Tuesday, October 29, 2024

তঙ্কা হি কেবলম

 জগতে টাকাই নাকি সব। ‘তঙ্কা হি কেবলম!’ কথাটা কি আর এমনি এমনি বলা হয়! টাকার লোভ জয় করাটাও কঠিন কাজ।

কে কতো সৎ টাকার লোভ জয় করাতেই প্রমাণ মেলে। এ কারণে টাকাকে বলা হয় সতততার কষ্টিপাথর। মার্কিনীরা জগতের সবচেয়ে ধনবান জাতি। পুঁজিবাদের স্বর্গ আমেরিকায় ডলারই সব। ডলার কামানোর ধান্ধা আমেরিকানদের রক্তে। তো দুনিয়ার অর্থবিত্তের অঘোষিত রাজধানী নিউইয়র্কের সভ্যভব্য নাগরিকরা কতোটা নির্লোভ আর সৎ তা যাচাই করতে নেমেছিলেন সেদেশেরই এক ইউটিউব প্র্যাংকস্টার।
তার মাথায় এলো এক অভিনব চিন্তা। নিজের পোশাকের চারপাশে ডলার গেঁথে তিনি নেমে পড়লেন নিউইয়র্কের রাস্তায়। সেই সঙ্গে পোশাকের সাথে লিখে দিলেন: ‘আপনার যা দরকার নিয়ে নিন’। এটা করার উদ্দেশ্য কে কী করে সেটা দেখা। যা যা ঘটলো তা দেখে দুষ্টু এই প্র্যাংকস্টারের তো আক্কেল গুড়ুম! ‘অভাব নয়, স্বভাব’—কথাটাই সত্য হলো। গরিব-গুর্বা লোকেদের চেয়ে দেখা গেল ডলারের লোভে বেশি লালায়িত তারাই, যাদের অর্থের অভাব নেই। ধনী লোকেরাই বরং তার পোশাকে সাঁটা ডলার নিতে মরিয়া হলো বেশি।
রসিক এই প্র্যাংকস্টারের নাম কোবি পারসিন। গত সপ্তাহে মানুষ ও মানুষের টাকার লোভ যাচাইয়ের মজার পরীক্ষায় নেমে তার যে শিক্ষাটা হলো তাকে একটা সংবাদ মাধ্যম বর্ণনা করেছে এভাবে: ‘The lesson? There is a big difference between "need" and "want."
হাফিংটন পোস্টকে কোবি পারসিন তার মজার অভিজ্ঞতার বয়ান দিতে গিয়ে বললেন, অদ্ভুত সব কারণ দেখিয়ে লোকজন তার পোশাকে সাঁটা ৫০ ডলারের নোট খুলে নিচ্ছিল। এক লোক তো তার কাছে স্বীকারও করলেন, টাকা-পয়সার কোনো অভাবই নাকি তার নেই। তবু মাগনা ডলার পাবার লোভ তিনি সামলাতে পারেননি।
আর এক মহিলা তার কাছ থেকে নিলেন ১৯ ডলার। তার নাকি ‘নেইল অ্যাপয়েন্টমেন্ট’ আছে। কোবি পারসিনের কাছ থেকে মুফতে পাওয়া ডলারেই বিলটা মেটাতে চান তিনি।
কোবি আরও জানান, যারা যারা তার কাছ থেকে মুফতে ডলার বাগিয়েছেন তাদের বেশিরভাগেরই পরনে ছিল দামি পোশাক।
তিনি তাই ডলারলোভী এইসব ধনী লোককে জিজ্ঞেস করতে ছাড়েননি: ‘আসলেই কি আপনার টাকার দরকার?’: "I started questioning them, 'That bag's Givenchy. Do you really need the money?'"
এর ৯০ মিনিট পর ঘটলো সবচেয়ে মজার ঘটনাটি। এবার এক গৃহহীন লোক এগিয়ে এলো। কোবি পারসিনকে অবাক করে দিয়ে ওই গৃহহীন লোকটা তার কাছ থেকে নিল মাত্র দু’ডলার। কারণ এর বেশি ডলার নেবার দরকার তার নেই। তাই সে প্রয়োজনের বেশি এক ডলারও নিতে চাইলো না। কারণ খাবার কেনার জন্য তার দরকার ছিল ওই দু’ডলারই: "He only took $2!" Persin said. "He said that's what he needed for food."
ওই গৃহহীনের আচরণে মুগ্ধ-অবাক কোবি পারসিন তখনো তার পোশাকের গায়ে সেঁটে থাকা বাদবাকি ৬০ ডলার তুলে দিলেন তার হাতে।
-বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
All reactions:
You, Ashraf U Khan and Atowar Khan

শুধু তোমার জন্যে, ওই অরণ্যে, পলাশ হয়েছে লাল

 আমি তখন বিশ বছরের তরূণী। পরিবার থেকে আমার বিয়ে ঠিক করা হলো চল্লিশ বছরের এক মধ্যবয়স্ক লোকের সাথে। আমার বয়সের দ্বিগুণ বয়স তার। আবার তিনি ছিলেন বিপত্নীক। আর আমি সদ্য প্রস্ফুটিত ফুল। কুমারীত্বের গন্ধ সবে তীব্র হতে শুরু করেছে।

নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে আমার জন্ম। বাবার সামান্য আয়ে আমাদের সংসার চলতো। আমার মা কখনো অভিযোগ করেন নি। দুবেলা দুমুঠো খেয়ে স্বামীর সাথে থাকতে পারাটাই তার কাছে ছিলো সুখের সংজ্ঞা। শুনেছি একবার নাকি বাবার বিলেত যাওয়ার সুযোগ হয়েছিলো। মা নাছোড়বান্দা। তিনি দুবেলা পান্তা খাবেন। কিন্তু স্বামীকে দূরে পাঠাবেন না! এতে আয় কম হলে হোক। পেটে কিছু পড়লেই হলো।
আমিও মার মতোই স্বপ্ন দেখতাম। অল্প রোজগারে সাজানো সংসার। অভাব থাকলে থাকবে। তবে ভালোবাসা থাকতে হবে অফুরন্ত।
আমার বেলায় তাদের মত পাল্টে গেলো। বিত্তশালী এক লোকের সাথে তারা আমার বিয়ে দিয়ে দিলো। লোকটার আগের ঘরের দুটো বাচ্চাও আছে। বাসর রাতে লোকটি শান্ত ভঙ্গিতে আমার পাশে এসে বসে। নাক সিটকিয়ে চোখ ফিরিয়ে নেই। মনে মনে "বুড়ো" বলে গালিও দেই। বিষয়টা বুঝতে পেরে উনি বলেন, আমি জানি, আমাকে তোমার পচ্ছন্দ নয়। আমার রঞ্জনের জন্য আমি বিয়েটা করি নি। বাচ্চা দুটো খুব মা কাতুরে জানো? কমলা মরে যাওয়ার পর সবসময় ওরা মাকে খুঁজে ফেরে। মায়ের জন্য কাঁদে। আমি তোমার কাছে স্বামীর অধিকার চাইতে আসি নি। তবে অনুরোধ করে বলছি বাচ্চা দুটোকে আগলিয়ে রেখো।
কঠিন স্বরে তাকে বলি, আপনার বাচ্চাদের আমি খেয়াল রাখবো তবে আমি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাই। আর আমি বাচ্চাদের নিয়ে আলাদা ঘরে থাকবো। সেই ঘরে আপনি যেতে পারবেন না।
উনি হেসে বলে, বেশ। তুমি যা চাবে তাই হবে। এখানে তুমি নিরাপদেই থাকবে।
শুধু এটুকু বলেই লোকটি ঘর থেকে বেরিয়ে যান। আমি অবাক হয়ে চেয়ে দেখি তার প্রস্থানের পথ।
বুড়োকে আমার সহ্য হতো না ঠিক, তবে তার বাচ্চা দুটো খুব দ্রুত আমার মনে বিশালাকারে জায়গা করে নেয়। গর্ভে ধারন না করেও যে মা হওয়া যায় তার বাস্তব প্রমাণ ছিলো তারা। কলেজ থেকে যখন বাড়ি ফিরতাম, দীর্ঘ তিন ঘন্টা পর আমায় দেখতে পেয়ে তারা কি যে খুশি হতো! "মা" ডেকে তারা আমার তৃষ্ণার্ত প্রাণ ভিজিয়ে দিতো।
একবার প্রচন্ড জ্বরে কাতরাচ্ছিলাম। বুড়ো খুব উসখুস করছিলো। অস্থিরতা নিয়ে আমার ঘরের দরজার সামনে অনবরত পায়চারি করছিলো। তার ভেতরে ঢোকা বারণ। বাচ্চা দুটোর একজনের হাতে ওষুধ আরেকজনের হাতে জল ভর্তি বাটি দিয়ে ফিসফিস করে বলেছিলো, মার জ্বর হয়েছে। মাকে ওষুধ খাওইয়ে জলপট্টি দিয়ে দাও। যাও।
বাধ্য ছেলেমেয়ের মতো তারা আমার মাথায় জলপট্টি দিয়ে দিয়েছিলো। গুটি গুটি হাতজোড়ায় ভাত মেখে আমায় খাইয়ে দিয়েছিলো!
আর বুড়ো? দরজার সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলো। হয়তো ভাবছিলো, কখন ওপর মহল থেকে অনুমতি প্রদান করা হবে, " ভেতরে আসতে পারেন!! "
বুড়োর ঘর পেরিয়ে আমাকে রান্নাঘরে যেতে হতো। প্রায় সময়ই দেখতাম তিনি তার প্রথম স্ত্রীর ছবির সামনে পাথরের মতো দাঁড়িয়ে আছেন। হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখছেন। প্রথম দিকে বিষয়টা ভালো লাগলেও পরেরদিকে খুব রাগ হতো। কেনো হতো বুঝতে পারতাম না।
পূজা আগের দিন আমি রান্না ঘরে পায়েস রান্না করছিলাম। বাচ্চা দুটো বায়না করেছে তারা গুড়ের পায়েস খাবে। আমিও উৎফুল্ল মনে আমার বাচ্চাদের জন্য রাঁধছি। এমন সময়, মানুষটা রান্নাঘরের সামনে এসে দাঁড়ালো। হাতে বেশ বড়সড় বাদামী রঙের একটা প্যাকেট। উনি সামান্য ঝেড়ে কেশে বললেন, _ এটা তোমার জন্য।
আমি বললাম,
কি আছে এতে?
কাজ শেষ করে খুলে দেখো। আশা করি তোমার পছন্দ হবে। এই টেবিলের ওপর প্যাকেটটা রেখে গেলাম।
উনি চলে গেলেন। আমি রান্না শেষ করে প্যাকেট হাতে নিজের ঘরে চলে এলাম। খুলে দেখি খুব দামী এক খানা শাড়ি। সাথে একখানা চিরকুট ও আছে। তাতে লিখা, "তোমায় নীল আর সাদায় বেশ মানাবে। জানি আমার জোর করার অধিকার নেই। তবুও আগামীকাল শাড়িটা পরলে খুব খুশি হবো। "
শাড়িটা আমার পচ্ছন্দ হয় নি। কিন্তু চিরকুটের কথাগুলো আমায় বাধ্য করেছিলো পূজো দিন শাড়িটা পড়তে। বুড়ো সেদিন গভীর চোখে আমার দিকে তাকিয়ে ছিলো। অনেকবার চোখে চোখ পড়েছে। লজ্জায় সে অন্যদিকে চোখ ফিরিয়ে নিয়েছে ঠিকই কিন্তু পুনরায় তাকানোর লোভ উপেক্ষা করতে পারে নি।
প্রতিদিন গভীর রাত পর্যন্ত লোকটির চিলেকোঠার ঘরের টেবিল ল্যাম্প জ্বলতো। ধূসর রঙের এক ডায়রির ওপর সে মুখ থুবড়ে পরে থাকতো। বিরামহীনভাবে কিছু না কিছু লিখে যেতো। আর লিখা শেষে, চশমা খুলে চোখ জোড়া কচলিয়ে যত্ন করে ডায়রি তুলে রাখতো। যেনো কোনো অমূল্য বার্তা রাখা আছে সেখানে।
বুড়োর চায়ের নেশা ছিলো। একদিন বিকেলে অসাবধানতাবশত চায়ের পাতিল ফসকে গরম জল আমার হাতের কিছু অংশে পড়ে। যন্ত্রণায় কঁকিয়ে উঠি। তিনি আমার চিৎকার শুনতে পান। উন্মাদের মতো ছুটে আসেন।
কি হয়েছে?
হাতে গরম জল পড়েছে।
কই দেখি?
তিনি উদ্বিগ্ন মুখে এগিয়ে আসেন। আমার হাত ধরেন। সেই স্পর্শে কোনো চাহিদা ছিলো না।
কোনো আকাংখা ছিলো না। তবে মিশে ছিলো অনুরাগ। না বলা অনেক কথা। সেদিন তিনি আমার হাতে বার্নল লাগিয়ে দিয়েছেন। আমি কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিনি। মানুষ বেঁচে থাকলে বদলায়। আমিও মানুষ। এ নিয়ম অবজ্ঞা করার সাধ্যি কি আমার আছে?
Blessings are not valued till they are gone. প্রচলিত সত্যি। দাঁত থাকতে মানুষ দাঁতের মর্যাদা বোঝে না। মানুষ সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কখনো কখনো এতটাই দেরী করে ফেলে, ফলাফল হয় শূন্য।
বেশ কয়েকদিন ধরেই বুড়ো তীব্র মাথা ব্যাথার যন্ত্রণায় ভুগছিলো। রাতে ঘুমুতে পারেন না। অবস্থা বেগতিক দেখে তাকে বললাম ডাক্তার দেখাতে। উনি আমার দিকে তাকিয়ে বললো, তুমি যাবে আমার সাথে?
যাবো।
বুড়ো খুশি হয়ে গেলেন। আমি উনার সাথে ডাক্তারের কাছে গেলাম। সিটিস্ক্যান করা হলো। এম আর আই করা হলো। ডাক্তার আমায় আলাদা করে ডেকে বললো,
রোগীর ব্রেইন টিউমার হয়েছে। টিউমারের অবস্থা ভালো নয়। চিকিৎসা করিয়ে বিশেষ কোনো লাভ হবে না।
চেষ্টা করতে তো কোনো দোষ নেই। আপনি ব্যবস্থা করুন। প্রয়োজনে রোগীকে আজই ভর্তি করা হোক।
ডাক্তারের সাথে কথা বলে বাইরে বেরিয়ে আসি। বুড়ো আমায় দেখে ফ্যাকাসে হাসলো। আমি ধীর পায়ে টলতে টলতে তার সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। আমার বিবাহিত জীবনে সেদিনই প্রথম তাকে জড়িয়ে ধরি। দুই বাহু প্রসার করে জড়িয়ে ধরি। আমার চোখ দিয়ে অজস্র ধারা সেদিন টপ টপ করে ঝড়ে পড়ছিলো।
ডাক্তারের সকল চেষ্টা আর আমার প্রার্থনা দুটোই বিফলে যায়। শাস্তিস্বরূপ উপরওয়ালা বুড়োকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নেয়।
সেদিন আকাশে শ্রাবণের মেঘ ছিলো। শঙ্খচিল ডানা ঝাপটে উড়ে বেড়াচ্ছিলো নীলে। মেঘের ফাঁকে উঁকি দেওয়া রোদের তীব্রতা ছিলো না। বুড়োর চিলেকোঠার ঘরের জানালা খোলা ছিলো। বাতাসের তীব্রতায় খুলে গিয়েছিলো ডায়রির পাতা। সেটি হাতে নিয়ে আমি পড়তে শুরু করি। পড়তে পড়তে আমার চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। ডায়রির শেষ পাতায় শুকিয়ে যাওয়া চোখের জলের ওপর লিখা ছিলো,
"মানুষ প্রেমে পড়ে। বারবার প্রেমে পড়ে। আমায় দেখে তরূণীর নাক সিটকানোর স্বভাব আমায় বাধ্য করে তাকে ভালোবাসতে। রান্নাঘরে কর্মরত তরূণীর কপালে জমে থাকা বিন্দু বিন্দু ঘাম, আমায় বাধ্য করে প্রেমে পড়তে। নীল-সাদা শাড়িতে তার স্নিগ্ধ মুখখানি যেনো আমার চোখের জায়ু। হয়তো একদিন ফুরিয়ে যাবে আয়ূ। তার হাত ধরে জোৎস্না দেখার ইচ্ছেটা ইচ্ছেই থেকে যাবে। তার দীঘল কালো চুলের ঘ্রাণ নেওয়া আর হবে না। লুকিয়ে তার রোদে ভেজা সেই মুখ আর দেখা হবে না। আমার বাচ্চাদুটোর সাথে তার খুনসুটি, সেই মূল্যবান মুহূর্ত গুলো আর উপভোগ করা হবে না। জানি, তার চোখে আমি অপরাধী।
তবু সে ভালো থাকুক! নতুন করে বেঁচে উঠুক তার স্বপ্নেরা। শুধু আফসোস থেকে যাবে, ভালোবাসি -কথাটা হলো না বলা।"
আকাশ কাঁপিয়ে সেদিন আরো একবার কেঁদেছিলাম। চিৎকার করে বলেছিলাম, আর বুড়ো বলবো না, তোমায়। শুধু একবার ফিরে এসো! একবার সুযোগ দাও ভালোবাসার। সে আর ফিরে আসে নি।
মৃত মানুষ কখনো ফিরে আসে না।
আমার করা ভুলগুলো আমার কাছে বার বার ফিরে আসে শাসন করতে। বলে যায়, “কি ক্ষতিটা হতো তাকে ভালোবাসলে?”
-adapted
May be an image of 1 person
ily Anju

Hardest truth of life

 Women take advantage of their tears.

Kids take advantage of their innocence.
Old age people take advantage of physical weakness.
Men take advantage of their hardships.
So never blindly believe the tears of a woman, statement of a kid, helplessness of an old aged guy and sad story of a man.
This is not just an observation, many have experienced these in their life again and again.
Not believing in someone blindly doesn’t mean one needs to be insensitive. Work around and find the truth.
May be an image of 1 person and text
ms

বক চয় খাও, লাভ আছে

 বেশিরভাগ মানুষ বক চয়কে চাইনিজ পাতাকপি নামেই জানে।

শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট বিটা-ক্যারোটিন আছে এ সবজিতে।
এর ক্যারোটিন ও ক্লোরোফিল ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।
এর বিটা-ক্যারোটিন রূপলাবণ্য ধরে রাখতে খুব ভালো কাজ করে।
এতে প্রচুর আঁশ অর্থাৎ ফাইবার রয়েছে।
বিভিন্ন খনিজের সঙ্গে ভিটামিন সি, বি-৬, ই এবং সেই সঙ্গে পটাশিয়ামের চমৎকার উৎস বক চয়।
যারা উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন, পুষ্টিবিদ এবং চিকিৎসকরা তাঁদের বক চয় খেতে পরামর্শ দেন।
যারা অল্পেতেই মুটিয়ে যান, তাঁদেরও উচিত বক চয় খাওয়া।
চুলের যত্নে এবং খুশকি দূর করতে বক চয়ের সুনাম আছে।
May be an image of spring greens
s Khanom

টক ঢেকুর বা বুক জ্বালাপোড়া প্রতিরোধেঃ

 একসঙ্গে খুব ভরপেট খাবেন না।

খেয়েই শুয়ে পড়া উচিত নয়।
খাবার পর পেটের ওপর চাপ পড়ে, এমন কাজ করা উচিত নয়।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
ধূমপান বা মদ্যপান এড়িয়ে চলুন।
অতিরিক্ত তেল–চর্বিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।
May be an image of 1 person
nom

Drinking green tea must be at the right time

 According to Boldsky, green tea is effective, depending on the time you drink, causing side effects.

Do not drink green tea in the early morning
Drinking green tea in the morning when hungry can damage the liver because of its high caffeine content. This is verified by a study done on dietary supplements with green tea extract.
The results showed that when drinking tea early in the morning will cause intoxication and may have side effects on the liver, because green tea contains compounds called catechins. Higher catechin levels may lead to liver damage.
Drink green tea in the morning from 10 am to 11 pm or in the evening. Drinking at this time will boost your metabolism.
Drinking green tea between meals
It is best to drink green tea before or after two hours before eating to maximize your nutrient intake and not affect the absorption of iron. If you are an anemic patient, avoid drinking green tea with your meal.
In addition, avoid drinking green tea during meals as they can reduce your ability to absorb thiamin (vitamin B1).
Deficiency of thiamin can lead to beriberi. And according to the National Cancer Institute, antioxidant catechins present in green tea will inhibit digestion and absorption of iron from the diet if you eat and drink green tea.
Drink green tea before exercising
Before exercising, drinking green tea can help burn more fat through the presence of caffeine. Energy-boosting caffeine will help you exercise for a longer time.
Drink green tea two hours before bedtime
Caffeine is a stimulant in green tea that has been shown to disrupt your sleep at night.
It also contains an amino acid called L-Theanine that makes you alert and better focused, which is why you should not drink green tea at night.
Instead, drink green tea in the evening, because this is the time your metabolism is low and drinking tea will increase your metabolism.
How many cups of green tea should you have a day?
According to the University of Maryland Medical Center, 2-3 cups of green tea a day or 100 to 750 mg of green tea extract per day is considered ideal. If green tea is consumed excessively, it will begin to remove all essential nutritional elements from your body.
ms