Thursday, February 22, 2024

PICA পিকা

 posterior cerebellar artery syndrome

an eating disorder
The term pica originates in the Latin word for magpie, Pīca, a bird famed for its unusual eating behaviors and believed to eat almost anything.

Pica was first used as a term for a perverted craving for substances unfit to be used as food by Ambrose Paré (1509-1590). Pica is the medieval Latin name for the bird called the magpie, who, it is claimed, has a penchant for eating almost anything. When we say a child is suffering from pica, we are really calling him a magpie.1 Furthermore the French form of pica is pie. The word piebald, which is often used in relation to Waardenburg's syndrome, is compounded from pie, a magpie, and bald, from the Welsh word meaning a white streak on the forehead.2 Since the magpie is also black and white, the word piebald to describe the forelock of white hair surrounded by the patient's normal darker colored hair is based on solid etymologic evidence.

হঠাত চক, মাটি কিংবা কাগজ খাওয়ার ইচ্ছা কি আদৌ কোনও রোগের ইঙ্গিত দেয়?
চক, মাটি, ধুলো, পেনসিলের শিস, চুল, সাবান, কাগজের মতো কিছু জিনিস, যা মানুষের খাবার হিসাবে একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়, তেমন জিনিস খাওয়ার প্রবণতাও একটি রোগ।
‘স্কিতজ়োফ্রেনিয়া’ বা ‘ওসিডি’ থাকলেও এমন সব জিনিস খাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।
এমনিতে আপাত ভাবে কোনও রোগ নেই। দেখলে বোঝাও যায় না যে সুস্থ অবস্থায় কোনও মানুষ খাবার নয়, এমন কোনও জিনিস খেতে পারেন। চিকিতসকদের মতে, এই রোগ বেশি দেখা যায় অন্তঃসত্ত্বা মহিলা এবং শিশুদের মধ্যে। কী হয় তাতে? মাটি, চক, ছেঁড়া কাগজ— খাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এই রকম সমস্যা দেখা দিলে সাধারণ রক্তে আয়রনের মাত্রা পরীক্ষা করে দেখতে পরামর্শ দেন চিকিতসকরা। চিকিতসা পরিভাষায় এই রোগকে বলা হয় ‘পিকা’।
‘পিকা’ কী?
চক, মাটি, ধুলো, পেনসিলের শিস, চুল, সাবান, কাগজের মতো কিছু জিনিস, যা মানুষের খাবার হিসাবে একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়, তেমন খাবার খাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করাই ‘পিকা’-র লক্ষণ।
এমন রোগ কেন হয়?
চিকিতসকদের মতে, এই রোগের জন্য বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় শরীরে আয়রনের ঘাটতি রয়েছে। তবে আয়রন ছাড়াও জ়িঙ্ক বা অন্যান্য খনিজের ঘাটতি থাকলেও এই সমস্যা হতে পারে। কারও মানসিক সমস্যা বা ‘স্কিতজ়োফ্রেনিয়া’ বা ‘ওসিডি’ থাকলেও এমন সব জিনিস খাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।
‘পিকা’-র মতো রোগ দীর্ঘ দিন ধরে থাকলে তা পেটের নানা সমস্যার কারণ হতে পারে।
এই রোগের চিকিতসা কী?
‘পিকা’-র সমস্যা যেহেতু মানসিক, তাই তা সারানোর নির্দিষ্ট কোনও ওষুধ নেই। তবে কারও যদি মাটি, চক, ধুলো, সাবানের মতো কিছু খাওয়ার ইচ্ছা হয়, সে ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিতসকের পরামর্শ নিতে হবে। ‘পিকা’-র মতো রোগ দীর্ঘ দিন ধরে থাকলে তা পেটের নানা সমস্যার কারণ হতে পারে। ওষুধের পরিবর্তে আয়রন এবং জ়িঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খেলে এই সমস্যা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আসে।
-anandabazar

Saturday, February 3, 2024

ভেজানো কাঠ বাদাম

 আগের রাতে কাঠবাদাম ভেজাতে ভুলে গিয়েছেন। ঘুম থেকে উঠে সে কথা মনে পড়তেই চট করে একটি পাত্রে কল থেকে জল নিয়ে একমুঠো বাদাম ভিজিয়ে দিলেন। কারণ, এই বাদাম বেশ শক্ত। শুকনো বাদাম খেতে দাঁতেরও খুব কষ্ট হয়। তা ছাড়়া পুষ্টিবিদ, স্বাস্থ্য সচেতন থেকে নেটপ্রভাবী— সকলেই তো কাঠবাদাম ভিজিয়েই খেতে বলেন। তবে কাঠবাদামের পুষ্টিগুণ বাড়িয়ে তুলতে বাদাম শুধু ভেজালেই হবে না। সকালে ভেজানো বাদাম আধ ঘণ্টার মধ্যে খাওয়ার উপযোগী হয়ে যায়। কিন্তু তার পুষ্টিগুণ বাড়িয়ে তুলতে চাইলে আরও কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন।

বাদাম ভিজিয়ে রাখতে হয় কেন?
পুষ্টিবিদেরা বলছেন, বাদামের মধ্যে যে ধরনের উৎসেচক রয়েছে সেগুলি সক্রিয় করতে ভিজিয়ে রাখা জরুরি। বাদামের খোসায় রয়েছে ফ্যাটিক অ্যাসিড, সেই অ্যাসিডকে ভাঙতে সাহায্য করে ওই উৎসেচকগুলি। আয়রন, জ়িঙ্ক, ক্যালশিয়ামের মতো খনিজগুলি শোষণে সহায়তা করে। তা ছা়ড়া যাঁদের হজমের সমস্যা রয়েছে, তাঁদেরও বাদাম ভিজিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
বাদাম ভেজানোর সঠিক পদ্ধতি কী?
দোকান থেকে কিনে আনা বাদাম, প্রথমে ভাল করে জলে ধুয়ে নিতে হবে। এ বার ছোট একটি পাত্রে ফিল্টারের জল নিন। তার মধ্যে ভিজিয়ে রাখুন বাদাম। পাত্রের মুখে ঢাকা দিতে ভুলবেন না। অনেকেই বাদামের খোসা খেতে পছন্দ করেন না। তবে ভেজানোর আগে বাদামের খোসা ছাড়ানোর প্রয়োজন নেই।
কত ক্ষণ ধরে বাদাম ভিজিয়ে রাখা উচিত?
কাঠবাদামের পুষ্টিগুণ বাড়িয়ে তুলতে চাইলে অবশ্যই তা ভিজিয়ে রাখতে হবে। সঠিক পদ্ধতিতে এবং সঠিক সময় ধরে বাদাম ভিজিয়ে রাখলে তবেই উপকার, নচেৎ নয়! অন্তত ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত কাঠবাদাম ভিজিয়ে রাখতে হবে।
কতগুলি বাদামের সঙ্গে ঠিক কতটা জল দিতে হবে?
হবে কাঠবাদামগুলি যেন জলের মধ্যে সম্পূর্ণ ডুবে থাকে। বাদামের আর্দ্রতা বজায় রাখতে, ব্যাক্টেরিয়া বা ছত্রাকের সংক্রমণ রুখতে এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
anandabazar
May be an image of food

বেদানার খোসা বা ডালিমের খোসা

 পুষ্টিগুণে ভরপুর বেদানা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। বেদানাকে বলা হয় রক্ত বৃদ্ধির যন্ত্র। এর শস্য, বীজ এবং রস সবই তাদের স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য পরিচিত। এটি রক্তচাপ এবং রক্তে শর্করার উন্নতি করতে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু আমরা যখন বেদানার বীজের কথা বলছি, আপনি কি বেদানার খোসার উপকারিতা সম্পর্কে শুনেছেন? জানলে অবাক হবেন, কিন্তু বেদানার মতো এর খোসাও স্বাস্থ্যের জন্য গুণের ভাণ্ডার।

বেদানার খোসায় অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করা থেকে শুরু করে ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। এই খোসাগুলি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলির একটি পাওয়ার হাউস যেখানে আমরা সবাই এই খোসাগুলিকে আবর্জনা ভেবে ফেলে দেয়। যাইহোক, বেদানার খোসাও আয়ুর্বেদিক ওষুধে অনেক স্বাস্থ্য এবং সৌন্দর্যের সুবিধার জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই পরেরবার আপনি আপনার রান্নাঘরের বিনে বেদানার খোসা ফেলে দেওয়ার কথা ভাবুন, দুবার।
বেদানার খোসার আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য উপকারিতা
বেদানার খোসা, এর ফলের মতো, বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর যৌগ সমৃদ্ধ যা স্বাস্থ্যের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ভারতীয় পুষ্টিবিদ অবনি কৌল একটি ইংরেজি সংবাদপত্রকে বেদানার খোসার কিছু আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে বলেছেন: "শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস (শরীরের জন্য ক্ষতিকারক ফ্রি Radical এবং তাদের সাথে লড়াই করে এমন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলির মধ্যে ভারসাম্যহীনতা) সর্বদা ক্ষতিকারক।
এর যত্ন না নিলে ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগের জন্ম দিতে পারে। বেদানার খোসায় পলিফেনল এবং ফ্ল্যাভোনয়েড সহ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি থাকে। এই উপাদানগুলি শরীরের ক্ষতিকারক ফ্রি র্যাডিকেলগুলিকে নিরপেক্ষ করতে সাহায্য করে, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং প্রদাহ কমায়।
ফোলা প্রতিরোধ করে
বেদানার খোসায় পাওয়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি প্রদাহ-বিরোধী প্রভাবে অবদান রাখতে পারে, সম্ভাব্য দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের সাথে সম্পর্কিত অবস্থার সাহায্য করে।
হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ
বেদানার খোসা হার্টের স্বাস্থ্যের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তারা রক্তচাপ কমাতে, কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে এবং সামগ্রিক হৃদরোগের উন্নতি করতে সাহায্য করতে পারে।
ত্বক সুস্থ রাখুন
বেদানার খোসায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি অতিবেগুনী (UV) রশ্মির কারণে সৃষ্ট ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং কোলাজেন উৎপাদনকে উৎসাহিত করে ত্বকের স্বাস্থ্যে অবদান রাখতে পারে। কিছু ত্বকের যত্ন পণ্য এই কারণে বেদানা নির্যাস অন্তর্ভুক্ত.
হজমশক্তি বাড়ায়
বেদানার খোসায় রয়েছে ডায়েটারি ফাইবার, যা হজমের জন্য উপকারী। ফাইবার অন্ত্রের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং অন্ত্রে ভাল ব্যাকটেরিয়া বাড়ায়।
কীভাবে বেদানার খোসা ব্যবহার করবেন?
বেদানার খোসা বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহার করা যেতে পারে উপকার পেতে। এখানে আমরা আপনাকে বেদানার খোসার গুঁড়া বানানোর একটি সহজ উপায় বলছি।
1. বেদানা থেকে বীজ সরানোর পরে, এর খোসা আলাদা করুন।
2. খোসাগুলিকে এমন একটি জানালার কাছে রাখুন যেখানে সরাসরি সূর্যালোক কমপক্ষে 2 থেকে 3 দিন বা সম্পূর্ণ শুকিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত।
3. শুকনো খোসা একটি ব্লেন্ডার বা ফুড প্রসেসরে রাখুন এবং সূক্ষ্ম গুঁড়ো না হওয়া পর্যন্ত পিষে নিন।
4. পাউডারটিকে একটি বায়ুরোধী পাত্রে ঘরের তাপমাত্রায় রাখুন এবং তারপরে এই পাউডারটি যে কোনও রস, ঝাঁকানো বা স্মুদিতে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।
May be an image of fruit

পাপ থেকে বাঁচো

 মানুষ ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় নানারকম পাপকর্মে জড়িত হয়ে যায়। এমন বহু পাপ আছে একটু সর্তক থাকলে এড়িয়ে চলা যায়। যেমন-

পরনিন্দা, পরচর্চা, গীবত কোরোনা
কেউ আপনার সামনে পরনিন্দা, পরচর্চা, গীবত করছে- আপনি বুঝতে পারছেন এটা গীবত। সে চাইছে আপনিও তাতে অংশ নিন। তাল মিলান। দু-চারটা দুর্নাম যোগ করে দিন। আপনি তখন চুপ থাকুন। প্রসঙ্গ পরিবর্তন করে দিন অথবা কেটে পড়ুন এখান থেকে।
গীবতের চেয়ে ভয়াবহ গুনাহ আর কী হতে পারে। আল্লাহতায়ালা বলেন, আর তোমরা একজন অন্যজনের গোপনীয় বিষয় অনুসন্ধান কর না এবং একে অপরের অসাক্ষাতে নিন্দা কর না। তোমাদের মধ্যে এমন কেউ কি আছে, যে তার মৃত ভাইয়ের মাংস খেতে চাইবে? প্রকৃতপক্ষে তোমরা তো এটাকে ঘৃণ্যই মনে কর। তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহ তওবা গ্রহণকারী পরম দায়ালু। (সুরা হুজুরাত-১২)।
কথা কম বলো
মানুষ সবচেয়ে বেশি পাপ করে মুখ দিয়ে। কম কথা বলার চর্চা করুন। যতটুকু প্রয়োজনীয় ততটুকু কথা বলুন। বেশি কথা বললে ভুল হতে পারে। মুখ ফসকে খারাপ শব্দ বের হয়ে যেতে পারে। আল্লাহ বলেন, মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করে তার জন্য তৎপর প্রহরী তার কাছেই আছে। (সুরা: কাফ, আয়াত: ১৮)। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যখন কোনো বান্দাকে দুনিয়াবিমুখ ও স্বল্পভাষী দেখবে তখন তার সঙ্গে উঠাবসা করো। কেননা সে হেকমতপ্রাপ্ত।
অনর্থক কাজ পরিহার করো
যে কাজে কোনো সুফল নেই তা পরিহার করা উত্তম। প্রাত্যহিক রুটিন এমন হোক। যেখানে সব কাজের কম-বেশি সার্থকতা থাকবে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো অর্থহীন কথা বা কাজ ত্যাগ করা। (তিরমিজি, হাদিস: ২৩১৮)।
হিংসা করোনা
হিংসার পরিণাম ভয়াবহ। তাই হিংসা বর্জন করুন। পবিত্র কোরআনে সুরা ফালাকের ৫নং আয়াতে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, আর আমি আশ্রয় চাই হিংসুকের অনিষ্ট থেকে, যখন সে হিংসা করে।
রাসুল (সা.) বলেছেন, সন্দেহ নেই, হিংসা নেক আমলগুলোর নুর ও আলোকে নিভিয়ে দেয়’- (সুনানে আবু দাউদ: ৪৯০৬)। এছাড়াও হজরত আনাস বিন মালিক (রা.) হতে বর্ণিত নবী (সা.) বলেছেন, তোমরা পরস্পরে বিদ্বেষ করো না, হিংসা করো না, ষড়যন্ত্র করো না ও সম্পর্ক ছিন্ন করো না। বরং তোমরা আল্লাহর বান্দা হয়ে যাও, পরস্পর ভাই ভাই হয়ে যাও’- (বুখারি: ৬০৭৬, মুসলিম: ২৫৫৯, জামে তিরমিজি: ১৯৩৫)।
পরিবেশ পরিবর্তন করো
মানুষ অভ্যাসের দাস; যা দেখে সে তাই করে। মানুষের ওপর পরিবেশের প্রভাব পড়ে। যেমন কেউ মসজিদে গেলে ইবাদতের আগ্রহ বাড়ে। বাজারে গেলে আড্ডা দেয়। কবরস্থানে গেলে মৃত্যুর কথা স্মরণ করে। তাই সব সময় ভালো পরিবেশে থাকার চেষ্টা করুন। তাহলে সহজেই বেঁচে যাবেন বহু রকমের গুনাহ থেকে।
@sabur1955

বেশি কথা না বলার উপায়

 ১. শ্রোতা হিসেবে আপনার অবস্থান থাকুক।

২. নিজের মনোভাব এবং ভাষা সচেতনভাবে নিয়ন্ত্রণ করুন।
৩. প্রয়োজনীয় বিষয়েই কথা বলুন এবং বিষয়ভিত্তিক থাকুন।
৪. কোন বিষয়ে কথা বলতে চাচ্ছেন তা স্পষ্ট করুন, এবং অপ্রাসঙ্গিক বিষয় এড়িয়ে চলুন।
সংযত ও প্রাসঙ্গিকভাবে মন্তব্য করুন।
৫. চিন্তা করার এবং বোঝার জন্য কিছু সময় সম্পূর্ণ মৌন থাকুন।
৬. মানসিকভাবে আত্মসংযমের অনুশীলন করুন যাতে অপ্রয়োজনীয় কথা বলার প্রবণতা কমে।
৭. ব্যক্তিগত দিনপঞ্জি রাখুন, আবেগগুলি লিখে রাখুন।
৮. অনলাইনে বা সমাজ মাধমে অনাবশ্যক মন্তব্য করা এবং সবাইকে অভিজ্ঞতা শেয়ার করা সীমিত করুন।
Ref: 1. Start Living
2. Hasan-Ali-338
3. Self study

All reactions:

সালাম ইসলামের কল্যাণকর সংস্কৃতি

 প্রথম সালামদাতা অহংকার থেকে মুক্ত।

সালাম দেওয়ার সময় যেসব বিষয়ে সতর্কতা জরুরি
সালাম ইসলামী সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মহানবী (সা.) মুসলিম সমাজে সালামের প্রসার ঘটানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তবে সালাম বিনিময়ের ক্ষেত্রে কিছু ভুল পরিলক্ষিত হয়, যা সালামের মাহাত্ম্য নষ্ট করে।
সালাম বিনিময়ে যে ভুল হয় তা হলো—
১. সালাম পাওয়ার অপেক্ষা করা : বহু মানুষের ধারণা, ছোটরা ও অধস্তনরা সালাম দেবে এবং তারা উত্তর দেবে। তাই তারা অন্যের সালামের অপেক্ষা করে। ইসলামের শিক্ষা হলো বড়রাও ছোটদের সালাম দেবে; যেকোনো বয়সের মানুষ আগে সালাম দিয়ে মর্যাদা লাভের চেষ্টা করবে।
২. সালাম শুনেও জবাব না দেওয়া : কখনো কখনো অপছন্দের মানুষ সালাম দিলে ব্যক্তি তার উত্তর প্রদান করে না। অথচ অপছন্দনীয় ব্যক্তির সালামের উত্তর দেওয়াও ওয়াজিব।
৩. সালামের জবাব দিয়ে আবার সালাম দেওয়া : উত্তম হলো ব্যক্তি আগে সালাম দেবে। কিন্তু কেউ যদি সালাম দিয়ে ফেলে, তবে শুধু সালামের উত্তর দেওয়াই দায়িত্ব। আবার সালাম দেওয়া অগ্রহণযোগ্য।
৪. জবাব না দিয়ে আবার সালাম : বড়রা সালাম দিলে কেউ কেউ উত্তর না দিয়ে আবার সালাম দেয়। এ ধারণা থেকে সালাম দেওয়া তার দায়িত্ব ছিল। অথচ অন্য কেউ সালাম দিলে তখন উত্তর দেওয়াই নিয়ম ও ওয়াজিব।
৫. জবাব না পেলে ‘সালাম দিয়েছি’ বলা : সালাম দেওয়ার পর উত্তর না পেলে সালাম দিছি বলার রীতি আছে, এটা ঠিক নয়। নিয়ম হলো আবার সালাম দেওয়া এবং শ্রোতা সালাম শুনতে পায় এমনভাবে দেওয়া। সালামের উত্তর যেভাবে শুনিয়ে দিতে হয়, তেমনি সালামও শুনিয়ে দিতে হয়।
৬. নিম্নস্বরে সালামের জবাব দেওয়া : সালামের উত্তর শুনিয়ে দেওয়া ওয়াজিব। তাই নিম্নস্বরে বা মনে মনে সালাম দেওয়ার অভ্যাস পরিহারযোগ্য।
৭. অসময়ে সালাম দেওয়া : সালাম শুভেচ্ছা ও সৌজন্য বিনিময়ের মাধ্যম। সাক্ষাতের সময় তা বিনিময় করাই নিয়ম। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, মোনাজাত ও জানাজা শেষে সালাম বিনিময় করা হয়। এটি একটি ভুল প্রচলন।
৮. ভুল উচ্চারণে সালাম দেওয়া : সালাম এক প্রকার ইবাদত। বিশুদ্ধ মনে সালাম বিনিময় করলে ব্যক্তি সওয়াবের অধিকারী হয়। তাই বিশুদ্ধ উচ্চারণে সালাম প্রদান করা আবশ্যক। কিন্তু বহু মানুষকে ভুল উচ্চারণে সালাম দিতে দেখা যায়। যেমন—স্লামালাইকুম, সালামালাইকুম, আস্লামালাইকুম, সেলামালাইকুম ইত্যাদি। সালামের সঠিক উচ্চারণ হলো ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ’।
রেফা: আবরার আবদুল্লাহ
নিজ পাঠ
May be an image of text
All reactions:

ফিতনা

 ফিতনা (বা fitnah, pl. ফিতান ; আরবি: فتنة, فتن‎‎ fitan: "প্রলোভন, বিচার; রাষ্ট্রদ্রোহ, গৃহযুদ্ধ, সংঘাত") একটি আরবি শব্দ যার বিস্তৃত অর্থ বিচার, কষ্ট বা কষ্ট। গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক অর্থ সহ একটি শব্দ, এটি আধুনিক আরবীতেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। কুরআনে ফিতনার অর্থ: পরীক্ষা ও যাচাইকরণ, পথ অবরোধ এবং মানুষকে বিমুখ করা। অভিধানবিদ আজহারি বলেন, ‘আরবি ভাষায় ফিতনার সামগ্রিক অর্থ পরীক্ষা-নিরীক্ষা। আগুনে পুড়িয়ে সোনার আসল-নকল ও মান যাচাইপ্রক্রিয়া বোঝাতে ফিতনা শব্দের ব্যবহার লক্ষ করা যায়। পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন আয়াতেও এরূপ অর্থে শব্দটি ব্যবহৃত হতে দেখা যায়।’ ‘সেদিন তাদের আগুনে পোড়ানো হবে।’ (তাহজিবুল লুগাহ, ১৪/২৯৬)

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘মানুষ কি মনে করে যে, ‘আমরা ঈমান এনেছি’ বললেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে, আর তাদের পরীক্ষা করা হবে না?’ (সুরা আনকাবুত, আয়াত : ২) উল্লিখিত আয়াতে ‘য়ুফতানুন’ শব্দটি ‘ফিতনা’ থেকে এসেছে, যা পরীক্ষার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় বান্দাদের ফিতনার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, আল্লাহর কাছে ফিতনা হত্যা অপেক্ষা মারাত্মক। (সুরা বাকারা, আয়াত : ২১৭)
প্রিয় নবী (সা.) স্বীয় উম্মতদের ফিতনার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন। রাসুল (সা.)-এর বিভিন্ন হাদিসে ফিতনার বিভিন্ন আলামত সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। নিম্নে এ ধরনের কিছু হাদিস তুলে ধরা হলো:
ফিতনার যুগে মুসলমানের করণীয়
প্রিয় পাঠক! আমরা এখন হয়তো সেই যুগেই পদার্পণ করছি। কোথাও কোনো শান্তি নেই। সবাই পাপের সমুদ্রে হাবুডুবু খাচ্ছে। অনিয়মই হয়ে যাচ্ছে নিয়ম। ধর্মভীরুতা হয়ে যাচ্ছে আনস্মার্টনেস। কঠিন কবিরা গুনাহের কাজগুলো হয়ে যাচ্ছে প্রগতিশীলতা। সুদ, ঘুষ, চুরি, ডাকাতি, গিবত সবই এখন আমাদের নিত্যদিনের কাজ। এখন আর আমরা গুনাহকে গুনাহ মনে করতেই রাজি নই। (নাউজুবিল্লাহ)। আল্লাহর নাফরমানি করাই হয়ে উঠছে ফ্যাশন। যার কারণ বিশ্বব্যাপী নেমে এসেছে বিপর্যয়। এই বিপর্যয় থেকে বাঁচতে আমাদের আবারও ফিরে যেতে হবে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর দেখানো পথে।
এখন আর আমাদের অন্যের দোষ তালাশ করার সময় নেই। এখন উচিত নিজেদের সংশোধন করা। গুনাহ থেকে বিরত থাকা। সর্বদা আল্লাহর দরবারে তাওবা-ইসতেগফার করা। সকল ফিতনা থেকে বেঁচে থাকতে মহান আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করা। ফিতনা থেকে মুক্ত থাকার জন্য প্রিয় নবী (সা.) স্বীয় উম্মতদের এমন একটি দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন, উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল ফিতানি, মা জহারা মিনহা ওয়া মা বাতানা।’ অর্থ : ‘হে আল্লাহ, আমরা আপনার কাছে প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সকল ফিতনা থেকে পরিত্রাণ চাই।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ২৭৭৮)
ফিতনা থেকে বাঁচতে আমাদের করণীয় হলো, চোখের গুনাহ, অশ্লীলতা ও উলঙ্গপনা, অন্যকে কষ্ট দেওয়া, অন্যের হক নষ্ট করা, সুদ ও ঘুষের গুনাহ থেকে নিজেকে যথাসাধ্য বাঁচানোর চেষ্টা করতে হবে। এ ধরনের অপরাধের ব্যাপারে সর্বদা নিজ পরিবার-পরিজন ও বন্ধু মহলকে সতর্ক করতে হবে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে এই ভয়াবহ ফিতনাগুলো থেকে মুক্ত থাকার তাওফিক দান করুক। আমিন।
সোর্স: মুফতি মুহাম্মদ মর্তুজা
নিজ পাঠ
May be an image of text that says "ISLAM INSIDE ফিতনার কোলাহল থেকে, নির্জনতা অনেক উত্তম। যত বেশি একাকিত্ব তত বেশি গিবত মুক্ত।"
All reactions: