Tuesday, January 6, 2026

“যখন যেমন, তখন তেমন; সাহাকে যেমন তাহাকে তেমন; যেখানে যেমন, সেখানে তেমন।”

 উক্তিটি মূলত 'অভিযোজন ক্ষমতা' বা পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার এক চমৎকার দর্শন।

দ্রুত পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে এই গুণটি আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। ব্যাখ্যা দেয়া যেতে পারেঃ
১. উপযুক্ততা ও বুদ্ধিমত্তা: এটি সুবিধাবাদ নয়, বরং বুদ্ধিমত্তার পরিচয়। পরিবেশ অনুযায়ী আচরণ পরিবর্তন করা সামাজিক ও পেশাদার জীবনে টিকে থাকার অন্যতম মূলমন্ত্র।
২. মানসিক নমনীয়তা: "যখন যেমন, তখন তেমন" হওয়া মানে হলো একগুঁয়েমি ত্যাগ করা। এটি মানুষের মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
৩. সম্পর্কের ভারসাম্য: "সাহাকে যেমন তাহাকে তেমন" অর্থাৎ ব্যক্তির গুরুত্ব ও ধরন বুঝে তার সাথে ব্যবহার করা। এটি আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও কার্যকর করে তোলে।
৪. কৌশলগত অবস্থান: "যেখানে যেমন, সেখানে তেমন" নীতিটি কাজের ক্ষেত্রে বা অপরিচিত পরিবেশে নিজেকে নিরাপদ রাখতে এবং লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে।
তবে এর একটি ছোট সতর্কতা আছে—পরিস্থিতির সাথে বদলাতে গিয়ে যেন নিজের মূল আদর্শ বা সততা হারিয়ে না যায়। ব্যক্তিত্বের মেরুদণ্ড শক্ত রেখে পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়াই হলো প্রকৃত সার্থকতা।

No comments:

Post a Comment