Sunday, November 30, 2025

Aloe Vera

 

Aloe Vera is nature’s all-rounder
It heals skin, boosts hydration, fights irritation, supports digestion, reduces inflammation, helps oral health, nourishes hair, and even aids detox.
If there’s one plant your body loves… it’s this one!
সোর্সঃ Your health care

আশ্ শাফী হোমিওপ্যাথিক ডিসপেন্সারী, মিরপুর। ফোনঃ ০১৭১২২৩১৫০১, ০১৯১১২৫১৭৯৯, ০১৮৭৩৯৩৪৮৪৫

No Excuse For Skipping Salaah.

 Allah says: “Verily, As-Salaah (the prayer) is enjoined on the believers at fixed hours” [al-Nisa’ 4:103].

Prophet Muhammad (pbuh) said: “The (whole) earth has been made a mosque (or a place of prayer) and a means of purification for me, so wherever a man of my ummah may be when the time for prayer comes, let him pray.” [Sahih Bukhari, 335]Allah says: “Verily, As-Salaah (the prayer) is enjoined on the believers at fixed hours” [al-Nisa’ 4:103].



ম্যাচুরিটি বা পরিপক্কতা কি?

 ১. বয়স শুধুই একটি সংখ্যা আর ম্যাচুরিটি হলো পছন্দের একটা জিনিস।

২. ম্যাচুরিটিকে বয়স দিয়ে গণনা করা যায় না। ম্যাচুরিটি হলো মনের এক বিশেষ অবস্থা বা অ্যাটিচ্যুড বা মনেভাব যা কেবল অভিজ্ঞতা থেকেই পাওয়া যায়।
৩. ম্যাচুরিটির বেলায় বয়স কোন গ্যারান্টি নয়।
৪. ম্যাচুরিটি হলো কাজের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রন, কাজের পরিবেশের সাথে নিজেকে খাপ খাওয়ানো, কাজ করতে জানা আর কাজ করতে গিয়ে যেটা অজানা থাকে সেটাকে জানা।
৫. যে যাই বলুক, ম্যাচুরিটির একটি বিশেষ আশীর্বাদ হলো ম্যাচুরিটি থাকলে সত্য বলার সাহস পাওয়া যায়।
৬. অনিশ্চয়তার সময় সহনশীল থাকা হলো ম্যাচুরিটি।
৭. ম্যাচুরিটি না থাকলে বয়সকে তার চড়া মূল্য দিতে হয়।
৮. ম্যাচুরিটি হলো পয়লা এলোমেলো পায়ে ববাচ্চাদের মত করে পথচলা, পরে দৃঢ় পদক্ষেপ, এর পর মূলধারায় মিশে যাওয়া আর সব শেষে নিশান বরদার বা পতাকাবাহী হওয়ার মত সৌভাগ্য অর্জন করা
৯. ম্যাচুরিটি মানে বয়স নয়। ম্যাচুরিটি হলো সংবেদনশীলতা বা সেন্সিটিভিটি, ব্যবহার এবং হৃদয় দিয়ে অনুভব করা বিষয়গুলো।
Make me thoughtful but not MOODY, helpful but not BOSSY
১০. ম্যাচুরিটি হলো বস না হয়ে চিন্তাশীল, মননশীল মানুষ হওয়া।
১১. সমস্যাগুলো অনেক সময় চায়না কোন সমাধান। সমস্যা থেকে উতরে যাবার ন্য এরা চায় ম্যাচুরিটি।
১২. ম্যাচুরিটি হলো তোমর মূল্যবোধের সীমারেখার ভেতরে থেকে চিন্তা করা, কথা বলা এবং অনুভূতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করা। হতাশার সময় কারো আধ্যাত্মিক কার্যক্রম কেমন থাকে সেটা দিয়ে ম্যাচুরিটি পরিমাপ করা যায়।
১৩. শিশুরা যেমন করে খেলার সময় এক মনে খেলে যায়, ম্যাচুরিটির বেলায় তেমনি করে একমনে লড়ে যেতে হয়।
১৪. গ্রেড যেমন প্রজ্ঞাকে বুঝায় না তেমনি বয়সও ম্যাচুরিটিকে বুঝায় না।
১৫. ম্যাচুরিটির ৫ চিহ্নঃ বুঝতে পারা, গ্রহণ করা, ভালবাসা, নিয়ন্ত্রন আর আস্থা।
১৬. বয়সের সাথে সাথে প্রজ্ঞাবান হওয়া আর পরিপূর্ণ বিকাশ লাভ করাই ম্যাচুরিটি।
১৭. ম্যাচুরিটির সামাজিক অবস্থাগুলো হলোঃ শোনা, শেখা, কাজে লেগে যাওয়া, বিশ্লেষন করা আর নিজেকে নিখুঁত করে নেয়া।
১৮. ম্যাচুরিটি হলো এটা বুঝতে পারা কখন কে অপরিপক্ক বা ইম্ম্যাচিউর হলো।

সাাজনা পাতার সাথেই হোক মিতালী কি লাভ অতো দামী ওষুধ খুঁজে?

 


প্রবল আগ্রহ

 সক্রেটিস ধ্যান করছেন। নিঃশ্চুপ বসে হয়তো জীবনবোধ নিয়ে ভাবছেন। সে সময় এক তরুণ তার কাছে গিয়ে বসলো। সক্রেটিস টের পেলেন না।

অনেকক্ষণ পর সে তরুণকে লক্ষ করলেন। তরুণটি বললো, সক্রেটিস, আমার একটা প্রশ্ন ছিলো।
—কী প্রশ্ন?
—সফলতার রহস্যটা কী? What is the secret to success?
সক্রেটিস হাসলো। বললো, কাল সকালে নদীর ধারে এসো। তখন বলবো।
পরদিন সকালেই তরুণ নদীর ধারে গিয়ে হাজির। সক্রেটিস আসলেন। বললেন, চলো নদীতে নামি। পানিতে নামতে নামতে দুজন গলা অবধি নেমে গেলো। তরুণ খুবই বিস্মিত হতে লাগলো! হঠাৎ, সক্রেটিস সে তরুণের ঘাড় চেপে পানিতে ডুবিয়ে দিলেন। তরুণটা ছটফট করতে লাগলো। সক্রেটিসের শক্তির সাথে পেরে উঠছিলো না। কতক্ষণ পর সক্রেটিস তাকে তুললেন। তরুণের চেহারা ফ্যাকাসে হয়ে গেছে। বুকভরা নিঃশ্বাস নিয়ে সে যেনো জীবন খুঁজে পেলো।
—সক্রেটিস বললো, কিছু বুঝলে?
—না!
সক্রেটিস প্রাজ্ঞের হাসি হাসলেন।
—তোমাকে যখন পানিতে ডুবিয়ে রাখা হলো তখন তুমি প্রবলভাবে কি চেয়েছিলে?
—বাতাস। শুধুমাত্র বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে চেয়েছিলাম!
—এটাই হলো সফলতার রহস্য। একটু বাতাসের জন্য তুমি যেমন তীব্রভাবে মরিয়া হয়ে উঠেছিলে, ঠিক এমন মরিয়া হয়ে কিছু চাইলেই সফলতা আসবে। এটাই সফলতার রহস্য। এই বলে, সক্রেটিস বিদায় নিলেন।
সফলতার প্রথম ধাপ হলো—A burning desire. আমাদের ইচ্ছেশক্তি হলো শক্তিশালী স্প্রিং-এর মতো। এটাকে টেনে ধরে রাখাই কঠিন। একটু হেলা করলেই ছোট হয়ে যায়।
সংগৃহীত

নারী


💖 নারীর যে গুণগুলো পুরুষকে সত্যিই আকৃষ্ট করে 🌿
চেহারা নয়, গুণই করে সম্পর্কের বন্ধন গভীর।
একজন নারী তার আচরণ, মনোভাব, আত্মবিশ্বাস, বুদ্ধিমত্তা ও ভালো যোগাযোগের মাধ্যমে পুরুষের হৃদয় জয় করতে পারে।
পুরুষের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান নারী সেই, যার পাশে সে নিরাপদ, সম্মানিত ও বোঝা অনুভব করে।
🌸 ১. সৌজন্য ও নম্রতা
নম্র ও ভদ্র নারীরা সবার কাছেই প্রিয়।
তারা পুরুষকে দেয় মানসিক স্বস্তি ও “emotional safety”।
💫 ২. আত্মবিশ্বাস
আত্মবিশ্বাস একজন নারীর আসল সৌন্দর্য।
এটি তাকে করে স্থির, আত্মনির্ভরশীল এবং প্রভাবশালী — যা পুরুষদের কাছে গভীরভাবে আকর্ষণীয়।
🎧 ৩. ভালো যোগাযোগ
যে নারী মনোযোগ দিয়ে শোনে, বোঝে ও সঠিকভাবে প্রকাশ করে —
সে সম্পর্কের সবচেয়ে শক্ত ভিত্তি তৈরি করে।
✨ ৪. পরিচ্ছন্নতা ও রুচি
নিজেকে যত্নে রাখা, পরিপাটি থাকা ও রুচিসম্মত পোশাক —
এগুলো শুধু সৌন্দর্য নয়, self-respect-এর প্রতিফলন।
😄 ৫. হাসিখুশি ও পজিটিভ মনোভাব
একজন হাসিখুশি নারী ঘরে এনে দেয় আলো ও প্রশান্তি।
পুরুষ তার পাশে নিরাপদ ও আনন্দময় বোধ করে।
💖 ৬. আবেগিক বুদ্ধিমত্তা
রাগ বা অভিমান সামলে নেওয়ার ক্ষমতা, ধৈর্য আর সহানুভূতি —
এই গুণেই নারী হয় একজন সত্যিকারের সঙ্গী।
🙏 ৭. সম্মান প্রদানের ক্ষমতা
পুরুষ তার পরিশ্রম, অনুভূতি ও চিন্তাকে মূল্যায়ন পেলে গভীরভাবে আকৃষ্ট হয়।
Respect is the purest form of love.
🤝 ৮. যত্ন ও মনোযোগ
ছোট ছোট যত্ন ও মনোযোগ সম্পর্ককে করে জীবন্ত।
পুরুষ এসব মুহূর্তেই বুঝে— সে “বিশেষ”।
🌿 শেষ কথা:
নারীর আসল আকর্ষণ তার আত্মবিশ্বাস, বিনয়, রুচি, হাসি আর আবেগিক পরিপক্বতায়।
এই গুণই তাকে করে চিরকালীনভাবে স্মরণীয় ও অনন্য।
-Adapted

Thursday, November 13, 2025

ব্যর্থ প্রেম

 ট্রয় নগরী ধ্বংস হয়েছিল এক নারীর কারণে। তার নাম হেলেন। এটা সবাই জানি।

কিন্তু স্টেফানি আইজাক (Stefanie Isak) নামটি কয়জন জানি?
১৬ বছরের এই ই’হুদী মেয়েটার কারণে সারা পৃথিবী ধ্বংস হবার উপক্রম হয়েছিল।
ধনী ব্যবসায়ীর মেয়ে। একদিন রাস্তার ধারে বসে থাকা এক চিত্র শিল্পিকে দিয়ে সখ করে মেয়েটি তার একখানা ছবি আঁকাল। অসম্ভব রুপবতী এই নারীর ছবি আঁকতে গিয়ে মনের অজান্তে শিল্পি তার প্রেমে পড়ে গেল। ছেলেটির বয়স তখন ১৮।
তার স্বপ্ন চিত্রশিল্পী হওয়া। Academy of Fine Arts, Vienna-তে চেষ্টা করছে ভর্তি হবার জন্য। কিন্তু পারছে না।ছেলেটির সময় কাটে রাস্তার ধারে বসে ছবি এঁকে, আর মাঝে মাঝে পথচারীদের ছবি এঁকে দু-চার পয়সা রোজগার করে।
শিল্পীদের মন খুব রোমান্টিক হয়, এটাই স্বাভাবিক। তারপর দিন মেয়েটিকে সে propose করে বসল। মেয়েটি হ্যাঁ বা না কিছুই বলে নাই। ছেলেটি মাঝে মাঝেই মেয়েটির বাড়ীর সামনে বসে থাকত। যদি এক পলক মেয়েটিকে সে দেখতে পায়। উঁচু প্রাচীর ঘেরা বিশাল লোহার গেট। ছেলেটি তার পোষা কুকুরটিকে গেটের ফাঁক দিয়ে বাড়ীতে ঢুকিয়ে দিত। কুকুরটির মুখে থাকত প্রেমপত্র।
ভিয়েনা আসার সময় তার মা এই কুকুরটিকে তার সাথে দিয়েছিল। ছেলেটি খুব ভালবাসতো কুকুরটিকে। বলা যায় এই কুকুরটি ছিল তার মায়ের দেয়া শেষ উপহার। কারণ এর পর আর কোনদিন তার মা Klara-র সাথে তার দেখা হয়নি। তিনি মারা যান।
মেয়েটির পরিবার বিষয়টি আমলে নিল। ছেলেটি চালচুলোহীন রাস্তার ছেলে। তার উপর ইহুদী নয়। এই সম্পর্ক কিছুতেই সম্ভব নয়। আর ছেলের ভবিষ্যত বলে কিছুই নেই। কিন্তু ছেলেটি যে পাগলের মতন ভালবাসত মেয়েটিকে। উত্তর না পেলেও সে চিঠি লিখে যেত।
একদিন কুকুরের মুখে চিঠি দিয়ে আবার পাঠাল সেই বাড়ীতে। কিন্তু কুকুরটি আর ফিরে এল না। পরদিন ছেলেটি কুকুরটির মৃতদেহ খুঁজে পেল। নির্মম ভাবে মেরে ফেলা হয়েছে। অসম্ভব কষ্টে ছেলেটি কাঁদতে কাঁদতে ফিরে এল। আর কোনদিন ওই বাড়ীর সামনে সে যায়নি।
এই চালচুলোহীন ছেলেটি পরে যা করেছিল তা পৃথিবীর নির্মম ইতিহাস। বলা যায় ছেলেটি নিজ হাতে গত শতাব্দীর ইতিহাস লিখে গেছে।
ছেলেটির নাম এডলফ হিটলার।
-কোরা.কম