Wednesday, April 16, 2025

ডীপ লাইন্স

 আল্লাহ যদি শুয়োঁপোকাকে প্রজাপতি বানাতে পারেন, প্রবল চাপে ও তাপে যদি কয়লাকে হীরা বানাতে পারেন, বালুকণাকে মুক্তায় পরিণত করতে পারেন তবে তিনি তোমাকেও বদলে দিতে পারেন ইতিবাচকতার দিকে। এক্ষেত্রে আগে নিজেকে বদলানোর জন্য তৈরী থাকতে হবে।

May be an image of yellow jessamine

টনক নড়ুক সিগ্রেটপ্রেমীদের

 The Smoke Screen of Death

It starts with a spark—cool, rebellious, thrilling. But behind every puff lies a silent killer. Smoking seduces, then destroys: lungs blacken, breath shortens, time fades. It’s not just a habit; it’s a countdown. What seems powerful is actually powerless.
May be a black-and-white image of 1 person and text that says "MAYBE IT'S INTERESTING BUT IT KILLS."
Like
Comment
Share

কোন্ বয়সে মানুষের কি নাম?

 কোন্ বয়সে মানুষের কি নাম?

Like
Comment
Share

ভয়ংকর! প্রজন্মকে আমরাই শেষ করছি!

 আমরা শিশুদের যে চুইংগাম কিনে দিই, সেগুলো সিনথেটিক।

এক চুইংগামেই একশ থেকে তিন হাজার মাইক্রোপ্লাস্টিক ঢুকছে পেটে!
চুইংগাম দু রকমের হয়। প্রাকৃতিক ও সিনথেটিক। আমরা শিশুদের যে চুইংগাম কিনে দিই, সেগুলো সিনথেটিক। তবে প্রাকৃতিক হোক বা সিনথেটিক— সব ধরণের চুইংগামেই রয়েছে মাইক্রোপ্লাস্টিক। এক টাকার একটি চুইংগামে প্রায় ১-৩ হাজার প্লাস্টিক কণা থাকতে পারে।
সম্প্রতি আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটির একটি সম্মেলনে বিজ্ঞানীরা এই গবেষণাটি তুলে ধরেন।
তারা জানান, চুইংগামে মূলত পলিইথিলিন ও পলিস্টাইরিনের মতো প্লাস্টিকের কণিকা থাকে। এগুলো কী তা বোঝার সুবিধার্থে বলা যায়— পলিইথিলিন পলিথিন ব্যাগ, পানির বোতল এবং পলিস্টাইরিন ওয়ান-টাইম কাপ, সিডি-ডিভিডি ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়।
এই প্লাস্টিক কণাগুলো দেহ হজম করতে পারে না, যার ফলে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে দেহে। সে প্রভাবগুলো সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে এ ধরণের পণ্য থেকে দূরে থাকাই উত্তম। ব্যাখ্যা: বিজ্ঞানপ্রিয়।
তথ্যসূত্র: আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটি (কমেন্ট)।
সংশোধনীঃ সব চুইংগাম বানান পড়বেন চিউইংগাম (Chewing Gum)।
May be an image of 2 people, people chewing bubblegum and text that says "শিশুর মুখে গ্লাষ্টিক গুজে দিচ্ছেন না তো? দুই টাকার চুইংগামেই ৩ হাজার প্লাস্টিক কনা ঢুকছে পেটে! Source American SourcelAmericanChemicalSociety Chemical bigyanpriyo.com.bd bigyanpriyo com.bd"
s

Tuesday, April 15, 2025

From age 18–55, know this:

  Take care of your body. Remember health is another form of wealth.

Normalize walking some paths alone because goals are personal.
Don't waste your energy to fear. Use your energy to believe, learn, create, and grow.
If you want to be happy, always have zero expectations of others.
Tell no one about your plans, level up in private.
You won't be young forever, do what makes you happy every day.
Be mature enough to control your emotions. Learn to react less.
Free yourself from the society's advice, most of them have no idea of what they're doing.
Don't try to change anyone. Change how you deal with them.
Your circle is supposed to be proud, not jealous.
Do yourself a favor, get rich; life gets easier with money not time.
Master self discipline and consistency and watch your life change.
The family you create is more important than the family you come from.
Don't go broke trying to impress broke people.
Be smart enough to realize nobody got rich with a salary.
May be an image of studying and text that says "SELF STUDY IS THE BEST FORM OF EDUCATION."

ওজন নিয়ন্ত্রণঃ আতা, সফেদা এবং গাবে

 আতা, সফেদা ও গাব দেশীয় ফল। দেশি–বিদেশি বাহারি ফলের ভিড়ে এসব ফল খাওয়ার চল যেন কমে আসছে। অথচ কম দামে দারুণ পুষ্টির উৎস এসব ফল। জেনে নিন, কেন খাবেন এই তিন ফল। গরমের সময়কার এই তিন ফল যেমন পুষ্টিকর, তেমনি এসব ফল খেলে গরমে স্বস্তিও মেলে। নানাভাবেই খাওয়া যেতে পারে এসব ফল। তাতে রসনার তৃপ্তিও হবে। আতা, সফেদা ও গাবের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানালেন টাঙ্গাইলের কুমুদিনী সরকারি কলেজের গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের প্রধান শম্পা শারমিন খান।

আতা, সফেদা কিংবা গাব খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে। গরমে আরাম পাবেন। তিনটি ফলেই রয়েছে ফ্রুক্টোজ। ফ্রুক্টোজ থেকে মিলবে দেহের জন্য প্রয়োজনীয় ক্যালরি। অর্থাৎ এসব ফল খেলে আপনি গরমের ক্লান্তিকর দিনেও শক্তি পাবেন। গরমে দেহ থেকে ঘামের সঙ্গে সোডিয়াম বেরিয়ে যায়। দেহের স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য সোডিয়াম খুবই জরুরি। এসব ফলে সোডিয়াম থাকে। তাই গরমের সময় এসব ফল দেহের দারুণ কাজে আসে। আতার বীজ ফেলে স্মুদি করতে পারেন। গাব দিয়েও হতে পারে স্মুদি। এসব ফল দিয়ে তৈরি পানীয় খেলে দেহে পানির চাহিদাও মিটবে। তবে ফল বা ফলের রসে চিনি যোগ না করাই ভালো। প্রয়োজনে সামান্য মধু দিতে পারেন। সফেদা দিয়ে সালাদ কিংবা কাস্টার্ডও হতে পারে। এসব খাবার গরমের দিনে পেটের জন্য ভালো।
ওজন নিয়ন্ত্রণে
আতা, সফেদা এবং গাবে প্রচুর আঁশ রয়েছে। এসব আঁশ পানিতে দ্রবণীয়, নরম ধরনের আঁশ। সহজেই খেয়ে নেওয়া যায়। আঁশজাতীয় খাবার হজম হয় ধীরে ধীরে। এ ধরনের খাবার খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে। ওজন নিয়ন্ত্রণেও তাই সহায়ক ভূমিকা রাখে এসব ফল। ওটস বা কর্নফ্লেক্সের সঙ্গে এসব ফলের যেকোনোটিই মিশিয়ে নিতে পারেন। তাতে স্বাদ আর পুষ্টি যেমন মিলবে, তেমনি ওজন নিয়ন্ত্রণও সহজ হবে।
আঁশের আরও উপকার
কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে আমাদের রোজই প্রয়োজন পর্যাপ্ত আঁশ, যা আপনি এই তিন ফল থেকে পাবেন। এই আঁশ খারাপ কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে। এভাবে হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের মতো মারাত্মক রোগের ঝুঁকি এড়াতে সহায়তা করে এসব ফল। আঁশ ফেলে পানীয় তৈরি করলে অবশ্য এত উপকার মিলবে না।
খনিজ উপাদান, প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং আরও যা
এই তিন ফলে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে। সোডিয়ামের কথা তো আগেই জেনেছেন। ক্যালসিয়ামও পাবেন। গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, এসব ফল থেকে আপনি পাবেন ভিটামিন বি। রান্নার সময় খাবারের ভিটামিন বি হারিয়ে যায়। তাই কেবল রান্না করা খাবার খেলে আপনার ভিটামিন বির অভাব হতে পারে। স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় ও ত্বক সতেজ রাখতে ভিটামিন বি প্রয়োজন। আতা, সফেদা ও গাব থেকে আপনি পর্যাপ্ত ভিটামিন বি পাবেন। সামান্য আমিষও পাবেন।
শেষ কথা
সুস্থ ব্যক্তির জন্য এসব ফল খেতে কোনো বাধা নেই। শিশু, কিশোর ও তরুণদের জন্য এসব ফল দারুণ। তবে ডায়াবেটিস বা দীর্ঘমেয়াদি কিডনির রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি এসব ফল খেতে পারবেন কি না, পারলেও কী পরিমাণে খাওয়া তাঁদের জন্য নিরাপদ, এসব ব্যাপারে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। যাঁদের ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে, তাঁদের গাব খাওয়ার ব্যাপারেও একই ধরনের সতর্কতা প্রয়োজন।
সূত্রঃ রাফিয়া আলম