Tuesday, July 1, 2025

তুমি কেমন ডিজাইনার? এত নির্ভূল আর যৌক্তিক তোমার ডিজাইনগুলো।

দেহের সব ক'টা সেল এ মাইটোকন্ড্রিয়া দেয়া হয়েছে। দেয়া হলোনা শুধু আরবিসিতে(Red blood cell)! কারণ, আরবিসি যদি একটা মাইটোকন্ড্রিয়ার মালিক হয়ে যেতো, তাহলে ফুসফুস থেকে যে অক্সিজেন বহন করে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তাঁকে প্রতিটি টিস্যুতে, গন্তব্যে যাবার আগেই সে নিজে এটা খরচ করে ফেলতো (কারণ, কারো কাছে যদি একটা মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে, তবে সে এটার সাহায্যে অক্সিজেন পুড়িয়ে এটিপি অর্থাৎ শক্তি তৈরি করে ফেলতে পারবে। এটা হচ্ছে একধরণের ইঞ্জিনের মতো)। আমাদের টিস্যুগুলো তখন আর অক্সিজেন পেতোনা।

তুমি কেমন ডিজাইনার? এত নির্ভূল আর যৌক্তিক তোমার ডিজাইনগুলো।

সেন্ট্রিয়োল দেয়া হল সবখানে। শুধু দেয়া হলোনা নিউরন আর গ্লিয়াল সেল এ। যদি আমাদের ব্রেইনের সেল গুলোতে সেন্ট্রিওল থাকতো, তাহলে এই সেন্ট্রিওল প্রতিটি কোষকে বিভাজিত করে নতুন কোষ তৈরী করে ফেলতো। ফলস্বরূপ, আমরা যা তথ্য সঞ্চয় করে রেখেছি আমাদের মেমোরিতে, সব এক প্রেসে কেল্লাফতে!! পাওনাদারের টাকা পাওনাদারও ভূলে যেতো দেওনাদারও ভূলে যেতো!😁

তুমি কেমন ডিজাইনার? এতো যৌক্তিক তোমার ডিজাইন।

আমি যখন পোস্টেরিওর থোরাসিক ওয়ালের (বক্ষপিঞ্জরের পিঠের দিকের দিকের অংশ) ব্লাড সাপ্লাই ধরলাম, আমি জানতে পারলাম- এখানে ডিসেন্ডিং থোরাসিক এওর্টা মোটাদাগে সবাইকে সাপ্লাই দিচ্ছে। কিন্তু ২ মিনিটের একটা খটকা আমার লাগলো। কারণ আমি জানি, লেফট হার্ট থেকে এওর্টা বের হয়ে কার্ভ করে শেষে যখন ডিসেন্ড করতে শুরু করেছে, ততক্ষণে উপরের দু'টি রিবস (পাঁজর) মিস হয়ে গেছে। আবার এটাও ভাবলাম যে, কেউ তো দিয়েছে নিশ্চই। না হয় ব্লাড ছাড়া কিভাবে চলবে রিবস দু'টি। না, কেউ এসে দিয়েছে। জেনে গেলাম। 'কস্টোসারভাইকাল ট্রাঙ্ক' নামের একজন নেমে এসে ঠিকই দিয়েছে! যে 'সাবক্ল্যভিয়ান আর্টারি' তাঁর চলে যাচ্ছিল, কি দরকার পড়লো ঐখানে দুটো ব্রাঞ্চ ছেড়ে দেবার!

আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম এক মুহুর্তের জন্য! তখনকার অনুভুতি কি যে ছিলো, বলে বোঝাতে পারবোনা।

🔵তুমি কেমন ডিজাইনার? তোমার ডিজাইন এত জ্যামিতিক।

টেবিলের এক কোণায় একটি বই রেখে দিলে তিন থেকে চার দিন পর সেখানে ১ সেন্টিমিটার ধূলোর আস্তর পরে। অথচ প্রতিটা অবচেতন মনে টেনে নেয়া শ্বাসে আধা লিটারের মত বাতাস টেনে নিচ্ছি প্রতি মুহূর্তে। একটু জোরে টান দিলেতো এক লিটারই ঢুকে পড়ে। বাতাসে এত ধূলিকণা আর জীবাণু! তবু কি আশ্চর্য্য!! কেকের মত স্পঞ্জি আর সফট ফুসফুসটার কিছু হয়না। আস্তরও পড়েনা। পড়বে কি করে? পুরো ট্রাকিয়া আর নাসাল এয়ার ওয়ে জুড়ে রয়েছে সিলিয়ারি বিট! প্রাকৃতিক ঝাড়ুদার। প্রতিনিয়ত ঝাড়ুদিচ্ছে ধূলিকণাগুলোকে।

🔵তুমি এ কেমন ডিজাইনার? এত নির্ভূল, নিখুঁত আর যৌক্তিক তোমার ডিজাইন!

~~ সুবহানাল্লাহ !!!

"হে মানুষ সকল, তোমাদের কি এমন জিনিস যেটা তোমার রব থেকে তোমাকে গাফিল করে রেখেছে? অথচ তিনি তোমাকে কত সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন আর সামঞ্জস্য করে দিয়েছেন।"

------সূরা ইনফিত্বার (৫-৬)




Saturday, June 7, 2025

প্রকৃত ভালোবাসাঃ শিক্ষকের কাছে ছাত্রীর প্রশ্ন

জবাবে শিক্ষক বললেন, আমি তোমার প্রশ্নের উত্তর দেব, কিন্তু তার আগে তোমাকে একটি কাজ করতে হবে। আমাদের কলেজের সামনে যে ভুট্টার ক্ষেত আছে তুমি ওখানে যাবে আর সবচেয়ে বড় ভুট্টাটি নিয়ে ফিরে আসবে। কিন্তু একটা শর্ত আছে। বড় ভুট্টা খুঁজতে গিয়ে যে ভুট্টগুলো তুমি পিছনে ফেলে যাবে তা আর‌ নিতে পারবে না

ছাত্রীটি ভাবল, এ আবার এমন কি কাজ! সে মৃদু হেসে উঠে দাঁড়িয়ে ভুট্টার ক্ষেতে গেল আর একেবারে প্রথম সারি থেকে খোঁজা শুরু করল। সেই সারিতে একটা বড় ভুট্টা ছিল, কিন্তু তার মনে হল, সামনের সারিতে হয়তোবা আরো বড় কোনো ভুট্টা তার জন্য অপেক্ষা করে আছে।

এরপর সে যখন মাঠের অর্ধেকের বেশি খোঁজা শেষ করল তখন বুঝতে পারল, এদিকের ভুট্টাগুলো ঠিক অতটা বড় নয় যেটা সে আগেই খুঁজে পেয়েছিল। ক্ষেতের সবচেয়ে বড় ভুট্টাটি সে পেছনে ফেলে এসেছে এবং এজন্য তার অনুশোচনার শেষ থাকল না। কিন্তু এখন তার আর কিছুই করার নেই। তাই সে খোঁজা বাদ দিয়ে খালি হাতে শিক্ষকের কাছে ফিরে আসলো।

তখন শিক্ষক তাকে বললেন, এটাই‌ প্রকৃত ভালোবাসা। তুমি হয়তো তোমার জীবনে তাকে খুঁজে পেয়েছিলে, কিন্তু তবু আরো ভালো কাউকে পাবার আশায় যদি তাকে ত্যাগ করে থাকো, তবে এমন একদিন আসবে যেদিন তুমি উপলব্ধি করবে তোমার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত মানুষটিকে তুমি হারিয়ে ফেলেছ। তখন হাজার আফসোস করলেও তাকে আর ফিরে পাবে না।







সন্তান জন্মের পর বেশীরভাগ স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কেই ভাটা পড়ে

 সন্তান জন্মের পর আমাদের দেশের বেশীরভাগ স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কেই ভাটা পড়ে। ২ জন বা ৩ জন বাচ্চা হলে তো কথাই নেই। স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক হয়ে যায় ভাইবোনের মতো। বাচ্চার পিছনে দৌড়ে দৌড়ে, সংসারের কাজ করে করে স্বামীর সাথে রোমান্টিক সম্পর্কের মুড আর থাকেনা। সম্পর্কে শুরু হয় তিক্ততা। 

এদিকে দেশীয় কালচারে বাচ্চা নিয়ে ঘুমানো প্রায় সব পরিবারেই দেখা যায়। বাচ্চার বয়স ৫/৬/৭ কিন্তু মা বাবার সাথে শোয়। যেখানে আড়াই বা তিন হলেই বাচ্চাকে আলাদা করে দেয়া উচিত। কারন এরপর বাচ্চারা বুঝতে পারে অনেক কিছুই। রাতে ঘুম ভেংগে সে মা-বাবাকে অপ্রস্তুত অবস্থায় দেখলে তার মনে যেমন প্রশ্নের উদ্রেক হবে, তেমনি উল্টোদিকে বাচ্চার সাথে একসাথে শোবার কারনে দাম্পত্যে বিঘ্ন তৈরি হয়।

বাচ্চার বয়স আড়াই বা তিন হলেই তাকে আলাদা করে দিন। বাচ্চা কিন্তু কষ্ট পাবেনা, কষ্ট পাবেন আপনি, বাচ্চা দূরে সরে যাবে মনে হবে। কিন্তু না, আসলে বাচ্চা দূরে সরে যায়না। এটা বাচ্চার ভালোর জন্য, আপনাদের স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক ভালো থাকার জন্য অত্যাবশ্যকীয়।

বাচ্চার জন্য আলাদা বিছানা রেডি করুন। ওর রুমটাকে ওর পছন্দ মতো সাজিয়ে দিন। রাতে গল্প শুনিয়ে বা বই পড়িয়ে ওকে ঘুম পাড়ান। ঘুমিয়ে গেলে চলে আসুন আপনার রুমে। ও আপনার অনুপস্থিতি টেরও পাবেনা। রাতে ও উঠতে পারে এই ভয় থাকলে একটা বেবি মনিটর কিনে নিন, দাম বেশি নয়। ওর মাথার কাছে মনিটর রেখে রিসিভার আপনার নিজের বালিশের কাছে রাখুন। রাতে উঠলে আপনি সাথে সাথে টের পাবেন, যেমনটা পেতেন আপনার সাথে ঘুমালে। আপনি তো জানেনই সকালে কখন উঠে। তার একটু আগে গিয়ে ওর সাথে শোবেন। ও ঘুম হতে উঠেও আপনাকে পাবে। রাতে যে আপনি ছিলেন না, তা ও বুঝবেইনা।

দ্বিতীয় সন্তান হলে বেশীরভাগ মায়েরা প্রথম সন্তানকে অবহেলা শুরু করে। সব আদর যেন ছোটজনের জন্য, অথচ সে আদরের কিছুই বোঝেনা। আর যে বোঝে সেই বড়জনকে কথায় কথায় ডাক দেয়া, বকা দেয়া চলতে থাকে। মা/ রে*র কথা তো বাদই দিলাম। স্বাভাবিকভাবেই তার মনে ছোট বাচ্চাটার প্রতি বি- দ্বেষ সৃষ্টি হয়। ভাবে, ও না থাকলেই ভালো হতো, মা আদর করতো। অথচ মায়ের উচিত এই সময়ে বড়জনকে বেশি করে সময় দেয়া, আদর করা। বড়জনকে বোঝানো তোমার প্রতি আমার ভালোবাসা একটুও কমেনি। আপনি আর আপনার স্বামী দুজনেরই দায়িত্ব এটা।

দু বাচ্চার মাঝে তুলনা করবেন না। কারন তারা দুজনই সম্পুর্ন আলাদা মানুষ। দুই বাচ্চার জন্য আলাদা নিয়ম বানাবেন না। একজনকে মোবাইল দেখিয়ে খাওয়াবেন, আরেকজনকে বলবেন খাওয়ার সময় নো ডিভাইস, তাহলে তো হবেনা। দুজনের বেডটাইম যেন এক হয়। কোনো জিনিস কিনলে একজনের জন্য নয়, দুজনের জন্যই কিনবেন।

ছোটটির বয়স যখন আড়াই হবে তখন ওকেও আলাদা করে দিন, বড়জনের সাথে। দুজন একসাথে ঘুমুবে বা একই রুমে দুটো বিছানায়।

দিনে এক হতে দেড়ঘন্টা আলাদা করে রাখুন যখন পরিবারের সবাই মিলে সময় কাটাবেন। হাসি আনন্দ করবেন। বাচ্চাদের সাথে স্বামী স্ত্রী একসাথে খেলবেন। নিজের পার্টনারের দিকে ভালোবাসার দৃষ্টিতে তাকাবেন। মেজাজ যদি বেশি খারাপ থাকে অকারণে, সরে যান প্রিয় মানুষগুলোর কাছ হতে তাদের আ*ঘাত করার আগেই। আলাদা রুমে বা বারান্দা বা ছাদে গিয়ে মেডিটেশন করুন। নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন যে কারনে আপনার মেজাজ খারাপ তা কতটা যুক্তিযুক্ত। গভীর নিঃস্বাস নিন। মন খারাপকে ছড়িয়ে দিন বাতাসে।

সংসার তৈরি হয় স্বামী স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে। সংসারের কাজ করতে করতে এই মানুষগুলোই যেন অবহেলিত না হয় সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কিন্তু আমাদেরই। ভালোবাসার সম্পর্কগুলো অটুট থাকুক।

(সংগৃহীত)



Monday, May 26, 2025

সম্পর্কের ওপর সময়ের চাপ

 ‘চলো, দেরি হয়ে যাচ্ছে!’—এই কথাগুলো আমাদের পরিবারে অহরহ শোনা যায়। সমাজবিজ্ঞানী জুডি ওয়াজম্যান তাঁর প্রেসড ফর টাইম-এ বলেন, সময়ের এই চাপ পরিবারে উদ্বেগ ছড়ায়। ড. উইলিয়াম ডোহার্টির গবেষণা দেখায়, সময়ের তাড়ায় পিতা–মাতা-সন্তানের সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমরা তাড়াহুড়ায় সন্তানের সঙ্গে মূল্যবান মুহূর্ত হারাই।

নৃতত্ত্ববিদ থমাস হিল্যান্ড এরিকসেন তাঁর টাইর্যানি অব দ্য মোমেন্ট-এ বলেন, পারিবারিক সমাবেশ এখন কঠোর সময়সূচির অধীন। আমাদের স্মৃতিগুলো তখনই গভীর হয়, যখন আমরা সময়ের তাড়না ছাড়াই একে অপরের সঙ্গে থাকি।
-প্রোডাক্টিভ মুসলিম ডটকম

ঘড়ির প্রভাব স্বাস্থ্য ও কাজের ওপর

 যান্ত্রিক ঘড়ির চাপ আমাদের কাজের প্রবাহ নষ্ট করে। আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের গবেষণা বলছে, সময়ের চাপ শারীরিক বিপদের মতো স্ট্রেস সৃষ্টি করে। ড. রবার্ট লেভিন তাঁর আ জিওগ্রাফি অব টাইম-এ ‘ক্লক-টাইম সিকনেস’ নামে একটি আধুনিক সমস্যার কথা বলেন, যা দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

মিহালি সিকসেন্টমিহালির গবেষণা দেখায়, সময়ের তাড়না আমাদের কাজের প্রবাহ ভেঙে ফেলে, যা আমাদের কর্মক্ষমতা ও আনন্দ নষ্ট করে। জাপানে ‘কারোশি’ বা অতিরিক্ত কাজে মৃত্যুর ঘটনা এই যান্ত্রিক সময়ের চাপেরই ফল।

আধ্যাত্মিকতার ওপর ঘড়ির প্রভাব

 আপনি কি কখনো নামাজে পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে আনন্দ অনুভব করেছেন? এটা তখনই সম্ভব, যখন আপনার ওপর সময়ের চাপ নেই। আজ মসজিদে ঢুকলেই দেয়ালে ঘড়ি আর নামাজের কাউন্টডাউন। এটি আমাদের নামাজকে তাড়াহুড়া করিয়ে দেয়। ইবনুল কাইয়্যিম তাঁর আল-ওয়াবিল আস-সায়্যিব-এ লিখেছেন, প্রাচীন মুসলিমরা ইবাদতে এত মগ্ন থাকতেন যে সময়ের অস্তিত্বই ভুলে যেতেন।

জুমার খুতবা, যা একসময় সম্প্রদায়ের জন্য প্রাণবন্ত আলোচনার মঞ্চ ছিল, এখন ১৫-২০ মিনিটের একটি সময় বাঁধা অনুষ্ঠান। রমজানের তারাবিহ নামাজও এক পারা থেকে কয়েক পৃষ্ঠায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে সময়ের চাপে। এই যান্ত্রিক সময় আমাদের আধ্যাত্মিকতাকে সংকুচিত করছে।

৫ কাজ করুন নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাস করতে

 ১. কফি

শরীরচর্চার এক ঘণ্টা আগে কফি খেতে পারেন। তাতে আপনি চনমনে হয়ে উঠবেন। শরীরচর্চার সময় হয়ে এলে আলস্য জেঁকে বসার সুযোগ পাবে না। তবে শরীরচর্চার সময়টা যদি হয় রাত, সে ক্ষেত্রে আবার এই কফিতে আপনার ঘুমের বারোটা বাজতে পারে। আবার ভোরবেলায় যদি শরীরচর্চা করার অভ্যাস করতে চান, সে ক্ষেত্রে খালি পেটে কফি খাওয়ার ফলে আপনি অ্যাসিডিটিতে ভুগতে পারেন। তাই সকালে বা রাতে ব্যায়াম করতে চাইলে ব্যায়ামের ঘণ্টা খানেক আগে ফলের রস বা বিটরুটের রস খেতে পারেন। অন্য কিছু না হলেও ব্যায়ামের ঘণ্টা খানেক আগে নিদেনপক্ষে খানিকটা পানি খেয়ে নেওয়া ভালো।
২. শেষ বিকেলে ব্যায়াম করুন
শেষ বিকেলে আমাদের শরীর খানিকটা উষ্ণ হয়ে ওঠে। তাই এই সময়ে ব্যায়ামের জন্য ‘ওয়ার্ম আপ’ করা সহজ। ফলে এই সময়ের ব্যায়ামে নিয়মিত হয়ে ওঠাও তুলনামূলক সুবিধাজনক। কাজে যাওয়া বা সন্তানকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার তাড়া না থাকায় এই সময়টাকে কাজে লাগানো অনেকের পক্ষেই সম্ভব।
৩. শরীরচর্চায় সঙ্গী
ব্যায়ামের সময় একজন সঙ্গী থাকলে ব্যায়ামে উৎসাহ পাবেন। জীবনসঙ্গীকে নিয়েও ব্যায়াম করতে পারেন। বাড়ির বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যকেও সঙ্গে নিতে পারেন। বন্ধু, প্রতিবেশী কিংবা সমমনা যে কাউকেই বেছে নিতে পারেন ব্যায়ামের সঙ্গী হিসেবে।
৪. পছন্দের অডিও ক্লিপ শুনুন
ব্যায়ামের সময় পছন্দের অডিও ক্লিপ শুনতে পারেন। এসব অডিও আপনি অন্য সময়ও নিশ্চয়ই শুনতে পারবেন। কিন্তু আপনি নিজের সঙ্গে একটা চুক্তি করে নিতে পারেন। চুক্তি অনুযায়ী কিছু অডিও আপনি কেবল ব্যায়ামের সময়ই শুনবেন। কিংবা যদি আপনি ব্যায়ামটা করতে পারেন, কেবল তারপরই শুনবেন। চুক্তির ঝামেলায় না গিয়েও অবশ্য আপনি অডিও ক্লিপ কাজে লাগাতে পারেন। চমৎকার কিছু অডিওর তালে ব্যায়াম করাটা এমনিতেই উপভোগ্য হতে পারে আপনার জন্য।
৫. নিজেকে অন্যভাবেও পুরস্কৃত করুন
সপ্তাহে যতটা শরীরচর্চা করা আপনার লক্ষ্য, তা পূরণ করতে পারলে নিজেকে পুরস্কৃত করতে পারেন। সপ্তাহান্তে নিজের পছন্দের কাজে খানিকটা বাড়তি সময় দেওয়াই হতে পারে নিজের পুরস্কার। মাসজুড়ে ঠিকঠাক শরীরচর্চা করতে পারলে মাস গেলে নিজের জন্য একটা বই কিংবা শখের অন্যান্য টুকিটাকি জিনিস কিনতে পারেন।
সূত্র: লিভস্ট্রং ডটকম
পিওনি-এর একটি ছবি হতে পারে
3 জন