাড্রেনালিন হরমোনের প্রবাহ বাড়িয়ে উত্তেজিত করে দেয়। উত্তেজনাকর যেকোনো মুহূর্তে পরিমিত পরিমাণে পানি পান করতে পারেন।
বন্ধুর সঙ্গে কথা বলুন
যেকোনো উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে নিজের মতামত প্রকাশের আগে বন্ধু বা বিশেষজ্ঞ কারও পরামর্শ নিতে পারেন। আপনি হয়তো যেভাবে ভাবছেন, আপনার বন্ধুর ভাবনা অন্যরকম হতে পারে। অন্যের ভাবনা জানলে আপনার প্রতিক্রিয়ায় পরিবর্তন আসতে পারে। আবার বিশেষজ্ঞ কারও পরামর্শ নিলে পরিস্থিতির কারণগুলো আপনি বেশ পরিষ্কার জানতে পারেন।
নিজেকে মুক্ত করুন
খুব চাঞ্চল্যকর কোনো ঘটনায় আমরা প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে বাহবা নিতে চেষ্টা করি। এমনটা কখনোই করবেন না। চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সময় কয়েক ঘণ্টার জন্য নিজেকে সরিয়ে নিন অন্য কোনো কাজে। পার্কে ঘুরে আসতে পারেন কিংবা নিজের কোনো প্রিয় বইয়ের পাতায় নিজেকে সরিয়ে নিন।
রাগ-প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে আনতে শিখুন, পরিস্থিতি সামলান ঠাণ্ডা মাথায়
অন্যের ওপর রাগ প্রদর্শন আমাদের অনেকেরই বাজে অভ্যাস। রাগ নিয়ন্ত্রণ করা শিখতে হবে। রাগ সহজাত একটি আবেগ, যা নিয়ন্ত্রণ করতে কৌশলী হতে হবে। অন্যের জায়গায় নিজেকে কল্পনা করে অন্যদের মতামত জানতে হবে। অন্যের কথাকে সম্মান জানিয়ে সামগ্রিক পরিস্থিতি বুঝতে হবে।
অনেকেই আছেন অন্য কারও সঙ্গে মতের অমিল হলেই বা পরিস্থিতি তাঁর প্রতিকূলে থাকলে মাথা ঠিক রাখতে পারেন না, উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এগুলি থেকে দূরে থাকুন। যে কোনও পরিস্থিতিতে শান্ত থাকুন।
সূত্র: বিভিন্ন

সুস্থ থাকতে আখের রস ভাল কাজ করে

sugarcane juice is reported to have a glycemic index score of 43, which classifies it as a low glycemic food. People with diabetes should not refrain from having sugarcane as it has low glycemic index. Diabetics can both chew sugarcane or drink a fresh and chilled glass of sugarcane juice.

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে গলদঘর্ম অবস্থায় এক গ্লাস মিষ্টি আখের রস মন প্রাণ জুড়িয়ে দেয়। তবে শুধু গ্রীষ্মকাল কেন, শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা স্বাদের খেয়াল রাখার পাশাপাশি শরীরের যত্নেও ভরসা হোক আখের রস।
১) আখের রসে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট যা শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন নির্মুল করে শরীরকে ভিতর থেকে ঝরঝরে করে তোলে।
২) পটাশিয়াম সমৃদ্ধ আখের রস শীতকালে হাড়ের ক্ষয় রোধ করে।
৩) পিত্তাশয় ও যকৃত সুস্থ রাখতে আখের রস কাজ করে ম্যাজিকের মতো। মূত্রনালীর সংক্রমণ প্রতিরোধ করে আখের রস। জন্ডিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য আখের বেশ উপকারী।
৪)ত্বকের অকাল-বার্ধক্য রোধ করতে অনেকেই বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকেন। তবে জানেন কি, আখের রসে থাকা আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড ত্বকের কুঁচকে যাওয়া রোধ করে। শীতকালে মাথায় খুশকির পরিমাণ খুব বেশি হয়। মাথার খুশকি ও ত্বকের অবাঞ্ছিত ব্রোণ তাড়াতেও আখের রসের জুড়ি মেলা ভার।
৫)আখের রসে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও মাইক্র মিনারেলস। যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। আখের রস শারীরি দুর্বলতা কাটিয়ে শরীরকে করে তোলে ঝরঝরে।
৬) শীতকালে অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের সুস্থতায় আখের রস খুবই উপকারী। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় শরীর ঠাণ্ডা রাখতে আখের রস বেশ কার্যকর।
সূত্র-
আনন্দবাজার
অন্যান্য

শরীরকে সুস্থ রাখতে খাবারের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

 কোন কোন খাবার খেলে আপনার শরীরে তাড়াতাড়ি বার্ধক্য ধরা দেবে?

এনার্জি ড্রিঙ্কস
এনার্জি ড্রিঙ্ক পান করলে সাময়িক শক্তি পাওয়া গেলেও বয়সের ছাপ তাড়াতাড়ি চলে আসে।
চিনি
মিষ্টি খেতে অনেকেই ভালোবাসেন। এমনকি চায়ের মধ্যে বেশ কয়েক চামচ চিনি দিয়ে খাওয়ার অভ্যাসও অনেকের আছে। কিন্তু এই চিনি আখেরে ত্বক এবং স্বাস্থ্য উভয়েরই খুব ক্ষতি করে।
নুন
খাবারে অত্যাধিক নুন যেমন স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ তেমনই ত্বকের পক্ষে। অতিরিক্ত নুনও ত্বককে শুষ্ক করে তোলে। রক্ত চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি করে। যার প্রভাব পড়ে মুখের ত্বকে।
ফাস্ট ফুড
সুস্বাদু ফাস্ট ফুড খেতে সকলেরই ভালো লাগে। বিনা পরিশ্রমে ঝটপট দোকান থেকে খাবার তো খেয়ে নিলেন, কিন্তু তাতে যে ত্বক এবং চুলের ক্ষতি করলেন সেই হিসেব কেউ রাখেন না। ফাস্ট ফুডে প্রচুর পরিমাণে নুন এবং তেল থাকে যেগুলি স্বাস্থ্য এবং ত্বক উভয়ের পক্ষে ক্ষতিকর।
ফ্রোজেন এবং প্রসেসড্ ফুড
প্যাকেট থেকে খাবার বের করে শুধু একবার কড়ািয়ে নাড়া চাড়া করে নিন। ব্যস, খাবার রেডি। কিন্তু এই সব খাবার অভ্যাসে পরিণত করলে পেশির ভয়ানক ক্ষতি হয়।
কাবাব, বারবিকিউ, স্টেক
পোড়া মাংস খেলে শরীরে হাইড্রোকার্বনের পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে শরীরে প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন বেড়ে যায় এবং ত্বকের কোলাজেন (কোলাজেন হলো মানবশরীরের সৃষ্ট প্রাকৃতিক প্রোটিন। আমাদের শরীরের হাড়, পেশি, অস্থিসন্ধি, চুল, নখ ও ত্বকের গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।) ভেঙে ফেলে।
ক্যাফেইন
কফিতে থাকা ক্যাফেইন ত্বককে শুষ্ক করে দেয়।
তাই সচেতন হই। অকাল বার্ধক্য রুখে দিই

হাত, পা ঠান্ডা থাকার ৫ বড় কারণ

 হাইপোথাইরয়েডিজম- থাইরয়েড (Thyroid) হল শরীরে শক্তির ভারসাম্য রক্ষাকারী গ্রন্থি। হাইপোথাইরয়েডিজমের (Hypothyroidism) ক্ষেত্রে এই গ্ল্যান্ডে দেখা যায় সমস্যা। তখন থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে সঠিক পরিমাণে থাইরয়েড হর্মোন বেরয় না। দেখা দেয় সমস্যা। এই রোগে আক্রান্ত রোগীরও শরীর গরম রাখতে সমস্যা হয়। তাই হাত, পা প্রায়ই ঠান্ডা হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো করুন থাইরয়েড পরীক্ষা।

রেনৌডস ডিজিজ- আপনার যদি হাইপোথাইরয়েডিজমের সমস্যা না হয় সেক্ষেত্রে হতে পারে রনৌডস ডিজিজ (Raynaud’s Disease)। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির হাত,পায়ের ছোটছোট রক্তনালী বন্ধ হয়ে যায়। ফলে গরম রক্ত সেই হাত, পায়ে পৌঁছাতে পারে না। ফলে হাত, পা ঠান্ডা থাকে।
ডায়াবিটিস- আপনার সুগার (Diabetes) নিয়ন্ত্রণে না থাকলেও দেখা দিতে পারে এই সমস্যা। এক্ষেত্রে অনিয়ন্ত্রিত সুগার থেকে মানুষ আক্রান্ত হতে পারেন পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথিতে। এরফলে পায়ের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং আপনাকে সমস্যায় ফেলতে পারে। এছাড়া ডায়াবিটিস থেকে দেখা দিতে পারে পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ। এই রোগে আক্রান্ত হলে রক্তনালীর অন্দরে রক্তপ্রবাহে দেখা দেয় সমস্যা।
দুশ্চিন্তা- জানলে অবাক হবেন, আপনার হাত, পা ঠান্ডার থাকার নেপথ্যে থাকতে পারে মানসিক দিকও। এক্ষেত্রে দুশ্চিন্তা (Stress), উৎকণ্ঠা শরীরে এপিনেফ্রিন হর্মোনের পরিমাণ বাডি়য়ে দেয়। এই হর্মোন বাড়ার কারণে শরীরে দেখা দেয় সমস্যা। তখন হাত-পায়ে রক্তপ্রবাহ কমে।
হাই কোলেস্টেরল- কোলেস্টেরল (Cholesterol) শরীরে বাড়লে তা রক্তনালীর অন্দের জমে। এবার রক্তনালীর ভিতরে কোলেস্টেরল জমলে দেখা দিতে পারে মারাত্মক সমস্যা। তখন হাত, পায়ে ঠান্ডা লাগতে পারে। তাই আজ থেকেই হয়ে যান সাবধান।
-এইসময়
Like
Comment
Share

স্ট্র ব্যবহার করছেন? সাবধান!

রাস্তায় ডাবের জল থেকে কোল্ড কফি, জুস, শেক, কোল্ড ড্রিঙ্ক, প্রত্যেকটির সঙ্গেই থাকে স্ট্র। কিন্তু এই স্ট্র কি আদৌ স্বাস্থ্যকর?

বেভারেজ বা যে কোনও ড্রিঙ্কের সঙ্গে স্ট্র দেওয়া হয়। রাস্তায় ডাবের জল থেকে কোল্ড কফি, জুস, শেক, কোল্ড ড্রিঙ্ক, প্রত্যেকটির সঙ্গেই থাকে স্ট্র। বেশ কিছু রেস্তোঁরায় সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন রকমের স্ট্র দেওয়া হয়। এতে ধীরে ধীরে কোল্ড কফি বা জুসের স্বাদ উপভোগ করতে করতেও পান করা যায়। তা ছাড়া তো সেলফি জমানায় স্ট্র দিয়ে জুস বা ড্রিঙ্ক পান করতে করতে নানা কায়দায় ছবি তোলারও চল রয়েছে।
১) স্ট্র ব্যবহার করলে মুখে তাড়াতাড়ি বলিরেখা তৈরি হয়। স্ট্র দিয়ে পানীয় পান করার সময়ে পেশীতে চাপ পড়ে। নিয়মিত তাই এই অভ্যেস রাখলে মুখেও তার ছাপ পড়ে। এমনকী বলিরেখা পর্যন্ত দেখা দিতে পারে।
২) স্ট্রয়ের মধ্যে পেট্রোলিয়াম জাতীয় পলিথিন থাকে। এই উপাদান শরীরে মেদ জমতে দেয়। ফলে মোটা হওয়ার প্রবণতা থাকে।
৩) সবোর্পরি স্ট্র তৈরি হয় প্লাস্টিক দিয়ে। এতে পলিথিন থাকার ফলে শরীরে ব্যাপক ক্ষতি হয়। প্লাস্টিকের পরিবর্তে কাগজের স্ট্র ব্যবহার করতে পারেন।
৪) স্ট্র দিয়ে পান করার সময়ে শুধু পানীয়ই নয়। পেটে অতিরিক্ত হাওয়া যায়। যার ফলে গ্যাসের সমস্যা হতে থাকে। আর একবার গ্যাসের সমস্যায় পড়লে, শরীরে অন্যান্য রোগও বাসা বাঁধতে থাকে। এমনকী হৃদযন্ত্রেও এর প্রভাব পড়়ে।
৫) চুমুক দিয়ে জল খাওয়ার সময়ে খেলে দাঁত ও মুখের মধ্যের ব্যাকটেরিয়া পরিষ্কার হয়ে যায়। স্ট্র দিয়ে জল বা পানীয় খেলে তা হয় না। বরং নিয়মিত স্ট্র দিয়ে নরম পানীয় পান করলে মুখের কোনও নির্দিষ্ট একটা জায়গায় চিনি জমতে থাকে। যার ফলে ক্যাভিটি পর্যন্ত হতে পারে।
ওপরের কথাগুলোর নিরিখে স্ট্র ব্যবহার বাদ দিন। শরীরটা আপনার। তাই সচেতন হোন।
-এইসময়

রসুন

 যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস, ফুসফুসের কনজেশন, হাপানি, হুপিং কাশি ইত্যাদি প্রতিরোধ করে।

অন্ত্রের জন্য ভাল : খালি পেটে রসুন খাওয়ার ফলে যকৃত এবং মূত্রাশয় সঠিকভাবে নিজ নিজ কার্য সম্পাদন করে।
যক্ষ্মা প্রতিরোধক : আপনার যদি যক্ষ্মা বা টিবি জাতীয় কোন সমস্যা ধরা পড়ে, তাহলে সারাদিনে একটি সম্পূর্ণ রসুন কয়েক অংশে ভাগ করে বার বার খেতে পারেন।
প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক : গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পেটে রসুন খাওয়া হলে এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক এর মতো কাজ করে।
শরীরকে ডি-টক্সিফাই করে : অন্যান্য ঔষধের তুলনায় শরীরকে ডি-টক্সিফাই করতে রসুন কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে : অসংখ্য মানুষ যারা উচ্চ রক্তচাপের শিকার তারা দেখেছেন, রসুন খাওয়ার ফলে তাদের উচ্চ রক্তচাপের কিছু উপসর্গ উপশম হয়।
হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : রসুনে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট প্রপাটিজ রয়েছে। এই উপাদানটি একদিকে যেমন শরীরে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, তেমনি উচ্চ রক্তচাপকেও নিয়ন্ত্রণে রাখে।
হাড় শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে : নিয়মিত রসুন খাওয়া শুরু করলে দেহের অ্যান্টি-ইনফ্লামেটারি প্রপাটিজের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে একদিকে যেমন নানাবিধ যন্ত্রণা কমে, তেমনি হাড়ের ক্ষয় হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।
ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ দূরে থাকে : প্রতিদিন রসুন খেলে পাকস্থলী এবং কলোরেক্টাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।
ক্ষতের চিকিৎসায় কাজে আসে : কেটে গেলে এবার থেকে ক্ষতস্থানে এক টুকরো রসুন রেখে ব্যান্ডেজ দিয়ে বেঁধে দিন। জ্বালা-যন্ত্রণা কমে যাবে।
ইমিউনিটি বাড়ে : রসুনে থাকা ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস দেহের আনাচে-কানাচে জমতে থাকা ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে দ্রুত।
রক্ত বিষমুক্ত হয় : প্রতিদিন এক গ্লাস গরম পানির সঙ্গে দুটি রসুনের কোয়া খেলে রক্তে থাকা নানা বিষাক্ত উপাদান শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে ত্বক এবং শরীর উভয়ই চাঙ্গা হয়ে ওঠে।
ত্বক সুন্দর হয়ে ওঠে : শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদান বা টক্সিনের কারণে ত্বকের যাতে কোনও ধরনের ক্ষতি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখে রসুন।
ব্লাড প্রসার নিয়ন্ত্রণে থাকে : রসুনের মধ্যে থাকা বায়োঅ্যাকটিভ সালফার, রক্তচাপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শরীরের সালফারের ঘাটতি দেখা দিলে তবেই রক্তচাপ বাড়তে শুরু করে।
সংক্রমণ সব দূরে থাকে : রসুনে থাকা একাধিক কার্যকরি উপাদান ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাসসহ একাধিক জীবাণুর সংক্রমণ আটকাতে যে কোনও আধুনিক মেডিসিনের থেকে তাড়াতাড়ি কাজে আসে।
জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে : আবহাওয়া বদলের সময় যারা সর্দি-কাশিতে খুব ভুগে থাকেন তারা দু কোয়া রসুন অথবা গার্লিক টি খাওয়া শুরু করুন।
হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : রসুনে থাকা একাধিক উপকারি উপাদান স্টমাকের ক্ষমতা বাড়ায়।
ব্রেনের অসুখ দূরে থাকে : রসুনে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করা মাত্র এমন খেল দেখাতে শুরু করে যে নানাবিধ নিউরোডিজেনারেটিভ অসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।
খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ শতকে চীন ও ভারতে রক্ত পাতলা রাখার জন্য এর প্রচলন ছিল৷
চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটিস একে ব্যবহার করেছিলেন সারভাইকাল ক্যান্সারের চিকিৎসায়৷
লুই পাস্তুর রসুনের অ্যান্টিফাংগাল ও অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণের খবর জানান৷
ইউনিভার্সিটি অব কানেক্টিকাট স্কুল অব মেডিসিন–এর কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ টিমের মতে, কাঁচা রসুন খেলে হার্ট অনেক বেশি সুস্থ থাকে৷
সতর্কতা
বমির ভাব হলে রসুন খাবেন না
অ্যালার্জি থাকলে রসুন খাবেন না।
মাথা ব্যথা হলে রসুন বাদ থাকবে।
যাদের শরীর থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, তারা রসুন খাবেন না।
শিশুকে দুগ্ধদানকারী মায়েদের রসুন না খাওয়াই ভালো।
-https://agami24.com/

ঘাটতি হচ্ছে ভিটামিন ডি-র? বুঝবেন কোন কোন লক্ষণে

শরীরের জন্য অপরিহার্য ভিটামিন ডি শরীরের অভ্যন্তরেই উৎপন্ন হয়। এর পর্যাপ্ত মাত্রা শরীরে ক্যালশিয়াম এবং ফসফরাস শোষণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তা ছাড়াও এটি শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে, বিভিন্ন সংক্রমণ এবং রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এমনকি, হাড় ও দাঁতের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশকেও সহজ করে তোলে ভিটামিন ডি।

বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন মহামারি সংক্রান্ত গবেষণাতেও বলা হয়েছে— ভিটামিন ডি হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে, ত্বকের ব্যাধিতে, এমনকি, ক্যানসারের মতো রোগ প্রতিরোধে উপকারী। এটি শরীরের পেশিকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। শরীরের দুর্বল পেশিকে সবল করতে প্রাচীন যুগেও শরীরে সূর্যালোক লাগানোর প্রথা ছিল যা আসলে দেহে ভিটামিন ডি-ই সরবরাহ করে।
শীতকালে দেহে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এই সময় দেহে ক্যালশিয়ামের বিপাক যথাযথ বজায় রাখার জন্য প্রতি দিন ১০-১৫ মিনিটের সরাসরি সূর্যালোক প্রয়োজন।
১। ভিটামিন-ডি-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাগুলির মধ্যে একটি হল দেহের প্রতিরোধক্ষমতাকে শক্তিশালী রাখা যাতে ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়াগুলির বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম হয় দেহ।
২। দেখা যায় ভিটামিন-ডি-এর অভাব রয়েছে এমন মহিলাদের সন্তানধারণের সম্ভাবনা কম।
৩। হঠাৎ করে চুল পড়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দিলে খেয়াল করতে হবে শরীরে ভিটামিন ডি কমে গিয়েছে কি না।
৪। হাড় এবং পেশিতে দুর্বলতা এবং ব্যথা, অস্থিসন্ধিগুলির বিকৃতি এবং দীর্ঘস্থায়ী পিঠে ব্যথা ভিটামিন ডি এর ঘাটতির সাধারণ লক্ষণ হতে পারে।
৫। শরীরে ভিটামিন ডি-এর মাত্রা কম হলে মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ দেখা দিতে পারে, যা ঘন ঘন মেজাজের পরিবর্তন করতে পারে। স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে, ভাল ভাবে বিশ্রাম নিয়েও যদি আপনি অলস এবং ক্লান্ত বোধ করেন তবে এটি ভিটামিন ডি এর অভাবের সূচক হতেই পারে।
৬। স্থূল ব্যক্তিদের ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে কারণ মেদবহুল কোষগুলি শরীরে ভিটামিন ডি নিঃসরণে বাধা দেয়।