Sunday, November 30, 2025
প্রবল আগ্রহ
সক্রেটিস ধ্যান করছেন। নিঃশ্চুপ বসে হয়তো জীবনবোধ নিয়ে ভাবছেন। সে সময় এক তরুণ তার কাছে গিয়ে বসলো। সক্রেটিস টের পেলেন না।
নারী
Thursday, November 13, 2025
ব্যর্থ প্রেম
ট্রয় নগরী ধ্বংস হয়েছিল এক নারীর কারণে। তার নাম হেলেন। এটা সবাই জানি।
Monday, August 25, 2025
কানাডায় একশো আট দিনঃ হাঁটাহাঁটি ও আরও কিছু
| Publisher: | University of Toronto/Université Laval |
Tuesday, August 19, 2025
খাদ্য ও তৃপ্ততা
খাদ্য ও তৃপ্তি, এই দুটি শব্দ একে অপরের সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। খাদ্য আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে এবং তৃপ্তি আমাদের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য অপরিহার্য।
- পর্যাপ্ত এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করলে শরীর প্রয়োজনীয় শক্তি পায় এবং সুস্থ থাকে।
- মানসিক তৃপ্তি:পছন্দের খাবার খেলে বা সুস্বাদু খাবার খেলে মানসিক তৃপ্তি আসে।
- সচেতন খাদ্য গ্রহণ:খাদ্য গ্রহণের সময় প্রতিটি কামড় উপভোগ করা এবং খাবারের প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়া মানসিক তৃপ্তি এনে দেয়।
- সুষম খাদ্য:সুষম খাদ্য গ্রহণ করলে শরীর ও মন উভয়ই ভালো থাকে।
- খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে ফল, সবজি, শস্য, প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
- ধীরে ধীরে খাওয়া:তাড়াহুড়ো করে না খেয়ে ধীরে ধীরে প্রতিটি কামড় উপভোগ করে খাওয়া উচিত।
- উপযুক্ত পরিবেশে খাওয়া:শান্ত ও আনন্দময় পরিবেশে খাবার গ্রহণ করা উচিত।
- ধন্যবাদ দেওয়া:খাবারের জন্য প্রথমে সৃষ্টিকর্তা পরে পরিবেশকে ধন্যবাদ জানানো উচিত।
একই সঙ্গে পুষ্টিকর ও পেট ভরা রাখে এরকম খাবার বেছে নেওয়া উপকারী।
সব খাবার সমানভাবে শক্তি দেয় না। কিছু খাবার দীর্ঘস্থায়ী শক্তি সরবরাহ করে। এতে পুষ্টির ঘাটতি পূরণ হয়।
এই ধরনের খাবার চেনা থাকলে সারাদিনের পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি ও অনেকক্ষণ পেট ভরা রাখতে খাদ্য-তালিকায় যুক্ত করা যায়।
খাবারের যে গুণে তৃপ্তি বৃদ্ধি পায়
রিয়েলসিম্পল ডটকমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারলিনা’তে অবস্থিত ‘টপ নিউট্রিশন কোচিং’য়ের প্রধান নিবন্ধিত পুষ্টিবিদ জর্ডান হিল বলেন, “কোনো খাবারের পরিতৃপ্তি দানের ক্ষমতা নির্ভর করে এর পুষ্টিমানের ওপর।”
“সাধারণত যেসব খাবারের প্রোটিন, আঁশ, চর্বি ও পানির মাত্রা বেশি সেগুলো দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে”- বলেন তিনি।
প্রোটিন, চর্বি ও আঁশ- হজম হতে বেশি সময় নেয়, বিপাকীয় প্রক্রিয়া ধীর করে দেয়। ফলে পুষ্টি শোষণ বিলম্বিত হয় এবং পুষ্টিগুণ খাবার খাওয়ার পর অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরা রাখতে বা পরিতৃপ্তির অনুভূতিতে দিতে পারে।
এই ধরনের খাবার রক্তে ধীরে ধীরে শর্করার নিঃসরণ করে। তাই অনেকক্ষণ পেট ভরা অনুভূত হয়।
টাইপ টু ডায়াবেটিসের মতো যাদের বিপাক সংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে তাদের মাঝারি রক্তের শর্করা ওঠানামার পাশাপাশি সামগ্রিক পরিপূর্ণতা বা পেট ভরা অনুভূতি বাড়ায়।
কারণ যে খাবার রক্তের শর্করা দ্রুত হ্রাস বৃদ্ধি করে, সেগুলো খাওয়ার পরে দ্রুত পেট ভরা ও দ্রুত ক্ষুধার অনুভূতি দেয়।
খাবার কেনার সময় এর পুষ্টি মূল্যের বিবেচনায় প্রোটিন, চর্বি ও আঁশ বেশি এমন খাবার বাছাই করা উচিত।
পরিতৃপ্তির নির্দেশক
ব্যস্ত জীবনে পুষ্টিকর খাবার খুঁজতে প্রোটিন, চর্বি, আঁশ ইত্যাদি গণনা করার বিষয়টা বাস্তবসম্মত নয়।
১৯৯৫ সালে অস্ট্রেলিয়া’র ‘ইউনিভার্সিটি অফ সিডনি’র বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের গবেষকরা ম্যাট্রিক পদ্ধতিতে খাবারের পরিতৃপ্তি পরিমাপের জন্য একটি মান নির্ধারক নিয়ে আসেন যা ‘স্যাটাইটি ইনডেক্স’ বা ‘পরিতৃপ্তির নির্দেশক’ হিসেবে পরিচিত।
ব্যাখ্যা করে হিল বলেন, “স্যাটাইটি ইনডেক্স’ হল একটি পদ্ধতি যা বিভিন্ন খাবারের পরিতৃপ্তিমূলক প্রচেষ্টাকে পরিমাপ করে।”
অত্যন্ত ক্ষুধার্ত, ক্ষুধার্ত, আধা ক্ষুধার্ত, অনুভূতিহীন, আধা সন্তুষ্ট, সন্তুষ্ট বা অত্যন্ত সন্তুষ্ট ইত্যাদি থেকে তারা কীভাবে তৃপ্ত বোধ করবেন এর ওপর ভিত্তি করে খাবারগুলোর ‘স্কোর’ বা সূচক নির্ধারণ করা হয়।
গবেষণার জন্য ৩৮টি বিভিন্ন খাবার বিশ্লেষণ করে। প্রতিটিকে ২৪০ ক্যালোরি অংশের ওপর ভিত্তি করে এর পরিতৃপ্তি সূচক বা ‘এসআই স্কোর’ নির্ধারণ করেন।
শতভাগ ‘এসআই’য়ের মান নিয়ন্ত্রণ হিসাবে সাদা রুটি ব্যবহার করা হয়েছিল। সর্বনিম্ন এসআই খাদ্য ৪৭ শতাংশ যা পাওয়া যায় ক্রসান্টে।
সর্বোচ্চ পরিতৃপ্তি দায়ক খাবারের স্কোর ছিল ৩২৩ শতাংশ যা পাওয়া গিয়েছিল আলুতে।
সীমিত সংখ্যক খাদ্য বিশ্লেষণ এবং প্রায় ৩০ বছরের পুরানো সময়ের কারণে এই সূচক দৈনন্দিন স্বাস্থ্য-সেবা ও ‘ডাইটেটিক্স’ বা খাদ্য-নির্বাচন-বিদ্যায় অনুশীলণ করা হয় না।
তবে এর পিছনে কিছু ধারণা রয়েছে যেমন- পুষ্টির ঘনত্ব বা পুষ্টির পরিমাণ ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ।
সব চেয়ে বেশি পরিতৃপ্তিকর খাবার হল
বাদাম ও বীজ: নানানভাবে শরীরের জন্য উপকারী। এটা পেট ভরা রাখে। পুষ্টির যোগান দেয়। এতে রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি ও আঁশ যা পেট ভরা রাখে। এই খাবার তালিকার শীর্ষ অবস্থান করে।
সুপ: নানান রকম উপাদান যোগ করা যায়। এই খাবার স্বাস্থ্যকর প্রোটিন (প্রাণিজ, উদ্ভিজ্জ), উচ্চ আশ (সবজি) ও প্রয়োজনীয় পানির যোগান দেয়।
ডিম: সকালের শুরুটা ডিম দিয়ে করলে সারাদিনের পর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় শক্তি পাওয়া যায়। এই খাবার প্রোটিন ও চর্বি উপাদান সমৃদ্ধ যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে।প
পরিতৃপ্তির নির্দেশক
ব্যস্ত জীবনে পুষ্টিকর খাবার খুঁজতে প্রোটিন, চর্বি, আঁশ ইত্যাদি গণনা করার বিষয়টা বাস্তবসম্মত নয়।
১৯৯৫ সালে অস্ট্রেলিয়া’র ‘ইউনিভার্সিটি অফ সিডনি’র বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের গবেষকরা ম্যাট্রিক পদ্ধতিতে খাবারের পরিতৃপ্তি পরিমাপের জন্য একটি মান নির্ধারক নিয়ে আসেন যা ‘স্যাটাইটি ইনডেক্স’ বা ‘পরিতৃপ্তির নির্দেশক’ হিসেবে পরিচিত।
ব্যাখ্যা করে হিল বলেন, “স্যাটাইটি ইনডেক্স’ হল একটি পদ্ধতি যা বিভিন্ন খাবারের পরিতৃপ্তিমূলক প্রচেষ্টাকে পরিমাপ করে।”
অত্যন্ত ক্ষুধার্ত, ক্ষুধার্ত, আধা ক্ষুধার্ত, অনুভূতিহীন, আধা সন্তুষ্ট, সন্তুষ্ট বা অত্যন্ত সন্তুষ্ট ইত্যাদি থেকে তারা কীভাবে তৃপ্ত বোধ করবেন এর ওপর ভিত্তি করে খাবারগুলোর ‘স্কোর’ বা সূচক নির্ধারণ করা হয়।
গবেষণার জন্য ৩৮টি বিভিন্ন খাবার বিশ্লেষণ করে। প্রতিটিকে ২৪০ ক্যালোরি অংশের ওপর ভিত্তি করে এর পরিতৃপ্তি সূচক বা ‘এসআই স্কোর’ নির্ধারণ করেন।
শতভাগ ‘এসআই’য়ের মান নিয়ন্ত্রণ হিসাবে সাদা রুটি ব্যবহার করা হয়েছিল। সর্বনিম্ন এসআই খাদ্য ৪৭ শতাংশ যা পাওয়া যায় ক্রসান্টে।
সর্বোচ্চ পরিতৃপ্তি দায়ক খাবারের স্কোর ছিল ৩২৩ শতাংশ যা পাওয়া গিয়েছিল আলুতে।
সীমিত সংখ্যক খাদ্য বিশ্লেষণ এবং প্রায় ৩০ বছরের পুরানো সময়ের কারণে এই সূচক দৈনন্দিন স্বাস্থ্য-সেবা ও ‘ডাইটেটিক্স’ বা খাদ্য-নির্বাচন-বিদ্যায় অনুশীলণ করা হয় না।
তবে এর পিছনে কিছু ধারণা রয়েছে যেমন- পুষ্টির ঘনত্ব বা পুষ্টির পরিমাণ ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ।
সব চেয়ে বেশি পরিতৃপ্তিকর খাবার হল
বাদাম ও বীজ: নানানভাবে শরীরের জন্য উপকারী। এটা পেট ভরা রাখে। পুষ্টির যোগান দেয়। এতে রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি ও আঁশ যা পেট ভরা রাখে। এই খাবার তালিকার শীর্ষ অবস্থান করে।
সুপ: নানান রকম উপাদান যোগ করা যায়। এই খাবার স্বাস্থ্যকর প্রোটিন (প্রাণিজ, উদ্ভিজ্জ), উচ্চ আশ (সবজি) ও প্রয়োজনীয় পানির যোগান দেয়।
ডিম: সকালের শুরুটা ডিম দিয়ে করলে সারাদিনের পর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় শক্তি পাওয়া যায়। এই খাবার প্রোটিন ও চর্বি উপাদান সমৃদ্ধ যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে।
লক্ষণীয়, ডিমে থাকা অধিকাংশ চর্বি কোলেস্টেরল সমৃদ্ধ। যদিও আগে বিবেচনা করা হত কোলেস্টেরল হৃদরোগের সাথে সম্পর্কিত।
তবে সম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে খাদ্য তালিকায় কোলেস্টেরল গ্রহণ হৃদরোগের সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত নয়।
স্মুদি: পুষ্টিগুণে ভরপুর, একই সাথে পেট ভরবে এমন খাবার খেতে চাইলে স্মুদি খুব ভালো পছন্দ।
স্মুদিতে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি ও আঁশ যোগ করতে বাদামের মাখন, প্রোটিন পাউডার, দই, দুধ, ফল, সবজি, হ্যাম্প, চিয়া বীজ, সন বীজ ইত্যাদি যোগ করা যায়।
কমলা: গবেষকদের ২০২ শতাংশ পরীক্ষার ভিত্তিতে দেখা গেছে, কমলার ‘স্যাটাইটি ইনডেক্স’ সবচেয়ে বেশি।
কমলা উচ্চ আঁশ ও পানীয় উপাদান সমৃদ্ধ। তাজা, সালাদ ও ফলের রস তৈরি করেও কমলা গ্রহণ করা যায়।
রাতের খাবারে এটা রাখতে চাইলে বাদাম ও নোনতা পনির দিয়ে পরিবেশন করা যায়।
সামুদ্রিক খাবার: সামুদ্রিক খাবার প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বির ভালো উৎস। সাদা মাছে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ এসআই থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে এর মান ২২৫ শতাংশ ।
চর্বিবহুল মাছ যেমন- স্যামন, টুনা, সার্ডিন এক্ষেত্রে বাছাই করা যেতে পারে।
পপকর্ন: পেট পরিপূর্ণ রাখে এমন আঁশ সমৃদ্ধ খাবার। এর এসআই স্কোর ১৫৪ শতাংশ। মাখন এবং লবণ দিয়ে পপকর্ন সবসময়ই মজাদার। তবে ভালো পুষ্টি গ্রহণ করতে চাইলে পপকর্নের সাথে অসম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত জলপাই তেল বা ভিটামিন এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ পুষ্টিকর ইস্ট যোগ করা যেতে পারে।
খোসাসহ আলু: জটিল কার্বোহাইড্রেইট সমৃদ্ধ আঁশ বেশি থাকে। খোসাসহ আলু খাওয়া হলে আঁশের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
‘স্যাটাইটি ইন্ডেক্স’ সমীক্ষার ওপর ভিত্তি করে বলা যায়, পরিতৃপ্তির দিক থেকে আলু সেরা।
মটর: অন্যান্য ডাল ও মটরের মতো মটরশুঁটিতে আছে প্রোটিন ও আঁশ যা পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে। সুপ, সালাদ, টাকোস, পাস্তা ও অন্য যে কোনো খাবারে এগুলো যোগ করা যায়।
সচেতন খাদ্যতালিকা: মনের উপর খাদ্যের প্রভাব
খাদ্যবিন্যাস : হালকা বনাম ভারী
হজম সহায়ক খাদ্য নির্বাচন ও শ্রেণীবিন্যাস
- উৎপত্তি অনুযায়ী: শস্য, ডাল, সবজি, ফল ইত্যাদি।
- আকার অনুযায়ী: যা খাওয়া যায়, পান করা যায়, চেটে খাওয়া যায় এবং চিবিয়ে খাওয়া যায়।
- প্রভাব অনুযায়ী: স্বাস্থ্যকর (হিতকর) বা অস্বাস্থ্যকর (অহিতকর)।
স্বাস্থ্যকর বনাম অস্বাস্থ্যকর খাবার
সুস্থ জীবনের জন্য খাদ্যাভ্যাসে আয়ুর্বেদ ও ন্যাচারোপ্যাথির সমন্বয়
Tuesday, July 1, 2025
তুমি কেমন ডিজাইনার? এত নির্ভূল আর যৌক্তিক তোমার ডিজাইনগুলো।
দেহের সব ক'টা সেল এ মাইটোকন্ড্রিয়া দেয়া হয়েছে। দেয়া হলোনা শুধু আরবিসিতে(Red blood cell)! কারণ, আরবিসি যদি একটা মাইটোকন্ড্রিয়ার মালিক হয়ে যেতো, তাহলে ফুসফুস থেকে যে অক্সিজেন বহন করে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তাঁকে প্রতিটি টিস্যুতে, গন্তব্যে যাবার আগেই সে নিজে এটা খরচ করে ফেলতো (কারণ, কারো কাছে যদি একটা মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে, তবে সে এটার সাহায্যে অক্সিজেন পুড়িয়ে এটিপি অর্থাৎ শক্তি তৈরি করে ফেলতে পারবে। এটা হচ্ছে একধরণের ইঞ্জিনের মতো)। আমাদের টিস্যুগুলো তখন আর অক্সিজেন পেতোনা।
তুমি কেমন ডিজাইনার? এত নির্ভূল আর যৌক্তিক তোমার ডিজাইনগুলো।
সেন্ট্রিয়োল দেয়া হল সবখানে। শুধু দেয়া হলোনা নিউরন আর গ্লিয়াল সেল এ। যদি আমাদের ব্রেইনের সেল গুলোতে সেন্ট্রিওল থাকতো, তাহলে এই সেন্ট্রিওল প্রতিটি কোষকে বিভাজিত করে নতুন কোষ তৈরী করে ফেলতো। ফলস্বরূপ, আমরা যা তথ্য সঞ্চয় করে রেখেছি আমাদের মেমোরিতে, সব এক প্রেসে কেল্লাফতে!! পাওনাদারের টাকা পাওনাদারও ভূলে যেতো দেওনাদারও ভূলে যেতো!😁
তুমি কেমন ডিজাইনার? এতো যৌক্তিক তোমার ডিজাইন।
আমি যখন পোস্টেরিওর থোরাসিক ওয়ালের (বক্ষপিঞ্জরের পিঠের দিকের দিকের অংশ) ব্লাড সাপ্লাই ধরলাম, আমি জানতে পারলাম- এখানে ডিসেন্ডিং থোরাসিক এওর্টা মোটাদাগে সবাইকে সাপ্লাই দিচ্ছে। কিন্তু ২ মিনিটের একটা খটকা আমার লাগলো। কারণ আমি জানি, লেফট হার্ট থেকে এওর্টা বের হয়ে কার্ভ করে শেষে যখন ডিসেন্ড করতে শুরু করেছে, ততক্ষণে উপরের দু'টি রিবস (পাঁজর) মিস হয়ে গেছে। আবার এটাও ভাবলাম যে, কেউ তো দিয়েছে নিশ্চই। না হয় ব্লাড ছাড়া কিভাবে চলবে রিবস দু'টি। না, কেউ এসে দিয়েছে। জেনে গেলাম। 'কস্টোসারভাইকাল ট্রাঙ্ক' নামের একজন নেমে এসে ঠিকই দিয়েছে! যে 'সাবক্ল্যভিয়ান আর্টারি' তাঁর চলে যাচ্ছিল, কি দরকার পড়লো ঐখানে দুটো ব্রাঞ্চ ছেড়ে দেবার!
আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম এক মুহুর্তের জন্য! তখনকার অনুভুতি কি যে ছিলো, বলে বোঝাতে পারবোনা।
🔵তুমি কেমন ডিজাইনার? তোমার ডিজাইন এত জ্যামিতিক।
টেবিলের এক কোণায় একটি বই রেখে দিলে তিন থেকে চার দিন পর সেখানে ১ সেন্টিমিটার ধূলোর আস্তর পরে। অথচ প্রতিটা অবচেতন মনে টেনে নেয়া শ্বাসে আধা লিটারের মত বাতাস টেনে নিচ্ছি প্রতি মুহূর্তে। একটু জোরে টান দিলেতো এক লিটারই ঢুকে পড়ে। বাতাসে এত ধূলিকণা আর জীবাণু! তবু কি আশ্চর্য্য!! কেকের মত স্পঞ্জি আর সফট ফুসফুসটার কিছু হয়না। আস্তরও পড়েনা। পড়বে কি করে? পুরো ট্রাকিয়া আর নাসাল এয়ার ওয়ে জুড়ে রয়েছে সিলিয়ারি বিট! প্রাকৃতিক ঝাড়ুদার। প্রতিনিয়ত ঝাড়ুদিচ্ছে ধূলিকণাগুলোকে।
🔵তুমি এ কেমন ডিজাইনার? এত নির্ভূল, নিখুঁত আর যৌক্তিক তোমার ডিজাইন!
~~ সুবহানাল্লাহ !!!
"হে মানুষ সকল, তোমাদের কি এমন জিনিস যেটা তোমার রব থেকে তোমাকে গাফিল করে রেখেছে? অথচ তিনি তোমাকে কত সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন আর সামঞ্জস্য করে দিয়েছেন।"
------সূরা ইনফিত্বার (৫-৬)