Tuesday, January 6, 2026

সুস্থ দেহের সঙ্গে সুস্থ মন

 "mens sana in corpore sano"

"A sound mind lives in a sound body"
সুস্থ দেহের সঙ্গে সুস্থ মন অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। এগুলোর মধ্যে কোনো একটির অনুপস্থিতিই সার্বিক সুস্থতাকে ব্যাহত করে। এ ক্ষেত্রে অবহেলা করলে পরবর্তী সময়ে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।
শরীর ভালো না থাকলে মনও সায় দেয় না।
সহজ অভ্যাসগুলো মেনে চলোঃ
সুষম খাবার: প্রতিদিনের তালিকায় প্রচুর শাকসবজি ও ফলমূল রাখুন। চিনির পরিমাণ কমিয়ে দিন।
পর্যাপ্ত ঘুম: শরীর ও মস্তিষ্ককে সতেজ রাখতে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করুন।
ব্যায়াম: জিমে যেতে না পারলেও প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাহাঁটি করুন।
মানসিক প্রশান্তি: মন ভালো রাখতে শখের কাজ করুন অথবা মেডিটেশন বা ইয়োগা ট্রাই করতে পারেন।
পানি পান: শরীরকে টক্সিনমুক্ত রাখতে সারা দিনে পরিমিত পানি পান করুন।

ডিমেনশিয়ার প্রথম সংকেত দেখা দেয় পায়ে

 মানব স্বাস্থ্য

ডিমেনশিয়ার প্রথম সংকেত দেখা দেয় পায়ে, জানালেন নিউরোসার্জন।
ডিমেনশিয়া হঠাৎ করেই আসে না। প্রকৃতপক্ষে, আপনার শরীর অনেক আগেই সতর্কবার্তা দিয়ে থাকে, যা
ডিমেনশিয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যদিও এই সংকেতগুলি সূক্ষ্ম হতে পারে, তবে সঠিক মনোযোগ দিলে তা ধরা সম্ভব।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে বিশ্বে প্রায় ৫৭ মিলিয়ন মানুষ ডিমেনশিয়ায় ভুগছিলেন এবং প্রতি বছর প্রায় ১০ মিলিয়ন নতুন রোগী শনাক্ত হচ্ছে। এর প্রাথমিক কিছু লক্ষণ ডিমেনশিয়ার ইঙ্গিত দেয়, তবে সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত একটি লক্ষণ শুরু হয় পায়ের মাধ্যমে। ভারতের অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (AIIMS)-এর প্রশিক্ষিত নিউরোসার্জন ডঃ অরুন এল. নাইক একটি ইনস্টাগ্রাম ভিডিওতে জানিয়েছেন, ডিমেনশিয়া মূলত পায়ের সমস্যা থেকে শুরু হতে পারে।
ডিমেনশিয়া কী?
অ্যালজাইমার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ডিমেনশিয়া হলো স্মৃতি, ভাষা, সমস্যা সমাধান এবং অন্যান্য চিন্তাশক্তি হারানোর একটি সাধারণ বিষয়, যা দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে। অ্যালজাইমার্স ডিমেনশিয়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণ। এটি একটি প্রগতিশীল স্নায়ুবিক অবস্থা, যা বয়স বাড়ার সাথে আরও খারাপ হয় এবং জীবনমানকে গুরুতরভাবে প্রভাবিত করে।
ডিমেনশিয়া শুরু হয় পায়ে
বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন, মস্তিষ্ককে তীক্ষ্ণ রাখাই ডিমেনশিয়া রোধের মূল চাবিকাঠি, তবে ডঃ নাইক পায়ের দিকে মনোযোগ দেওয়ার গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, "ডিমেনশিয়া আপনার মস্তিষ্কে নয়, পায়ে শুরু হতে পারে।"
ডঃ নাইক আরও জানিয়েছেন, শারীরিক ব্যায়াম ডিমেনশিয়া ঝুঁকি কমানোর অন্যতম কার্যকর উপায়। "শরীরচর্চার অভাব পেশী দুর্বল করে, যা স্যারকোপেনিয়ার সৃষ্টি করে। বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, দুর্বল পা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমিয়ে এবং ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।"
কীভাবে দুর্বল পা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়
ডঃ নাইক ব্যাখ্যা করেন, "সক্রিয় পেশী শক্তিশালী রাসায়নিক নিঃসরণ করে, যা মস্তিষ্কের জন্য সহায়ক। এই রাসায়নিকগুলোকে ব্রেইন-ডেরাইভড নিউরোট্রফিক ফ্যাক্টর বা BDNF বলা হয়, যা স্মৃতিশক্তির কেন্দ্র হিস্টোক্যাম্পাসের সংযোগ বাড়ায়। শক্তিশালী পা মানে বয়স বাড়ার সাথে সঠিক ভারসাম্য এবং অমন দুর্বল না হওয়া। ৬৫ বছরের পর পড়ে যাওয়া খুবই বিপজ্জনক।"
২০২০ সালে নিউরোলজি জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স্কদের ধীর গতিতে হাঁটা মস্তিষ্কের আকার ছোটায় এবং চিন্তাশক্তি হ্রাসের ঝুঁকি বাড়ায়। "হাঁটা শুধুই শারীরিক কাজ নয়, এটি সম্পূর্ণ মস্তিষ্কের ব্যায়াম," তিনি যোগ করেন।
হাঁটা কীভাবে মস্তিষ্ককে রক্ষা করে
হাঁটা একটি সহজ এবং কার্যকর ব্যায়ামের মাধ্যম এবং এটি মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধির সঙ্গে যুক্ত। "প্রতিটি পদক্ষেপে ফ্রন্টাল লোব, সেরিবেলাম, স্পাইনাল কর্ড এবং প্রোপ্রিওসেপ্টিভ ফিডব্যাক লুপের সমন্বয় ঘটে," ডঃ নাইক ব্যাখ্যা করেছেন।
তিনি আরও বলেছেন, "হাঁটা রক্ত সঞ্চালনও বৃদ্ধি করে। পায়ের আন্দোলন মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ বাড়িয়ে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ সরবরাহ করে এবং বিষাক্ত পদার্থ দূর করে। হাঁটার ধরন, ভারসাম্য বা গতির পরিবর্তন বছরের পর বছর স্মৃতির সমস্যার আগেই সতর্কবার্তা দেয়।"
ডিমেনশিয়া ঝুঁকি কমানোর সহজ উপায়- ডঃ নাইক কিছু কার্যকর টিপস শেয়ার করেছেন:
১)প্রতিদিন ৩০ মিনিট দ্রুতগতিতে হাঁটা।
২)ব্যালান্স ব্যায়াম যেমন ট্যান্ডেম ওয়াকিং ও এক পায়ে দাঁড়ানো অন্তর্ভুক্ত করা।
৩)ডুয়াল-টাস্ক ওয়াকিং, যেমন হাঁটা চলাকালীন কথা বলা বা সহজ মানসিক কাজ করা।
৪)নিম্নাঙ্গের পেশী শক্তিশালী করতে স্ট্রেংথ ট্রেনিং।
৫)দীর্ঘ সময় বসে থাকা এড়িয়ে প্রতি ঘণ্টায় শরীর নড়াচড়া করা।
ডঃ নাইক সতর্ক করেছেন, "আপনার পা ধীরগতিতে চললে, মস্তিষ্কও ধীরগতিতে চলতে পারে। পায়ের যত্ন নিন, মস্তিষ্ককে রক্ষা করুন।" তিনি আরও বলেছেন, "৬০-এর পরেও শুরু করলে ডিমেনশিয়া ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। শক্ত পা মানে তীক্ষ্ণ মস্তিষ্ক। ৪০-এর দশক থেকেই শুরু করা উচিত।"
ডিমেনশিয়া প্রতিরোধ করতে কোনো জটিল সাপ্লিমেন্ট বা বিশেষ খাবারের প্রয়োজন নেই, প্রতিদিনের সহজ চলাচলই মস্তিষ্ককে সুরক্ষিত রাখতে পারে এবং ডিমেনশিয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।
আফরোজা
তথ্যসূত্র : জনকণ্ঠ
World Vision (বিশ্ব দর্শন)


“যখন যেমন, তখন তেমন; সাহাকে যেমন তাহাকে তেমন; যেখানে যেমন, সেখানে তেমন।”

 উক্তিটি মূলত 'অভিযোজন ক্ষমতা' বা পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার এক চমৎকার দর্শন।

দ্রুত পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে এই গুণটি আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। ব্যাখ্যা দেয়া যেতে পারেঃ
১. উপযুক্ততা ও বুদ্ধিমত্তা: এটি সুবিধাবাদ নয়, বরং বুদ্ধিমত্তার পরিচয়। পরিবেশ অনুযায়ী আচরণ পরিবর্তন করা সামাজিক ও পেশাদার জীবনে টিকে থাকার অন্যতম মূলমন্ত্র।
২. মানসিক নমনীয়তা: "যখন যেমন, তখন তেমন" হওয়া মানে হলো একগুঁয়েমি ত্যাগ করা। এটি মানুষের মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
৩. সম্পর্কের ভারসাম্য: "সাহাকে যেমন তাহাকে তেমন" অর্থাৎ ব্যক্তির গুরুত্ব ও ধরন বুঝে তার সাথে ব্যবহার করা। এটি আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও কার্যকর করে তোলে।
৪. কৌশলগত অবস্থান: "যেখানে যেমন, সেখানে তেমন" নীতিটি কাজের ক্ষেত্রে বা অপরিচিত পরিবেশে নিজেকে নিরাপদ রাখতে এবং লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে।
তবে এর একটি ছোট সতর্কতা আছে—পরিস্থিতির সাথে বদলাতে গিয়ে যেন নিজের মূল আদর্শ বা সততা হারিয়ে না যায়। ব্যক্তিত্বের মেরুদণ্ড শক্ত রেখে পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়াই হলো প্রকৃত সার্থকতা।

কেউ যদি তোমাকে অশ্লীল বলে আর যদি সেটা সত্যি হয় তবে নিজেকে সংশোধন করোঃ

 কথাটি একদম ঠিক। এটি একটি গঠনমূলক এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি।

নিজের ভুল বা ত্রুটি স্বীকার করা এবং তা সংশোধন করা প্রকৃত বুদ্ধিমত্তার পরিচয়। যদি কেউ আমার কোনো আচরণ বা উত্তরের মধ্যে কোনো অসংগতি বা অশ্লীলতা খুঁজে পান, তবে আমি অবশ্যই সেটি পর্যালোচনার মাধ্যমে নিজেকে উন্নত করার চেষ্টা করব। কারণ, গঠনমূলক সমালোচনা মানুষকে (এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকেও) আরও নির্ভুল ও মার্জিত হতে সাহায্য করে।
মানুষের লক্ষ্য সবসময় হওয়া উচিত সঠিক, মার্জিত এবং কার্যকর তথ্য প্রদান করা।

চমৎকার দার্শনিক চিন্তা

 যে “অধিক more” ও “প্রচুর enough” এ দুটোর মধ্যে তফাত খুঁজে পায় সে ই সুখী মানুষ।

চমৎকার দার্শনিক চিন্তা। সুখী হওয়ার জন্য এই সূক্ষ্ম পার্থক্যটি বুঝতে পারা সত্যিই একটি বড় শিল্প। মানসিক প্রশান্তি মূলত চাহিদার সীমারেখা টানতে পারার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে।
বিষয়টি এভাবে দেখা যেতে পারে:
'অধিক' (More): এটি একটি অন্তহীন দৌড়। মানুষ যখন যা আছে তার চেয়ে কেবল বেশির পেছনে ছোটে, তখন তার মধ্যে অতৃপ্তি দানা বাঁধে। 'অধিক'-এর কোনো শেষ নেই, তাই এটি অনেক সময় লোভ বা অস্থিরতার জন্ম দেয়।
'প্রচুর' বা 'যথেষ্ট' (Enough): এটি হলো সন্তুষ্টির বিন্দু। যখন কেউ উপলব্ধি করে যে তার যা আছে তা তার প্রয়োজন মেটানোর জন্য যথেষ্ট, তখন তার মনে এক ধরণের স্থিরতা ও শান্তি আসে।
সহজ কথায়, যে ব্যক্তি 'লোভ' এবং 'প্রয়োজন'-এর মাঝখানের দেয়ালটি চিনতে পারে, পৃথিবীর কোনো অপূর্ণতা তাকে দমাতে পারে না।
সুখ আসলে বাইরের বস্তুতে নয়, বরং নিজের ভেতরের এই 'যথেষ্ট' বোধের মধ্যেই বাস করে।

দার্শনিক ভাবনা

 আমি তখন হাসি যখন লোকে বলে, “মাছ পানিতে থেকেও কেন তৃষ্ণার্ত?” তা’হলে জীবনটাকি তৃষ্ণায় ভরা?

এই দার্শনিক ভাবনাটি বেশ গভীর। মাছ যেমন পানিতে ডুবে থেকেও পানিকে আলাদাভাবে অনুভব করতে পারে না, মানুষও তেমনি সুখ, ভালোবাসা বা জীবনের সার্থকতা হাতের কাছে পেয়েও অনেক সময় অতৃপ্তিতে ভোগে।
জীবন কি তৃষ্ণায় ভরা? এর উত্তরটা অনেকটা দৃষ্টিভঙ্গির ওপর নির্ভর করে:
১. অপ্রাপ্তির তৃষ্ণা: মানুষ স্বভাবতই যা নেই তার পেছনে ছোটে। এই চাওয়া-পাওয়ার খেলাটাই জীবনকে গতিশীল রাখে, আবার অনেক সময় ক্লান্তও করে তোলে। গৌতম বুদ্ধের দর্শন অনুযায়ী, তৃষ্ণাই সব দুঃখের মূল।
২. আবিষ্কারের তৃষ্ণা: অন্যদিকে, এই 'তৃষ্ণা' বা কৌতুহল না থাকলে মানুষ অজানাকে জানত না। জীবনের রস আস্বাদনের জন্য কিছুটা পিপাসা থাকা জরুরি; কারণ তৃষ্ণা আছে বলেই পানির স্বাদ এতো মিষ্টি লাগে।
জীবন আসলে এক বিশাল সমুদ্র। আমরা মাছের মতোই সেই জীবন-সমুদ্রে সাঁতার কাটছি। তৃষ্ণাটা জীবনের অভাব নয়, বরং এটি জীবনেরই একটি অংশ যা আমাদের এগিয়ে নিয়ে যায়। আপনি যদি তৃষ্ণাটুকু উপভোগ করতে পারেন, তবে জীবনটা আর মরুভূমি মনে হবে না।
আমি ওপরের কথাগুলো ইতিবাচক ভাবেই দেখি। কেননা, অভাব তো শেষ হওয়ার নয়। তৃপ্তিই আসল।
ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিই আসলে শান্তিতে থাকার মূল মন্ত্র।
প্রকৃতপক্ষে, অভাব হলো বাইরের জগত আর তৃপ্তি হলো ভেতরের অবস্থা। অভাবকে দূর করে কেউ কখনো তৃপ্ত হতে পারেনি, কারণ একটি অভাব পূরণ হলে দশটি নতুন অভাব সামনে এসে দাঁড়ায়। মাছ যেমন পানিতে মিশে থাকে, তেমনি আমরা যদি জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের সাথে মিশে গিয়ে "তৃপ্তি" খুঁজে পাই, তবেই সেই অন্তহীন পিপাসা মেটে।
সহজ কথায়, আপনার দর্শন বলে—গ্লাস অর্ধেক খালি না দেখে, গ্লাসটি যে পানিতে পূর্ণ তা উপভোগ করাই হলো সার্থকতা। তৃপ্তি যদি মনের গভীরে থাকে, তবে জীবনের সমুদ্র আর নোনা লাগে না, বরং তা হয়ে ওঠে অফুরন্ত রসদ।
যখন কেউ বিশ্বাস করে যে তার সবকিছুর মালিক আল্লাহ, তখন তার মনের অস্থিরতা কেটে যায়। মাছ যেমন পানি ছাড়া বাঁচতে পারে না, মুমিনের অন্তরও তেমনি আল্লাহর জিকির আর সান্নিধ্য ছাড়া প্রকৃত তৃপ্তি পায় না।
কুরআনের সেই বিখ্যাত আয়াতের কথা মনে পড়ে যায়:
"জেনে রেখো, আল্লাহর স্মরণেই কেবল অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়।" (সূরা আর-রাদ: ২৮)
এই "পরম তৃপ্তি" বা 'নফসে মুতমায়িন্নাহ' (প্রশান্ত আত্মা) অর্জন করতে পারাটাই জীবনের শ্রেষ্ঠ পাওয়া। যখন আপনি সিজদায় গিয়ে সব দুঃখ আর চাহিদার কথা তাঁর কাছে বলে দেন, তখন এক অদ্ভুত হালকা অনুভূতি কাজ করে, যা অন্য কোথাও পাওয়া অসম্ভব।


নামাজ আদায় করো সঠিক সময়ে!!

ইস্ কতো ছুঁতো, কত অবহেলায় আমরা সঠিক সময়ে সালাত আদায় করি না। অথচ দুনিয়র সব কাজ সঠিক সময়েই হয়ে যাচ্ছে কেবল আখিরাতের সওদা কিনতে আমরা মানুষেরা বড়ই গাফিল।